📄 নির্ঘুম হজের সফর
হযরত আব্দুস সালাম বিন হারব রহ, ঘটনা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন:
مَا رَأَيْتُ أَصْبَرَ عَلَى السَّهَرِ مِنْ خَلَفِ بْنِ حَوْشَبِ سَافَرْتُ مَعَهُ إِلَى مَكَّةَ فَمَا رَأَيْتُهُ نَائِمًا بِلَيْلٍ حَتَّى رَجَعْنَا إِلَى الْكُوفَةِ
অর্থ: “নিমিত রাত জাগরণ এবং তার উপর অটল-অবিচল থাকার ক্ষেত্রে আমি খলফ বিন হাওশাব থেকে অধিক দৃঢ় আর কাউকে পাইনি। আমি তার সঙ্গে কুফা হতে মক্কা মুকাররমা পর্যন্ত সফর করেছি। কুফা ফিরে আসা পর্যন্ত আমি তাকে কোনো দিন রাতে ঘুমুতে দেখিনি।”
📄 ফজর পর্যন্ত নামাযে লিপ্ত
মুহাম্মাদ বিন আবু সারা ঘটনা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন:
رَأَيْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ قَدِمَ عَلَيْنَا حَاجًّا فَصَلَّى الْعِشَاءَ ثُمَّ مَالَ إِلَى نَاحِيَةِ مِمَّا يَلِي بَابَ بَنِي سَهْمٍ فَافْتَتَحَ الصَّلوةَ فَلَمْ يَزَلْ يَمِيلُ يَمِينًا ও شِمَالاً حَتَّى طَلَعَ الْفَجْرُ ثُمَّ جَلَسَ فَاحْتَبَي بِثَوْبِهِ
অর্থ: “আমি সালেম বিন আব্দুল্লাহকে দেখেছি, তিনি হজ করতে আসেন। ইশার নামায পড়েন। এরপর মসজিদে হারামের বনূ সাহমের সংশ্লিষ্ট এক কোণায় গিয়ে নামায শুরু করেন। সুবহে সাদিক পর্যন্ত তিনি ডান-বামে মুখ ফেরাতে থাকেন (অর্থাৎ বারবার সালাম ফিরিয়ে আবার নামায শুরু করেন)। পরে তিনি স্বীয় চাদর পরিধান করে বসে থাকেন।”
📄 শয্যাবিহীন মানুষ
আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ উয়ায়সী রহ. বলেন, আমি আব্দুর রহমান বিন দাউদকে সা'দ নামীয় হযরত আব্দুল্লাহ বিন হানজালার এক গোলামের আলোচনা করতে শুনেছি। গোলাম বর্ণনা করেছেন:
لَمْ يَكُنْ لِعَبْدِ اللهِ بْنِ حَنْظَلَةَ فِرَاشٌ يَنَامُ عَلَيْهِ إِنَّمَا كَانَ يُلْقِي نَفْسَهُ هَكَذَا إِذَا أَعْيَا مِنَ الصَّلوةِ تَوَسَّدَ رِدَاءَهُ ও ذِرَاعَهُ يَهْجَعُ شَيْئًا
অর্থ: “আব্দুল্লাহ বিন হানজালার কোনো শয্যা ছিল না, যার উপর তিনি আরাম করতেন। তিনি স্বীয় নফসের উপর চরম কষ্ট চাপিয়ে রেখেছিলেন। নামায পড়তে পড়তে কিছুটা ক্লান্তি বোধ করলে স্বীয় চাদর এবং বাজুর উপর হেলান দিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতেন।”
📄 ৪০ বছর ধরে বিছানায় শয়ন না করা
আব্দুল্লাহ বিন আবু যয়নব রহ. বলেন, আমাকে আমার মাতা বলেছেন: يا بني ما توسد ابوك فراشا منذ اربعين سنة فى بيتي، قلت : اما كان ينام؟ قالت : بلى هجعة خفيفة وهو قاعد قبل الفجر -
অর্থ: “প্রিয় পুত্র! তোমার পিতা আমার ঘরে ৪০ বছর ধরে বালিশ ব্যবহার করেননি। আমি বিস্মিত হয়ে জানতে চাইলাম, তবে কি তিনি নিদ্রা যেতেন না? জবাবে মাতা বলেন, যেতেন ঠিকই; তবে তার নিদ্রাগমন এমন ছিল যে, ফজরের নামাযের একটুখানি পূর্বে বসে বসে ঝিমুতেন।”