📄 হযরত উসমান রা.-এর মা’মুল
যুবাইর বিন আব্দুল্লাহ বলেন, আমার দাদী আমাকে হযরত উসমান রা.-এর একটি মামুল সম্পর্কে অবহিত করেছেন। আমার দাদী বলেন :
ان عثمان بن عفان كان لا يوقظ احدا من اهله من الليل الا ان يجده يقظان فيدعوه فيناوله وضوءه ও كان يصوم الدهر
অর্থ : "হযরত উসমান রা. রাতে তার পরিবারের কাউকে জাগাতেন না। তবে কেউ জেগে থাকলে তাকে ডেকে ওজু করিয়ে দিতেন। তিনি সারা বছর রোযা রাখতেন।"
📄 মাগরিব ও ইশার মধ্যে ২০০ রাকাত নামায আদায়
আসেম আহওয়াল রহ. বলেন, আমার কাছে এই সংবাদ পৌছেছে -
ان ابا عثمان كان يصلى بين المغرب والعشاء مأتى ركعة
অর্থ : "নিশ্চয় আবু উসমান মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময়ে ২০০ রাকাত নফল নামায পড়তেন।" বর্ণনাকারী বলেন, একদিন আমি আবু উসমানের কাছে এলাম। তিনি নামায পড়ছিলেন। আমি বসে গুণতে থাকলাম। এক সময় বললাম, আল্লাহর কসম! আমি তো লসের মধ্যে আছি! কেননা তিনি নামায পড়ছেন আর আমি বসে আছি। অতঃপর আমিও দাঁড়িয়ে গেলাম এবং তার সঙ্গে নামায পড়তে থাকলাম।
📄 নামায পড়তে পড়তে বেহুশ হয়ে যাওয়া
মু'তামির বিন সুলাইমান তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা আবু উসমান সম্পর্কে বলেছেন :
اني لأحسب باب عثمان لا يصيب دنيا كان ليله قائما ونهاره صائما ও إن كان يصلى حتى يغشى عليه
অর্থ : "আমার মতে দুনিয়ার সঙ্গে আবু উসমানের কোনো সম্পর্ক ছিল না। তার রাত কাটত দাঁড়িয়ে আর দিন যেত রোযা রেখে। তিনি নামায পড়তে পড়তে বেহুঁশ হয়ে যেতেন।"
📄 ইশার ওজু দ্বারা ফরজ পড়া
আব্দুর রায্যাক রহ. বলেন, আমি স্বীয় পিতাকে বলতে শুনেছি:
كان وهب ربما صلى الصبح بوضوء العشاء ও كان يقول : ما أحدثت لرمضان شيئا قط
অর্থ: "ওহাব বিন মুনাব্বেহ (যিনি প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও বুযুর্গ ছিলেন) বেশির ভাগ সময় ইশার ওজু দ্বারা ফজরের নামায পড়তেন। তিনি নিজেই বলতেন : ما احدث لرمضان شيئا قط আমি রমযানে কোনো নতুন আমল করি না। অর্থাৎ রমযান ও গায়রে রমযানে সবসময় আমার মামুল একই থাকে।
ফায়েদা : ইবাদতের ক্ষেত্রে বড়দের রমযান-গায়রে রমযান সমান ছিল। তারা রমাযানেও যেমন বেশি ইবাদত করতেন, তেমনি গায়রে রমযানেও বেশি বেশি ইবাদত করতেন। এমন হত না যে, রমযানে বেশি ইবাদত করতেন আর অন্য সময়ে কম করতেন; বরং সবসময় সমান তথা বেশি ইবাদত করতেন।