📄 তাওয়াক্কুলের প্রকারভেদ
তাওয়াক্কুল বা ভরসার প্রকারভেদঃ আল্লাহ্ তা'আলা ছাড়া অন্য কারোর উপর ভরসা করা তিন প্রকার। যা নিম্নরূপঃ
১. সৃষ্টির অসাধ্য এমন কোন ব্যাপারে স্রষ্টা ছাড়া অন্য কারোর উপর ভরসা করা। যেমনঃ বিজয়, রক্ষণ, রিযিক বা সুপারিশ ইত্যাদির ব্যাপারে মৃত বা অনুপস্থিত কোন ব্যক্তির উপর ভরসা করা। এটি বড় শির্ক।
২. মানুষের সাধ্যাধীন এমন কোন বাহ্যিক ব্যাপারে রাষ্ট্রপতি, গভর্ণর বা সক্ষম কারোর উপর সম্পূর্ণরূপে ভরসা করা। যেমনঃ দান, সাদাকা বা বাহ্যিক সমস্যা দূরীকরণ ইত্যাদির ব্যাপারে উপরোক্ত কারোর উপর ভরসা করা। এটি ছোট শিক।
৩. কোন কর্ম সম্পাদনে নিজ প্রতিনিধির উপর নির্ভরশীল হওয়া। যেমনঃ ক্রয়, বিক্রয় ইত্যাদির ব্যাপারে। এটি জায়েয। তবে এ সকল প্রতিনিধির উপরও সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল হওয়া যাবে না। বরং এ জাতীয় কর্মসমূহ সহজ করণে সত্যিকারার্থে একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলার উপরই নির্ভরশীল হতে হবে। কারণ, প্রতিনিধি বলতেই তা মাধ্যম মাত্র এবং এ মাধ্যম ক্রিয়াশীল করতে একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলাই সক্ষম। অন্য কেউ নয়। তবে এ কথা একান্তভাবে মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ্ তা'আলার উপর ভরসা করা বৈষয়িক উপকরণ গ্রহণ করার মোটেও পরিপন্থী নয়। কারণ, আল্লাহ্ তা'আলা প্রতিটি বস্তু বা ব্যাপারকে যে কোন উপকরণ বা মাধ্যম নির্ভরশীল করেছেন। এ কারণেই তিনি মানুষকে তাঁর উপর তাওয়াক্কুলের পাশাপাশি মাধ্যম ও উপকরণ গ্রহণ করতে আদেশ দিয়েছেন। অতএব উপকরণ বা মাধ্যম গ্রহণ করাও ইবাদাত। যেমনিভাবে আল্লাহ্ তা'আলার উপর তাওয়াক্কুল করাও একটি ইবাদাত। কারণ, আল্লাহ্ তা'আলা উপকরণ গ্রহণ করতে আদেশ করেছেন। আর আল্লাহ্ তা'আলার আদেশ পালনের নামই তো ইবাদাত।
আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করেনঃ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوْا خُذُوا حِذْرَكُمْ অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজ সতর্কতা অবলম্বন করো। তিনি আরো বলেনঃ وَ أَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ অর্থাৎ তোমরা কাফিরদের মোকাবিলায় যথাসাধ্য শক্তি সঞ্চয় করো। তিনি আরো বলেনঃ فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَ ابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللَّهِ অর্থাৎ নামায শেষ হলেই তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহ্ তা'আলার অনুগ্রহ তথা রিযিক অনুসন্ধান করো। হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল ইরশাদ করেনঃ الْمُؤْمِنُ الْقَوِيُّ خَيْرٌ وَ أَحَبُّ إِلَى اللهِ مِنَ الْمُؤْمِنِ الضَّعِيفَ ، وَ فِي كُلِّ خَيْرٌ ، احْرِصْ عَلَى مَا يَنْفَعُكَ وَ اسْتَعِنْ بِاللَّهِ وَ لَا تَعْجَزْ ، وَ إِنْ أَصَابَكَ شَيْءٌ فَلَا تَقُلْ: لَوْ أَنِّي فَعَلْتُ كَانَ كَذَا وَكَذَا ، وَ لَكِنْ قُلْ: قَدَّرَ اللَّهُ وَ مَا شَاءَ فَعَلَ ، فَإِنْ لَوْ تَفْتَحُ عَمَلَ الشَّيْطَانِ অর্থাৎ শক্তিশালী মু'মিন দুর্বল মু'মিন অপেক্ষা অনেক ভালো এবং আল্লাহ্ তা'আলার নিকট অধিক পছন্দনীয়। তবে উভয়ের মধ্যে কম ও বেশি কল্যাণ রয়েছে। যা তোমার উপকারে আসবে তা করতে সর্বদা উৎসাহী থাকো এবং আল্লাহ্'র সাহায্য কামনা করো। অক্ষমের ন্যায় বসে থেকোনা। কোন অঘটন ঘটলে এ কথা বলবেনা যে, যদি এমন করতাম তাহলে এমন এমন হতো। বরং বলবেঃ আল্লাহ্ তা'আলা ইহা আমার ভাগ্যে রেখেছেন এবং তিনি যা চেয়েছেন তাই করেছেন। কারণ, "যদি" শব্দটি শয়তানের শয়তানীর দরোজা খুলে দেয়।
হযরত আনাস থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُوْلَ الله ! أَعْقَلُهَا وَ أَتَوَكَّلُ ، أَوْ أُطْلِقُهَا وَ أَتَوَكَّلُ؟ قَالَ: اعْقَلْهَا وَ تَوَكَّلْ অর্থাৎ জনৈক ব্যক্তি বললোঃ হে আল্লাহ্'র রাসূল! আমি উটটি বেঁধে তাওয়াক্কুল করবো নাকি না বেঁধেই তাওয়াক্কুল করবো? তিনি বললেনঃ বেঁধেই তাওয়াক্কুল করো। না বেঁধে নয়।
হযরত 'উমর বিন খাত্তাব এর সঙ্গে ইয়েমেনের কিছু সংখ্যক লোকের সাক্ষাৎ হলে তিনি তাদেরকে বলেনঃ مَنْ أَنْتُمْ؟ قَالُوا: نَحْنُ الْمُتَوَكِّلُوْنَ . قَالَ : بَلْ أَنْتُمُ الْمُتَأَكِّلُوْنَ إِنَّمَا الْمُتَوَكِّلُ الَّذِي يُلْقِي حَبَّهُ فِي الْأَرْضِ وَ يَتَوَكَّلُ عَلَى اللَّهِ অর্থাৎ তোমরা কারা? তারা বললোঃ আমরা একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলার উপর নির্ভরশীল। তিনি বললেনঃ না, বরং তোমরা অসদুপায়ে মানুষের সম্পদ ভক্ষণকারী। আল্লাহ্ তা'আলার উপর সত্যিকার নির্ভরশীল সে ব্যক্তি যে জমিনে বীজ বপন করে তাঁরই উপর ভরসা করে।
হযরত ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) কে জিজ্ঞাসা করা হলো, জনৈক ব্যক্তি উপার্জন না করে বসে আছে এবং বলছেঃ আমি আল্লাহ্ তা'আলার উপর তাওয়াক্কুল করেছি। তখন তিনি বলেনঃ يَنْبَغِي لِلنَّاسِ كُلِّهِمْ أَنْ يَتَوَكَّلُوا عَلَى اللهِ وَ لَكِنْ لَا بُدَّ أَنْ يُعَوِّدُوْا أَنْفُسَهُمْ عَلَى الْكَسْبِ ، فَقَدْ كَانَ الأَنْبِيَاءُ يُؤَخِّرُوْنَ أَنْفُسَهُمْ ، وَكَانَ النَّبِيُّ ﷺ يُؤَخِّرُ نَفْسَهُ وَأَبُوْ بَكْرُ وَعُمَرُ، وَلَمْ يَقُولُوا نَفْعَدُ حَتَّى يُرْزَقَنَا اللَّهُ ، وَقَالَ اللَّهُ تَعَالَى : ﴿فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللَّهِ ﴾﴾ অর্থাৎ প্রত্যেকেরই উচিত আল্লাহ্ তা'আলার উপর তাওয়াক্কুল করা। তবে এর পাশাপাশি নিজে উপার্জনে অভ্যস্ত হতে হবে। কারণ, সকল নবীগণ পয়সার বিনিময়ে কাজ করেছেন। এমনকি আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ ﷺ, আবু বকর, 'উমরও। তাঁরা আল্লাহ্ তা'আলার রিযিকের আশায় বসে থাকতেন না। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন: তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহ্ তা'আলার অনুগ্রহ তথা রিযিক অনুসন্ধান কর। এ ব্যাপারে জনৈক আলিম সত্যই বলেছেন। তিনি বলেন: مَنْ طَعَنَ فِيْ الْحَرَكَةِ - يَعْنِي السَّعْيَ وَ الْكَسْبَ وَ الْأَخْذَ بِالْأَسْبَابِ - فَقَدْ طَعَنَ فِي التَّوَكُّلِ فَقَدْ طَعَنَ فِي السُّنَّةِ ، وَ مَنْ طَعَنَ فِي السُّنَّةِ فَقَدْ طَعَنَ فِي الْإِيْمَانِ. অর্থাৎ যে ব্যক্তি রোজগার বা উপকরণ অবলম্বনের ব্যাপারে উচ্চবাচ্য করলো সে যেন রাসূল ﷺ এর হাদীস নিয়ে উচ্চবাচ্য করলো। আর যে ব্যক্তি তাওয়াক্কুল নিয়ে উচ্চবাচ্য করলো সে যেন ঈমান নিয়ে উচ্চবাচ্য করলো। ইমাম ইবন রাজাব (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ মানবকর্ম বলতেই তা সর্বসাকুল্যে তিনটি প্রকারের যে কোন একটি প্রকারের অন্তর্ভুক্ত। যা নিম্নরূপ:
১. ইবাদাত। যা সম্পাদন করতে আল্লাহ্ তা'আলা বান্দাহদেরকে আদেশ করেছেন এবং যা বান্দাহ'র জন্য পরকালে জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতে প্রবেশের কারণ হবে। তা বিনা খেদাতে প্রত্যেককে অবশ্যই সম্পাদন করতে হবে। তবে এ ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলার উপর ভরসা ও তাঁর সহযোগিতা কামনা করা একান্ত কর্তব্য। কারণ, একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলাই বান্দাহকে সৎ কাজ করতে এবং অসৎ কাজ থেকে বেঁচে থাকতে সহযোগিতা করে থাকেন। আল্লাহ্ তা'আলা যা ইচ্ছে করেন তাই ঘটে থাকে এবং তিনি যা ইচ্ছে করেন না তা কখনোই ঘটে না। তাই যে ব্যক্তি ইবাদাত করতে গাফিলতি করবে সে দুনিয়া ও আখিরাতে অবশ্যই শাস্তির সম্মুখীন হবে। ইউসুফ বিন্ আস্বাত (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ اعْمَلْ عَمَلَ رَجُلٍ لَا يُنْجِيْهِ إِلَّا عَمَلُهُ وَ تَوَكَّلْ تَوَكَّلَ رَجُلٍ لَا يُصِيبُهُ إِلَّا مَا كُتِبَ لَهُ অর্থাৎ এমন ব্যক্তির ন্যায় আমল করবে পরকালে নিষ্কৃতির জন্য যার একমাত্র আমলই ভরসা এবং এমন ব্যক্তির ন্যায় তাওয়াক্কুল করবে যে কেবল ভাগ্যে যা আছে তাই ঘটবে বলে বিশ্বাস করে।
২. প্রকৃতিগতভাবে মানুষ সর্বদা যা করে থাকে এবং যা সম্পাদন করতে মানুষ আদিষ্ট ও একান্তভাবে বাধ্য। যেমনঃ খিদে লাগলে ভক্ষণ, পিপাসা লাগলে পান, সূর্যের তাপে ছায়া ও ঠাণ্ডায় তাপ গ্রহণ ইত্যাদি। এ সকল কর্ম সম্পাদন করা বান্দাহ্'র উপর ওয়াজিব। যে ব্যক্তি এগুলো করতে সক্ষম অথচ সে অবহেলা বশতঃ তা না করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সে ব্যক্তি অবশ্যই অপরাধী এবং পরকালে শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত। তবে আল্লাহ্ তা'আলা কোন কোন ব্যক্তিকে এমন কিছু ক্ষমতা দিয়ে থাকেন যা অন্যের নেই। সুতরাং সে তার সাধ্যানুযায়ী ব্যতিক্রম কিছু করলে তাতে কোন অসুবিধে নেই। এ কারণেই রাসূল একটানা রোযা রাখতেন। কিন্তু তিনি সাহাবাদেরকে তা করতে নিষেধ করতেন এবং বলতেনঃ إِنِّي لَسْتُ كَهَيْئَتِكُمْ ، إِنِّي يُطْعِمُنِي رَبِّي وَ يَسْقِيْنِي অর্থাৎ আমি তোমাদের মতো নই। আমাকে আল্লাহ্ তা'আলা খাওয়ান ও পান করান। পূর্ববর্তীদের অনেকেই দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে পারতেন। তাতে এতটুকুও তাদের ইবাদাতের ক্ষতি হতো না। কিন্তু যে ব্যক্তি না খেলে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ইবাদাত করতে কষ্ট হয় তার জন্য না খাওয়া সত্যিই দোষনীয়।
৩. প্রকৃতিগতভাবে মানুষ অধিকাংশ সময় যা করে থাকে এবং যা করতে মানুষ একান্তভাবে বাধ্য নয়। যেমনঃ বিবাহ-শাদি ইত্যাদি। অতএব কারোর এ সবের একেবারেই প্রয়োজন নেই বলে কেউ তা না করলে সে এ জন্য গুনাহগার হবে না।
যে কোন ব্যাপারে বান্দাহ্'র জন্য একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলাই যথেষ্ট। তাই তাঁর উপরই ভরসা করতে হবে। অন্য কারোর উপর নয়। আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর প্রিয় নবীকে উদ্দেশ্য করে বলেনঃ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ حَسْبُكَ اللَّهُ وَ مَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ অর্থাৎ হে নবী! আপনি ও আপনার অনুসারীদের জন্য সর্বক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলাই যথেষ্ট। তিনি আরো বলেনঃ وَ إِنْ يُرِيدُوا أَنْ يَخْدَعُوْكَ فَإِنَّ حَسْبَكَ اللهُ هُوَ الَّذِي أَيَّدَكَ بِنَصْرِهِ وَ بِالْمُؤْمِنِينَ অর্থাৎ কাফিররা যদি আপনাকে প্রতারিত করতে চায় তাহলে আপনার জন্য একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলাই যথেষ্ট। একমাত্র তিনিই আপনাকে নিজ সাহায্য (ফিরিস্তা) ও মু'মিনদের দিয়ে শক্তিশালী করেছেন। তিনি আরো বলেনঃ وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ ، وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ অর্থাৎ যে ব্যক্তি আল্লাহ্ তা'আলাকে ভয় করবে আল্লাহ্ তা'আলা তাকে যে কোন সংকট থেকে উদ্ধার করবেন এবং তাকে তার ধারণাতীত উৎস থেকে রিযিক দিবেন। আর যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলার উপরই ভরসা করবে তখন তিনিই হবেন তার জন্য একান্ত যথেষ্ট।
উক্ত আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা তাওয়াক্কুলকে যে কোন কার্যসিদ্ধির অনেকগুলো মাধ্যমের একটি সবিশেষ ও সর্বপ্রধান মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এতসত্ত্বেও তা কিন্তু একেবারেই সর্বেসর্বা নয়। বরং এর পাশাপাশি অন্য মাধ্যমও গ্রহণ করতে হবে। যেমনিভাবে আল্লাহভীতিও কার্যসিদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। তবে যখন সকল মাধ্যম চরমভাবে ব্যর্থ হবে তখন একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলার উপর খাঁটি তাওয়াক্কুলই কার্যকরী মাধ্যম হিসেবে প্রমাণিত হবে।
হযরত 'উমর থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি রাসূল কে বলতে শুনেছিঃ لَوْ أَنَّكُمْ تَوَكَّلْتُمْ عَلَى اللهِ حَقَّ تَوَكَّلِهِ لَرَزَقَكُمْ كَمَا يَرْزُقُ الطَّيْرَ ، تَغْدُوْ خِمَاصاً وَ تَرُوْحُ بِطَانَاً অর্থাৎ তোমরা যদি আল্লাহ্ তা'আলার উপর সত্যিকারার্থে ভরসা করতে তাহলে তিনি তোমাদেরকে রিযিক দিতেন যেমনিভাবে তিনি রিযিক দিয়ে থাকেন পাখীদেরকে। পাখীরা ভোর বেলায় খালি পেটে বাসা থেকে বের হয় এবং সন্ধ্যা বেলায় ভরা পেটে বাসায় ফিরে আসে।