📄 মানবতার জন্য রহমত ও সুসংবাদ
এভাবে প্রিয়নবী (সা) তাওবার প্রকাশ্য ও সাধারণ দাওয়াত দিয়েছেন এবং তার ফযীলত ও ব্যাপকতার কথা বর্ণনা করে ভীত-সন্ত্রস্ত মানুষকে সান্ত্বনা প্রদান করেছেন। কারণ তারা হতাশা-নিরাশার ভারে নুয়ে পড়ে আর্তনাদ করছিল এবং আযাব ও তিরস্কারের ফলে এবং গযব-ক্রোধের বহিঃপ্রকাশে তাদের দিল প্রকম্পিত ছিল। আর তাদের এ অনুভূতি সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে ইয়াহুদী পণ্ডিত, কিতাবুল মুকাদ্দাসের ব্যাখ্যাদাতা ও খ্রিস্টান উগ্র ধর্মগুরু ও ধর্মীয় নেতাদের বড় দখল ছিল।
প্রিয় নবী (সা) মানবতা ও মানব জীবনকে একটি নতুন ও সুখকর জীবন দান করেন। তাদের দুর্বল ও নির্জীব হৃদয়ে এবং নিস্তেজ দেহে একটি নতুন প্রাণ ও নব উদ্যমতা সৃষ্টি করেন, তার ক্ষতস্থানে প্রলেপ দেন এবং যমীনের নিচ থেকে উঠিয়ে সম্মান, সৌভাগ্য, আত্মবিশ্বাস ও আল্লাহ্র প্রতি নির্ভরশীলতার উচ্চতম শিখরে পৌঁছিয়ে দেন।
এভাবে প্রিয়নবী (সা) তাওবার প্রকাশ্য ও সাধারণ দাওয়াত দিয়েছেন এবং তার ফযীলত ও ব্যাপকতার কথা বর্ণনা করে ভীত-সন্ত্রস্ত মানুষকে সান্ত্বনা প্রদান করেছেন। কারণ তারা হতাশা-নিরাশার ভারে নুয়ে পড়ে আর্তনাদ করছিল এবং আযাব ও তিরস্কারের ফলে এবং গযব-ক্রোধের বহিঃপ্রকাশে তাদের দিল প্রকম্পিত ছিল। আর তাদের এ অনুভূতি সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে ইয়াহুদী পণ্ডিত, কিতাবুল মুকাদ্দাসের ব্যাখ্যাদাতা ও খ্রিস্টান উগ্র ধর্মগুরু ও ধর্মীয় নেতাদের বড় দখল ছিল।
প্রিয় নবী (সা) মানবতা ও মানব জীবনকে একটি নতুন ও সুখকর জীবন দান করেন। তাদের দুর্বল ও নির্জীব হৃদয়ে এবং নিস্তেজ দেহে একটি নতুন প্রাণ ও নব উদ্যমতা সৃষ্টি করেন, তার ক্ষতস্থানে প্রলেপ দেন এবং যমীনের নিচ থেকে উঠিয়ে সম্মান, সৌভাগ্য, আত্মবিশ্বাস ও আল্লাহ্র প্রতি নির্ভরশীলতার উচ্চতম শিখরে পৌঁছিয়ে দেন।