📄 শেষ রাতের তিন ঘোষণা
আবুল হাজ্জাজ মুজাহিদ রহ. বলেন, শেষ রাতে পাখীরা যখন আল্লাহর হামদ-ছানায় মশগুল হয়ে যায়, তখন আসমান থেকে এক ঘোষক তিনটি ঘোষণা দেয়। যথা- ১. هَلْ مِنْ سَائِلٍ يُعْطَى অর্থ: কেউ চাওয়ার আছে? তাকে দেওয়া হবে। ২. وَمَنْ دَاعٍ يُسْتَجَابُ لَهُ অর্থ: কেউ ডাকার আছে? তার ডাকে সাড়া দেয়া হবে। ৩. ও من مستغفر يغفر له অর্থ: কেউ ক্ষমা চাওয়ার আছে? তাকে ক্ষমা করা হবে।
📄 জোহর পর্যন্ত তাহাজ্জুদের কথা
আবু সালামা বিন আব্দুর রহমান বলেন: كانوا يعدون الهجر جوف الليل، فمن فاته شيء من صلاة الليل فادركه بالهجير ما بينه ও بين الظهر فقد ادرك অর্থ: “তাহাজ্জুদগুজারগণ সকাল থেকে জোহর পর্যন্ত সময়কেও ‘মধ্যরাত’ গণ্য করতেন। সুতরাং যদি কারো রাতে তাহাজ্জুদ ছুটে যেত আর সে জোহরের পূর্বে তা আদায় করতে পারত, তাহলে তাকে তাহাজ্জুদ আদায়কারী হিসেবে গণ্য করতেন।”
ফায়েদা: উদ্দেশ্য হলো একথা বলা যে, মামুল কাযা করা উচিত। নির্দিষ্ট সময়ে ছুটে গেলে পরে তা আদায় করা চাই। একেবারে বাদ যাওয়া ভাল নয়। পূর্ববর্তী বুযুর্গদের আমল ছিল, রাতে কারো তাহাজ্জুদ ছুটে গেলে তিনি তা জোহরের পূর্বে আদায় করে নিতেন।
📄 হাম্মাম বিন মুনাব্বেহের দোয়া
হাসীন বিন আব্দুর রহমান বলেন, হাম্মাম রহ. সেজদায় গিয়ে এভাবে দোয়া করতেন : اشفنى من النوم باليسير واجعل سهرى فى طاعتك অর্থ: “হে আল্লাহ! আমাকে রাতের ঘুম থেকে বিরত রাখুন। আমাকে তাওফিক দিন যেন আমি জাগ্রতাবস্থায় আপনার আনুগত্য করতে পারি।” বর্ণনাকারী বলেন, তিনি বসে পড়ে একটু ঝিমুতেন মাত্র; এ ছাড়া আর ঘুমাতেন না।
📄 এক আয়াতেই সকাল
ওকা বিন ইয়াস বলেন, আমি সাঈদ বিন যুবাইরকে সকাল পর্যন্ত একটি আয়াত বারবার পড়তে শুনেছি। আয়াতটি হলো: فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ إِذِ الْأَغْلَالُ فِي أَعْنَاقِهِمْ وَالسَّلَাসِلُ يُسْحَبُونَ فِي الْحَمِيمِ ثُمَّ فِي النَّارِ يُسْجَرُونَ .
অর্থ: "সুতরাং তারা অচিরেই জানতে পারবে। যখন তাদের গলায় থাকবে বেড়ি ও শিকল, তাদেরকে গরম পানিতে হেঁচড়ানো হবে, তারপর আগুনে দগ্ধ করা হবে।" -সূরা মু'মিন ৭০-৭২