📘 চোগলখোর ও গীবতকারীর পরিনতি > 📄 প্রতিবেশীর নির্দিষ্ট হাক্ব ও অধিকার

📄 প্রতিবেশীর নির্দিষ্ট হাক্ব ও অধিকার


প্রতিবেশীর অধিকার সংরক্ষণ করতে হলে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে এবং সকল দিক দিয়ে তাকে সহায়তা করতে হবে। পাশাপাশি উভয়ের ঘর থাকলে একজন অপর জনকে ছাড় দিতে হবে। এমনকি একজনের প্রাচীরে অন্য জনের খুঁটি গাড়তে হয় তবু তা দিতে হবে। কেননা খুঁটি গাড়তে না দিতে নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : لَا يَمْنَعُ جَارَهُ أَنْ يَغْرِزَ خَشَبَةً فِي جِدَارِهِ ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ مَالِي أَرَاكُمْ عَنْهَا مُعْرِضِينَ وَاللَّهِ لَارْمِينَ بَيْنَ أَكْتَافِكُمْ *
আবূ হুরাইরাহ রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: এক প্রতিবেশী যেন নিজের দেয়ালের সাথে অপর প্রতিবেশীকে খুঁটি গাড়তে নিষেধ না করে। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ রযিআল্লাহু আনহু বলেন: আমি তোমাদেরকে এ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে দেখছি। আল্লাহর শপথ! আমি এটা দ্বারা তোমাদের ঘাড়ে আঘাত করবো। -বুখারী, মুসলিম।
عَنْ مُعَاوِيَةَ بْن حَيْدَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : حَقَّ الْجَارِ إِنْ مَرِضَ عَدتَهُ وَإِنْ مَاتَ شَيْعَتَهُ وَإِنِ اسْتَقْرَضَكَ أَقْرَضْتَهُ وَإِنْ أَعُورَ سَتَرْتَهُ وَإِنْ أَصَابَهُ خَيْرٌ هَنَّانَهُ وَإِنْ أَصَابَتْهُ مُصِيبَةٌ عَزَّيْتَهُ وَلَا تَرْفَعْ بِنَانَكَ فَوْقَ بِنَائِهِ فَتَسُدَّ عَلَيْهِ الرِّيحَ وَلَا تُؤْذِهِ بِرِّيحِ قَدْرِكَ إِلَّا أَنْ تَغْرِفَ لَهُ مِنْهَا *
মুয়াবিয়াহ বিন হাইদাহ রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: প্রতিবেশীর হাক্ব হচ্ছে- (১) সে অসুস্থ হলে দেখতে যাবে; (২) মৃত্যুবরণ করলে জানাযায় যাবে; (৩) ঋণ (কর্জ) চাইলে ঋণ দিবে; (৪) উলঙ্গ বা কোন দোষ প্রকাশ পেলে ঢেকে দিবে; (৫) সূখি দেখলে স্বাগতম জানাবে; (৬) বিপদে পড়লে শান্তনা দিবে; (৭) তার ঘরের থেকে এমন উঁচু ঘর তৈরী করবে না যাতে তার বাতাস বন্ধ হয়ে যায়; (৮) তোমার পাতিলের সুঘ্রাণে তাকে কষ্ট দিও না; সেখান থেকে এক মুঠো তাকে দিও। -তবারানী, আনওয়ারুল হাদীস- ৫১৫ নং হাদীস
عَنْ عَمْرِ وَبِنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : «مَنْ أَغْلَقَ بَابَهُ دُونَ جَارِهِ مَخَافَةَ عَلَى أَهْلِهِ وَمَالِهِ فَلَيْسَ ذَلِكَ بِمُؤْمِنِ، وَلَيْسَ بِمُؤْمِنٍ مَنْ لَمْ يَأْمَنُ جَارَهُ بَوَائِقَهُ، أَتَدْرِي مَا حَقُّ الْجَارِ إِذَا اسْتَعَانَكَ أَعَنْتَهُ، وَإِذَا اسْتَقَرَضَكَ أَقْرَضْتَهُ، وَإِذَا افْتَقَرَ، عُدْتَ عَلَيْهِ، وَإِذَا مرض عدتَهُ، وَإِذَا أَصَابَهُ خَيْرٌ هَنَّتَهُ، وَإِذَا أَصَابَتْهُ مُصِيبَةٌ عَزَّيْتَهُ، وَإِذَا مَاتَ اتَّبَعْتَ جَنَازَتَهُ، وَلَا تَسْتَطِيلُ عَلَيْهِ بِالْبَنْيَانِ فَتَحْجُبُ عَنْهُ الرِّيحُ إِلَّا بِإِذْنِهِ، وَلَا تُؤْذِهِ بِقَتَارِ رِيحِ قَدْرِكَ إِلَّا أَنْ تَعْرِفَ لَهُ مِنْهَا ، وَإِنْ اشْتَرَيْتَ فَاكِهَةٌ فَأَهْدِ 60 لَهُ، فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُ فَأَدْخِلْهَا سِرًّا ، وَلَا يَخْرُجُ بِهَا وَلَدُكَ لِيَغِيظَ بِهَا وَلَدَهُ *
আমর ইবনু শুয়াইব- নিজ পিতা হতে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে প্রতিবেশীর দ্বারা পরিবারের জান ও মালের ক্ষতি হবে- এই ভয়ে অন্যেরা ঘরের দরজা বন্ধ রাখে, সে প্রতিবেশী মু'মিন নয়। যার প্রতিবেশী তার ক্ষতি থেকে নিরাপদ হয় না, সে মু'মিন নয়। প্রতিবেশীর হাক্কু কি জান? যখন সে তোমার কাছে সাহায্য চাইবে, তখন তাকে সাহায্য করবে। যখন সে ঋণ চাইবে, তখন তাকে ঋণ দেবে। যখন সে দরিদ্র হয়ে যায়, তখন তার খোঁজ-খবর নেবে। যখন সে রোগাক্রান্ত হয়, তখন তাকে দেখতে যাবে। যখন তার কোন সফলতা লাভ হয়, তখন তাকে অভিনন্দন জানাবে। যখন তার কোন বিপদ আসে, তখন তাকে সান্ত্বনা ও মনোবল দেবে। যখন সে মারা যায় তখন তার জানাযায় শরীক হবে। তার অনুমতি ছাড়া তার পাশে উঁচু ভবন তৈরী করে তার বাতাস বন্ধ করোনা। তোমার হাড়িতে যে খাবার তৈরী হবে, তার ঘ্রাণ ছড়িয়ে যেতে দিয়ে কষ্ট দিও না। ঘ্রাণ ছড়িয়ে গেলে ঐ খাবার থেকে দরিদ্র প্রতিবেশীকে কিছু দিও, ফল কিনলে তাকে কিছু ফল উপহার দিও, দিতে না পারলে গোপনে নিয়ে এসো, এবং প্রতিবেশীর শিশুকে প্রলুব্ধ করার জন্য তোমার শিশু সন্তানকে তা হাতে নিয়ে বেরুতে দিয়ো না।
-খারায়েতী, আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব ৩য় খণ্ড ১৩০৪ নং হাদীস।
দুঃখের বিষয়! বর্তমানে অনেক লোকই প্রতিবেশীর হাক্বগুলোকে সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যত্নবান হন না। এমনকি তাদের প্রতিবেশীগণ তাদের অন্যায় আচরণের কারণে শান্তিতে বসবাস করতে পারছে না। ফলে তারা সব সময়ই ঝগড়া ফ্যাসাদে লিপ্ত রয়েছে এবং প্রতিবেশীকে কথা ও কাজে ব্যাথা দিচ্ছে। আর এরূপ আচরণ নিঃসন্দেহে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের নির্দেশের পরিপন্থী। মুসলিমদের মধ্যে বিচ্ছেদ, অন্তরের দূরত্ব এবং একে অন্যের সম্মান বিনষ্টকরণের এটাই হচ্ছে বড় কারণ।

📘 চোগলখোর ও গীবতকারীর পরিনতি > 📄 প্রতিবেশীর অভিযোগ

📄 প্রতিবেশীর অভিযোগ


প্রতিবেশীর সম্পর্কে অভিযোগ আসলে তাকে এমন পরামর্শ দেয়া উচিত যাতে অপর প্রতিবেশী তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। নিজের ভুল বুঝতে পারে সংশোধন হতে পারে, যেভাবে নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়েছেন:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي جَارُ يُؤْذِينِي فَقَالَ: انْطَلِقُ فَاخْرُجْ مَتَاعَكَ إِلَى الطَّرِيقِ فَأَخْرَجَ مَتَاعَهُ فَاجْتَمَعَ النَّاسُ عَلَيْهِ فقَالُوا مَا شَأْنَكَ قَالَ لِي جَارُ يُؤْذِينِي فَذَكَرْتُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : انْطَلِقُ فَاخْرُجْ مَتَاعَكَ إِلَى الطَّرِيقِ فَجَعَلُوا يَقُولُونَ اللهُمُ الْعَنْهُ اللهُم أُخْزِهِ مَبْلَغَهُ فَأَتَاهُ فَقَالَ ارْجِعْ إِلَى مَنْزِلِكَ فَوَاللَّهِ لَا أَوْذِيْكَ
আবূ হুরাইরাহ রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: এক ব্যক্তি বললো : হে আল্লাহর রসূল! আমার এক প্রতিবেশী আছে সে আমাকে কষ্ট দেয়। তিনি বললেন: তুমি ফিরে গিয়ে তোমার ঘরের আসবাবপত্র রাস্তায় ফেলে দাও। অতএব সে ফিরে গিয়ে তার আসবাবপত্র বাইরে ফেলে দিলো। এতে তার ঘরের সামনে লোকজন একত্র হয়ে জিজ্ঞেস করলো, তোমার কি হয়েছে? সে বললো: আমার এক প্রতিবেশী আছে, সে আমাকে কষ্ট দেয়। আমি তা নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বললে, তিনি বললেন: যাও ঘরে গিয়ে তোমার আসবাবপত্র রাস্তায় ফেলে দাও। তখন তারা বলতে লাগলো, হে আল্লাহ! তার উপর তোমার অভিসম্পাত, হে আল্লাহ! তাকে লাঞ্ছিত করো। বিষয়টি প্রতিবেশী জানতে পেরে সেখানে এসে বললো: তুমি তোমার ঘরে ফিরে যাও। আল্লাহর শপথ! আমি তোমাকে আর কষ্ট দিবো না।
-বুখারী আদাবুল মুফরাদ; আলবানী হাদীসটি হাসান সহীহ বলেছেন

📘 চোগলখোর ও গীবতকারীর পরিনতি > 📄 প্রতিবেশীকে খাদ্য দান

📄 প্রতিবেশীকে খাদ্য দান


একজন প্রতিবেশীর উপর তার অপর প্রতিবেশীর হাক্ব হচ্ছে যে, উক্ত প্রতিবেশী যেন তার সাধ্যানুসারে তার ধন-সম্পদ, মান-মর্যাদা, কল্যাণকারীতা ও খাদ্য প্রদানের মাধ্যমে তার সাথে সদ্ব্যবহার করে। না পারলে একটু ঝোল দিয়ে হলেও যেন সে প্রতিবেশীকে খাদ্যে শরীক করে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : يَا نِسَاءَ المُسْلِمَاتِ يَا نِسَاءَ الْمُسْلِمَاتِ لَا تَحْقِرَنَّ جَارَةً لِجَارَتِهَا وَلَوْ فِرْسَنَ شَاةٍ *
আবূ হুরাইরাহ রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: হে মুসলিম নারীগণ! হে মুসলিম নারীগণ! কোন প্রতিবেশীনী যেন তার অপর প্রতিবেশীনীকে বকরীর ক্ষুর উপঢৌকন দেয়াকেও তুচ্ছ মনে না করে। -বুখারী, মুসলিম, আদাবুল মুফরাদ- ১২২ নং হাদীস
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي جَارِينِ فَإِلَى أَيُّهُمَا أُهْدِى؟ قَالَ إِلَى أَقْرَبِهِمَا مِنْكَ بَابًا *
. আয়িশাহ রযিআল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার দু'জন প্রতিবেশী রয়েছে, তাই আমি এদের মধ্য থেকে কাকে হাদিয়া বা উপঢৌকন দিবো? নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : যার ঘরের দরজা তোমার অধিক নিকটবর্তী। -বুখারী, ইবনু কাসীর ১ম খণ্ড ৬৫৮ পৃষ্ঠা; আনওয়ারুল হাদীস- ২৪১ পৃষ্ঠা
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ وَلَا يُبْدَءُ بِجَارِهِ الْأَقْصَى قَبْلَ الْأَدْنَى وَلَكِنْ يُبْدَأُ بِالْأَدْنَى قَبْلَ الْأَقْصَى *
আবূ হুরাইরা রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: নিকটবর্তী প্রতিবেশীকে বাদ দিয়ে দূরতর প্রতিবেশী থেকে (উপঢৌকনাদি প্রেরণ) শুরু করা যাবে না, বরং দূরবর্তী জনের পূর্বে নিকটবর্তী জন থেকে তা শুরু করতে হবে। -আল-আদাবুল মুফরাদ ১০৯ নং হাদীস।

📘 চোগলখোর ও গীবতকারীর পরিনতি > 📄 প্রতিবেশীকে খাদ্য না দিয়ে আহার করা

📄 প্রতিবেশীকে খাদ্য না দিয়ে আহার করা


নিজেকে মু'মিন হিসেবে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রতিবেশীকে খাদ্য প্রদান করা অবশ্যই কর্তব্য। প্রতিবেশীকে অভুক্ত রেখে নিজে পেট পুরে খাওয়া মোটেই সমীচীন নয়। যথাসাধ্য প্রতিবেশীকে খাদ্য প্রদান করতে হবে। কারণ প্রতিবেশীকে খাদ্য দান করলে ঈমান টিকে থাকবে।
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا يُؤْمِنُ عَبْدُ حَتَّى يُحِبُّ لِجَارِهِ أَوْ قَالَ لِأَخِيهِ مَا يُحِبُّ 6 لِنَفْسِهِ رَوَاهُ مُسْلِم
আনাস রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যাঁর হাতে আমার প্রাণ! সেই মহান আল্লাহর কসম! কোন বান্দা নিজের জন্য যা পছন্দ করে তার প্রতিবেশীর জন্যও তা পছন্দ না করা পর্যন্ত সে মু'মিন হতে পারবে ন। -মুসলিম, আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব ৩য় খণ্ড ১২৯৬ নং হাদীস।
عَنْ ابْنِ الزُّبَيْرِ يَقُولُ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : لَيْسَ الْمُؤْمِنُ الَّذِي يَشْبَعُ وَجَارُهُ جَائِعٌ *
আব্দুল্লাহ বিন যুবাইর রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেন : আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি- যে ব্যক্তি তার প্রতিবেশীকে অভূক্ত রেখে তৃপ্তিসহকারে আহার করে- সে মু'মিন নয়। -আদাবুল মুফরাদ- ১১২ নং, হাদীসটি সহীহ।
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ * مَا أَمِنَ بِي مَنْ بَاتَ شَبْعَانَ وَجَارَهُ جَائِعٌ إِلى جَنْبِهِ وَهُوَ يَعْلَمُ بِهِ *
আনাস রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ঐ ব্যক্তি আমার প্রতি ঈমানই রাখে না, যে পেট ভরে রাত কাটায় অথচ তার জানা সত্ত্বেও তার পাশেই তার প্রতিবেশী উপোস থাকে। -মুসনাদ বায্যার, আনওয়ারুল হাদীস- ২৪০ পৃষ্ঠা

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00