📘 বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনের ইতিবৃত্ত 📄 মদিনার জীবন

📄 মদিনার জীবন


এ পর্বে বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে কাফিরদের গৃহীত পাঁচটি পদক্ষেপের কথা জানা যায়:

মিডিয়া বা প্রচারমাধ্যম: সেই সময়কার মিডিয়া সীমাবদ্ধ ছিল কবিতা আব বক্তব্যের মধ্যেই। কবিতার মজলিস ও মাহফিল সাজানো হতো। বিখ্যাত সব কবি নিজেদের পূর্বপুরুষ ও গোত্রীয় শৌর্য কৌলীন্য ও বীরত্ব নিয়ে কাব্যগাথা আবৃত্তি করত। সেই কবিতা মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়তো আরবের কোনায় কোনায়। কাফির কবিরা দীর্ঘ কবিতা রচনা করত মুসলমানদের প্রতি নিন্দা প্রকাশ করে। তাদের জবাবে মুসলিম কবিরা আবার আবৃত্তি করত দীর্ঘ পঙক্তিমালা। হাসসান বিন সাবিত এবং আবদুল্লাহ বিন রওয়াহার কবিতা উদ্বুদ্ধ করত মুসলমানদের। উজ্জীবিত হতো মুসলমানেরা তাদের কবিতা শুনে। মুসলিম কবিদের কবিতামালা সব দিক বিবেচনায় এতই উৎকৃষ্ট মানের হতো যে, তার জবাবে কাফির কবিদের মুখ খোলার অবকাশ হতো না।২৬

পঠন-পাঠন: আরবের মুশরিক সমাজে পঠন-পাঠনের কোনো রীতি প্রচলিত ছিল না। তবে আহলে কিতাবদের মধ্যে পঠন-পাঠনের প্রচলন ছিল। তারা তাদের সন্তানদের শিক্ষাদীক্ষার কোনো কমতি রাখেনি। মদিনাতে তো ইহুদিদের নিয়মতান্ত্রিক বিদ্যালয়ই ছিল, যাকে বলা হতো 'বাইতুল মাদারিস'।২৭

বিতর্ক: আহলে কিতাব, বিশেষ করে ইহুদিরা মুসলমানদের উপর আপত্তি উত্থাপনের কোনো সুযোগই হাতছাড়া করতে চাইত না। তাদের সর্বক্ষণের প্রচেষ্টা ছিল কীভাবে নবীজিকে বিপাকে (আল্লাহ মাফ করুন) ফেল যায়। সে উদ্দেশ্যে তারা উদ্ভট সব প্রশ্নের অবতারণা করত। রুহ, আসহাবে কাহাফ এবং জুলকারনাইন সম্বন্ধে তাদের প্রশ্নের বিবরণ কুরআন কারিমেও উল্লেখ আছে।২৮

নাজরানের ইহুদিরা তো একবার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়েই নবীজির কাছে এসে বিতর্কের অবতারণা করে। নবীজি তাদের উত্থাপিত সকল দলিলের যৌক্তিক প্রতিবিধান প্রদান করেন। অবশেষে নবীজির সাথে বিতর্কে পরাজিত হয়ে তারা মদিনা থেকে প্রত্যাবর্তন করে।২৯

নেফাক ও কপটতা : হকপন্থিরা যখন দুর্বল থাকে, মিথ্যার বাহকরা তখন অত্যাচার-নিপীড়নের পথে হাঁটে। আর যে সমাজে সত্যপন্থিরা থাকে বিজয়ী, এগিয়ে থাকে ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির বিচারে, মিথ্যার ধ্বজাধারীরা তখন আশ্রয় নেয় নেফাকি ও কপটতার। নেফাকির আড়ালে তারা সত্য উচ্চারণকারীর দম বন্ধ করে দেবার তোড়জোড়ে মেতে ওঠে।

মক্কার জীবনে মুসলমানেরা ছিল দুর্বল, সামাজিকভাবে অসহায়। মুশরিকরা তাদের অসহায়ত্বের সুযোগে নিপীড়ন ও অবিচারের কোনো কমতি রাখেনি। কিন্তু মদিনার চিত্র ছিল ভিন্ন। মুসলমানেরা সেখানে রাজনৈতিকভাবে সামর্থ্যবান ও প্রভাবক শক্তি। শয়তান সে কারণে মুখোশ বদলে মদিনার মুসলমানদের সর্বনাশের ফন্দি আঁটতে শুরু করে। মুসলমানদের প্রতিরোধে সে গ্রহণ করে ভিন্ন কৌশল। মদিনার জীবনে শয়তানের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক ও ক্ষতিকারক অস্ত্র ছিল নেফাকি এবং কপটতা। মুনাফিক সরদার আবদুল্লাহ বিন উবাই ছিল কাফিরশক্তির সবচেয়ে বড় চালবাজ। ইহুদিদের সাথে ছিল তার গভীর বন্ধুত্ব আবার মক্কার মুশরিকদের সাথেও সে হার্দিক সম্পর্ক রেখে চলত।

মুনাফিকদের দ্বারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নানাবিধ চক্রান্তের অবতারণা হতে থাকে, যার মধ্যে কয়েকটি ছিল :
* সত্যের দাওয়াতে বিঘ্নতা সৃষ্টি করা।
* প্রতারণার উদ্দেশ্যে মুসলমান বেশ ধারণ করা।
* আত্মত্যাগের মুহূর্তগুলোতে নানা বাহানায় নিজেদের প্রাণ রক্ষায় মরিয়া হয়ে ওঠা।
* জিহাদের প্রতি অনীহা প্রকাশ করা।
* মুসলমানদের মধ্যে কলহ-বিবাদ ও অনৈক্য সৃষ্টি করা।
* নবী-পরিবারের নামে কুৎসা রটানো।

মুনাফিকদের কপটতার পালে তখনই হাওয়া লাগতো অধিক, যখন হক বাতিল চূড়ান্ত কোনো লড়াইয়ে মুখোমুখি হতো। উহুদযুদ্ধের কথাই ধরা যাক। খানিক বাদেই যুদ্ধ শুরু হবে। মুনাফিকেরা ঠিক সেই মুহূর্তে গিয়ে গাদ্দারি করে। মুসলমানদের আপাত-ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়ে তারা রণাঙ্গন থেকে পলায়নের মতো ঘৃণিত কাজ করে বসে। কেবল তা-ই নয়; তাদের কপটতার ফিরিস্তি বহু দীর্ঘ। গাজওয়ায়ে মুরাইসি থেকে ফেরার পথে মুহাজির এবং আনসার সাহাবিদের মধ্যে তারা লড়াই বাঁধিয়ে দেবার চেষ্টা করে। উম্মুল মুমিমিন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার পূত চরিত্রে কালিমা লেপনের চেষ্টা করে নবী-পরিবারকে তারা কলঙ্কিত করবার ধৃষ্টতা দেখায়। তাবুকের যুদ্ধে তারা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পর্যন্ত হত্যার ফন্দি আঁটে।৩০

গুপ্তচরবৃত্তি: মক্কার মুশরিকদের ছাড়াও মদিনা মুনাওয়ারা তখন বিশ্বের দুই পরাশক্তি পারস্য এবং রোমের চক্ষুশূল। সে কারণে এটা অবান্তর কিছু ছিল না যে, সে-সব ইসলামবিরোধী শক্তি মুসলমানদের অভ্যন্তরীণ অবস্থার সবিশেষ অবগতির জন্য গুপ্তচর ছড়িয়ে দেবে মদিনার পথে পথে। এবং তারা দিয়েওছিল। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শত্রুপক্ষের গুপ্তচরদের সম্বন্ধে বেখবর ছিলেন না। তার কাছে সব সংবাদই ছিল। যে কারণে কোথাও কোনো অভিযান প্রেরণের পূর্বে তিনি উদ্দিষ্ট স্থানের নাম প্রকাশ করতেন না। বরং যেখানে যুদ্ধাভিযান পরিচালিত হবে তিনি তার সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের খোঁজখবর নিতেন। নবীজির এই কর্মপদ্ধতি থেকেই স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়, তৎকালে কাফিরদের গুপ্তচর মদিনাতে ছিল এবং নবীজি যাবতীয় তথ্যের সংরক্ষণের জন্য এমন কৌশল অবলম্বন করতেন।

তাবুকযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে হজরত কাব বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর মদিনাতে থেকে যাওয়া সংক্রান্ত যে দীর্ঘ ঘটনা, তার থেকেও আমাদের বক্তব্যের প্রমাণ মেলে।

কাব বিন মালিক, মুরারা বিন রাবি এবং হেলাল বিন উমাইয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুম; ওজরের কারণে তাবুকযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। যুদ্ধে না গিয়ে তারা মদিনাতে রয়ে যান। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের প্রতি মনঃক্ষুণ্ণ হন। আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকেও তারা তিরস্কার ও ভর্ৎসনার শিকার হন। এমনকি মুসলমানদের নির্দেশ দেওয়া হয় তাদের সাথে সকল প্রকারের সামাজিক সম্পর্ক ছিন্ন করবার। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত তিন সাহাবিকে একপ্রকার সামাজিক বয়কট যেন করা হয়। সে বড় দুর্বিষহ দিন ছিল তাদের জন্য। তাদের সেই কঠিন সময়ে ভিন্ন রাষ্ট্রের এক ব্যক্তি ব্যবসায়ীর বেশে সাক্ষাৎ করে কাব বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে। সেই ছদ্মবেশী ব্যবসায়ী কাব বিন মালিকের হাতে একটি পত্র ধরিয়ে দেয়। পত্রটি ছিল শামের খ্রিষ্টান বাদশাহর তরফ থেকে কাব বিন মালিকের প্রযত্নে। পত্রের বক্তব্য ছিল : "শুনেছি তোমার বন্ধু তোমার সাথে নির্দয় আচরণ করছে। কামনা করি-আল্লাহ যেন তোমাকে অপমান ও লাঞ্ছনার মাঝে আর না রাখেন। তুমি আমাদের কাছে চলে এসো। যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার সাথে আমরা তোমাকে গ্রহণ করব।" এটা কাব বিন মালিকের ঈমানের তেজস্বিতা ছিল যে, তিনি চিঠিটা (বর্তমান সময়কার গ্রিনকার্ডের স্থলবর্তী) তৎক্ষণাৎ জ্বলন্ত চুলোয় ছুঁড়ে ফেলেন।৩১ এ ঘটনায় চিন্তার যা-কাব বিন মালিককে সামাজিকভাবে বয়কট করবার সংবাদ এত অল্প সময়ের মধ্যে শামের বাদশাহর কানে কীভাবে পৌঁছল? মদিনা এবং শামের মধ্যকার দূরত্ব ছিল প্রায় দুই সপ্তাহের। মদিনার কোনো সংবাদ শামে পৌঁছার জন্য এবং সেই সংবাদের ভিত্তিতে গৃহীত কোনো সিদ্ধান্তের সংবাদ পুনরায় মদিনাতে এসে পৌঁছানো-এত সবের জন্য কমপক্ষে চার সপ্তাহের প্রয়োজন ছিল। ঘটনার পূর্বাপর থেকে বোঝা যায় এ পত্র কাব বিন মালিকের হাতে এসে পৌঁছয় তাকে সামাজিকভাবে বয়কটের তিন চার সপ্তাহের মাথায়। এ থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, মদিনাতে বহিঃরাষ্ট্রের কোনো গুপ্তচর অবস্থান করছিল। বয়কটের ঘোষণা প্রচারিত হতেই সে কাউকে দ্রুত শামে পাঠিয়ে দেয়। অতঃপর সেই ব্যক্তি শাম থেকে বাদশাহর নির্দেশনাসংবলিত পত্র নিয়ে দ্রুতই মদিনাতে ফিরে আসে। আর এই আসা-যাওয়ার মাঝে তার সময় ব্যয় হয় সর্বমোট চার সপ্তাহ। এ থেকে আমরা সিদ্ধান্তে আসতে পারি, বহিঃশত্রুর গুপ্তচর থেকে মদিনা মুক্ত ছিল না। তারা মদিনাতেই অবস্থান করত, এবং বিশেষ কোনো সংবাদপ্রাপ্ত হওয়ামাত্র নিয়োগদাতা প্রভুর কাছে তা পৌঁছে দিত।

২.৩: বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই এবং ইসলামের দাওয়াত ও জিহাদ-ব্যবস্থা
প্রারম্ভিককাল থেকেই ইসলাম তার অনুসারীদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের উত্তম হাতিয়ার সরবরাহ করে এসেছে। জিহাদের মতো চিন্তাযুদ্ধেরও পরিপূর্ণ নির্দেশনা ইসলাম আমাদের প্রদান করেছে। শরিয়ত যেভাবে জিহাদের রীতিনীতি, পদ্ধতি ও বিধান বয়ান করেছে, তদ্রূপ বিস্তারিত আলাপ হাজির করেছে চিন্তাযুদ্ধের কৌশল নিয়েও। ইসলামের প্রাথমিককাল থেকে এই দাওয়াত ও মানুষকে সত্যের প্রতি আহ্বান-কার্যক্রমই মুসলমানদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছে। অর্থাৎ, ইসলামে বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই ভিন্ন কোনো বিষয় নয়; বরং ইসলামের যে দাওয়াতি প্রকল্প, তা তার বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইও। দুটো একই আন্দাজে পরিচালিত হয়। মুসলমানেরা তাদের এই বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে অংশ নেয় আল্লাহ তায়ালার তরফ থেকে বিনিময়প্রাপ্তির প্রত্যাশায়। আখিরাতের প্রতিদানই এখানে প্রধান প্ররোচকা এমনকি ব্যক্তিগত কিংবা জাতি ও গোত্রগত কোনো স্বার্থ এখানে কোনো প্রকারের ভূমিকা রাখে না। মানবসমস্তের কল্যাণকামনা তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে থাকে। তারা একনিষ্ঠতা এবং কল্যাণকামিতাকে অবলম্বন করে চিন্তার যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। এ যুদ্ধে তাদের প্রধান হাতিয়ার হয় আভিজাত্য, সততা, সৃষ্টির সেবা, বদান্যতা এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষার মতন অনন্য সব বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ তায়ালার প্রতি আস্থা, তার শক্তিমত্তার প্রতি অনড় বিশ্বাস, ধৈর্য এবং সহনশীলতাকে তারা গ্রহণ করে প্রতিপক্ষের আঘাতের বিরুদ্ধে ঢালরূপে। তাদের আহ্বান হয় তাওহিদের কালিমার প্রতি। মুখে মুহুর্মুহু উচ্চারিত হতে থাকে রবের নাম। আল্লাহ নামের জিকির হয় তাদের রুহের খোরাক। কুরআন কারিমের আয়াত তাদের জবানে এমন ভাষা পায়, কোনো শ্রোতা তাতে প্রভাবিত না হয়ে থাকতে পারে না।

তারা তো আল্লাহর সৈনিক। যে কারণে শরিয়ত কখনো লঙ্ঘিত হয় না তাদের দ্বারা। যুদ্ধক্ষেত্রেও তারা মেনে চলে রবের নির্দেশ। শরিয়তের বিধান ভূলুণ্ঠিত করে আল্লাহর নারাজিকে তারা সাথি করতে চায় না। তাদের সর্বক্ষণের আরাধ্য থাকে রবের সন্তোষ অর্জন। সে কারণেই মিথ্যার আশ্রয় তারা গ্রহণ করে না। চিন্তাযুদ্ধে বাহ্যত জয়ের জন্য নীতিবিরুদ্ধ প্রোপাগান্ডায় কখনো লিপ্ত হয় না। তারা প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করে না। তারা ধোঁকাকে নিজেদের চিন্তার সাথে গুলিয়ে ফেলে না। তারা বরং সত্যের দ্বারা প্রভাবিত করে পৃথিবীকে। তারা কৃত্রিম চাকচিক্যের ঝলকানিতে মানুষকে মোহগ্রস্ত করে না। বরং অন্ধকার পথের যাত্রীকে সত্যের আলোকবিন্দুর সন্ধান দেয়। তারা মানুষকে মতিভ্রম করে দেয় না। বরং তাদের সুস্থির চিন্তার দিশা এনে দেয়।

প্রথম শতাব্দীর ইতিহাস সাক্ষী-কোনো জনপদে মুসলমান পৌঁছার পূর্বে পৌঁছে যেত ইসলামের দাওয়াত। দাঈদের কথার তুলনায় তাদের কর্ম ও আমলের বিভায় প্রভাবিত হয়ে মানুষ দলে দলে প্রবেশ করত ইসলামে।

ইসলামের আভিজাত্যের যারা বিরোধিতা করত, অস্বীকার করে বসত ইসলামের ঐতিহ্যের এবং সৌন্দর্যের, যারা বাধা তৈরি করত ইসলামের দাওয়াতি প্রকল্পে, জিহাদের তরবারি উঁচিয়ে সরিয়ে দেওয়া হতো তাদের পথের মাঝখান থেকে। জিহাদ ছিল ইসলামের দাওয়াতি-প্রকল্পের উত্তম সহায়ক এবং শ্রেষ্ঠ পৃষ্ঠপোষক।

টিকাঃ
২৬ শামায়েলে তিরমিজী, হাদিস-২৪৭; আল-ইসতিয়াব, ১/২৭১; উসদুল গাবাহ, ২/১০৭
২৭ সুনানে কুবরা বাইহাকী- ১০/১৮০
২৮ তাফসিরে ইবনে কাসির, সুরা বনি ইসরাইল, সুরা কাহাফ
২৯ তাফসিরে ইবনে কাসির, সুরা আলে ইমরান
৩০ তাফসিরে ইবনে কাসির, সুরা আলে ইমরান, সুরা তাওবা, সুরা নুর, সুরা মুনাফিকুন; সিরাতে ইবনে হিশাম- ২/৬৪, ২৯৭
৩১ সিরাতে ইবনে হিশাম, ২/৫৩০, ৫৩২

ফন্ট সাইজ
15px
17px