📄 তিন চোখের জন্য জাহান্নাম হারাম
ইমাম আওযায়ী রহ. বলেন, আমি সাবেত বিন মা'বাদ রহ.-কে বলতে শুনেছি, তিন চোখ কখনো জাহান্নামে যাবে না। যথা- ১. عين حرست في سبيل الله - অর্থ: যে চোখ আল্লাহর রাস্তায় পাহারাদারি করেছে। ২. عين بكت من خشية الله - অর্থ: যে চোখ আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করেছে। ৩. عين سهرت بكتاب الله - অর্থ: যে চোখ আল্লাহর কিতাব পড়ে রাত জাগরণ করেছে।
📄 মাগরিব থেকে ইশা পর্যন্ত নফল নামায
হযরত হুজায়ফা রা. নবীজীর রাতের নামায প্রসঙ্গে বলেন: اتيت النبي صلى الله عليه وسلم فصليت معه المغرب فلما صلى فلم يزل يصلى حتى صلى العشاء ثم خرج فتبعته فقال : من هذا؟ قلت حذيفة قال : اللهم اغفر لحذيفة ولأمه - অর্থ: "আমি একদা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে এলাম এবং তাঁর সঙ্গে মাগরিবের নামায পড়লাম। তিনি মাগরিব নামায শেষে নফল পড়া শুরু করেন। ইশার নামায পর্যন্ত লাগাতার পড়তেই থাকেন। অতঃপর ইশার নামায পড়ে নবীজী বের হলে আমি তাঁর পিছু নিই। তিনি বলেন, কে? আমি বললাম, হুজায়ফা। তখন নবীজী বলেন : اللهم اغفر لحذيفة ولأمه - অর্থ: "হে আল্লাহ! হুজায়ফা ও তার কওমকে মাফ করে দিন।"
📄 এক রাকাতে পাঁচ সূরা পাঠ
হযরত হুজায়ফা রা.-এর আযাদকৃত গোলাম সাঈদ হযরত হুজায়ফা রা.-এর সূত্রে বর্ণনা করেন : ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى فاستفتح سورة البقرة حتى ختمها وقال : اللهم ربنا لك الحمد نحوا من ست مرار او سبع مرات ثم آل عمران هكذا ثم آل عمران هكذا ثم النساء ثم المائدة ثم الانعام ثم ركع فقال في ركوعه : سبحان ربي العظيم وفى سجوده : سبحان ربى الاعلى - অর্থ: "নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তাহাজ্জুদ) নামাযে সূরা বাকারা পড়ে ৬/৭ বার ربنا لك الحمد বলেন। এরপর সূরা আলে ইমরান তারপর সূরা নিসা তারপর সূরা মায়েদা এরপর সূরা আনআম শেষ করে রুকুতে যান। রুকুতে বলেন- سبحان ربي العظيم আর সেজদায় বলেন- سبحان ربي الأعلى"
📄 নবীজীর কুরআন তেলাওয়াতের তরিকা
হযরত হুজায়ফা রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি রাতে নবীজীর সঙ্গে নামায পড়েন। নবীজী রুকুতে বলেন: سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمِ আর সেজদায় বলেন: سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى কুরআন তেলাওয়াত করতে করতে রহমতের আয়াত এলে কিছুক্ষণ থেমে দোয়া করতেন আর আজাবের আয়াত এলে পানাহ চাইতেন। -মুসলিম