📄 সাদ বিন ইব্রাহীমের ইবাদত
সাদ বিন ইব্রাহীম হলেন মূল লেখক ইমাম আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া রহ.-এর শায়েখ। তাঁর সম্পর্কে শোবা রহ. বলেন:
كان سعد بن ابراهيم يصوم الدهر ও يختم كل ثلاث أو قال : كل يوم ও ليلة
অর্থ: "সাদ বিন ইব্রাহীম সর্বদা রোযা রাখতেন। প্রতি তিন দিন অন্তর তিনি এক খতম কুরআন পড়তেন। কেউ কেউ বলেন, দিনে-রাতে তিনি এক খতম দিতেন।"
📄 হযরত উসমান রা.-এর মা’মুল
যুবাইর বিন আব্দুল্লাহ বলেন, আমার দাদী আমাকে হযরত উসমান রা.-এর একটি মামুল সম্পর্কে অবহিত করেছেন। আমার দাদী বলেন :
ان عثمان بن عفان كان لا يوقظ احدا من اهله من الليل الا ان يجده يقظان فيدعوه فيناوله وضوءه ও كان يصوم الدهر
অর্থ : "হযরত উসমান রা. রাতে তার পরিবারের কাউকে জাগাতেন না। তবে কেউ জেগে থাকলে তাকে ডেকে ওজু করিয়ে দিতেন। তিনি সারা বছর রোযা রাখতেন।"
📄 মাগরিব ও ইশার মধ্যে ২০০ রাকাত নামায আদায়
আসেম আহওয়াল রহ. বলেন, আমার কাছে এই সংবাদ পৌছেছে -
ان ابا عثمان كان يصلى بين المغرب والعشاء مأتى ركعة
অর্থ : "নিশ্চয় আবু উসমান মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময়ে ২০০ রাকাত নফল নামায পড়তেন।" বর্ণনাকারী বলেন, একদিন আমি আবু উসমানের কাছে এলাম। তিনি নামায পড়ছিলেন। আমি বসে গুণতে থাকলাম। এক সময় বললাম, আল্লাহর কসম! আমি তো লসের মধ্যে আছি! কেননা তিনি নামায পড়ছেন আর আমি বসে আছি। অতঃপর আমিও দাঁড়িয়ে গেলাম এবং তার সঙ্গে নামায পড়তে থাকলাম।
📄 নামায পড়তে পড়তে বেহুশ হয়ে যাওয়া
মু'তামির বিন সুলাইমান তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা আবু উসমান সম্পর্কে বলেছেন :
اني لأحسب باب عثمان لا يصيب دنيا كان ليله قائما ونهاره صائما ও إن كان يصلى حتى يغشى عليه
অর্থ : "আমার মতে দুনিয়ার সঙ্গে আবু উসমানের কোনো সম্পর্ক ছিল না। তার রাত কাটত দাঁড়িয়ে আর দিন যেত রোযা রেখে। তিনি নামায পড়তে পড়তে বেহুঁশ হয়ে যেতেন।"