📘 বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনের ইতিবৃত্ত 📄 ২.১১: প্রতিরোধ-চেষ্টা

📄 ২.১১: প্রতিরোধ-চেষ্টা


দার্শনিক এবং নাস্তিকদের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে আলেমগণ বিপুল অধ্যবসায় এবং দারুণ সচেতনতার স্বাক্ষর রাখেন। এই শ্রেণির আলেমদের মধ্যে সর্বাধিক সুখ্যাতি লাভ করেন ইমাম গাজালী রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৫০৫ হিজরি)। তিনি একদিকে 'ফাজায়িহুল বাতিনিয়্যাহ' এবং 'মাওয়াহিবুল ইবাহিয়্যাহ' গ্রন্থ রচনা করে বাতেনি আকিদা ও চিন্তা-বিশ্বাসের পোক্ত সমালোচনা করেন এবং অন্যদিকে 'তাহাফাতুল ফালাসিফা' প্রণয়ন করে ফালসাফার ভিত্তিমূলে কুঠারাঘাত হানেন। ইমাম গাজালী রহিমাহুল্লাহ এই আবশ্যিক কর্মটি সমাধা দেওয়ার লক্ষ্যে ফালসাফা-দর্শনকে তার গভীর থেকে অধ্যয়ন করেন। এতে করে দর্শন-ফালসাফার দুর্বলতা ও গোঁমর সম্বন্ধে অবগতি লাভ তার জন্য অনায়াস হয়ে যায়। যার ফলে সব ধরনের প্রভাব থেকে মুক্ত থেকে ফালসাফা- দর্শনের সেইসব কায়দাকানুন ও মূলনীতির সংশোধনের চ্যালেঞ্জ করে উঠতে তিনি সমর্থ হন, তখন পর্যন্ত ইসলামি বিশ্বে যা অক্ষরে অক্ষরে অনুসৃত হয়ে আসছিল। তিনি প্রমাণ করে দেখান যে, ফালসাফা ও দর্শন আল্লাহ, রাসুল, দীন-ধর্ম, আধ্যাত্মিকতা এবং নবুওয়াত সম্বন্ধে যেখানেই মুখ খুলেছে সেখানেই স্খলনের শিকার হয়েছে। ফালসাফা-দর্শনের এইসব আলোচনা-পর্যালোচনা তার কায়দাকানুন ও মূলনীতি-সমেতই স্পষ্ট ভুল ও ভ্রান্ত।

ইমাম গাজালী রহিমাহুল্লাহর এই জবরদস্ত রচনাসমস্তের একেকটি আধুনিক-মনস্ক মুক্তচিন্তকদের হতভম্ব ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে রাখে এবং গ্রিকদর্শনের বাহ্যিক চাকচিক্যকে একদমই নিশ্চিহ্ন করে ছাড়ে।

এর এক শতক পরের ঘটনা। ইবনে রুশদ (মৃত্যু: ৫৯৫ হিজরি) নামে আন্দালুসে ফালসাফার এক নতুন ভাষ্যকারের জন্ম হয়, যিনি 'তাহাফাতুত তাহাফা' নামে ইমাম গাজালীর চিন্তার খণ্ডন করার প্রয়াস চালান এবং অ্যারিস্টটলের প্রতিনিধিত্বপূর্বক প্রাণান্তকর পরিশ্রম শেষে দর্শনশাস্ত্রে নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে সমর্থ হন। কিন্তু তার চেষ্টা-পরিশ্রমের 'প্রাসাদ' বেশি কাল স্থায়িত্ব পায় না। অল্পদিনের মধ্যেই আবুল বারাকাত বাগদাদি 'আল-মু'তাবার' প্রণয়ন করে অ্যারিস্টটলের অধিকাংশ চিন্তাই যে ভ্রান্ত—আরও একবার তা প্রমাণ করে দেখান। আর তারপরে আবির্ভাব ঘটে হকপন্থিদের মুখপাত্র মহান ইমাম ফখরুদ্দীন রাজী রহিমাহুল্লাহর। তিনি তার নানামুখী রচনা, বিশেষ করে তার বিখ্যাত তাফসিরগ্রন্থ 'মাফাতিহুল গাইব' রচনার মধ্য দিয়ে ফালসাফা ও দর্শনের উপর পোক্ত ও মজবুত আপত্তি উত্থাপন করে হকপন্থি দার্শনিকদের তরফ থেকে হক আদায় করে দেন।

৫০ বছর পর। প্রসিদ্ধ শিয়া দার্শনিক এবং জ্যোতির্বিদ খাজা নাসিরুদ্দীন তুসি ফের কোমর বেঁধে নামে অ্যারিস্টটলের প্রতিনিধিত্ব করবার মানসে। সে তার সর্বশক্তি ব্যয় করতে থাকে ফালসাফা, মানতেক এবং গ্রিকদর্শনের হারানো 'ঐতিহ্যে'র পুনরুদ্ধারে। আজকাল দেখি খাজা নাসিরুদ্দীন তুসিকে ইসলামি ইতিহাসের একজন সফল বুদ্ধিজীবী হিসেবে স্মরণ করা হয়, যেখানে সে ছিল মূলত ইসলামি বিশ্বের সবচাইতে ভয়ঙ্কর দুশমন ও ধ্বংসাত্মক শাসক হালাকু খানের উপদেষ্টা এবং মুসলিম নামধারী এক বিশ্বাসঘাতক। বাগদাদে খেলাফতে আব্বাসিয়ার পতনের পেছনে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। সেই সাথে খাজা নাসিরুদ্দীন তুসি ইলমের জগতে মুসলমানদের এই পরিমাণ বিভ্রান্ত করতে সমর্থ হয় যে, ইরাক এবং খোরাসানে নিখাদ ইসলামি ইলম ও জ্ঞানচর্চা দুর্লভ হয়ে পড়ে। এবং সর্বত্র মানতেক-ফালসাফার পঠন-পাঠন চালু হয়ে যায়। তার দুই শিষ্য কুতুব উদ্দীন সিরাজী এবং কুতুব উদ্দীন রাজী মানতেক ও ফালসাফায় নতুন গতির সঞ্চার করে। আর সেই প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে ইসলামি দুনিয়ার আলেমগণ আরও একবার নতুন করে নিজেদের বন্দি করে ফেলেন দর্শন ও ফালসাফার ভয়ঙ্কর ফাঁদে।

অবস্থা যখন এমনই শোচনীয়, পরম করুণাময় তখন এই উম্মতকে উদ্ধারের জন্য ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহকে (মৃত্যু: ৭২৮ হিজরি) নির্বাচন করেন। তিনি তার দুটি কালজয়ী গ্রন্থ 'আর-রদ্দু আলাল মানতিকিয়্যীন' এবং 'মিনহাজুস সুন্নাহ' রচনা করে মানতেক ও ফালসাফার তুলোধুনো করে ছাড়েন। আর এর মাধ্যমে আকল ও বুদ্ধি-বিবেকের উপর দীন ও শরিয়তের কর্তৃত্ব আরও একবার প্রতিষ্ঠা পেয়ে যায়। এবং ইসলামি বিশ্বে পূর্বেকার মতন দীনি ইলম ও শরয়ি জ্ঞানকেই সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা শুরু হয়।

ইমাম গাজালী, ইমাম রাজী এবং ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুমুল্লাহর পোক্ত তাহকিক ও গবেষণার বদৌলতে গ্রিকদর্শনের জ্ঞানজগৎ মৃতবৎ হয়ে পড়ে। তারপর হিজরি একাদশ শতক পর্যন্ত ইসলামি বিশ্বে ভ্রান্ত গ্রিকদর্শন আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। উলটো তার জায়গায় গড়ে ওঠে ফিকহ, হাদিস এবং তাসাউফশাস্ত্রের দৃষ্টিনন্দন সব প্রাসাদ। এবং একের পর এক আবির্ভাব ঘটতে থাকে ইবনে কাইয়ুম, আল্লামা আইনী, ইবনে হুমাম, জালালুদ্দীন সুয়ূতী, ইবনে খালদুন, মুজাদ্দিদে আলফেসানী এবং शाह ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবীর মতন বিরলপ্রতীম আলেমদের, ইসলামের ইতিহাস যাদের নিয়ে আজও গর্ব করে।

📘 বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনের ইতিবৃত্ত 📄 ২.১২: গুরুত্বপূর্ণ ফল

📄 ২.১২: গুরুত্বপূর্ণ ফল


মনস্তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের যে ইতিবৃত্ত তুলে ধরা হলো, তা থেকে তিনটি বিষয় স্পষ্ট হয় :

১. এই শতাব্দীগুলোয় মুসলমানদের ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মনস্তাত্ত্বিক হামলার চেয়ে ভেতরকার লোকদের সৃষ্ট ভ্রান্ত চিন্তা ও আকিদা-বিশ্বাসেরই মোকাবেলা করে যেতে হয় অধিক। মুসলমানদের মধ্য থেকেই বিভিন্ন চিন্তার মানুষের আবির্ভাব ঘটে, যারা ইসলামি সমাজে প্রত্যহ নিত্যনতুন চিন্তা হাজির করতে থাকে। এই ভ্রান্ত চিন্তার আমদানিকারকদের গোলমেলে বুদ্ধিজীবিতার তিনটি প্রধান কারণ আমরা চিহ্নিত করতে পারি:
(ক) আত্মম্ভরিতা।
(খ) পূর্বসূরি ও সালাফের প্রতি অনাস্থা।
(গ) গ্রিকদর্শনের প্রতি অযৌক্তিক মুগ্ধতা এবং বিবেকবুদ্ধিকে দীন ও শরিয়তের উপর প্রভাবক জ্ঞান করা।

২. ইতিহাসের এই অধ্যায়গুলো আমাদের সামনে এটাও স্পষ্ট করে তুলে ধরে যে, এই শতাব্দীগুলোয় বিস্তৃত হওয়া বিভ্রান্তির উৎসমুখ যদিও গ্রিকদর্শন, সেখান থেকেই এই বিভ্রান্ত চিন্তাসমস্তের আমদানি; কিন্তু তখনও পর্যন্ত ইউরোপ মুসলমানদের চিন্তাচেতনার উপর সরাসরি কুঠারাঘাত শুরু করেনি। হ্যাঁ, তবে খেলাফতে রাশেদার সময়কালে যেসব ইহুদি ও অগ্নি-উপাসক মুসলমানের বেশ ধরে মুসলমানদের পরস্পরে ভ্রাতৃঘাতী সংঘর্ষে জড়িয়ে দিয়েছিল, তারা এইসব মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ও বুদ্ধিবৃত্তিক চক্রান্তে শামিল ছিল। এমনকি কিছু ইউরোপিয়ান শাসক বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রদ্রোহী এবং ভ্রান্ত চিন্তার আন্দোলনকারীদের আর্থিক প্রণোদনাও দিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তারপরও বলতে হবে—এই কয়েক শতাব্দীজুড়ে কোনো অমুসলিম শক্তি মুসলমানদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পরিকল্পিত ও অনবরত চক্রান্তের মারফত তাদের বিভ্রান্ত করবার অবস্থায় ছিল না।

৩. এই প্রকারের বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনের ফলে বিভিন্ন স্থানে যদিও মুসলমানদের নানাবিধ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়; তবু ব্যাপকভাবে তখন পর্যন্ত গোমরাহী ও বিভ্রান্তি মুসলিম-সমাজকে আক্রান্ত করেনি। বিস্তৃত পরিমণ্ডলে ব্যাপকভাবে তখনও তারা বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনের শিকার হয়নি। শত্রুদের চক্রান্ত কিছু নতুন উপদল সৃষ্টিতে সহায়তা করে, কিছু বিদ্রোহের দাবানল উসকে দেয়; তবে তার বেশি তেমন কিছু করে উঠতে পারেনিই বলা যায়। মুসলমানদের প্রায় সকলেই তখনও 'মা আনা আলাইহি ওয়া আসহাবি'র প্রতিচ্ছবি আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকিদা, জীবনদর্শন এবং চিন্তাধারার উপর অবিচল ছিল। অন্যভাবে বললে—তখন পর্যন্ত কৃত চক্রান্তগুলো রাজনৈতিকভাবে মুসলমানদের কিছুটা বিভ্রান্ত করতে সমর্থ হয় ঠিকই; কিন্তু আকিদা-বিশ্বাস ও মনস্তাত্ত্বিকভাবে মুসলমানদের তেমন কোনো স্খলনের শিকার করতে পারে না।

📘 বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনের ইতিবৃত্ত 📄 ২.১৩: বুদ্ধিবৃত্তিক আক্রমণকারীদের ব্যর্থতার কারণ

📄 ২.১৩: বুদ্ধিবৃত্তিক আক্রমণকারীদের ব্যর্থতার কারণ


বুদ্ধিবৃত্তিক আক্রমণকারীদের ব্যর্থতা এবং মুসলমানদের সাফল্যের প্রধান যে কারণগুলো উল্লেখ করা যেতে পারে:

১. আল্লাহ এবং তার রাসুলের সাথে মুসলমানদের সম্পর্ক মজবুত ছিল। কুরআন- সুন্নাহর সাথে সম্পর্ক এবং নিজেদের দীন-ধর্মের প্রতি ভালোবাসার উত্তাপ অবশিষ্ট ছিল। তারা নিজেদের ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে ওয়াকিফহাল ছিল এবং তাদের গর্ব ছিল নিজেদের সভ্যতা ও সংস্কৃতি নিয়ে। সাহাবা এবং নেককার পূর্বসূরিদের প্রতি তাদের আস্থা ছিল অটুট। কোনো বিপর্যয়ের কবলে না পড়বার পেছনে এটাই ছিল তৎকালের মুসলমানদের উল্লেখযোগ্য কারণ।

২. বিদ্যা ও জ্ঞানগত বিবেচনায় বুদ্ধিবৃত্তিক আক্রমণকারীরা নিজেরাই ছিল দুর্বল। বিপরীতে মুসলমানদের পোক্ত দখল ছিল ইলমের প্রতিটি শাখায়। মুসলিম- সমাজে এমন ব্যক্তিত্ব বর্তমান ছিলেন, যারা মনস্তাত্ত্বিক যেকোনো হামলাকারীর দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার সামর্থ্য রাখতেন।

৩. রাজনৈতিকভাবে মুসলমানেরা ছিল প্রভাবশালী। ক্ষমতাধর। যে জাতি রাজনৈতিকভাবে প্রভাব-প্রতিপত্তির অধিকারী হয়ে থাকে, মনস্তাত্ত্বিকভাবে তারা নিজেদের প্রাগ্রসর জ্ঞান করতে থাকে। যার কারণে বৃদ্ধিবৃত্তিকভাবে তাদের পদানত করা সহজ হয় না। ফলে অমুসলিমদের কোনো চক্রান্তই সফলতার মুখ দেখে না।

৪. এইকালে মুসলিম শাসকেরা স্বয়ং দীনের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ভূমিকা পালন করতেন এবং নিজেদের দীন-ধর্ম সম্বন্ধে ছিলেন প্রবল অনুভূতিপ্রবণ। এবং দীন ও ইসলাম বিরোধী সকল অপতৎপরতা রুখে দিতে থাকতেন বদ্ধপরিকর ও সদাৎপর। যেমন সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর কথা স্মরণ করতে পারি, যিনি নাস্তিক্যবাদের প্রচারক সোহরাওয়ার্দীকে হত্যা করেছিলেন।

কখনো কোনো শাসক যদি সত্য পথ থেকে বিচ্যুতও হয়ে যেত তাহলে তার পরবর্তী শাসক দ্রুতই তার বিচ্যুতির ফলে সৃষ্ট ত্রুটিসমস্তের সংশোধন করে নিতেন। উদাহরণত বলা যেতে পারে খলিফা মামুনুর রশিদ ও মু'তাসিম বিল্লাহর কথা। তাদের প্রসারিত মুতাজিলা ফেতনার বিষক্রিয়া খলিফা মুতাওয়াক্কিলের নিখাদ ইসলামি পলিসির তোড়ে সম্পূর্ণরূপে ভেসে যায়।

৫. মুসলমানদের কর্মকাণ্ড ও নেক আমল তাদের অনেক বড় হাতিয়ার ছিল। তাদের আখলাক, তাদের ব্যক্তিক ও সামাজিক আচার-আচরণ অনেক সময় বুদ্ধিবৃত্তিক আক্রমণকারীদের পর্যন্ত প্রভাবিত করে ছাড়ত। যার ফলে তারা বাধ্য হতো ইসলামি চিন্তার সামনে আত্মসমর্পণ করতে।

📘 বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনের ইতিবৃত্ত 📄 গ্রন্থপঞ্জি

📄 গ্রন্থপঞ্জি


-সিরাতে ইবনে হিশাম, ১ম ও ২য় খণ্ড
-মুখতাসার সিরাতুর রাসুল, শায়েখ মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব নাজদী
-তাফসিরে ইবনে কাসির, হাফেজ ইবনে কাসির
-আল-কামেল ফিত তারিখ, ২য় ও ৩য় খণ্ড, খেলাফতে রাশেদার যুগ, বনু উমাইয়ার যুগ, বনু আব্বাসের যুগ (হারুনুর রশিদ থেকে মুতাওয়াক্কিল পর্যন্ত), আল্লামা ইবনুল আসির জাযারী
-তারিখে ইবনে খালদুন, ৩য় ও ৪র্থ খণ্ড, আল্লামা আবদুর রহমান ইবনে খালদুন
-তারিখে দাওয়াত ওয়া আজিমাত, ১ম খণ্ড (পৃষ্ঠা ৮৪-১১৮), মাওলানা সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদবী
—আল-গাজউল ফিকরি ওয়া ওয়াসায়িলুহু, শায়েখ আবদুল আজিজ বিন বাজ
-তাহসীনু মুজতামাইল মুসলিম জিদ্দাল গাজউয়ীল ফিকরি, ড. হামুদ বিন আহমাদ রহিলী

ফন্ট সাইজ
15px
17px