📄 মসজিদে প্রবেশের আদব ও দু‘আ
প্রথমে ডান পা দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করব এবং নিম্নের দু'আ পড়ব। অতঃপর দু' রাক্'আত সালাত আদায় করে তারপর বসব, কেননা সালাত না পড়ে বসা নিষেধ।
بِسْمِ اللَّهِ ، وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ - اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ .
উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হ, ওয়াস্ সলা-তু ওয়াস্ সালা-মু 'আলা- রসূলিল্লা-হ, আল্ল-হুম্মাফ্ তাহলী আওয়া-বা রহমাতিক।
অর্থ : আল্লাহর নামে (প্রবেশ করছি), দরূদ ও সালাম রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি। হে আল্লাহ! তুমি আমার জন্য তোমার রহমাতের দরজা খুলে দাও।
টিকাঃ
২৯ সহীহ মুসলিম, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ, আবূ দাউদ, দ্রঃ ফিকহুল আঈয়্যাহ্ ওয়াল আফ্ফার ৩/১১৯।
📄 মসজিদ হতে বের হওয়ার আদব ও দু‘আ
প্রথমে বাম পা দিয়ে মসজিদ হতে বের হব এবং নিচের দু'আ পড়ব।
بِسْمِ اللَّهِ وَالصَّলَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ - اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ .
উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হ, ওয়াস্ সলা-তু ওয়াস্ সালা-মু 'আলা- রসূলিল্লা-হ, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন্ ফাব্লিক।
অর্থ : আল্লাহর নামে (বের হচ্ছি), দরূদ ও সালাম রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি। হে আল্লাহ! আমি তোমার অনুগ্রহ প্রার্থনা করি।
টিকাঃ
৩০ সহীহ মুসলিম, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ, আবূ দাউদ, দ্রঃ ফিকহুল আঈয়্যাহ্ ওয়াল আফ্ফার ৩/১২০।
📄 আযানের আদব ও দু‘আ
সালাতের সময় হলে অযু করে কিবলামুখী হয়ে দুই কানে দুই শাহাদাত আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে উঁচু আওয়াজে নিচের শব্দগুলো দিয়ে আযান দিতে হয়।
আযানের শব্দগুলো (কালিমাসমূহ) :
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ (আল্ল-হু আকবার আল্লা-হু আকবার) ২ বার,
তারপর أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ (আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ) ২ বার।
তারপর أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ (আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ) ২ বার।
তারপর ডান দিকে মুখ ফিরিয়ে বলতে হবে حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ (হাইয়্যা 'আলাস সালা-হ, অর্থাৎ- সালাতের দিকে এসো) ২ বার।
তারপর বাম দিকে মুখ ফিরিয়ে বলতে হবে حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ (হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ, অর্থাৎ- মুক্তির দিকে এসো) ২ বার।
তারপর কিবলামুখী হয়ে বলতে হবে- اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ (আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার) ১ বার।
অতঃপর لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ (লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ) ১ বার।
ফজরের আযানে “হাইয়্যা 'আলাল্ ফালা-হ্” বলার পর الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِّنَ النَّوْمِ (আস্সালা-তু খাইরুম মিনান্নাওম, অর্থাৎ- ঘুমের চেয়ে সালাত উত্তম) ২ বার বলে বাকী অংশ পূর্ণ করতে হবে।
এভাবে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যুগে আযান দেয়া হতো এবং বিলাল (রাঃ)-কে এ নিয়মে আযান দেয়ার আদেশ করা হতো।
টিকাঃ
৩১ সহীহ আবু দাউদ- হাঃ ৫১৫-৫২২।
৩২ সহীহুল বুখারী- হাঃ ৬০৩, সহীহ মুসলিম- হাঃ ৩৭৮।
📄 আযানের জবাব ও দু‘আ
যে ব্যক্তি মুয়াযযিনের আযান শুনে জবাব দিবে, অতঃপর দরূদ পড়ে নিম্নের দু'আ পড়বে, সে রাসূল ﷺ-এর শাফা'আত অবশ্যই পাবে।
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ، أَتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَّحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ .
উচ্চারণ : আল্ল-হুম্মা রব্বা হা-যিহিদ্ দা'ওয়াতিত্ তা-ম্মাহ্, ওয়াস্ সলা- তিল কু-য়িমাহ্, আ-তি মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়াল ফাযীলাহ্, ওয়ার্'আস্থ মাক্কা-মাম্ মাহমূদা নিল্লাযী ওয়া'আত্তাহ।
অর্থ : হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের তুমিই রব! মুহাম্মাদ ﷺ-কে অসীলা নামক স্থান ও মর্যাদা দান কর। তুমি তাঁকে সেই প্রশংসিত স্থানে পৌঁছে দাও, যা তাঁকে প্রদানের ওয়াদা করেছ।
টিকাঃ
৩৩ সহীহুল বুখারী- হাঃ ৬১৪।