📘 বড়দের তাহাজ্জুদ ও রাত জাগরণ 📄 ফেরেশতা ও শয়তানের ঝগড়া

📄 ফেরেশতা ও শয়তানের ঝগড়া


আব্দুল্লাহ বলেন, যদি কোনো লোকের রাতে নির্দিষ্ট সময়ে উঠার মামুল থাকে কিন্তু কোনো দিন ঘুম বেশি হওয়ায় ঐ নির্দিষ্ট সময়ে উঠতে না পারে, তখন তার কাছে এক ফেরেশতা এসে বলে: قم فاذكر ربك وصل ما قدر لك - অর্থ: "উঠ উঠ, তোমার প্রভুর কথা স্মরণ কর এবং তোমার ভাগে যে পরিমাণ নামায লেখা আছে তা পড়।"

শয়তান ফেরেশতার এই আহ্বানকে উড়িয়ে দিয়ে বলে: فان عليك ليلا، هل تسمع صوتا؟ অর্থ: "ঘুমাও, এখনও ঢের রাত আছে। তুমি কোনো আওয়াজ শুনছ? অর্থাৎ সকলে ঘুমিয়ে আছে, কেউ উঠেনি; অতএব তুমিও ঘুমিয়ে থাক।"

এরপর ফেরেশতা ও শয়তান ঝগড়া করতে থাকে। ফেরেশতা বলে, তুমি কল্যাণ প্রকাশকারী হও। শয়তান বলে, মন্দ প্রকাশকারী হও। এরপর যদি লোকটি ঘুম থেকে উঠে নামায পড়ে, তাহলে সে কল্যাণপ্রাপ্ত হয়। আর যদি সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকে, তাহলে শয়তান তার কাছে এসে তার গায়ে হাত বুলায় এরপর তার কানে পেশাব করে দেয় (যাতে ফেরেশতার আওয়াজ তার কানে না পৌছে)। এভাবে ঘুমিয়ে এক সময় সে সকালের আলো দেখে এবং পেরেশান ও ভারাক্রান্ত মন নিয়ে ঘুম থেকে ওঠে।

📘 বড়দের তাহাজ্জুদ ও রাত জাগরণ 📄 রমযানের শেষ দশকে পরিবারদের জাগানো

📄 রমযানের শেষ দশকে পরিবারদের জাগানো


হযরত আলী রা. বলেন: ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يوقظ أهله في العشر الأواخر من رمضان - অর্থ: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের শেষ দশকে (রাতে তাহাজ্জুদ পড়তে) তার পরিবারবর্গকে (ঘুম থেকে) জাগিয়ে দিতেন।"

📘 বড়দের তাহাজ্জুদ ও রাত জাগরণ 📄 তাহাজ্জুদের ভূমিকা নামায

📄 তাহাজ্জুদের ভূমিকা নামায


হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: اذا قام احدكم يصلى من الليل فليصل ركعتين خفيفتين يفتح بهما صلاته অর্থ: "তোমাদের কেউ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়তে চাইলে প্রথমে সংক্ষিপ্তভাবে দুই রাকাত নামায পড়বে এরপর তাহাজ্জুদ শুরু করবে।"

📘 বড়দের তাহাজ্জুদ ও রাত জাগরণ 📄 নামায মু’মিনের নূর

📄 নামায মু’মিনের নূর


হযরত আনাস রা. হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: অর্থ: الصلوة نور المؤمن "নামায মু'মিনের নূর।"

ফন্ট সাইজ
15px
17px