📄 উসমানি খিলাফতের সময় বিয়ের কিছু চমৎকার আইন
১. ঐচ্ছিক বিয়ের বয়সের শুরু হতো আঠার থেকে। শেষ হতো পঁচিশে। এর মধ্যে বিয়ে না করলে তাকে বাধ্য করে বিয়ে করানো হতো।
২. যদি কেউ অসুস্থতার অজুহাত দেখাতো, তদন্ত করে দেখা হতো, বক্তব্যটা সঠিক কিনা। রোগটা নিরাময়যোগ্য হলে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় চাপ স্থগিত রাখা হতো। আর দুরারোগ্য ব্যাধি হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেই বিয়ে করতে বাধা দেয়া হতো।
৩. পঁচিশ বছর হয়ে যাওয়ার পরও যদি কেউ বিনা কারণে বিয়ে না করে থাকতো, তার আয়/ব্যবসা বা সম্পদের এক চতুর্থাংশ কেটে রাখা হতো। জব্দকৃত অর্থ নিয়ে বিবাহোচ্ছুক গরীবদের বিয়ের বন্দোবস্ত করা হতো।
৪. পঁচিশের পরও বিয়ে না করলে তাকে রাষ্ট্রীয় কোনো চাকরিতে নেয়া হতো না। কোনো সংগঠনেও ঢুকতে দেয়া হতো না। আর চাকরিতে থাকলে ইস্তফা দেয়া হতো।
৫. কোনো ব্যক্তির বয়স যদি পঞ্চাশ হয়ে যায়, ঘরে বিবি থাকে একটা, কিন্তু তার আর্থিক সংগতি ভালো, তখন তাকে সামাজিক কোনো কাজে অর্থ দিয়ে অংশগ্রহণ করতে বলা হতো। গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ দেখিয়ে অপারগতা প্রকাশ করলে সামর্থ্য অনুসারে অন্তত এক থেকে তিনজন এতিমের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে বাধ্য করা হতো।
৬. আঠার থেকে পঁচিশের মধ্যে যদি কোনো গরীব যুবক বিয়ে করতো, তাকে হুকুমতের পক্ষ থেকে ১৫৯ থেকে শুরু করে ৩০০ দুনমা পরিমাণের জমির বন্দোবস্ত দেয়া হতো। চেষ্টা করা হতো জমিটা যেন তার বাড়ির কাছাকাছি কোথাও হয়। এক দুনমা সমান: ৯০০ মিটার।
৭. গরীব বর যদি কারিগর বা ব্যবসায়ী হয়, তাকে পুঁজি দেয়া হতো কোনো বিনিময় ছাড়াই। তিন বছর মেয়াদে।
৮. ছেলে বিয়ে করার পর, বাবা-মায়ের সেবা করার জন্যে আর কোনো ভাই না থাকলে বরকে বাধ্যতামূলক সেবাকার্যক্রম থেকে রেহাই দেয়া হতো। তদ্রুপ মেয়ের বিয়ের যদি বাবা মায়ের সেবার জন্যে ঘরে কেউ না থাকে, মেয়ের জামাইকেও বাধ্যতামূলক সেবা কার্যক্রম থেকে রেহাই দেয়া হতো।
৯. পঁচিশের আগেই বিয়ে করে তিন সন্তানের বাবা হলে নৈশস্কুলে বিনামূল্যে তাদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দেয়া হতো। সন্তান তিনজনের বেশি হলে তিনজনের লেখাপড়ার ব্যবস্থা বিনামূল্যে করা হতো। বাকী সন্তানদের জন্যে দশ টাকা করে বরাদ্দ করা হতো তের বছর বয়সে উপনীত হওয়া পর্যন্ত। কোনো মহিলার ঘরে চার বা তার চেয়ে বেশি ছেলে সন্তান থাকলে তাকে মাথাপিছু ২০ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হতো।
১০. কোনো ছাত্র লেখাপড়ার কাজে ব্যস্ত থাকলে লেখাপড়া শেষ হওয়া পর্যন্ত বিয়ে স্থগিত রাখার অনুমতি দেয়া হতো।
১১. কোনো কারণে স্বামীকে অন্য এলাকায় থাকতে হলে বাধ্য করা হতো সাথে করে স্ত্রীকেও নিয়ে যেতে! যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণে স্ত্রীকে সাথে নিতে না পারলে স্বামীর যদি আরেক বিয়ে করার সামর্থ থাকতো, তাকে কর্মস্থলে আরেক বিয়ে করতে বাধ্য করা হতো। তারপর চাকরি শেষে নিজের এলাকায় ফিরলে দুই স্ত্রীকেই সমান অধিকারে রাখতে বাধ্য করা হতো।
বর্তমানের প্রেক্ষাপটে আইনগুলো হয়তো বেখাপ্পা লাগবে। কিন্তু সমাজে প্রচলিত সব ধরনের অনাচার রোধে আইনগুলো বেশ কার্যকর বলেই মনে হয়。
১. ঐচ্ছিক বিয়ের বয়সের শুরু হতো আঠার থেকে। শেষ হতো পঁচিশে। এর মধ্যে বিয়ে না করলে তাকে বাধ্য করে বিয়ে করানো হতো।
২. যদি কেউ অসুস্থতার অজুহাত দেখাতো, তদন্ত করে দেখা হতো, বক্তব্যটা সঠিক কিনা। রোগটা নিরাময়যোগ্য হলে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় চাপ স্থগিত রাখা হতো। আর দুরারোগ্য ব্যাধি হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেই বিয়ে করতে বাধা দেয়া হতো।
৩. পঁচিশ বছর হয়ে যাওয়ার পরও যদি কেউ বিনা কারণে বিয়ে না করে থাকতো, তার আয়/ব্যবসা বা সম্পদের এক চতুর্থাংশ কেটে রাখা হতো। জব্দকৃত অর্থ নিয়ে বিবাহোচ্ছুক গরীবদের বিয়ের বন্দোবস্ত করা হতো।
৪. পঁচিশের পরও বিয়ে না করলে তাকে রাষ্ট্রীয় কোনো চাকরিতে নেয়া হতো না। কোনো সংগঠনেও ঢুকতে দেয়া হতো না। আর চাকরিতে থাকলে ইস্তফা দেয়া হতো।
৫. কোনো ব্যক্তির বয়স যদি পঞ্চাশ হয়ে যায়, ঘরে বিবি থাকে একটা, কিন্তু তার আর্থিক সংগতি ভালো, তখন তাকে সামাজিক কোনো কাজে অর্থ দিয়ে অংশগ্রহণ করতে বলা হতো। গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ দেখিয়ে অপারগতা প্রকাশ করলে সামর্থ্য অনুসারে অন্তত এক থেকে তিনজন এতিমের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে বাধ্য করা হতো।
৬. আঠার থেকে পঁচিশের মধ্যে যদি কোনো গরীব যুবক বিয়ে করতো, তাকে হুকুমতের পক্ষ থেকে ১৫৯ থেকে শুরু করে ৩০০ দুনমা পরিমাণের জমির বন্দোবস্ত দেয়া হতো। চেষ্টা করা হতো জমিটা যেন তার বাড়ির কাছাকাছি কোথাও হয়। এক দুনমা সমান: ৯০০ মিটার।
৭. গরীব বর যদি কারিগর বা ব্যবসায়ী হয়, তাকে পুঁজি দেয়া হতো কোনো বিনিময় ছাড়াই। তিন বছর মেয়াদে।
৮. ছেলে বিয়ে করার পর, বাবা-মায়ের সেবা করার জন্যে আর কোনো ভাই না থাকলে বরকে বাধ্যতামূলক সেবাকার্যক্রম থেকে রেহাই দেয়া হতো। তদ্রুপ মেয়ের বিয়ের যদি বাবা মায়ের সেবার জন্যে ঘরে কেউ না থাকে, মেয়ের জামাইকেও বাধ্যতামূলক সেবা কার্যক্রম থেকে রেহাই দেয়া হতো।
৯. পঁচিশের আগেই বিয়ে করে তিন সন্তানের বাবা হলে নৈশস্কুলে বিনামূল্যে তাদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দেয়া হতো। সন্তান তিনজনের বেশি হলে তিনজনের লেখাপড়ার ব্যবস্থা বিনামূল্যে করা হতো। বাকী সন্তানদের জন্যে দশ টাকা করে বরাদ্দ করা হতো তের বছর বয়সে উপনীত হওয়া পর্যন্ত। কোনো মহিলার ঘরে চার বা তার চেয়ে বেশি ছেলে সন্তান থাকলে তাকে মাথাপিছু ২০ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হতো।
১০. কোনো ছাত্র লেখাপড়ার কাজে ব্যস্ত থাকলে লেখাপড়া শেষ হওয়া পর্যন্ত বিয়ে স্থগিত রাখার অনুমতি দেয়া হতো।
১১. কোনো কারণে স্বামীকে অন্য এলাকায় থাকতে হলে বাধ্য করা হতো সাথে করে স্ত্রীকেও নিয়ে যেতে! যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণে স্ত্রীকে সাথে নিতে না পারলে স্বামীর যদি আরেক বিয়ে করার সামর্থ থাকতো, তাকে কর্মস্থলে আরেক বিয়ে করতে বাধ্য করা হতো। তারপর চাকরি শেষে নিজের এলাকায় ফিরলে দুই স্ত্রীকেই সমান অধিকারে রাখতে বাধ্য করা হতো।
বর্তমানের প্রেক্ষাপটে আইনগুলো হয়তো বেখাপ্পা লাগবে। কিন্তু সমাজে প্রচলিত সব ধরনের অনাচার রোধে আইনগুলো বেশ কার্যকর বলেই মনে হয়。
📄 সৃষ্টিকর্তা নিজেই যখন বেকার যুবকদের বিবাহের জন্য উৎসাহ দিয়েছেন!
এমনকি আল্লাহ্ প্রতিজ্ঞাও করেছেন...
“বিয়ে করলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের সচ্ছল করে দিবেন।"
তবুও মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় কেবলই চাকরিজীবী ছেলে খোঁজাটা মূলত আল্লাহর উপর অনির্ভরশীলতার ইঙ্গিত।
আমি তো মনে করি—
"একটা ভালো চাকরির পূর্বশর্তই হচ্ছে "বিয়ে”।
কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন।
পড়ুন সেই মহাপবিত্র আয়াতে কারিমা- وَأَنكِحُوا الْأَيْمَى مِنكُمْ وَالصَّلِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاءَ يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَسِعٌ عَلِيمٌ.
তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ সম্পন্ন কর, আর তোমাদের সৎ দাস-দাসীদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয় তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করে দেবেন।
অবশ্য উক্ত আয়াতে বিবাহহীনদের অবিভাবকদেরকেই আল্লাহ তায়ালা এ আদেশ করেছেন। কেননা আল্লাহ তায়ালা জানেন, অবিভাবকেরা কিসব চিন্তা করেন।
অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে কেউ বিয়ে করতে চাওয়াকে সামাজিকভাবে খারাপ চোখে দেখা হয়। আপনার আরেকটা মেয়ে থাকলে তাকে খাওয়াতেন না? তাহলে মেয়েকে বিয়ে করিয়ে মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি মনে করে খাওয়াতে অসুবিধা কোথায়? প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথে বিয়ে দিতে হবে এই চিন্তা বাদ দিন। আপনার মেয়ে ও সমাজে অসংখ্য ছেলেকে চারিত্রিক শুদ্ধতা নিয়ে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করুন। নিশ্চয়ই এখন যে ছেলেটা বেকার, সেই কয়দিন পর প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করবে। তখন কিন্তু তার চাহিদাও বেড়ে যাবে। প্রতিষ্ঠিত হয়েই যখন বিয়ে করতে হলো, তখন ভাল দেখেই বিয়ে করি। তখন দেখা যায় এসকল মেয়েদের আর বিয়ে হয় না। আবার কোনো কোনো অভিভাবক লেখাপড়া শেষ করার আগে বিয়ে দিতে চায়না, ফলে মেয়ের বয়স বেড়ে যায়, তারপর চেহারার লাবন্যতা নষ্ট হয়। বয়স্ক মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চায়না। আরো যদি লাবন্যতা হ্রাস পায়, তাহলেতো কথাই নাই। তাই দেখা যায় অনেক আপুদের বিয়ে হচ্ছেনা বলে অভিভাবকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কয়েক বছর আগেও যেসকল প্রস্তাব নাকোচ করেছিলেন, এখন তাদের হয় বিয়ে হয়েছে অথবা তারা এখন আর আগ্রহী নয়। তো আসুন! সবাই বিয়েকে তথা হালালকে সহজ করি এবং প্রেম তথা হারামকে কঠিন করি।
টিকাঃ
১৪৪ সুরা নূর: ৩২।
এমনকি আল্লাহ্ প্রতিজ্ঞাও করেছেন...
“বিয়ে করলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের সচ্ছল করে দিবেন।"
তবুও মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় কেবলই চাকরিজীবী ছেলে খোঁজাটা মূলত আল্লাহর উপর অনির্ভরশীলতার ইঙ্গিত।
আমি তো মনে করি—
"একটা ভালো চাকরির পূর্বশর্তই হচ্ছে "বিয়ে”।
কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন।
পড়ুন সেই মহাপবিত্র আয়াতে কারিমা- وَأَنكِحُوا الْأَيْمَى مِنكُمْ وَالصَّلِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاءَ يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَسِعٌ عَلِيمٌ.
তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ সম্পন্ন কর, আর তোমাদের সৎ দাস-দাসীদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয় তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করে দেবেন।
অবশ্য উক্ত আয়াতে বিবাহহীনদের অবিভাবকদেরকেই আল্লাহ তায়ালা এ আদেশ করেছেন। কেননা আল্লাহ তায়ালা জানেন, অবিভাবকেরা কিসব চিন্তা করেন।
অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে কেউ বিয়ে করতে চাওয়াকে সামাজিকভাবে খারাপ চোখে দেখা হয়। আপনার আরেকটা মেয়ে থাকলে তাকে খাওয়াতেন না? তাহলে মেয়েকে বিয়ে করিয়ে মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি মনে করে খাওয়াতে অসুবিধা কোথায়? প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথে বিয়ে দিতে হবে এই চিন্তা বাদ দিন। আপনার মেয়ে ও সমাজে অসংখ্য ছেলেকে চারিত্রিক শুদ্ধতা নিয়ে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করুন। নিশ্চয়ই এখন যে ছেলেটা বেকার, সেই কয়দিন পর প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করবে। তখন কিন্তু তার চাহিদাও বেড়ে যাবে। প্রতিষ্ঠিত হয়েই যখন বিয়ে করতে হলো, তখন ভাল দেখেই বিয়ে করি। তখন দেখা যায় এসকল মেয়েদের আর বিয়ে হয় না। আবার কোনো কোনো অভিভাবক লেখাপড়া শেষ করার আগে বিয়ে দিতে চায়না, ফলে মেয়ের বয়স বেড়ে যায়, তারপর চেহারার লাবন্যতা নষ্ট হয়। বয়স্ক মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চায়না। আরো যদি লাবন্যতা হ্রাস পায়, তাহলেতো কথাই নাই। তাই দেখা যায় অনেক আপুদের বিয়ে হচ্ছেনা বলে অভিভাবকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কয়েক বছর আগেও যেসকল প্রস্তাব নাকোচ করেছিলেন, এখন তাদের হয় বিয়ে হয়েছে অথবা তারা এখন আর আগ্রহী নয়। তো আসুন! সবাই বিয়েকে তথা হালালকে সহজ করি এবং প্রেম তথা হারামকে কঠিন করি।
টিকাঃ
১৪৪ সুরা নূর: ৩২।
📄 ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দিন সাবালক হলেই
আপনি যদি বর্তমান সমাজব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না-ই বুঝুন!
পিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালনপালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে।
অর্থনৈতিক গ্যারান্টির জন্য যদি মেয়ের অবিভাবকরা চাকরিজীবি খোঁজেন, তাহলে মৃত্যুর গ্যারান্টি কে দিবে?
আপনি যদি বর্তমান সমাজব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না-ই বুঝুন!
পিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালনপালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে।
অর্থনৈতিক গ্যারান্টির জন্য যদি মেয়ের অবিভাবকরা চাকরিজীবি খোঁজেন, তাহলে মৃত্যুর গ্যারান্টি কে দিবে?
📄 বিয়ে করুন সচ্ছল হবেন ইনশা-আল্লাহ
বিবাহ করা ও করানো রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও মুসলিমদের জন্য একটি কর্তব্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন,
তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ সম্পন্ন কর, আর তোমাদের সৎ দাস-দাসীদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয় তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করে দিবেন।
অনেক মানুষ সচ্ছলতা না থাকার কারণে ও অত্যাধিক খরচের ভয়ে বিয়ে করতে সাহস করে না। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
ঋণগ্রহীতা মারা গেলে কেয়ামতের দিন তার কাছে তার ঋণ আদায় করে নেয়া হবে। তবে যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আল্লাহর শত্রু ও তার শত্রুর বিরুদ্ধে শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ঋণ করে; যে ব্যক্তির কাছে কেউ মারা গেলে তার দাফন-কাফনের জন্য ঋণ করে এবং যে ব্যক্তি বিবাহ করতে পারবে না বলে আশঙ্কা করছে আর এ কারণে তার নিজের ধর্মের ব্যাপারেও শঙ্কিত হয়ে পড়েছে, ফলে সে বিয়ের জন্য ঋণ করেছে। কেয়ামতের দিন এই তিন প্রকার ঋণী ব্যক্তির পক্ষ থেকে আল্লাহ তায়ালা ঋণ পরিশোধ করে দিবেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
তোমরা নারীদেরকে বিয়ে করো, কারণ নারীরা তোমাদের কাছে সম্পদ নিয়ে আসবে।
অর্থাৎ, তোমরা দরিদ্র থাকলেও বিয়ে করার পর সচ্ছল হয়ে উঠবে।
টিকাঃ
১৪৫ সুরা নুর: ৩২।
১৪৬ সুনানু ইবনু মাজাহ: ২৪৩৫।
১৪৭ মুসতাদরাকে হাকিম: ২৭২৬।
বিবাহ করা ও করানো রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও মুসলিমদের জন্য একটি কর্তব্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন,
তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ সম্পন্ন কর, আর তোমাদের সৎ দাস-দাসীদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয় তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করে দিবেন।
অনেক মানুষ সচ্ছলতা না থাকার কারণে ও অত্যাধিক খরচের ভয়ে বিয়ে করতে সাহস করে না। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
ঋণগ্রহীতা মারা গেলে কেয়ামতের দিন তার কাছে তার ঋণ আদায় করে নেয়া হবে। তবে যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আল্লাহর শত্রু ও তার শত্রুর বিরুদ্ধে শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ঋণ করে; যে ব্যক্তির কাছে কেউ মারা গেলে তার দাফন-কাফনের জন্য ঋণ করে এবং যে ব্যক্তি বিবাহ করতে পারবে না বলে আশঙ্কা করছে আর এ কারণে তার নিজের ধর্মের ব্যাপারেও শঙ্কিত হয়ে পড়েছে, ফলে সে বিয়ের জন্য ঋণ করেছে। কেয়ামতের দিন এই তিন প্রকার ঋণী ব্যক্তির পক্ষ থেকে আল্লাহ তায়ালা ঋণ পরিশোধ করে দিবেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
তোমরা নারীদেরকে বিয়ে করো, কারণ নারীরা তোমাদের কাছে সম্পদ নিয়ে আসবে।
অর্থাৎ, তোমরা দরিদ্র থাকলেও বিয়ে করার পর সচ্ছল হয়ে উঠবে।
টিকাঃ
১৪৫ সুরা নুর: ৩২।
১৪৬ সুনানু ইবনু মাজাহ: ২৪৩৫।
১৪৭ মুসতাদরাকে হাকিম: ২৭২৬।