📘 বড়দের তাহাজ্জুদ ও রাত জাগরণ 📄 কুরআনের বাহক কারা

📄 কুরআনের বাহক কারা


কুরআনের বাহক কারা : কুরআনের বাহক দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ঐ সকল ব্যক্তি, যারা কুরআন মুখস্থ করে তার অর্থ বোঝে এবং কুরআনের সমস্ত আদেশ-নিষেধ মান্য করে। অবশ্য কেউ কেউ শুধু হাফেজদেরও অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

কুরআনের বাহক দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ঐ সকল ব্যক্তি, যারা কুরআন মুখস্থ করে তার অর্থ বোঝে এবং কুরআনের সমস্ত আদেশ-নিষেধ মান্য করে। অবশ্য কেউ কেউ শুধু হাফেজদেরও অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

📘 বড়দের তাহাজ্জুদ ও রাত জাগরণ 📄 পূর্ববর্তী নবীদের তাহাজ্জুদ

📄 পূর্ববর্তী নবীদের তাহাজ্জুদ


পূর্ববর্তী অনেক নবী-রাসূল তাহাজ্জুদ পড়েছেন। তবে তাদের মধ্য হযরত মূসা আ., হযরত দাউদ আ., হযরত সুলাইমান আ. এবং হযরত ঈসা আ.-এর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

১. হযরত মূসা আ.-এর তাহাজ্জুদ
হযরত আনাস রা. হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি মেরাজের রাতে হযরত মূসা আ.-এর পাশ দিয়ে গমনকালে তাকে দেখি যে, তিনি কবরে দাঁড়িয়ে নামায পড়ছেন।³²

২. হযরত দাউদ আ.-এর তাহাজ্জুদ
হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর রা. হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নফল নামাযসমূহের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় নামায হল হযরত দাউদ আ.-এর নামায এবং নফল রোযাসমূহের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় রোযা হল হযরত দাউদ আ.-এর রোযা। হযরত দাউদ আ.-এর অভ্যাস ছিল, তিনি রাতের শুরুতে ঘুমিয়ে রাতের এক তৃতীয়াংশ বাকী থাকতে উঠে তাহাজ্জুদ নামায পড়তেন। পরে কিছু সময় আরাম করতেন। আর তিনি একদিন পরপর রোযা রাখতেন।³³

৩. হযরত সুলাইমান আ.-এর তাহাজ্জুদ
হযরত দাউদ আ. ও তাঁর পুত্র হযরত সুলাইমান আ. নিজেদের মাঝে রাত ভাগ করে নিয়েছিলেন। হযরত দাউদ আ. সুলাইমান আ.-কে বলেছিলেন, বাবা! হয়ত তুমি প্রথম রাতে তাহাজ্জুদ পড়বে আর আমি পড়ব শেষ রাতে অথবা তুমি শেষ রাতে তাহাজ্জুদ পড়বে আর আমি পড়ব প্রথম রাতে। রাতে কখনও এমন হত না যে, পিতা-পুত্র একই সময়ে ঘুমিয়েছেন।³⁴

৪. হযরত ঈসা আ.-এর তাহাজ্জুদ
হযরত ঈসা আ.ও তাহাজ্জুদের প্রতি অনুরক্ত ছিলেন বলে প্রতীয়মান হয়। কেননা তাহাজ্জুদ প্রসঙ্গে তার বাণী স্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি বলেন : রাতে যারা তাহাজ্জুদ নামাযে লিপ্ত থাকে তাদের জন্য শুভ কামনা। যারা এভাবে অন্ধকার রাতে প্রভুর সামনে দাঁড়ায় তাদেরকে একটি স্থায়ী নূর দেয়া হয়।

টিকাঃ
৩২. মুসনাদে আহমদ, মুসলিম, নাসাঈ।
৩৩. বুখারী, মুসলিম।
৩৪. আত তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লায়াল।

পূর্ববর্তী অনেক নবী-রাসূল তাহাজ্জুদ পড়েছেন। তবে তাদের মধ্য হযরত মূসা আ., হযরত দাউদ আ., হযরত সুলাইমান আ. এবং হযরত ঈসা আ.-এর নাম বিশেষভাবে উল্লেযোগ্য।

১. হযরত মূসা আ.-এর তাহাজ্জুদ
হযরত আনাস রা. হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি মেরাজের রাতে হযরত মূসা আ.-এর পাশ দিয়ে গমনকালে তাকে দেখি যে, তিনি কবরে দাঁড়িয়ে নামায পড়ছেন।³²

২. হযরত দাউদ আ.-এর তাহাজ্জুদ
হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর রা. হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নফল নামাযসমূহের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় নামায হল হযরত দাউদ আ.-এর নামায এবং নফল রোযাসমূহের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় রোযা হল হযরত দাউদ আ.-এর রোযা। হযরত দাউদ আ.-এর অভ্যাস ছিল, তিনি রাতের শুরুতে ঘুমিয়ে রাতের এক তৃতীয়াংশ বাকী থাকতে উঠে তাহাজ্জুদ নামায পড়তেন। পরে কিছু সময় আরাম করতেন। আর তিনি একদিন পরপর রোযা রাখতেন।³³

৩. হযরত সুলাইমান আ.-এর তাহাজ্জুদ
হযরত দাউদ আ. ও তাঁর পুত্র হযরত সুলাইমান আ. নিজেদের মাঝে রাত ভাগ করে নিয়েছিলেন। হযরত দাউদ আ. সুলাইমান আ.-কে বলেছিলেন, বাবা! হয়ত তুমি প্রথম রাতে তাহাজ্জুদ পড়বে আর আমি পড়ব শেষ রাতে অথবা তুমি শেষ রাতে তাহাজ্জুদ পড়বে আর আমি পড়ব প্রথম রাতে। রাতে কখনও এমন হত না যে, পিতা-পুত্র একই সময়ে ঘুমিয়েছেন।³⁴

৪. হযরত ঈসা আ.-এর তাহাজ্জুদ
হযরত ঈসা আ.ও তাহাজ্জুদের প্রতি অনুরক্ত ছিলেন বলে প্রতীয়মান হয়। কেননা তাহাজ্জুদ প্রসঙ্গে তার বাণী স্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি বলেন: রাতে যারা তাহাজ্জুদ নামাযে লিপ্ত থাকে তাদের জন্য শুভ কামনা। যারা এভাবে অন্ধকার রাতে প্রভুর সামনে দাঁড়ায় তাদেরকে একটি স্থায়ী নূর দেয়া হয়।

টিকাঃ
৩১. মুয়াত্তা মালেক, মেশকাত-১১০।
৩২. মুসনাদে আহমদ, মুসলিম, নাসায়ী।
৩৩. বুখারী, মুসলিম।
৩৪. আত তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লায়ল।

ফন্ট সাইজ
15px
17px