📘 বড়দের তাহাজ্জুদ ও রাত জাগরণ 📄 নবীজীর কুরআন তেলাওয়াতের তরিকা

📄 নবীজীর কুরআন তেলাওয়াতের তরিকা


হযরত হুজায়ফা রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি রাতে নবীজীর সঙ্গে নামায পড়েন। নবীজী রুকুতে বলেন: سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمِ আর সেজদায় বলেন: سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى কুরআন তেলাওয়াত করতে করতে রহমতের আয়াত এলে কিছুক্ষণ থেমে দোয়া করতেন আর আজাবের আয়াত এলে পানাহ চাইতেন। -মুসলিম

📘 বড়দের তাহাজ্জুদ ও রাত জাগরণ 📄 রাতে কুরআন তেলাওয়াতের বিভিন্ন ফযিলত

📄 রাতে কুরআন তেলাওয়াতের বিভিন্ন ফযিলত


হযরত উম্মুদ দারদা রা. হযরত আবুদ দারদা রা.-এর সূত্রে কুরআন তেলাওয়াতের বিভিন্ন ফযিলত বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: ১. مَنْ قَرَأَ عَشْرَ آيَاتٍ فِيْ لَيْلَةٍ لَمْ يُكْتَبْ مِنَ الْغَافِلِيْنَ - অর্থ: যে ব্যক্তি রাতে দশটি আয়াত তেলাওয়াত করবে তার নাম গাফেলদের তালিকায় লেখা হবে না। ২. وَمَنْ قَرَأَ خَمْسِيْنَ آيَةً كُتِبَ مِنَ الذَّاكِرِيْنَ - অর্থ: যে ব্যক্তি পঞ্চাশ আয়াত পড়বে তাকে জাকেরীনদের মধ্যে লেখা হবে। ৩. وَمَنْ قَرَأَ مِائَةَ آيَةٍ كُتِبَ مِنَ الْقَانِتِيْنَ অর্থ: যে ব্যক্তি একশ আয়াত পড়বে, আবেদদের মধ্যে তার নাম লেখা হবে। ৪. وَمَنْ قَرَأَ أَلْفَ آيَةٍ كُتِبَ لَهُ قِنْطَارٌ অর্থ: আর যে ব্যক্তি এক হাজার আয়াত পড়বে তার জন্য এক হাজার দীনার সদকার সওয়াব লেখা হবে।

📘 বড়দের তাহাজ্জুদ ও রাত জাগরণ 📄 শেষ রাতের তিন ঘোষণা

📄 শেষ রাতের তিন ঘোষণা


আবুল হাজ্জাজ মুজাহিদ রহ. বলেন, শেষ রাতে পাখীরা যখন আল্লাহর হামদ-ছানায় মশগুল হয়ে যায়, তখন আসমান থেকে এক ঘোষক তিনটি ঘোষণা দেয়। যথা- ১. هَلْ مِنْ سَائِلٍ يُعْطَى অর্থ: কেউ চাওয়ার আছে? তাকে দেওয়া হবে। ২. وَمَنْ دَاعٍ يُسْتَجَابُ لَهُ অর্থ: কেউ ডাকার আছে? তার ডাকে সাড়া দেয়া হবে। ৩. ও من مستغفر يغفر له অর্থ: কেউ ক্ষমা চাওয়ার আছে? তাকে ক্ষমা করা হবে।

📘 বড়দের তাহাজ্জুদ ও রাত জাগরণ 📄 জোহর পর্যন্ত তাহাজ্জুদের কথা

📄 জোহর পর্যন্ত তাহাজ্জুদের কথা


আবু সালামা বিন আব্দুর রহমান বলেন: كانوا يعدون الهجر جوف الليل، فمن فاته شيء من صلاة الليل فادركه بالهجير ما بينه ও بين الظهر فقد ادرك অর্থ: “তাহাজ্জুদগুজারগণ সকাল থেকে জোহর পর্যন্ত সময়কেও ‘মধ্যরাত’ গণ্য করতেন। সুতরাং যদি কারো রাতে তাহাজ্জুদ ছুটে যেত আর সে জোহরের পূর্বে তা আদায় করতে পারত, তাহলে তাকে তাহাজ্জুদ আদায়কারী হিসেবে গণ্য করতেন।”

ফায়েদা: উদ্দেশ্য হলো একথা বলা যে, মামুল কাযা করা উচিত। নির্দিষ্ট সময়ে ছুটে গেলে পরে তা আদায় করা চাই। একেবারে বাদ যাওয়া ভাল নয়। পূর্ববর্তী বুযুর্গদের আমল ছিল, রাতে কারো তাহাজ্জুদ ছুটে গেলে তিনি তা জোহরের পূর্বে আদায় করে নিতেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px