📄 প্রতিবেশীর হাক্বের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ ও নসীহত
عَنْ أَبِي ذَرٍ قَالَ أَوْصَانِي خَلِيلِي بِثَلاَثِ أَسْمَعُ وَأَطِيعُ لِعَبْدِ مُجَدَّعِ الأَطْرَافِ وَإِذَا صَنَعْتَ مَرَقَةً فَاكْثِرُ مَاءَهَا ثُمَّ انْظُرْ أَهْلَ بَيْتِ مِنْ خَيْرَانِكَ فَاصِبْهُمْ مِنْهُ بِمَعْرُوفِ وَفِي رَوَايَةٍ يَا أَبَا ذَرِّ إِذَا طَبَخْتَ مَرَقَةً فَاكْثِرُ مَاءَ المرقة وتَعاهَدُ جِيرَانَكَ أَوْ أَقْسِمْ فِي جِيرَانِكَ *
আবূ যার রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেন : আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তিনটি উপদেশ দিয়েছেন- নেতা নাক-কান কাটা দাস হলেও তার আদেশ শুনবে ও মানবে। তরকারী রান্না করলে তাতে পানি দিয়ে ঝোল বেশী করবে। অতঃপর প্রতিবেশীর দিকে দেখবে এবং সদিচ্ছার সাথে তা পৌঁছে দিবে। অন্য বর্ণনায় নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে আবূ যার! তুমি তরকারী রান্না করলে তাতে পানি দিয়ে ঝোল বেশি করবে এবং প্রতিবেশীর মাঝে তা বিতরণ করবে। -মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইমাম বুখারীর আদাবুল মুফরাদ- ১১২-১১৩ নং হাদীস
عَنْ عَائِشَةَ وَابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّي اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : مَا زَالَ جِبْرِيلُ يَوْصِينِي بِالْجَارِ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ سَيُورَتُهُ *
আয়িশাহ রযিআল্লাহু আনহু ও আব্দুল্লাহ বিন উমার রযিআল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত; তাঁরা নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জিবরাঈল আলাহিস সালাম আমাকে প্রতিবেশী সম্পর্কে এতো বেশী নসীহত করতে থাকেন যে, আমি ধারণা করলাম তিনি হয়তো প্রতিবেশীকে ওয়ারিশ বানিয়ে দিবেন। -বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, ইবনু মাজাহ, ইবনু হিব্বান, ইবনু কাসীর ১ম খণ্ড ৬৫৭ পৃষ্ঠা
عَنْ أَبِي شُرَيْحِ الْخُزَاعِيِّ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُحْسِنُ جَارَهُ
আবূ শুরাইহ আল-খুযায়ী রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন; নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার প্রতিবেশীর প্রতি সৎ-সদয় আচরণ করেন। -বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, ইবনু মাজাহ, আদাবুল মুফরাদ- ১০১ নং হাদীস
عَنْ عَمْرِو بنِ مَعَاذِ الْأَشْهَلِي عَنْ جَدَتِهِ أَنَّهَا قَالَتْ قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا نِسَاءَ الْمُؤْمِنَاتِ لَا تَحْقِرَنَ امْرَأَةٌ مِنْكُنَّ لِجَارِهَا وَلَوْ كُرَاعَ شَاةٍ مُحْرَقٍ *
আমর ইবনু মুআয আল-আশহালী রহিমাহুল্লাহ থেকে তার দাদীর সূত্রে বর্ণিত; তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেন: হে মু'মিন নারীগণ! তোমাদের মধ্যকার কোন নারী যেন তার প্রতিবেশীকে যৎসামান্য দান করাকেও তুচ্ছ মনে না করে, যদিও তা রান্না করা বকরীর বাহুর সামান্য গোশতও হয়। -বুখারী, মুসলিম। আল-আদাবুল মুফরাদ ১২১ নং হাদীস।
📄 সৎ ও উত্তম প্রতিবেশী
প্রতিবেশীর আচরণে প্রতিবেশী জানতে পারে প্রতিবেশীর ভাল-মন্দ। বিধায় আচরণেই প্রমাণিত হয়ে যায় মন্দ বা সৎ ও উত্তম ব্যক্তিত্বের কথা। এর প্রমাণ হাদীসের মধ্যেই রয়েছে। নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ خَيْرُ الْأَصْحَابِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِصَاحِبِهِ وَخَيْرُ الْجِيرَانِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِجَارِهِ *
আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহর নিকট সেই সাথী উত্তম যে, নিজ সাথীদের নিকট উত্তম। আল্লাহর নিকট সেই প্রতিবেশী উত্তম যে নিজ প্রতিবেশীর নিকট উত্তম। -বুখারী আদাবুল মুফরাদ; আল্লামা আল-বানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন
عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَجُلٌ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ لِي أَنْ أَعْلَمَ إِذَا أَحْسَنْتُ وَإِذَا أَسَأْتُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : إِذَا سَمِعْتَ جِيرَانَكَ يَقُولُونَ قَدْ أَحْسَنْتَ فَقَدْ أَحْسَنْتَ وَإِذَا سَمِعْتَ يَقُولُونَ قَدْ أَسَأْتَ فَقَدْ أَسَأْتَ *
ইবনু মাসউদ রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেন : এক ব্যক্তি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বললোঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি ভালো করছি না মন্দ করছি তা কি করে আমি জানবো? নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : যখন তোমার প্রতিবেশীদের বলতে শুনবে যে, তুমি ভালো করছো, তবে প্রকৃতই ভালো করছো, আর যখন প্রতিবেশী বলবে তুমি মন্দ করছো তবে মনে করবে ঠিকই তুমি মন্দ করছো। -ইবনু মাজাহ
عَنْ نَافِعِ بْنِ عَبْدِ الْحَارِثِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مِنْ سَعَادَةِ الْمَرْءِ الْمُسْلِمِ الْمَسْكَنُ الْوَاسِعُ وَالْجَارُ الصَّالِحُ وَالْمَرْكَبُ الْهَنْي *
নাফি' বিন আবদিল হারিস রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: একজন মুসলমানের জন্য প্রসস্থ বাসভবন, সৎ প্রতিবেশী ও আরামদায়ক বাহন সৌভাগ্যের নিদর্শন। -বুখারী আদাবুল মুফরাদ; আলবানী হাদীসটি সহীহ্ বলেছেন
عَنْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : «إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ لَيَدْفَعُ بِالْمُسْلِمِ الصَّالِحِ عَنْ مِائَةِ أَهْلِ بَيْتٍ مِّنْ جِيرَانِهِ الْبَلاء، ثُمَّ قَرَأَ : وَلَوْلَا دَفْعُ اللَّهِ النَّاسَ بَعْضُهُم بِبَعْضٍ لَفَسَدَتِ الأرض» *
ইবনু উমার রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তা'আলা একজন সৎকর্মশীল মুসলমানের কল্যাণে তার প্রতিবেশীদের মধ্য থেকে একশোটি পরিবারকে বিপদ-মুসিবত থেকে রক্ষা করেন। এরপর তিনি সূরা আল-বাকারর ২৫১ নং আয়াতের নিম্নের অংশটুকু তিলাওয়াত করেন- “আল্লাহ তা'আলা যদি কিছু লোককে অপর কিছু লোক দ্বারা প্রতিহত না করতেন তাহলে পৃথিবী অরাজকতায় ভরে যেত।” -তবারানী, আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব ৩য় খণ্ড ১৩০৯ নং হাদীস।
📄 নিকৃষ্ট প্রতিবেশী
প্রতিবেশী যেহেতু সুখের, দুঃখের সাথী তাই প্রতিবেশী খারাপ হলে বড়ই দুর্ভাগ্য। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মন্দ প্রতিবেশীর পরিচয় দিয়েছেন এবং তাদের থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চেয়েছেন নিম্নের হাদীস তার স্পষ্ট প্রমাণ:
عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتى يَقْتُلُ الرَّجُلُ جَارَهُ وَأَخَاهُ وَأَبَاهُ *
আবূ মূসা রযিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: কোন ব্যক্তি তার প্রতিবেশী, তার ভাই এবং তার পিতাকে হত্যা না করা পর্যন্ত কিয়ামাত হবে না। -আদাবুল মুফরাদ; আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : كَانَ مِنْ دُعَاءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي أَعُوذُبِكَ مِنْ جَارِ السُّوءِ فِي دَارِ الْمَقَامِ فَإِنَّ جَارَ الدُّنْيَا يتحول *
আবূ হুরাইরাহ রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি দু'আ হলোঃ "হে আল্লাহ! আমি আমার আবাসস্থলে তোমার নিকট দুষ্ট প্রতিবেশী থেকে আশ্রয় চাই। কেননা দুনিয়ার প্রতিবেশীতো পরিবর্তন হতে থাকে। -বুখারী- আদাবুল মুফরাদ; আল-বানী হাদীসটি হাসান বলেছেন
عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ثَلَاثَةٌ مِنَ الْفَوَاقِرِ : إِمَامُ إِنْ أَحْسَنْتَ لَم يَشْكُرُ، وَإِنْ أَسَأْتَ لَمْ يَغْفِرُ، وَجَارٌ سُوءٍ إِنْ رَأَى خَيْرًا دَفَنَهُ، وَإِنْ رَأَى شَرًّا أَذَاعَهُ، وَامْرَأَةٌ إِنْ حَضَرْتُ أَذَتْكَ، وَإِنْ غِبْتَ عَنْهَا خَانَتَكَ» *
ফুযালাহ ইবনু উবাইদ রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তিন ব্যক্তি চরম বিপজ্জনক : (১) এমন নেতা যার সাথে ভালো ব্যবহার করলেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, আবার কোন ভুল করলেও ক্ষমা করে না। (২) এমন অসৎ প্রতিবেশী, যে উপকার পেলে তা লুকিয়ে ফেলে, আর অন্যায় কিছু পেলে তা সর্বত্র প্রকাশ করে। (৩) এমন স্ত্রী, যার কাছে থাকলে কষ্ট দেয়, আর যার কাছ থেকে দূরে চলে গেলে বিশ্বাসঘাতকতা করে। -তবারানী, আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব ৩য় খণ্ড ১৩০৫ নং হাদীস।
📄 প্রতিবেশীর প্রকারভেদ
প্রতিবেশীর সম্মান ও অধিকার- কে কতটুকু পাবে তার ফায়সালা নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই দিয়ে গেছেন। নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো:
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : الْحَيْرَانُ ثَلَاثَةٌ : جَارٌ لَهُ حَقٌّ وَاحِدٌ وَهُوَ أَدْنَى الْجِيرَانِ حَقًّا وَجَارٌ لَهُ حَقَّانِ وَجَارٌ لَهُ ثَلَاثَةٌ حُقُوقِ وَهُوَ أَفْضَلُ الْجِيرَانِ حَقًّا فَأَمَّا الَّذِي لَهُ حَقٌّ وَاحِدٌ فَجَارٌ مُشْرِكٌ لَا رَحِمَ لَهُ، لَهُ حَقٌّ الْجَوَارِ وَأَمَّا الَّذِي لَهُ حَقَّانِ فَجَارٌ مُسْلِمٌ لَهُ حَقَّ الْإِسْلَامِ وَحَقُّ الْجَوَارِ وَأَمَّا الَّذِي لَهُ ثَلَاثَةٌ حُقُوقٍ فَجَارٌ مُسْلِمٌ ذُو رَحِمٍ لَهُ حَقَّ الْجَوَارِ وَحَقُّ الْإِسْلَامِ وَحَقُّ الرَّحِمِ *
জাবির বিন আব্দিল্লাহ রযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: প্রতিবেশী তিন প্রকার : প্রথমতঃ কোন প্রতিবেশী রয়েছে যার একটি মাত্র হাক্ব, আর এটাই সর্বনিম্ন; দ্বিতীয়তঃ কোন প্রতিবেশী রয়েছে যার দুটি হাক্ব রয়েছে; তৃতীয়তঃ কোন প্রতিবেশী রয়েছে যার তিনটি হাক্ব রয়েছে। আর এটাই সর্বোত্তম প্রতিবেশীর হাক্ব।
প্রথম প্রকার : এক হাক্ব বিশিষ্ট প্রতিবেশী হলো, অমুসলিম প্রতিবেশী- যার সাথে আত্মীয়তা নেই। তার জন্য শুধু প্রতিবেশীর হাক্ব।
দ্বিতীয় প্রকার: দু'হাক্ব বিশিষ্ট প্রতিবেশী হলো মুসলিম প্রতিবেশী। তার জন্য মুসলিম হওয়ার হাক্ব ও প্রতিবেশীর হাক্ব।
তৃতীয় প্রকার: তিন হাক্ব বিশিষ্ট প্রতিবেশী হলো, মুসলিম আত্মীয় প্রতিবেশী- তার জন্য মুসলিম হওয়ার হাক্ব, আত্মীয়তার হাক্ব ও প্রতিবেশী হওয়ার হাক্ব রয়েছে।
-মুসনাদে বায্যার, তাফসীর ইবনু কাসীর ১ম খণ্ড ৬৫৮ পৃষ্ঠা, আনওয়ারুল হাদীস ৫১৬ নং