📄 ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দিন সাবালক হলেই
আপনি যদি বর্তমান সমাজব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না-ই বুঝুন!
পিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালনপালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে।
অর্থনৈতিক গ্যারান্টির জন্য যদি মেয়ের অবিভাবকরা চাকরিজীবি খোঁজেন, তাহলে মৃত্যুর গ্যারান্টি কে দিবে?
আপনি যদি বর্তমান সমাজব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না-ই বুঝুন!
পিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালনপালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে।
অর্থনৈতিক গ্যারান্টির জন্য যদি মেয়ের অবিভাবকরা চাকরিজীবি খোঁজেন, তাহলে মৃত্যুর গ্যারান্টি কে দিবে?
📄 বিয়ে করুন সচ্ছল হবেন ইনশা-আল্লাহ
বিবাহ করা ও করানো রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও মুসলিমদের জন্য একটি কর্তব্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন,
তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ সম্পন্ন কর, আর তোমাদের সৎ দাস-দাসীদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয় তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করে দিবেন।
অনেক মানুষ সচ্ছলতা না থাকার কারণে ও অত্যাধিক খরচের ভয়ে বিয়ে করতে সাহস করে না। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
ঋণগ্রহীতা মারা গেলে কেয়ামতের দিন তার কাছে তার ঋণ আদায় করে নেয়া হবে। তবে যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আল্লাহর শত্রু ও তার শত্রুর বিরুদ্ধে শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ঋণ করে; যে ব্যক্তির কাছে কেউ মারা গেলে তার দাফন-কাফনের জন্য ঋণ করে এবং যে ব্যক্তি বিবাহ করতে পারবে না বলে আশঙ্কা করছে আর এ কারণে তার নিজের ধর্মের ব্যাপারেও শঙ্কিত হয়ে পড়েছে, ফলে সে বিয়ের জন্য ঋণ করেছে। কেয়ামতের দিন এই তিন প্রকার ঋণী ব্যক্তির পক্ষ থেকে আল্লাহ তায়ালা ঋণ পরিশোধ করে দিবেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
তোমরা নারীদেরকে বিয়ে করো, কারণ নারীরা তোমাদের কাছে সম্পদ নিয়ে আসবে।
অর্থাৎ, তোমরা দরিদ্র থাকলেও বিয়ে করার পর সচ্ছল হয়ে উঠবে।
টিকাঃ
১৪৫ সুরা নুর: ৩২।
১৪৬ সুনানু ইবনু মাজাহ: ২৪৩৫।
১৪৭ মুসতাদরাকে হাকিম: ২৭২৬।
বিবাহ করা ও করানো রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও মুসলিমদের জন্য একটি কর্তব্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন,
তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ সম্পন্ন কর, আর তোমাদের সৎ দাস-দাসীদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয় তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করে দিবেন।
অনেক মানুষ সচ্ছলতা না থাকার কারণে ও অত্যাধিক খরচের ভয়ে বিয়ে করতে সাহস করে না। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
ঋণগ্রহীতা মারা গেলে কেয়ামতের দিন তার কাছে তার ঋণ আদায় করে নেয়া হবে। তবে যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আল্লাহর শত্রু ও তার শত্রুর বিরুদ্ধে শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ঋণ করে; যে ব্যক্তির কাছে কেউ মারা গেলে তার দাফন-কাফনের জন্য ঋণ করে এবং যে ব্যক্তি বিবাহ করতে পারবে না বলে আশঙ্কা করছে আর এ কারণে তার নিজের ধর্মের ব্যাপারেও শঙ্কিত হয়ে পড়েছে, ফলে সে বিয়ের জন্য ঋণ করেছে। কেয়ামতের দিন এই তিন প্রকার ঋণী ব্যক্তির পক্ষ থেকে আল্লাহ তায়ালা ঋণ পরিশোধ করে দিবেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
তোমরা নারীদেরকে বিয়ে করো, কারণ নারীরা তোমাদের কাছে সম্পদ নিয়ে আসবে।
অর্থাৎ, তোমরা দরিদ্র থাকলেও বিয়ে করার পর সচ্ছল হয়ে উঠবে।
টিকাঃ
১৪৫ সুরা নুর: ৩২।
১৪৬ সুনানু ইবনু মাজাহ: ২৪৩৫।
১৪৭ মুসতাদরাকে হাকিম: ২৭২৬।