📄 আল্লাহর নিকট সর্বোচ্চ প্রিয় আমল কী?
হযরত মুয়াবিয়া বিন কুররা রহ. বলেন, আমি একদিন হযরত হাসান বসরী রহ.-এর কাছে গেলাম, তখন তিনি স্বীয় খাটে হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। আমি বললাম:
يا أبا سعيد أي الأعمال أحب إلى الله؟ قال : الصلوة في جوف الليل والناس نيام -
অর্থ: হে আবু সাঈদ! কোন আমল আল্লাহর নিকট বেশি প্রিয়? জবাবে তিনি বলেন: الصلوة في جوف الليل والناس نيام রাতের মধ্যভাগের নামায, যখন সারা জগত ঘুমে বিভোর থাকে।
📄 রাতের নামাযের ফযিলত
রাতের নামাযের ফযিলত দিনের নামাযের চেয়ে বেশি। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর উক্তি প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেন: فضل صلوة الليل على صلوة النهار كفضل صدقة السر على صدقة العلانية
অর্থ: "রাতের নামাযের ফযিলত দিনের নামাযের উপর এমন, যেমন গোপনে দানের ফযিলত প্রকাশ্যে দানের উপর।"
📄 রাতের ১ রাকাত দিনের ২০ রাকাত হতে উত্তম
হযরত ইয়ালা বিন আতা রহ. বলেন, আমার ফুফু সালমা বলেন, আমাকে হযরত আমর বিন আস রা. বলেন: يا سلمى ركعة بالليل خير من عشر بالنهار -
অর্থ: "হে সালমা! রাতের এক রাকাত নামায দিনের কুড়ি রাকাত হতে উত্তম।"
📄 তাহাজ্জুদ পড়া ছাড়া উপায় নেই
হযরত কাতাদা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: لا بد من قيام الليل ولو قدر حلب شاة :
অর্থ: "তাহাজ্জুদ পড়া ছাড়া উপায় নেই, যদিও বকরীর দুধ দোহনের সময়ের পরিমাণও হোক না কেন।"
অর্থাৎ, কেয়ামতের দিন নাজাত চাইলে অল্প সময়ের জন্য হলেও তাহাজ্জুদ নামায পড়তে হবে। এ হাদীস প্রমাণ করে যে, তাহাজ্জুদ নামায নফল-সুন্নত হলেও নাজাতের ব্যাপারে তার গুরুত্ব অপরিসীম। আখেরাতে সহজে নাজাত চাইলে তাহাজ্জুদ আমলের বিকল্প নেই। প্রতিদিন অল্প হলেও এ নামায পড়া চাই।