📄 সাহেবে কুরআনের প্রতি আহ্বান
প্রখ্যাত তাবেয়ী হযরত মুজাহিদ রহ. বলেন, শীতের মৌসুম শুরু হলে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. বলতেন: يا اهل القرآن طال الليل لصلاتكم ও قصر النهار لصيامكم فاغتنموا -
অর্থ: "হে সাহেবে কুরআন! (তাহাজ্জুদ) নামাজের জন্য রাত লম্বা হয়েছে এবং তোমাদের রোযার জন্য দিন ছোট হয়েছে। সুতরাং এ সময়টিকে তোমরা গনীমত মনে কর।"
📄 এক রাতে কুরআন খতম করা
ইসহাক বিন সাঈদ আল-কুরাশী তার পিতার সূত্রে হযরত ইবনে যুবাইর রহ.-এর অবস্থা বর্ণনা করেন যে- ان ابن الزبير كان يقرأ القرآن في ليلة -
অর্থ: "নিশ্চয় ইবনে যুবাইর এক রাতে পুরো কুরআন তেলাওয়াত করতেন।"
📄 সারা বছর রাত জাগরণ করা
মুহাম্মাদ বিন যায়েদ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর সম্পর্কে বলেন: كان عبد الله بن الزبير يحي الدهر اجمع، فكان يحى ليلة قائما حتى يصبح وليلة يحييها راكعا حتى الصباح وليلة يحييا ساجدا حتى الصباح
অর্থ: "আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর পুরো বছর রাত জাগরণ করতেন। কখনো তিনি সকাল পর্যন্ত রাতভর জেগে থাকতেন নামাযে দণ্ডায়মান অবস্থায়, কখনো রুকু অবস্থায় এবং কখনও সেজদারত অবস্থায়।"
📄 নবীজীর তাহাজ্জুদ নামায
আসওয়াদ বিন ইয়াযিদ একদা হযরত আয়েশা রা.-এর নিকট যান এবং তাকে নবীজীর তাহাজ্জুদ নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। হযরত আয়েশা রা. বলেন: كان يصلى ثلاث عشرة ركعة من الليل، ثم إنه صلى إحدى عشرة ركعة ও ترك ركعتين ثم قبض حين قبض ও كان يصلى من الليل تسع ركعات أخره صلاته من الليل الوتر
অর্থ: "নবীজী রাতে ১৩ রাকাত নামায পড়তেন। পরে দুই রাকাত বাদ দিয়ে ১১ রাকাত পড়তেন। অতঃপর তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি রাতে ৯ রাকাত নামায পড়তেন। রাতের নামাযের শেষে তিনি বিতর পড়তেন।"
নবীজীর রাতের নামাযের শেষ ৩ রাকাত ছিল বিতর। এ হিসেবে নবীজীর তাহাজ্জুদ নামায হয় যথাক্রমে ১০, ৮ ও ৬ রাকাত। অর্থাৎ কখনো ১০ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়তেন, কখনো ৮ রাকাত আবার কখনো ৬ রাকাত।