📘 বিয়ে অর্ধেক দ্বীন > 📄 দুনিয়ার স্ত্রীকে রেখে জান্নাতী স্ত্রীর খোঁজে

📄 দুনিয়ার স্ত্রীকে রেখে জান্নাতী স্ত্রীর খোঁজে


সা'দ আল আসওয়াদ আস-সুলুমি রাদিয়াল্লাহু আনহু।
তিনি ছিলেন গরীব। গায়ের রঙ কালো। কেউ তাঁর কাছে নিজের মেয়েও বিয়ে দিতে চাইতো না।
সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু একদিন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে দুঃখ করে বলেছিলেন- "ইয়া রাসুল! আমিও কি জান্নাতে যাবো?"
"আমি তো নীচু মাপের ঈমানদার হিসেবে বিবেচিত হই। কেউ আমাকে নিজের মেয়ে দিতে রাজি হয় না।"
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবিদের দুঃখ বুঝতেন নিজের আপন ভাইয়ের মত করে, নিজের সন্তানের মত করে। তিনি তাদেরকে অনুভব করতেন অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে। তিনি এই সা'দকে পাঠিয়েছিলেন ইবনু আল- ওয়াহহাবের কাছে।
সাধারণ কোনো ব্যক্তি ছিলেন না এই ইবনু আল-ওয়াহহাব। তিনি হলেন মদিনার নেতাদের একজন। কিছুদিন যাবৎ মুসলিম হয়েছেন। তাঁর মেয়ে অপরূপা সুন্দরী রমণী, রূপের জন্য বিখ্যাত। সেই ইবনু আল-ওয়াহহাবের মেয়েকে বিয়ে করার জন্য রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পাঠালেন।

নেতার মেয়ে বিয়ে করবে সা'দের মতো একজনকে? যে তার সৌন্দর্য্যের জন্য এতো প্রসিদ্ধ, সে হবে সা'দের বউ? স্বাভাবিকভাবেই ইবনু আল-ওয়াহহাবের প্রতিক্রিয়া ছিল-"আকাশ-কুসুম কল্পনা ছেড়ে বাড়ি যাও...।"
কিন্তু তাঁর মেয়ে ততক্ষণে শুনে ফেলেছেন। সে বলে উঠলো-
"বাবা! আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুরোধ করেছেন তাকে বিয়ে করার জন্যে, তুমি কিভাবে উনাকে ফিরিয়ে দিতে পারো?? রাসুলের উৎকণ্ঠা থেকে আমরা মুখ ফিরিয়ে নিলে আমাদের অবস্থানটা কি হবে?”
এরপর সা'দের দিকে ফিরে বললো-“রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বলুন, আমি আপনাকে বিবাহ করার জন্য প্রস্তুত।”
সা'দের মন সেদিন আনন্দে পুলকিত। সে যেন খুশিতে টগবগ করে ফুটছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪০০ দিনার মোহরানায় তাদেরকে বিয়ে দিয়ে দিলেন। আল-হামদুলিল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন-“হে রাসুল! আমি তো জীবনে কোনোদিন চারশ দিনার দেখিই নি! আমি এই টাকা কীভাবে শোধ করবো?"
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন-"আলি আল-নু'মান ইবনু আউফ আর উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুমের কাছ থেকে দুইশ দুইশ করে মোট চারশ দিনার নিয়ে নিতে।”
দুজনেই উনাকে দুইশর বেশি করে দিনার দিলেন। আলহামদুলিল্লাহ!
টাকার যোগাড়ও হয়ে গেলো। এখন নতুন বউয়ের কাছে যাবেন সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু।

মার্কেটে গিয়ে সুন্দরী বউয়ের জন্যে টুকিটাকি কিছু উপহার কেনার কথা চিন্তা করলেন তিনি। মার্কেটে পৌঁছে গেছেন, হঠাৎ তাঁর কানে আসলো জিহাদের ডাক।
"যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাও।”
সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু যেখানে ছিলেন সেখানেই দাঁড়িয়ে গেলেন। আকাশের দিকে তাকালেন একবার, বললেন- “হে আল্লাহ! আমি এই টাকা দিয়ে এমনকিছু কিনবো যা তোমাকে খুশি করবে। নতুন বউয়ের জন্য গিফট কেনার বদলে তিনি কিনলেন একটি তরবারি আর একটি ঘোড়া।"
এরপর ঘোড়া ছুটিয়ে চললেন জিহাদের ময়দানে, নিজের চেহারাটা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে ঢেকে নিলেন, যেন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখে চিনে ফেলতে না পারেন। কারণ, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখলেই বাড়িতে পাঠিয়ে দিবেন! সে যে সদ্য-বিবাহিত!
সাহাবারা বলাবলি করছিলেন- “যুদ্ধ করতে আসা এই মুখঢাকা লোকটি কে?”
আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন- “বাদ দাও, সে যুদ্ধ করতে এসেছে।”
ক্ষিপ্রতার সাথে সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু যুদ্ধ করতে থাকলেন, কিন্তু তাঁর ঘোড়ায় আঘাত হানা হলো, ঘোড়া পড়ে গেলো। সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু উঠে দাঁড়ালেন। ঐ সময় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কালো চামড়া দেখে ফেললেন-
"ইয়া সা'দ! এ কি তুমি?! রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন-"আমার মা-বাবা আপনার উপর উৎসর্গিত হোক ইয়া আল্লাহর রাসুল! হ্যাঁ, আমি সা'দ।”
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- "হে সা'দ! জান্নাত ছাড়া তোমার জন্য আর কোনো আবাস নেই।"
সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু আবারো জিহাদে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। কিছু সময় পর কয়েকজন বললো সা'দ আহত হয়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছুটে গেলেন ময়দানে। সা'দকে খুঁজতে লাগলেন। তাকে পেয়ে গেলেন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা'দের মাথাখানা নিজের কোলের উপর রেখে কাঁদতে শুরু করলেন। তাঁর অশ্রু গড়িয়ে গড়িয়ে সা'দের মুখের উপর এসে পড়ছিলো। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চোখ বেয়ে নেমে আসছিলো অঝোর ধারা। একটু পর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসতে শুরু করলেন, আর তারপর মুখ ফিরিয়ে নিলেন।

আবু লুবাবা রাদিয়াল্লাহু আনহু নামের একজন সাহাবা উনাকে দেখে বিস্ময়ে বললেন- “হে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি আপনাকে এমনটি কখনো করতে দেখিনি।"
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- “আমি কাঁদছিলাম, কারণ আমার প্রিয় সঙ্গী আজ চলে গেলো! আমি দেখেছি সে আমার জন্য কী ত্যাগ করলো আর সে আমাকে কতো ভালোবাসতো। কিন্তু এরপর আমি দেখতে পেলাম তার কী ভাগ্য, আল্লাহর কসম! সে ইতিমধ্যে হাউদে পৌঁছে গেছে।”
আবু লুবাবা জিজ্ঞেস করলেন-“হাউদ কি?”
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন-
"এটি হলো এমন এক ঝর্ণা, যা থেকে কেউ একবার পান করলে জীবনে আর কোনোদিন পিপাসার্ত হবে না, এর স্বাদ মধুর চেয়েও মিষ্টি, এর রঙ দুধের চেয়েও সাদা! আর যখন আমি তাঁর এইরূপ মর্যাদা দেখলাম, আল্লাহর কসম! আমি হাসতে শুরু করলাম।"
“তারপর আমি দেখতে পেলাম সা'দের দিকে তাঁর জান্নাতের স্ত্রীগণ এমন উৎফুল্লভাবে ছুটে আসছে যে, তাদের পা-গুলো বের হয়ে পড়ছে, তাই আমি চোখ ফিরিয়ে নিলাম।"
আল্লাহু আকবার! এই হচ্ছে আমাদের সাহাবিদের সত্য ঘটনা।

সা'দ আল আসওয়াদ আস-সুলুমি রাদিয়াল্লাহু আনহু।
তিনি ছিলেন গরীব। গায়ের রঙ কালো। কেউ তাঁর কাছে নিজের মেয়েও বিয়ে দিতে চাইতো না।
সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু একদিন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে দুঃখ করে বলেছিলেন- "ইয়া রাসুল! আমিও কি জান্নাতে যাবো?"
"আমি তো নীচু মাপের ঈমানদার হিসেবে বিবেচিত হই। কেউ আমাকে নিজের মেয়ে দিতে রাজি হয় না।"
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবিদের দুঃখ বুঝতেন নিজের আপন ভাইয়ের মত করে, নিজের সন্তানের মত করে। তিনি তাদেরকে অনুভব করতেন অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে। তিনি এই সা'দকে পাঠিয়েছিলেন ইবনু আল- ওয়াহহাবের কাছে।
সাধারণ কোনো ব্যক্তি ছিলেন না এই ইবনু আল-ওয়াহহাব। তিনি হলেন মদিনার নেতাদের একজন। কিছুদিন যাবৎ মুসলিম হয়েছেন। তাঁর মেয়ে অপরূপা সুন্দরী রমণী, রূপের জন্য বিখ্যাত। সেই ইবনু আল-ওয়াহহাবের মেয়েকে বিয়ে করার জন্য রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পাঠালেন।

নেতার মেয়ে বিয়ে করবে সা'দের মতো একজনকে? যে তার সৌন্দর্য্যের জন্য এতো প্রসিদ্ধ, সে হবে সা'দের বউ? স্বাভাবিকভাবেই ইবনু আল-ওয়াহহাবের প্রতিক্রিয়া ছিল-"আকাশ-কুসুম কল্পনা ছেড়ে বাড়ি যাও...।"
কিন্তু তাঁর মেয়ে ততক্ষণে শুনে ফেলেছেন। সে বলে উঠলো-
"বাবা! আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুরোধ করেছেন তাকে বিয়ে করার জন্যে, তুমি কিভাবে উনাকে ফিরিয়ে দিতে পারো?? রাসুলের উৎকণ্ঠা থেকে আমরা মুখ ফিরিয়ে নিলে আমাদের অবস্থানটা কি হবে?”
এরপর সা'দের দিকে ফিরে বললো-“রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বলুন, আমি আপনাকে বিবাহ করার জন্য প্রস্তুত।”
সা'দের মন সেদিন আনন্দে পুলকিত। সে যেন খুশিতে টগবগ করে ফুটছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪০০ দিনার মোহরানায় তাদেরকে বিয়ে দিয়ে দিলেন। আল-হামদুলিল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন-“হে রাসুল! আমি তো জীবনে কোনোদিন চারশ দিনার দেখিই নি! আমি এই টাকা কীভাবে শোধ করবো?"
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন-"আলি আল-নু'মান ইবনু আউফ আর উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুমের কাছ থেকে দুইশ দুইশ করে মোট চারশ দিনার নিয়ে নিতে।”
দুজনেই উনাকে দুইশর বেশি করে দিনার দিলেন। আলহামদুলিল্লাহ!
টাকার যোগাড়ও হয়ে গেলো। এখন নতুন বউয়ের কাছে যাবেন সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু।

মার্কেটে গিয়ে সুন্দরী বউয়ের জন্যে টুকিটাকি কিছু উপহার কেনার কথা চিন্তা করলেন তিনি। মার্কেটে পৌঁছে গেছেন, হঠাৎ তাঁর কানে আসলো জিহাদের ডাক।
"যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাও।”
সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু যেখানে ছিলেন সেখানেই দাঁড়িয়ে গেলেন। আকাশের দিকে তাকালেন একবার, বললেন- “হে আল্লাহ! আমি এই টাকা দিয়ে এমনকিছু কিনবো যা তোমাকে খুশি করবে। নতুন বউয়ের জন্য গিফট কেনার বদলে তিনি কিনলেন একটি তরবারি আর একটি ঘোড়া।"
এরপর ঘোড়া ছুটিয়ে চললেন জিহাদের ময়দানে, নিজের চেহারাটা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে ঢেকে নিলেন, যেন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখে চিনে ফেলতে না পারেন। কারণ, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখলেই বাড়িতে পাঠিয়ে দিবেন! সে যে সদ্য-বিবাহিত!
সাহাবারা বলাবলি করছিলেন- “যুদ্ধ করতে আসা এই মুখঢাকা লোকটি কে?”
আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন- “বাদ দাও, সে যুদ্ধ করতে এসেছে।”
ক্ষিপ্রতার সাথে সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু যুদ্ধ করতে থাকলেন, কিন্তু তাঁর ঘোড়ায় আঘাত হানা হলো, ঘোড়া পড়ে গেলো। সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু উঠে দাঁড়ালেন। ঐ সময় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কালো চামড়া দেখে ফেললেন-
"ইয়া সা'দ! এ কি তুমি?! রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন-"আমার মা-বাবা আপনার উপর উৎসর্গিত হোক ইয়া আল্লাহর রাসুল! হ্যাঁ, আমি সা'দ।”
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- "হে সা'দ! জান্নাত ছাড়া তোমার জন্য আর কোনো আবাস নেই।"
সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু আবারো জিহাদে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। কিছু সময় পর কয়েকজন বললো সা'দ আহত হয়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছুটে গেলেন ময়দানে। সা'দকে খুঁজতে লাগলেন। তাকে পেয়ে গেলেন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা'দের মাথাখানা নিজের কোলের উপর রেখে কাঁদতে শুরু করলেন। তাঁর অশ্রু গড়িয়ে গড়িয়ে সা'দের মুখের উপর এসে পড়ছিলো। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চোখ বেয়ে নেমে আসছিলো অঝোর ধারা। একটু পর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসতে শুরু করলেন, আর তারপর মুখ ফিরিয়ে নিলেন।

আবু লুবাবা রাদিয়াল্লাহু আনহু নামের একজন সাহাবা উনাকে দেখে বিস্ময়ে বললেন- “হে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি আপনাকে এমনটি কখনো করতে দেখিনি।"
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- “আমি কাঁদছিলাম, কারণ আমার প্রিয় সঙ্গী আজ চলে গেলো! আমি দেখেছি সে আমার জন্য কী ত্যাগ করলো আর সে আমাকে কতো ভালোবাসতো। কিন্তু এরপর আমি দেখতে পেলাম তার কী ভাগ্য, আল্লাহর কসম! সে ইতিমধ্যে হাউদে পৌঁছে গেছে।”
আবু লুবাবা জিজ্ঞেস করলেন-“হাউদ কি?”
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন-
"এটি হলো এমন এক ঝর্ণা, যা থেকে কেউ একবার পান করলে জীবনে আর কোনোদিন পিপাসার্ত হবে না, এর স্বাদ মধুর চেয়েও মিষ্টি, এর রঙ দুধের চেয়েও সাদা! আর যখন আমি তাঁর এইরূপ মর্যাদা দেখলাম, আল্লাহর কসম! আমি হাসতে শুরু করলাম।"
“তারপর আমি দেখতে পেলাম সা'দের দিকে তাঁর জান্নাতের স্ত্রীগণ এমন উৎফুল্লভাবে ছুটে আসছে যে, তাদের পা-গুলো বের হয়ে পড়ছে, তাই আমি চোখ ফিরিয়ে নিলাম।"
আল্লাহু আকবার! এই হচ্ছে আমাদের সাহাবিদের সত্য ঘটনা।

📘 বিয়ে অর্ধেক দ্বীন > 📄 উসমানি খিলাফতের সময় বিয়ের কিছু চমৎকার আইন

📄 উসমানি খিলাফতের সময় বিয়ের কিছু চমৎকার আইন


১. ঐচ্ছিক বিয়ের বয়সের শুরু হতো আঠার থেকে। শেষ হতো পঁচিশে। এর মধ্যে বিয়ে না করলে তাকে বাধ্য করে বিয়ে করানো হতো।
২. যদি কেউ অসুস্থতার অজুহাত দেখাতো, তদন্ত করে দেখা হতো, বক্তব্যটা সঠিক কিনা। রোগটা নিরাময়যোগ্য হলে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় চাপ স্থগিত রাখা হতো। আর দুরারোগ্য ব্যাধি হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেই বিয়ে করতে বাধা দেয়া হতো।
৩. পঁচিশ বছর হয়ে যাওয়ার পরও যদি কেউ বিনা কারণে বিয়ে না করে থাকতো, তার আয়/ব্যবসা বা সম্পদের এক চতুর্থাংশ কেটে রাখা হতো। জব্দকৃত অর্থ নিয়ে বিবাহোচ্ছুক গরীবদের বিয়ের বন্দোবস্ত করা হতো।
৪. পঁচিশের পরও বিয়ে না করলে তাকে রাষ্ট্রীয় কোনো চাকরিতে নেয়া হতো না। কোনো সংগঠনেও ঢুকতে দেয়া হতো না। আর চাকরিতে থাকলে ইস্তফা দেয়া হতো।
৫. কোনো ব্যক্তির বয়স যদি পঞ্চাশ হয়ে যায়, ঘরে বিবি থাকে একটা, কিন্তু তার আর্থিক সংগতি ভালো, তখন তাকে সামাজিক কোনো কাজে অর্থ দিয়ে অংশগ্রহণ করতে বলা হতো। গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ দেখিয়ে অপারগতা প্রকাশ করলে সামর্থ্য অনুসারে অন্তত এক থেকে তিনজন এতিমের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে বাধ্য করা হতো।
৬. আঠার থেকে পঁচিশের মধ্যে যদি কোনো গরীব যুবক বিয়ে করতো, তাকে হুকুমতের পক্ষ থেকে ১৫৯ থেকে শুরু করে ৩০০ দুনমা পরিমাণের জমির বন্দোবস্ত দেয়া হতো। চেষ্টা করা হতো জমিটা যেন তার বাড়ির কাছাকাছি কোথাও হয়। এক দুনমা সমান: ৯০০ মিটার।
৭. গরীব বর যদি কারিগর বা ব্যবসায়ী হয়, তাকে পুঁজি দেয়া হতো কোনো বিনিময় ছাড়াই। তিন বছর মেয়াদে।
৮. ছেলে বিয়ে করার পর, বাবা-মায়ের সেবা করার জন্যে আর কোনো ভাই না থাকলে বরকে বাধ্যতামূলক সেবাকার্যক্রম থেকে রেহাই দেয়া হতো। তদ্রুপ মেয়ের বিয়ের যদি বাবা মায়ের সেবার জন্যে ঘরে কেউ না থাকে, মেয়ের জামাইকেও বাধ্যতামূলক সেবা কার্যক্রম থেকে রেহাই দেয়া হতো।
৯. পঁচিশের আগেই বিয়ে করে তিন সন্তানের বাবা হলে নৈশস্কুলে বিনামূল্যে তাদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দেয়া হতো। সন্তান তিনজনের বেশি হলে তিনজনের লেখাপড়ার ব্যবস্থা বিনামূল্যে করা হতো। বাকী সন্তানদের জন্যে দশ টাকা করে বরাদ্দ করা হতো তের বছর বয়সে উপনীত হওয়া পর্যন্ত। কোনো মহিলার ঘরে চার বা তার চেয়ে বেশি ছেলে সন্তান থাকলে তাকে মাথাপিছু ২০ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হতো।
১০. কোনো ছাত্র লেখাপড়ার কাজে ব্যস্ত থাকলে লেখাপড়া শেষ হওয়া পর্যন্ত বিয়ে স্থগিত রাখার অনুমতি দেয়া হতো।
১১. কোনো কারণে স্বামীকে অন্য এলাকায় থাকতে হলে বাধ্য করা হতো সাথে করে স্ত্রীকেও নিয়ে যেতে! যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণে স্ত্রীকে সাথে নিতে না পারলে স্বামীর যদি আরেক বিয়ে করার সামর্থ থাকতো, তাকে কর্মস্থলে আরেক বিয়ে করতে বাধ্য করা হতো। তারপর চাকরি শেষে নিজের এলাকায় ফিরলে দুই স্ত্রীকেই সমান অধিকারে রাখতে বাধ্য করা হতো।
বর্তমানের প্রেক্ষাপটে আইনগুলো হয়তো বেখাপ্পা লাগবে। কিন্তু সমাজে প্রচলিত সব ধরনের অনাচার রোধে আইনগুলো বেশ কার্যকর বলেই মনে হয়。

১. ঐচ্ছিক বিয়ের বয়সের শুরু হতো আঠার থেকে। শেষ হতো পঁচিশে। এর মধ্যে বিয়ে না করলে তাকে বাধ্য করে বিয়ে করানো হতো।
২. যদি কেউ অসুস্থতার অজুহাত দেখাতো, তদন্ত করে দেখা হতো, বক্তব্যটা সঠিক কিনা। রোগটা নিরাময়যোগ্য হলে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় চাপ স্থগিত রাখা হতো। আর দুরারোগ্য ব্যাধি হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেই বিয়ে করতে বাধা দেয়া হতো।
৩. পঁচিশ বছর হয়ে যাওয়ার পরও যদি কেউ বিনা কারণে বিয়ে না করে থাকতো, তার আয়/ব্যবসা বা সম্পদের এক চতুর্থাংশ কেটে রাখা হতো। জব্দকৃত অর্থ নিয়ে বিবাহোচ্ছুক গরীবদের বিয়ের বন্দোবস্ত করা হতো।
৪. পঁচিশের পরও বিয়ে না করলে তাকে রাষ্ট্রীয় কোনো চাকরিতে নেয়া হতো না। কোনো সংগঠনেও ঢুকতে দেয়া হতো না। আর চাকরিতে থাকলে ইস্তফা দেয়া হতো।
৫. কোনো ব্যক্তির বয়স যদি পঞ্চাশ হয়ে যায়, ঘরে বিবি থাকে একটা, কিন্তু তার আর্থিক সংগতি ভালো, তখন তাকে সামাজিক কোনো কাজে অর্থ দিয়ে অংশগ্রহণ করতে বলা হতো। গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ দেখিয়ে অপারগতা প্রকাশ করলে সামর্থ্য অনুসারে অন্তত এক থেকে তিনজন এতিমের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে বাধ্য করা হতো।
৬. আঠার থেকে পঁচিশের মধ্যে যদি কোনো গরীব যুবক বিয়ে করতো, তাকে হুকুমতের পক্ষ থেকে ১৫৯ থেকে শুরু করে ৩০০ দুনমা পরিমাণের জমির বন্দোবস্ত দেয়া হতো। চেষ্টা করা হতো জমিটা যেন তার বাড়ির কাছাকাছি কোথাও হয়। এক দুনমা সমান: ৯০০ মিটার।
৭. গরীব বর যদি কারিগর বা ব্যবসায়ী হয়, তাকে পুঁজি দেয়া হতো কোনো বিনিময় ছাড়াই। তিন বছর মেয়াদে।
৮. ছেলে বিয়ে করার পর, বাবা-মায়ের সেবা করার জন্যে আর কোনো ভাই না থাকলে বরকে বাধ্যতামূলক সেবাকার্যক্রম থেকে রেহাই দেয়া হতো। তদ্রুপ মেয়ের বিয়ের যদি বাবা মায়ের সেবার জন্যে ঘরে কেউ না থাকে, মেয়ের জামাইকেও বাধ্যতামূলক সেবা কার্যক্রম থেকে রেহাই দেয়া হতো।
৯. পঁচিশের আগেই বিয়ে করে তিন সন্তানের বাবা হলে নৈশস্কুলে বিনামূল্যে তাদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দেয়া হতো। সন্তান তিনজনের বেশি হলে তিনজনের লেখাপড়ার ব্যবস্থা বিনামূল্যে করা হতো। বাকী সন্তানদের জন্যে দশ টাকা করে বরাদ্দ করা হতো তের বছর বয়সে উপনীত হওয়া পর্যন্ত। কোনো মহিলার ঘরে চার বা তার চেয়ে বেশি ছেলে সন্তান থাকলে তাকে মাথাপিছু ২০ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হতো।
১০. কোনো ছাত্র লেখাপড়ার কাজে ব্যস্ত থাকলে লেখাপড়া শেষ হওয়া পর্যন্ত বিয়ে স্থগিত রাখার অনুমতি দেয়া হতো।
১১. কোনো কারণে স্বামীকে অন্য এলাকায় থাকতে হলে বাধ্য করা হতো সাথে করে স্ত্রীকেও নিয়ে যেতে! যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণে স্ত্রীকে সাথে নিতে না পারলে স্বামীর যদি আরেক বিয়ে করার সামর্থ থাকতো, তাকে কর্মস্থলে আরেক বিয়ে করতে বাধ্য করা হতো। তারপর চাকরি শেষে নিজের এলাকায় ফিরলে দুই স্ত্রীকেই সমান অধিকারে রাখতে বাধ্য করা হতো।

বর্তমানের প্রেক্ষাপটে আইনগুলো হয়তো বেখাপ্পা লাগবে। কিন্তু সমাজে প্রচলিত সব ধরনের অনাচার রোধে আইনগুলো বেশ কার্যকর বলেই মনে হয়。

📘 বিয়ে অর্ধেক দ্বীন > 📄 সৃষ্টিকর্তা নিজেই যখন বেকার যুবকদের বিবাহের জন্য উৎসাহ দিয়েছেন!

📄 সৃষ্টিকর্তা নিজেই যখন বেকার যুবকদের বিবাহের জন্য উৎসাহ দিয়েছেন!


এমনকি আল্লাহ্ প্রতিজ্ঞাও করেছেন...
“বিয়ে করলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের সচ্ছল করে দিবেন।"
তবুও মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় কেবলই চাকরিজীবী ছেলে খোঁজাটা মূলত আল্লাহর উপর অনির্ভরশীলতার ইঙ্গিত।
আমি তো মনে করি—
"একটা ভালো চাকরির পূর্বশর্তই হচ্ছে "বিয়ে”।
কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন।

পড়ুন সেই মহাপবিত্র আয়াতে কারিমা- وَأَنكِحُوا الْأَيْمَى مِنكُمْ وَالصَّلِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاءَ يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَسِعٌ عَلِيمٌ.
তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ সম্পন্ন কর, আর তোমাদের সৎ দাস-দাসীদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয় তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করে দেবেন।
অবশ্য উক্ত আয়াতে বিবাহহীনদের অবিভাবকদেরকেই আল্লাহ তায়ালা এ আদেশ করেছেন। কেননা আল্লাহ তায়ালা জানেন, অবিভাবকেরা কিসব চিন্তা করেন।
অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে কেউ বিয়ে করতে চাওয়াকে সামাজিকভাবে খারাপ চোখে দেখা হয়। আপনার আরেকটা মেয়ে থাকলে তাকে খাওয়াতেন না? তাহলে মেয়েকে বিয়ে করিয়ে মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি মনে করে খাওয়াতে অসুবিধা কোথায়? প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথে বিয়ে দিতে হবে এই চিন্তা বাদ দিন। আপনার মেয়ে ও সমাজে অসংখ্য ছেলেকে চারিত্রিক শুদ্ধতা নিয়ে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করুন। নিশ্চয়ই এখন যে ছেলেটা বেকার, সেই কয়দিন পর প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করবে। তখন কিন্তু তার চাহিদাও বেড়ে যাবে। প্রতিষ্ঠিত হয়েই যখন বিয়ে করতে হলো, তখন ভাল দেখেই বিয়ে করি। তখন দেখা যায় এসকল মেয়েদের আর বিয়ে হয় না। আবার কোনো কোনো অভিভাবক লেখাপড়া শেষ করার আগে বিয়ে দিতে চায়না, ফলে মেয়ের বয়স বেড়ে যায়, তারপর চেহারার লাবন্যতা নষ্ট হয়। বয়স্ক মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চায়না। আরো যদি লাবন্যতা হ্রাস পায়, তাহলেতো কথাই নাই। তাই দেখা যায় অনেক আপুদের বিয়ে হচ্ছেনা বলে অভিভাবকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কয়েক বছর আগেও যেসকল প্রস্তাব নাকোচ করেছিলেন, এখন তাদের হয় বিয়ে হয়েছে অথবা তারা এখন আর আগ্রহী নয়। তো আসুন! সবাই বিয়েকে তথা হালালকে সহজ করি এবং প্রেম তথা হারামকে কঠিন করি।

টিকাঃ
১৪৪ সুরা নূর: ৩২।

এমনকি আল্লাহ্ প্রতিজ্ঞাও করেছেন...
“বিয়ে করলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের সচ্ছল করে দিবেন।"
তবুও মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় কেবলই চাকরিজীবী ছেলে খোঁজাটা মূলত আল্লাহর উপর অনির্ভরশীলতার ইঙ্গিত।
আমি তো মনে করি—
"একটা ভালো চাকরির পূর্বশর্তই হচ্ছে "বিয়ে”।
কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন।

পড়ুন সেই মহাপবিত্র আয়াতে কারিমা- وَأَنكِحُوا الْأَيْمَى مِنكُمْ وَالصَّلِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاءَ يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَسِعٌ عَلِيمٌ.
তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ সম্পন্ন কর, আর তোমাদের সৎ দাস-দাসীদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয় তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করে দেবেন।
অবশ্য উক্ত আয়াতে বিবাহহীনদের অবিভাবকদেরকেই আল্লাহ তায়ালা এ আদেশ করেছেন। কেননা আল্লাহ তায়ালা জানেন, অবিভাবকেরা কিসব চিন্তা করেন।

অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে কেউ বিয়ে করতে চাওয়াকে সামাজিকভাবে খারাপ চোখে দেখা হয়। আপনার আরেকটা মেয়ে থাকলে তাকে খাওয়াতেন না? তাহলে মেয়েকে বিয়ে করিয়ে মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি মনে করে খাওয়াতে অসুবিধা কোথায়? প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথে বিয়ে দিতে হবে এই চিন্তা বাদ দিন। আপনার মেয়ে ও সমাজে অসংখ্য ছেলেকে চারিত্রিক শুদ্ধতা নিয়ে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করুন। নিশ্চয়ই এখন যে ছেলেটা বেকার, সেই কয়দিন পর প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করবে। তখন কিন্তু তার চাহিদাও বেড়ে যাবে। প্রতিষ্ঠিত হয়েই যখন বিয়ে করতে হলো, তখন ভাল দেখেই বিয়ে করি। তখন দেখা যায় এসকল মেয়েদের আর বিয়ে হয় না। আবার কোনো কোনো অভিভাবক লেখাপড়া শেষ করার আগে বিয়ে দিতে চায়না, ফলে মেয়ের বয়স বেড়ে যায়, তারপর চেহারার লাবন্যতা নষ্ট হয়। বয়স্ক মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চায়না। আরো যদি লাবন্যতা হ্রাস পায়, তাহলেতো কথাই নাই। তাই দেখা যায় অনেক আপুদের বিয়ে হচ্ছেনা বলে অভিভাবকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কয়েক বছর আগেও যেসকল প্রস্তাব নাকোচ করেছিলেন, এখন তাদের হয় বিয়ে হয়েছে অথবা তারা এখন আর আগ্রহী নয়। তো আসুন! সবাই বিয়েকে তথা হালালকে সহজ করি এবং প্রেম তথা হারামকে কঠিন করি।

টিকাঃ
১৪৪ সুরা নূর: ৩২।

📘 বিয়ে অর্ধেক দ্বীন > 📄 ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দিন সাবালক হলেই

📄 ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দিন সাবালক হলেই


আপনি যদি বর্তমান সমাজব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না-ই বুঝুন!
পিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালনপালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে।
অর্থনৈতিক গ্যারান্টির জন্য যদি মেয়ের অবিভাবকরা চাকরিজীবি খোঁজেন, তাহলে মৃত্যুর গ্যারান্টি কে দিবে?

আপনি যদি বর্তমান সমাজব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না-ই বুঝুন!
পিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালনপালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে।
অর্থনৈতিক গ্যারান্টির জন্য যদি মেয়ের অবিভাবকরা চাকরিজীবি খোঁজেন, তাহলে মৃত্যুর গ্যারান্টি কে দিবে?

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00