📄 এক রাকাতেই পুরো কুরআন পাঠ
হাম্মাদ হযরত সাঈদ বিন যুবাইর রহ.-এর কুরআন খতম সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন:
ان سعيد بن جبير قرأ القرآن في ركعة فى الكعبة وقرأ في الركعة الثانية بقل هو الله احد
অর্থ: "হযরত সাঈদ বিন যুবাইর রহ. কাবা শরীফে এক রাকাতেই পুরো কুরআন পড়তেন। আর দ্বিতীয় রাকাত পড়তেন সূরা ইখলাস দ্বারা।"
📄 সাহাবীর কুরআন খতম
মুহাম্মাদ ইবনে সিরীন রহ. হযরত তামীমে দারী রা.-এর খতমে কুরআন সম্পর্কে বলেন:
ان تميما الدارى كان يختم القرآن في ركعة
অর্থ: "নিশ্চয় তামীমে দারী রা. এক রাকাতে পূর্ণ কুরআন খতম করতেন।"
📄 সারা রাত নামায পড়েও উদ্যমী থাকা
শাহর বিন হাওশাব রহ. বলেন, আবু আব্দুর রহমান এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেন :
কিয়ফা স্বলাতুকা বিল লাইলি?
অর্থ: "আপনার রাতের নামায কেমন হয় অর্থাৎ আপনি রাতে কী পরিমাণ নামায পড়েন?" জবাবে লোকটি বলেন:
মা শাআল্লাহ। ওয়াল্লাহি ইন কুনতু লা’আবতাদিউল লাইলা ছুম্মা উসবিহু ওয়া আনা আবসাতু মিন আউয়ালিল লাইল -
অর্থ: "আল্লাহ যত চান অর্থাৎ তার তাওফিক যেমন পাই তেমন পড়ি। তবে আল্লাহর কসম যে, আমি রাতের শুরু হতে ভোর পর্যন্ত নামায পড়তেই থাকি। আমি এতে ক্লান্ত হই না; বরং শুরুর রাতের মতই উদ্যমী ও ফুরফুরে থাকি।"
📄 ঘুম দূর করার নানা পলিসি
আতিয়্যাহ বলেন, আমি অনেক তাহাজ্জুদগুজারদের দেখেছি যে, তারা রাতের ঘুম দূর করতে বিভিন্ন পলিসি গ্রহণ করতেন। তার মধ্যে হতে তিনটি পলিসি নিম্নরূপ-
(১) কেউ লোহার আংটায় হাত পুরে রাখতেন। যখন তন্দ্রা আসত তখন হাত মাথার উপরে উঠাতেন। এতে কষ্ট হত আর কষ্টে ঘুম ভেঙে যেত।
(২) কেউ কেউ ডান-বামে টেক লাগাতেন। যখন ঘুমিয়ে এক দিকে পড়ে যেতেন, তখন উঠে নামায শুরু করতেন।
(৩) কেউ কেউ বিছানার নিচে হামান-দস্তা রাখতেন। যখন তা কষ্ট দিত জেগে নামাযে দাঁড়িয়ে যেতেন।