📄 বিশ্বজয়ী আদর্শ ও চিরন্তন নমুনা
হযরতুল উস্তাদ মাওলানা সায়্যিদ সুলায়মান নদভীর বিখ্যাত গ্রন্থ 'খুতবাতে মাদ্রাজ'-এর একটি অংশ উদ্ধৃত করার মাধ্যমে এই অধ্যায় শেষ করতে চাই যেখানে সায়্যিদ সাহেব রাসূলুল্লাহ (সা)-এর পরিপূর্ণ, বিশ্বজয়ী ও অবিনশ্বর জীবনচিত্র, তাঁর ব্যাপকতা ও পরিপূর্ণতা, মানব জাতির সকল স্তর ও সকল শ্রেণীর, এছাড়াও সব রকমের পরিবেশ, সকল যুগ, সকল পেশা, মোটকথা সব ধরনের অবস্থা, জীবনের প্রতিটি স্তর ও পর্যায়ের জন্য তাঁর পরিপূর্ণ ও সামগ্রিক দিকনির্দেশনা ও মহোত্তম আদর্শ অত্যন্ত প্রভাবমণ্ডিত ও ভাষার অলঙ্কারপূর্ণ ভঙ্গিতে পেশ করেছেন। তিনি বলেন,
"সব শ্রেণীর মানুষের জন্য সব অবস্থায় আদর্শনীয় এবং মানুষের সকল প্রকার বিশুদ্ধ মানসিকতার সুষ্ঠু বিকাশ, পূর্ণাঙ্গ আচার-পদ্ধতি ও চরিত্রের মিলন যাঁঁর জীবনচরিতে ঘটেছে- তিনি একমাত্র মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ (সা) ছাড়া আর কেউ নন।
আপনি যদি বিত্তশালী হয়ে থাকেন, তবে মক্কার আদর্শ ব্যবসায়ী ও বাহরায়নের বিত্তবান মহাপুরুষের মুহাম্মদুর রাসূল (সা) এর আদর্শ অনুসরণ করুন, দীনহীন দরিদ্র হয়ে থাকলে শি'বে আবূ তালিবের নিঃসহায় বন্দী ও মদীনায় আশ্রয় গ্রহণকারী মেহমানের হালচাল শুনুন, আপনি সম্রাট হয়ে থাকলে আরব সম্রাটের ইতিকাহিনী পাঠ করুন, শাসিত হয়ে থাকলে কুরায়শদের শাসিত শোষিত মুহাম্মদ (সা)-এর দিকে একটু খেয়াল করুন, বিজয়ী হয়ে থাকলে বদর ও হুনায়ন বিজয়ী মহাবীর সেনাপতির দিকে লক্ষ্য করুন, পরাজিত হয়ে থাকলে ওহুদ যুদ্ধের শিক্ষা গ্রহণ করুন, আপনি যদি উস্তাদ বা শিক্ষক হয়ে থাকেন, তবে সুফফা শিক্ষাগারের আদর্শ শিক্ষকের আদর্শ সামনে রাখুন, ছাত্র বা শাগরিদ হয়ে থাকলে জিবরাঈল রূহুল আমীনের সামনে বসে থাকা আদর্শ ছাত্রকে অনুসরণ করুন, আপনি যদি ওয়ায়েয, উপদেশদাতা বা বক্তা হন, তবে মদীনার মসজিদের মিম্বরে দণ্ডায়মান মহাপুরুষের আদর্শ বাণী শুনুন।
নিঃসঙ্গ নিঃসহায় অবস্থায় সত্যের প্রচার ও প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব পালনে যদি আপনি আগ্রহী হন, তবে মক্কার নিঃসহায় মহাপুরুষের আদর্শ আপনার সামনে রয়েছে, আল্লাহয়ী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে দুশমনকে পরাজিত ও প্রতিপক্ষকে দুর্বল করে থাকলে মক্কাবিজয়ী মহাপুরুষের আদর্শ দেখুন। বিষয়-সম্পত্তি ও পার্থিব ব্যাপার সমূহকে গোছানোর ব্যাপারে খায়বর, বনী নযীর ও ফাদাকের ভূ-সম্পত্তিসমূহের মালিকের আদর্শ আপনার সামনে রয়েছে, পিতৃহীন ইয়াতীমের জন্য রয়েছে আবদুল্লাহ ও আমেনার দুলালের আদর্শ, শিশু বালকের জন্য রয়েছে হালিমার গৃহে প্রতিপালিত বালক মুহাম্মদের আদর্শ, যুবকের জন্য রয়েছে মক্কী রাখাল যুবকের আদর্শ।
আপনি যদি ব্যবসার উদ্দেশ্যে সফরে থাকেন, তবে বসরার বিদেশী বণিকের দৃষ্টান্ত আপনার সামনে রয়েছে। আপনি যদি আদালতের বিচারপতি অথবা পঞ্চয়েতের সালিসী হন, তবে ভোরের সূর্য ওঠার আগে কাবায় প্রবেশকারী বিচারকের প্রতি লক্ষ্য করুন, তিনি হাজরে আসওয়াদকে কাবার এক কোণে কেমন করে রেখেছিলেন। মদীনার খেজুর পাতায় ছাওয়া মসজিদে বসা বিচারপতিকে লক্ষ্য করুন, আইনের বেলায় যাঁর কাছে বাদশাহ-ভিখারী ও আমীর-গরীবের মধ্যে পার্থক্যের কোন বালাই নেই।
আপনি স্বামী হয়ে থাকলে খাদীজা ও আয়েশার পুণ্যাত্মা স্বামীর আদর্শ চরিত পাঠ করুন। আপনার সন্তান-সন্ততি থাকলে ফাতেমার জনক ও হাসান- হুসায়নের নানার আদর্শ আপনার সম্মুখে রয়েছে।
মোটকথা, আপনি যে কেউ হোন না কেন, সবক্ষেত্রে আপনার জীবনপথে চলার জন্য আদর্শ ও আলোর দিশা মুহাম্মদ (সা)-এর ব্যাপক জীবনচরিতে নিহিত রয়েছে। এজন্য সকল শ্রেণীর আদর্শ অনুসন্ধিৎসু ও নূরে ঈমানের তলবগারদের জন্য একমাত্র মোস্তফা-চরিতেই আলোর দিশা ও মুক্তির পথ নিহিত রয়েছে। মুহাম্মদ (সা)-এর জীবনাদর্শ- যার সম্মুখে রয়েছে, একাধারে নূহ, ইবরাহীম, আইয়ুব, ইউনূস ও মূসা-ঈসা (আ) প্রমুখ মহাপুরুষগণের আদর্শ জীবনচরিতসমূহ। অন্য সকল নবীর জীবনচরিতসমূহ যেন একই ধরণের দ্রব্যসামগ্রীর বিপণীমালা আর মহানবী (সা)-এর আচার-ব্যবহার ও জীবনচরিত দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ বিপণীকেন্দ্র- যেখানে সকল ধরণের ক্রেতা ও সব রকমের পণ্যসামগ্রীর ছড়াছড়ি রয়েছে।""
একদিকে তিনি রাত জেগে জেগে ইবাদত-বন্দেগীতে থাকতেন মশগুল, অপরদিকে শত্রুর সম্ভাব্য আক্রমণের প্রতিও রাখতেন সতর্ক দৃষ্টি। শাসক- শাসিতের মাঝে কোথাও অমিল বা বিরোধ ছিল না, সবাই তাদের অনুগত। আরেকটু উল্টে যান ইতিহাসের পাতা। অবাক হবেন তাঁদের ইবাদত, দুনিয়াবিমুখতা, দু'আ ও মুনাজাত, চারিত্রিক উৎকর্ষ, মাহাত্ম্যবোধ, ছোট ও দুর্বলদের প্রতি ভালোবাসা ও প্রেমবোধ, বন্ধু-বান্ধবদের সাথে তাদের মধুর বিনম্র আচরণ, দয়া ও করুণা এবং জানের দুশমনকে অকপটে ক্ষমা করে দেয়ার কাহিনী পড়ে মনে হবে, কবি-সাহিত্যিকের পক্ষে কোনক্রমেই সম্ভব নয় তাদের উর্বর কল্পনা ও তাদের বিরল প্রতিভার সিঁড়ি বেয়ে সেই চূড়ায় উপনীত হওয়া- যেখানে উপনীত হয়েছিলেন তাঁরা বাস্তবতার সিঁড়ি বেয়ে। সত্যি কথা বলতে কি, অবিচ্ছিন্ন সূত্র ও সনদ আমাদের সংরক্ষণে না থাকলে এবং নির্ভরযোগ্য ইতিহাসের সাক্ষ্য না পেলে, অনায়াসে এই সত্য ঘটনাকে কল্পকাহিনী ও উপকথা বলে চালিয়ে দেয়া হতো। সত্যি এই মহান ইনকিলাব, এই গৌরবদীপ্ত নতুন যুগের সূচনা মুহাম্মদ (সা)-এর প্রধান মু'জিযা এবং তাঁর এক মহাঅনুগ্রহ। সর্বোপরি তা রহমতে ইলাহী, এক মহাদান- যা সীমাবদ্ধ নয় স্থান-কাল-পাত্রের কোন সংকীর্ণ গণ্ডিতে। মহান আল্লাহ্ সত্যি বলেছেন:
وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ.
"আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের প্রতি কেবল রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি।" [সূরা আম্বিয়া: ১০৭]
টিকাঃ
১. আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ জালালাবাদী কর্তৃক অনূদিত 'খুতবাতে মাদ্রাজ'-এর বাংলা অনুবাদ 'নবী চিরন্তন' থেকে গৃহীত- অনুবাদক।
হযরতুল উস্তাদ মাওলানা সায়্যিদ সুলায়মান নদভীর বিখ্যাত গ্রন্থ 'খুতবাতে মাদ্রাজ'-এর একটি অংশ উদ্ধৃত করার মাধ্যমে এই অধ্যায় শেষ করতে চাই যেখানে সায়্যিদ সাহেব রাসূলুল্লাহ (সা)-এর পরিপূর্ণ, বিশ্বজয়ী ও অবিনশ্বর জীবনচিত্র, তাঁর ব্যাপকতা ও পরিপূর্ণতা, মানব জাতির সকল স্তর ও সকল শ্রেণীর, এছাড়াও সব রকমের পরিবেশ, সকল যুগ, সকল পেশা, মোটকথা সব ধরনের অবস্থা, জীবনের প্রতিটি স্তর ও পর্যায়ের জন্য তাঁর পরিপূর্ণ ও সামগ্রিক দিকনির্দেশনা ও মহোত্তম আদর্শ অত্যন্ত প্রভাবমণ্ডিত ও ভাষার অলঙ্কারপূর্ণ ভঙ্গিতে পেশ করেছেন। তিনি বলেন,
"সব শ্রেণীর মানুষের জন্য সব অবস্থায় আদর্শনীয় এবং মানুষের সকল প্রকার বিশুদ্ধ মানসিকতার সুষ্ঠু বিকাশ, পূর্ণাঙ্গ আচার-পদ্ধতি ও চরিত্রের মিলন যাঁঁর জীবনচরিতে ঘটেছে- তিনি একমাত্র মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ (সা) ছাড়া আর কেউ নন।
আপনি যদি বিত্তশালী হয়ে থাকেন, তবে মক্কার আদর্শ ব্যবসায়ী ও বাহরায়নের বিত্তবান মহাপুরুষের মুহাম্মদুর রাসূল (সা) এর আদর্শ অনুসরণ করুন, দীনহীন দরিদ্র হয়ে থাকলে শি'বে আবূ তালিবের নিঃসহায় বন্দী ও মদীনায় আশ্রয় গ্রহণকারী মেহমানের হালচাল শুনুন, আপনি সম্রাট হয়ে থাকলে আরব সম্রাটের ইতিকাহিনী পাঠ করুন, শাসিত হয়ে থাকলে কুরায়শদের শাসিত শোষিত মুহাম্মদ (সা)-এর দিকে একটু খেয়াল করুন, বিজয়ী হয়ে থাকলে বদর ও হুনায়ন বিজয়ী মহাবীর সেনাপতির দিকে লক্ষ্য করুন, পরাজিত হয়ে থাকলে ওহুদ যুদ্ধের শিক্ষা গ্রহণ করুন, আপনি যদি উস্তাদ বা শিক্ষক হয়ে থাকেন, তবে সুফফা শিক্ষাগারের আদর্শ শিক্ষকের আদর্শ সামনে রাখুন, ছাত্র বা শাগরিদ হয়ে থাকলে জিবরাঈল রূহুল আমীনের সামনে বসে থাকা আদর্শ ছাত্রকে অনুসরণ করুন, আপনি যদি ওয়ায়েয, উপদেশদাতা বা বক্তা হন, তবে মদীনার মসজিদের মিম্বরে দণ্ডায়মান মহাপুরুষের আদর্শ বাণী শুনুন।
নিঃসঙ্গ নিঃসহায় অবস্থায় সত্যের প্রচার ও প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব পালনে যদি আপনি আগ্রহী হন, তবে মক্কার নিঃসহায় মহাপুরুষের আদর্শ আপনার সামনে রয়েছে, আল্লাহয়ী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে দুশমনকে পরাজিত ও প্রতিপক্ষকে দুর্বল করে থাকলে মক্কাবিজয়ী মহাপুরুষের আদর্শ দেখুন। বিষয়-সম্পত্তি ও পার্থিব ব্যাপার সমূহকে গোছানোর ব্যাপারে খায়বর, বনী নযীর ও ফাদাকের ভূ-সম্পত্তিসমূহের মালিকের আদর্শ আপনার সামনে রয়েছে, পিতৃহীন ইয়াতীমের জন্য রয়েছে আবদুল্লাহ ও আমেনার দুলালের আদর্শ, শিশু বালকের জন্য রয়েছে হালিমার গৃহে প্রতিপালিত বালক মুহাম্মদের আদর্শ, যুবকের জন্য রয়েছে মক্কী রাখাল যুবকের আদর্শ।
আপনি যদি ব্যবসার উদ্দেশ্যে সফরে থাকেন, তবে বসরার বিদেশী বণিকের দৃষ্টান্ত আপনার সামনে রয়েছে। আপনি যদি আদালতের বিচারপতি অথবা পঞ্চয়েতের সালিসী হন, তবে ভোরের সূর্য ওঠার আগে কাবায় প্রবেশকারী বিচারকের প্রতি লক্ষ্য করুন, তিনি হাজরে আসওয়াদকে কাবার এক কোণে কেমন করে রেখেছিলেন। মদীনার খেজুর পাতায় ছাওয়া মসজিদে বসা বিচারপতিকে লক্ষ্য করুন, আইনের বেলায় যাঁর কাছে বাদশাহ-ভিখারী ও আমীর-গরীবের মধ্যে পার্থক্যের কোন বালাই নেই।
আপনি স্বামী হয়ে থাকলে খাদীজা ও আয়েশার পুণ্যাত্মা স্বামীর আদর্শ চরিত পাঠ করুন। আপনার সন্তান-সন্ততি থাকলে ফাতেমার জনক ও হাসান- হুসায়নের নানার আদর্শ আপনার সম্মুখে রয়েছে।
মোটকথা, আপনি যে কেউ হোন না কেন, সবক্ষেত্রে আপনার জীবনপথে চলার জন্য আদর্শ ও আলোর দিশা মুহাম্মদ (সা)-এর ব্যাপক জীবনচরিতে নিহিত রয়েছে। এজন্য সকল শ্রেণীর আদর্শ অনুসন্ধিৎসু ও নূরে ঈমানের তলবগারদের জন্য একমাত্র মোস্তফা-চরিতেই আলোর দিশা ও মুক্তির পথ নিহিত রয়েছে। মুহাম্মদ (সা)-এর জীবনাদর্শ- যার সম্মুখে রয়েছে, একাধারে নূহ, ইবরাহীম, আইয়ুব, ইউনূস ও মূসা-ঈসা (আ) প্রমুখ মহাপুরুষগণের আদর্শ জীবনচরিতসমূহ। অন্য সকল নবীর জীবনচরিতসমূহ যেন একই ধরণের দ্রব্যসামগ্রীর বিপণীমালা আর মহানবী (সা)-এর আচার-ব্যবহার ও জীবনচরিত দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ বিপণীকেন্দ্র- যেখানে সকল ধরণের ক্রেতা ও সব রকমের পণ্যসামগ্রীর ছড়াছড়ি রয়েছে।""
একদিকে তিনি রাত জেগে জেগে ইবাদত-বন্দেগীতে থাকতেন মশগুল, অপরদিকে শত্রুর সম্ভাব্য আক্রমণের প্রতিও রাখতেন সতর্ক দৃষ্টি। শাসক- শাসিতের মাঝে কোথাও অমিল বা বিরোধ ছিল না, সবাই তাদের অনুগত। আরেকটু উল্টে যান ইতিহাসের পাতা। অবাক হবেন তাঁদের ইবাদত, দুনিয়াবিমুখতা, দু'আ ও মুনাজাত, চারিত্রিক উৎকর্ষ, মাহাত্ম্যবোধ, ছোট ও দুর্বলদের প্রতি ভালোবাসা ও প্রেমবোধ, বন্ধু-বান্ধবদের সাথে তাদের মধুর বিনম্র আচরণ, দয়া ও করুণা এবং জানের দুশমনকে অকপটে ক্ষমা করে দেয়ার কাহিনী পড়ে মনে হবে, কবি-সাহিত্যিকের পক্ষে কোনক্রমেই সম্ভব নয় তাদের উর্বর কল্পনা ও তাদের বিরল প্রতিভার সিঁড়ি বেয়ে সেই চূড়ায় উপনীত হওয়া- যেখানে উপনীত হয়েছিলেন তাঁরা বাস্তবতার সিঁড়ি বেয়ে। সত্যি কথা বলতে কি, অবিচ্ছিন্ন সূত্র ও সনদ আমাদের সংরক্ষণে না থাকলে এবং নির্ভরযোগ্য ইতিহাসের সাক্ষ্য না পেলে, অনায়াসে এই সত্য ঘটনাকে কল্পকাহিনী ও উপকথা বলে চালিয়ে দেয়া হতো। সত্যি এই মহান ইনকিলাব, এই গৌরবদীপ্ত নতুন যুগের সূচনা মুহাম্মদ (সা)-এর প্রধান মু'জিযা এবং তাঁর এক মহাঅনুগ্রহ। সর্বোপরি তা রহমতে ইলাহী, এক মহাদান- যা সীমাবদ্ধ নয় স্থান-কাল-পাত্রের কোন সংকীর্ণ গণ্ডিতে। মহান আল্লাহ্ সত্যি বলেছেন:
وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ.
"আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের প্রতি কেবল রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি।" [সূরা আম্বিয়া: ১০৭]
টিকাঃ
১. আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ জালালাবাদী কর্তৃক অনূদিত 'খুতবাতে মাদ্রাজ'-এর বাংলা অনুবাদ 'নবী চিরন্তন' থেকে গৃহীত- অনুবাদক।