📘 বিশ্ব সভ্যতায় রাসূলে ﷺ > 📄 মানুষের ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন

📄 মানুষের ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন


মানব সভ্যতায় প্রিয় নবী (সা)-এর পঞ্চম অবদান হলো এই যে, ইতিপূর্বে অধিকাংশ মানুষ আল্লাহ্র রহমত ও করুণা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল, মানুষের মনে নিখুঁত মানব প্রকৃতি সম্পর্কে এক রকম পাপবোধ সৃষ্টি হয়েছিল। এ বিশেষ মানসিকতা সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে প্রাচ্যের কিছু প্রাচীন ধর্ম, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিকৃত খ্রিস্টধর্মের বড় ভূমিকা ছিল।
ভারতের প্রাচীন ধর্মগুলোর প্রচারকরাও তানাসুখ তথা পুনর্জন্মের আকীদা ও দর্শনের প্রবক্তা ছিল। এ আকীদা-বিশ্বাস থাকলে মানুষের নিজের ইচ্ছা ও স্বাধীনতার ধারণাই শেষ হয়ে যায়। আর এ কারণেই প্রতিটি মানুষ নিজের অতীত কর্মের সাজা ভোগ করতে বাধ্য হয়ে যায়। কখনো সে হিংস্র পশুতে পরিণত হয় আবার কখনো সে বিচরণকারী পশু বা হীন প্রকৃতির কীটে পরিণত হয়, আবার কখনো সে হতভাগ্য নানা যন্ত্রণার শিকার মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করে।
খ্রিস্টবাদ ঘোষণা করেছিল যে, মানুষ জন্মগত ও স্বভাবগতভাবে পাপী। আর ঈসা মসীহ তাদের গুনাহের কাফফারা ও প্রায়শ্চিত্ত। এ বিশ্বাস দুনিয়ার লক্ষ-কোটি সভ্য খ্রিস্টানকে নিজেদের ব্যাপারে কুধারণা ও আল্লাহ্র রহমত থেকে হতাশার সাগরে নিমজ্জিত করে দেয়।
হতাশার এমন পরিবেশে মানবতার নবী মুহাম্মদুর রাসূল (সা) পূর্ণ শক্তি ও সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন যে, মানুষের স্বভাব-প্রকৃতি অতি স্বচ্ছ ফলকের ন্যায়, তাতে কোন কিছুই লেখা হয়নি। এখন তাতে হয় কোন হৃদয়গ্রাহী চিত্র অংকন করা যেতে পারে অথবা তাতে কোন সুন্দর ক্যালিগ্রাফী আঁকা যেতে পারে। মানুষ নিজের জীবনকে নিজের ইচ্ছায় শুরু করতে পারে এবং স্বীয় কৃতকর্মের কারণে প্রতিদান বা শাস্তির, জান্নাত কিংবা জাহান্নামের যোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারে। তাকে অন্য কোন মানুষের জবাবদিহি করতে হবে না।

মানব সভ্যতায় প্রিয় নবী (সা)-এর পঞ্চম অবদান হলো এই যে, ইতিপূর্বে অধিকাংশ মানুষ আল্লাহ্র রহমত ও করুণা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল, মানুষের মনে নিখুঁত মানব প্রকৃতি সম্পর্কে এক রকম পাপবোধ সৃষ্টি হয়েছিল। এ বিশেষ মানসিকতা সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে প্রাচ্যের কিছু প্রাচীন ধর্ম, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিকৃত খ্রিস্টধর্মের বড় ভূমিকা ছিল।
ভারতের প্রাচীন ধর্মগুলোর প্রচারকরাও তানাসুখ তথা পুনর্জন্মের আকীদা ও দর্শনের প্রবক্তা ছিল। এ আকীদা-বিশ্বাস থাকলে মানুষের নিজের ইচ্ছা ও স্বাধীনতার ধারণাই শেষ হয়ে যায়। আর এ কারণেই প্রতিটি মানুষ নিজের অতীত কর্মের সাজা ভোগ করতে বাধ্য হয়ে যায়। কখনো সে হিংস্র পশুতে পরিণত হয় আবার কখনো সে বিচরণকারী পশু বা হীন প্রকৃতির কীটে পরিণত হয়, আবার কখনো সে হতভাগ্য নানা যন্ত্রণার শিকার মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করে।
খ্রিস্টবাদ ঘোষণা করেছিল যে, মানুষ জন্মগত ও স্বভাবগতভাবে পাপী। আর ঈসা মসীহ তাদের গুনাহের কাফফারা ও প্রায়শ্চিত্ত। এ বিশ্বাস দুনিয়ার লক্ষ-কোটি সভ্য খ্রিস্টানকে নিজেদের ব্যাপারে কুধারণা ও আল্লাহ্র রহমত থেকে হতাশার সাগরে নিমজ্জিত করে দেয়।
হতাশার এমন পরিবেশে মানবতার নবী মুহাম্মদুর রাসূল (সা) পূর্ণ শক্তি ও সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন যে, মানুষের স্বভাব-প্রকৃতি অতি স্বচ্ছ ফলকের ন্যায়, তাতে কোন কিছুই লেখা হয়নি। এখন তাতে হয় কোন হৃদয়গ্রাহী চিত্র অংকন করা যেতে পারে অথবা তাতে কোন সুন্দর ক্যালিগ্রাফী আঁকা যেতে পারে। মানুষ নিজের জীবনকে নিজের ইচ্ছায় শুরু করতে পারে এবং স্বীয় কৃতকর্মের কারণে প্রতিদান বা শাস্তির, জান্নাত কিংবা জাহান্নামের যোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারে। তাকে অন্য কোন মানুষের জবাবদিহি করতে হবে না।

📘 বিশ্ব সভ্যতায় রাসূলে ﷺ > 📄 গুনাহ মানব স্বভাবের জন্য সাময়িক ও বহিরাগত, আর কল্যাণকামিতা ও শান্তিপ্রিয়তা প্রকৃতিগত

📄 গুনাহ মানব স্বভাবের জন্য সাময়িক ও বহিরাগত, আর কল্যাণকামিতা ও শান্তিপ্রিয়তা প্রকৃতিগত


পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন স্থানে এ বিষয়টি আলোচিত হয়েছে যে, মানুষ শুধু নিজের কর্মের যিম্মাদার এবং স্বীয় চেষ্টা-সাধনার ফল পাওয়ার যোগ্য।
أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى وَأَن لَّيْسَ لِلْإِنْسَانِ إِلَّا مَا سَعَى وَأَنَّ سَعْيَهُ سَوْفَ يُرى - ثُمَّ يُجْزَاهُ الْجَزَاءَ الْأَوْفَى
"আর এই যে, কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না; আর এই যে, মানুষ তাই পায়, যা সে চেষ্টা করে। আর এই যে, মানুষের চেষ্টা (কর্ম) অচিরেই দেখান হবে, তারপর তাকে পুরোপুরি প্রতিদান দেয়া হবে।" [সূরা আন-নাজম: ৩৮-৪০]
গুনাহ মানব স্বভাবের জন্য সাময়িক ও বহিরাগত এবং কল্যাণ কামনা ও শান্তিপ্রিয়তা তার প্রকৃতিগত ও অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ ঘোষণা মানুষকে তার প্রকৃতির উপর হারানো আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে। ফলে, এখন মানুষ দৃঢ় সংকল্প, উৎসাহ-উদ্দীপনা, সাহস ও বীরত্বের সাথে সামনে অগ্রসর হতে থাকে যাতে সে তার ভাগ্য ও মানবতার ভবিষ্যতকে সুন্দর করতে পারে এবং বিশাল সম্ভাবনাময় ও মূল্যবান মুহূর্তগুলোতে নিজের ভাগ্য ও সক্ষমতার পরীক্ষা করতে পারে।
মুহাম্মাদুর রাসূল (সা) এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন যে, গুনাহ, বিচ্যুতি ও ভুল মানব জীবনের একটি সাময়িক, অস্থায়ী ও খণ্ডকালীন বিষয়। মানুষ নিজের অজ্ঞতা, সরলতা, সংকীর্ণতা, আবার কখনো নফস ও শয়তানের ধোঁকার কারণে এতে পতিত হয়। আর কল্যাণকামিতা, সততা, গুনাহের স্বীকৃতি, তাতে অনুতপ্ত হওয়া তার মূল স্বভাব ও মানব প্রকৃতি। আর আল্লাহ্র কাছে তাওবা করা, ক্রন্দন করা ও বিনয়ী হওয়া, গুনাহ না করার সংকল্প করা মানুষের ভদ্রতা ও বুদ্ধিমত্তার প্রতীক এবং হযরত আদম (আ)-এর মীরাস উত্তরাধিকার।

পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন স্থানে এ বিষয়টি আলোচিত হয়েছে যে, মানুষ শুধু নিজের কর্মের যিম্মাদার এবং স্বীয় চেষ্টা-সাধনার ফল পাওয়ার যোগ্য।
أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى وَأَن لَّيْسَ لِلْإِنْسَانِ إِلَّا مَا سَعَى وَأَنَّ سَعْيَهُ سَوْفَ يُرى - ثُمَّ يُجْزَاهُ الْجَزَاءَ الْأَوْفَى
"আর এই যে, কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না; আর এই যে, মানুষ তাই পায়, যা সে চেষ্টা করে। আর এই যে, মানুষের চেষ্টা (কর্ম) অচিরেই দেখান হবে, তারপর তাকে পুরোপুরি প্রতিদান দেয়া হবে।" [সূরা আন-নাজম: ৩৮-৪০]
গুনাহ মানব স্বভাবের জন্য সাময়িক ও বহিরাগত এবং কল্যাণ কামনা ও শান্তিপ্রিয়তা তার প্রকৃতিগত ও অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ ঘোষণা মানুষকে তার প্রকৃতির উপর হারানো আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে। ফলে, এখন মানুষ দৃঢ় সংকল্প, উৎসাহ-উদ্দীপনা, সাহস ও বীরত্বের সাথে সামনে অগ্রসর হতে থাকে যাতে সে তার ভাগ্য ও মানবতার ভবিষ্যতকে সুন্দর করতে পারে এবং বিশাল সম্ভাবনাময় ও মূল্যবান মুহূর্তগুলোতে নিজের ভাগ্য ও সক্ষমতার পরীক্ষা করতে পারে।
মুহাম্মাদুর রাসূল (সা) এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন যে, গুনাহ, বিচ্যুতি ও ভুল মানব জীবনের একটি সাময়িক, অস্থায়ী ও খণ্ডকালীন বিষয়। মানুষ নিজের অজ্ঞতা, সরলতা, সংকীর্ণতা, আবার কখনো নফস ও শয়তানের ধোঁকার কারণে এতে পতিত হয়। আর কল্যাণকামিতা, সততা, গুনাহের স্বীকৃতি, তাতে অনুতপ্ত হওয়া তার মূল স্বভাব ও মানব প্রকৃতি। আর আল্লাহ্র কাছে তাওবা করা, ক্রন্দন করা ও বিনয়ী হওয়া, গুনাহ না করার সংকল্প করা মানুষের ভদ্রতা ও বুদ্ধিমত্তার প্রতীক এবং হযরত আদম (আ)-এর মীরাস উত্তরাধিকার।

📘 বিশ্ব সভ্যতায় রাসূলে ﷺ > 📄 তারুণ্যের মর্যাদা ও স্থান

📄 তারুণ্যের মর্যাদা ও স্থান


এমন গুনাহগার মুসলমান- যারা গুনাহের জলাভূমিতে গলা পর্যন্ত আটকে ও ডুবে রয়েছে, মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ (সা) তাদের সামনে তাওবার প্রশস্ত দরজা খুলে দিয়েছেন। অতঃপর সর্বসাধারণকে সেদিকে উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন। তিনি তাওবার ফযীলত অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন। ফলে, তা সামনে রেখে একথা বলা যায় যে, তিনি ধর্মের এ মহৎ স্তম্ভকে পুনরায় উজ্জীবিত ও সুদৃঢ় করেছেন। আর এ কারণে প্রিয় নবী (সা)-এর অসংখ্য নামের একটি সম্মানিত নাম 'তাওবার নবী'। প্রিয় নবী (সা) তাওবাকে শুধু একটি অপরিহার্য মাধ্যমই বলেননি, বরং যাদ্বারা মানুষ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে, তিনি (সা) তাওবার স্থানকে অত্যন্ত উচ্চস্তরে রেখেছেন এবং তাকে অতি উত্তম ইবাদত বলে ঘোষণা দিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে মানুষ অল্প সময়ের মধ্যেই আল্লাহ্র নৈকট্যলাভ ও বিলায়েতের সুউচ্চ স্তরে পৌঁছার সহজ রাস্তা বানিয়ে দিয়েছেন- যা দেখে বড় বড় আবেদ ও দুনিয়াবিমুখ যাহেদ ও ঐ সকল গুনাহমুক্ত পবিত্র আত্মার অধিকারী ব্যক্তিগণ ঈর্ষাবোধ করেন।
পবিত্র কুরআনে তাওবার ফযীলত ও ব্যাপকতা বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, তাওবার মাধ্যমে মানুষ নিজের কল্পনায় আসা বড় থেকে বড় গুনাহ হতে পাক-পবিত্র হয়ে যেতে পারে। এ বিষয়টি পবিত্র কুরআন অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ভাষায় ব্যক্ত করেছে, অতঃপর পাপী ও অপরাধী, নফস ও শয়তানের কাছে পরাজিত ব্যক্তিদেরকে আল্লাহর আশ্রয়ে আসার এবং তাঁর স্নেহ ও রহমতের ছায়াতলে প্রবেশ করার সাধারণ দাওয়াত দিয়েছে, তাঁর রহমতের তরঙ্গমালা ও কুলকিনারাহীন সমুদ্রের (যা নফসসমূহ ও দিগন্তসমূহকে ঘিরে রেখেছে) এমন মনোমুগ্ধকর ও উৎসাহব্যঞ্জক চিত্র উপস্থাপন করেছে- যাদ্বারা প্রকাশ পায় যে, আল্লাহ্ তা'আলা শুধু যে হালীম, রহীম, জাওয়াদ ও কারীমই নন; বরং (যদি একথা বলা সঠিক হয় তাহলে) বলা যায় যে, তিনি তাওবাকারীদেরকে মহব্বত করেন, তাদের প্রতি আগ্রহী থাকেন এবং তাদের মেহনতের পরিপূর্ণ মূল্যায়ন করেন। আপনি নিম্নের আয়াতটি তিলাওয়াত করুন, ঐ স্নেহ-ভালবাসা, দয়া-মমতার পরিবেশকে অনুভব করুন যা- এ আয়াতের পরতে পরতে বর্ণিত হয়েছে: قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِنْ رَّحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ .
"আপনি (আমার পক্ষ হতে) ঘোষণা দিন যে, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছ, আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়োনা। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা'আলা সকল গুনাহ ক্ষমাকারী। অবশ্যই তিনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [সূরা যুমার: ৫৩]
অন্যত্র আল্লাহ্ পাক তাঁর নেককার বান্দাদের বিভিন্ন দলের আলোচনা করেছেন আর এ নূরানী কাফেলার সূত্রপাত করেছেন তাওবাকারীদের দ্বারা। তিনি ইরশাদ করেন:
التَّائِبُونَ الْعَابِدُونَ الْحَامِدُونَ السَّائِحُونَ الرَّاكِعُونَ السَّاجِدُونَ الْأَمِرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَالنَّاهُوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَالْحَافِظُونَ لِحُدُودِ اللَّهِ وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ.
"ঐ সকল মুজাহিদ, যারা তাওবাকারী, ইবাদতকারী, প্রশংসাকারী, রোযা পালনকারী, রুকুকারী, সিজদাকারী, সৎকাজের আদেশকারী, অসৎকাজে বাধা-দানকারী, আল্লাহ্র সীমানার হিফাযতকারী আর আপনি মুমিন বান্দাদিগকে সুসংবাদ প্রদান করুন।" [সূরা তাওবা: ১১২]

এমন গুনাহগার মুসলমান- যারা গুনাহের জলাভূমিতে গলা পর্যন্ত আটকে ও ডুবে রয়েছে, মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ (সা) তাদের সামনে তাওবার প্রশস্ত দরজা খুলে দিয়েছেন। অতঃপর সর্বসাধারণকে সেদিকে উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন। তিনি তাওবার ফযীলত অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন। ফলে, তা সামনে রেখে একথা বলা যায় যে, তিনি ধর্মের এ মহৎ স্তম্ভকে পুনরায় উজ্জীবিত ও সুদৃঢ় করেছেন। আর এ কারণে প্রিয় নবী (সা)-এর অসংখ্য নামের একটি সম্মানিত নাম 'তাওবার নবী'। প্রিয় নবী (সা) তাওবাকে শুধু একটি অপরিহার্য মাধ্যমই বলেননি, বরং যাদ্বারা মানুষ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে, তিনি (সা) তাওবার স্থানকে অত্যন্ত উচ্চস্তরে রেখেছেন এবং তাকে অতি উত্তম ইবাদত বলে ঘোষণা দিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে মানুষ অল্প সময়ের মধ্যেই আল্লাহ্র নৈকট্যলাভ ও বিলায়েতের সুউচ্চ স্তরে পৌঁছার সহজ রাস্তা বানিয়ে দিয়েছেন- যা দেখে বড় বড় আবেদ ও দুনিয়াবিমুখ যাহেদ ও ঐ সকল গুনাহমুক্ত পবিত্র আত্মার অধিকারী ব্যক্তিগণ ঈর্ষাবোধ করেন।
পবিত্র কুরআনে তাওবার ফযীলত ও ব্যাপকতা বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, তাওবার মাধ্যমে মানুষ নিজের কল্পনায় আসা বড় থেকে বড় গুনাহ হতে পাক-পবিত্র হয়ে যেতে পারে। এ বিষয়টি পবিত্র কুরআন অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ভাষায় ব্যক্ত করেছে, অতঃপর পাপী ও অপরাধী, নফস ও শয়তানের কাছে পরাজিত ব্যক্তিদেরকে আল্লাহর আশ্রয়ে আসার এবং তাঁর স্নেহ ও রহমতের ছায়াতলে প্রবেশ করার সাধারণ দাওয়াত দিয়েছে, তাঁর রহমতের তরঙ্গমালা ও কুলকিনারাহীন সমুদ্রের (যা নফসসমূহ ও দিগন্তসমূহকে ঘিরে রেখেছে) এমন মনোমুগ্ধকর ও উৎসাহব্যঞ্জক চিত্র উপস্থাপন করেছে- যাদ্বারা প্রকাশ পায় যে, আল্লাহ্ তা'আলা শুধু যে হালীম, রহীম, জাওয়াদ ও কারীমই নন; বরং (যদি একথা বলা সঠিক হয় তাহলে) বলা যায় যে, তিনি তাওবাকারীদেরকে মহব্বত করেন, তাদের প্রতি আগ্রহী থাকেন এবং তাদের মেহনতের পরিপূর্ণ মূল্যায়ন করেন। আপনি নিম্নের আয়াতটি তিলাওয়াত করুন, ঐ স্নেহ-ভালবাসা, দয়া-মমতার পরিবেশকে অনুভব করুন যা- এ আয়াতের পরতে পরতে বর্ণিত হয়েছে: قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِنْ رَّحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ .
"আপনি (আমার পক্ষ হতে) ঘোষণা দিন যে, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছ, আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়োনা। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা'আলা সকল গুনাহ ক্ষমাকারী। অবশ্যই তিনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [সূরা যুমার: ৫৩]
অন্যত্র আল্লাহ্ পাক তাঁর নেককার বান্দাদের বিভিন্ন দলের আলোচনা করেছেন আর এ নূরানী কাফেলার সূত্রপাত করেছেন তাওবাকারীদের দ্বারা। তিনি ইরশাদ করেন:
التَّائِبُونَ الْعَابِدُونَ الْحَامِدُونَ السَّائِحُونَ الرَّاكِعُونَ السَّاجِدُونَ الْأَمِرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَالنَّاهُوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَالْحَافِظُونَ لِحُدُودِ اللَّهِ وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ.
"ঐ সকল মুজাহিদ, যারা তাওবাকারী, ইবাদতকারী, প্রশংসাকারী, রোযা পালনকারী, রুকুকারী, সিজদাকারী, সৎকাজের আদেশকারী, অসৎকাজে বাধা-দানকারী, আল্লাহ্র সীমানার হিফাযতকারী আর আপনি মুমিন বান্দাদিগকে সুসংবাদ প্রদান করুন।" [সূরা তাওবা: ১১২]

📘 বিশ্ব সভ্যতায় রাসূলে ﷺ > 📄 তাওবাকারীদের সম্মাননা

📄 তাওবাকারীদের সম্মাননা


তাওবাকারীদের সম্মাননা প্রদান ও তাদের গুনাহ মাফ হওয়া ও তার উপর খুশি ও আশা ব্যক্ত করার বিষয়টি ঐ সময় আরো বেশি স্পষ্ট হয়েছে, যখন পবিত্র কুরআন ঐ তিন সাহাবীর তাওবা কবুল হওয়ার ব্যাপারে ঘোষণাদান করেছিল- যারা কোন সঙ্গত ও যৌক্তিক কারণ ছাড়াই যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে মদীনাতে থেকে গিয়েছিলেন। এ ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআন প্রথমে প্রিয়নবী (সা) ও ঐ সকল মুহাজির ও আনসার সাহাবীর আলোচনা করেছে- যারা তাবুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এর পরপরই ঐ তিন পিছিয়ে পড়া সাহাবীর আলোচনা করেছে যাতে তারা এটা অনুভব না করে যে, শুধু তাদের তাওবা কবুল হয়েছে এবং এ ধাপ অতিক্রম করে পুনরায় অনুগত মুমিনদের কাতারে শামিল হয়েছে বরং তারা যেন অপমানের অনুভূতি ও তার ছায়া হতে দূরে থাকে এবং তাদের মাঝে যেন হীনম্মন্যতার অনুভূতি সৃষ্টি না হয়। এ ঈমান ও ইখলাসওয়ালা জামাতের কাছে (যাদের থেকে একটিমাত্র গুনাহ ঘটেছিল) কিয়ামত পর্যন্ত স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সত্যবাদী প্রথম স্তরের সাহাবাদের কাতারই তাদের স্বাভাবিক স্তর। এ কারণে তাদের লজ্জা-শরম ও অপমানবোধের কোন কারণ নেই।
অন্য কোন ধর্মে, আখলাক-চরিত্র ইসলাহ ও তরবীয়তের ইতিহাসে তাওবা কবুল হওয়া, তাওবাকারীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, তাদের প্রতি স্নেহ-ভালবাসা, দয়া ও অনুগ্রহের সাথে তাদের মানসিক অশান্তি দূর করা এ থেকে অধিক উজ্জ্বল, হৃদয়গ্রাহী, সূক্ষ্ম ও গভীর, মনোহর ও মনোমুগ্ধকর দৃষ্টান্ত কি পাওয়া যেতে পারে? আসুন ঐ আয়াতগুলো পুনরায় তিলাওয়াত করুন:
لَقَدْ تَابَ اللهُ عَلَى النَّبِيِّ وَالْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنصَارِ الَّذِينَ اتَّبَعُوهُ فِي سَاعَةِ الْعُسْرَةِ مِنْ بَعْدِ مَا كَادَ يَزِيغُ قُلُوْبُ فَرِيقٍ مِنْهُمْ ثُمَّ تَابَ عَلَيْهِمْ إِنَّهُ بِهِمْ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ - وَعَلَى الثَّلَاثَةِ الَّذِيْنَ خُلِفُوا حَتَّى إِذَا ضَاقَتْ عَلَيْهِمُ الْأَرْضُ بِمَا رَحُبَتْ وَضَاقَتْ عَلَيْهِمْ أَنْفُسُهُمْ وَظَنُّوا أَنْ لَّا مَلْجَأَ مِنَ اللهِ إِلَّا إِلَيْهِ ثُمَّ تَابَ عَلَيْهِمْ لِيَتُوبُوا إِنَّ اللهَ هُوَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ .
"নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা'আলা নবী এবং মুহাজির ও আনসারগণের প্রতি অনুগ্রহ পরায়ণ হলেন যারা সংকটের মুহূর্তে নবীর অনুগত হয়েছিল অথচ সে সময় তাদের একটি দলের অন্তরে কিছুটা অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল। তখন আল্লাহ্ তাদেরকে ক্ষমা করলেন। তিনি তো ওদের প্রতি দয়ার্দ্র, পরম দয়ালু আর তিনি ক্ষমা করলেন ঐ তিনজনকেও যাদের বিষয়টি মুলতবি রাখা হয়েছিল। এক পর্যায়ে পৃথিবী বিস্তৃত হওয়া সত্ত্বেও তাদের জন্য সংকীর্ণ হয়ে পড়েছিল এবং তাদের জন্য তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছিল। তখন তারা বুঝতে পেরেছিল যে, আল্লাহর হাত থেকে রক্ষা পাবার তিনি ছাড়া আর কোন আশ্রয় নেই। তখন তিনি তাদের তাওবা কবুল করলেন যাতে তারা তাওবায় স্থির থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [সূরা তাওবা: ১১৭-১১৮]
অতঃপর আল্লাহ্ তা'আলা একটি সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ঘোষণা করেন যে, আল্লাহর রহমত সকল কিছু থেকে বড় এবং তা তাঁর গযব ও পরাক্রম থেকেও অগ্রগামী। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন: وَرَحْمَتِي وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ "আর আমার রহমত সকল বস্তুতে ব্যাপ্ত।" [সূরা আ'রাফ: ১৫৬]
হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে : إِنَّ رَحْمَتِي سَبَقَتْ عَلَى غَضَبِي “আমার রহমত আমার ক্রোধ থেকে অগ্রগামী।" [মুসলিম]
পবিত্র কুরআন হতাশাকে কুফরী, অজ্ঞতা ও ভ্রষ্টতার সমার্থক হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং হযরত ইয়াকূব (আ)-এর ভাষায় তা ব্যক্ত করেছে: إِنَّهُ لَا يَأْيْنَسُ مِنْ رَّوْحِ اللَّهِ إِلَّا الْقَوْمُ الْكَفِرُونَ. "আল্লাহ্র রহমত থেকে শুধুমাত্র কাফির দলই বিস্মিত হয়।" [সূরা ইউসুফ: ৮৭]
অন্যত্র হযরত ইবরাহীম (আ)-এর কথা বর্ণনা করা হয়েছে: وَمَنْ يَقْنَطُ مِنْ رَّحْمَةِ رَبِّهِ إِلَّا الضَّالُّونَ. "স্বীয় রবের রহমত থেকে কেবল পথভ্রষ্টরাই বিস্মিত হয়।" [সূরা হিজর: ৫৬]

তাওবাকারীদের সম্মাননা প্রদান ও তাদের গুনাহ মাফ হওয়া ও তার উপর খুশি ও আশা ব্যক্ত করার বিষয়টি ঐ সময় আরো বেশি স্পষ্ট হয়েছে, যখন পবিত্র কুরআন ঐ তিন সাহাবীর তাওবা কবুল হওয়ার ব্যাপারে ঘোষণাদান করেছিল- যারা কোন সঙ্গত ও যৌক্তিক কারণ ছাড়াই যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে মদীনাতে থেকে গিয়েছিলেন। এ ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআন প্রথমে প্রিয়নবী (সা) ও ঐ সকল মুহাজির ও আনসার সাহাবীর আলোচনা করেছে- যারা তাবুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এর পরপরই ঐ তিন পিছিয়ে পড়া সাহাবীর আলোচনা করেছে যাতে তারা এটা অনুভব না করে যে, শুধু তাদের তাওবা কবুল হয়েছে এবং এ ধাপ অতিক্রম করে পুনরায় অনুগত মুমিনদের কাতারে শামিল হয়েছে বরং তারা যেন অপমানের অনুভূতি ও তার ছায়া হতে দূরে থাকে এবং তাদের মাঝে যেন হীনম্মন্যতার অনুভূতি সৃষ্টি না হয়। এ ঈমান ও ইখলাসওয়ালা জামাতের কাছে (যাদের থেকে একটিমাত্র গুনাহ ঘটেছিল) কিয়ামত পর্যন্ত স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সত্যবাদী প্রথম স্তরের সাহাবাদের কাতারই তাদের স্বাভাবিক স্তর। এ কারণে তাদের লজ্জা-শরম ও অপমানবোধের কোন কারণ নেই।
অন্য কোন ধর্মে, আখলাক-চরিত্র ইসলাহ ও তরবীয়তের ইতিহাসে তাওবা কবুল হওয়া, তাওবাকারীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, তাদের প্রতি স্নেহ-ভালবাসা, দয়া ও অনুগ্রহের সাথে তাদের মানসিক অশান্তি দূর করা এ থেকে অধিক উজ্জ্বল, হৃদয়গ্রাহী, সূক্ষ্ম ও গভীর, মনোহর ও মনোমুগ্ধকর দৃষ্টান্ত কি পাওয়া যেতে পারে? আসুন ঐ আয়াতগুলো পুনরায় তিলাওয়াত করুন:
لَقَدْ تَابَ اللهُ عَلَى النَّبِيِّ وَالْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنصَارِ الَّذِينَ اتَّبَعُوهُ فِي سَاعَةِ الْعُسْرَةِ مِنْ بَعْدِ مَا كَادَ يَزِيغُ قُلُوْبُ فَرِيقٍ مِنْهُمْ ثُمَّ تَابَ عَلَيْهِمْ إِنَّهُ بِهِمْ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ - وَعَلَى الثَّلَاثَةِ الَّذِيْنَ خُلِفُوا حَتَّى إِذَا ضَاقَتْ عَلَيْهِمُ الْأَرْضُ بِمَا رَحُبَتْ وَضَاقَتْ عَلَيْهِمْ أَنْفُسُهُمْ وَظَنُّوا أَنْ لَّا مَلْجَأَ مِنَ اللهِ إِلَّا إِلَيْهِ ثُمَّ تَابَ عَلَيْهِمْ لِيَتُوبُوا إِنَّ اللهَ هُوَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ .
"নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা'আলা নবী এবং মুহাজির ও আনসারগণের প্রতি অনুগ্রহ পরায়ণ হলেন যারা সংকটের মুহূর্তে নবীর অনুগত হয়েছিল অথচ সে সময় তাদের একটি দলের অন্তরে কিছুটা অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল। তখন আল্লাহ্ তাদেরকে ক্ষমা করলেন। তিনি তো ওদের প্রতি দয়ার্দ্র, পরম দয়ালু আর তিনি ক্ষমা করলেন ঐ তিনজনকেও যাদের বিষয়টি মুলতবি রাখা হয়েছিল। এক পর্যায়ে পৃথিবী বিস্তৃত হওয়া সত্ত্বেও তাদের জন্য সংকীর্ণ হয়ে পড়েছিল এবং তাদের জন্য তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছিল। তখন তারা বুঝতে পেরেছিল যে, আল্লাহর হাত থেকে রক্ষা পাবার তিনি ছাড়া আর কোন আশ্রয় নেই। তখন তিনি তাদের তাওবা কবুল করলেন যাতে তারা তাওবায় স্থির থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [সূরা তাওবা: ১১৭-১১৮]
অতঃপর আল্লাহ্ তা'আলা একটি সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ঘোষণা করেন যে, আল্লাহর রহমত সকল কিছু থেকে বড় এবং তা তাঁর গযব ও পরাক্রম থেকেও অগ্রগামী। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন: وَرَحْمَتِي وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ "আর আমার রহমত সকল বস্তুতে ব্যাপ্ত।" [সূরা আ'রাফ: ১৫৬]
হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে : إِنَّ رَحْمَتِي سَبَقَتْ عَلَى غَضَبِي “আমার রহমত আমার ক্রোধ থেকে অগ্রগামী।" [মুসলিম]
পবিত্র কুরআন হতাশাকে কুফরী, অজ্ঞতা ও ভ্রষ্টতার সমার্থক হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং হযরত ইয়াকূব (আ)-এর ভাষায় তা ব্যক্ত করেছে: إِنَّهُ لَا يَأْيْنَسُ مِنْ رَّوْحِ اللَّهِ إِلَّا الْقَوْمُ الْكَفِرُونَ. "আল্লাহ্র রহমত থেকে শুধুমাত্র কাফির দলই বিস্মিত হয়।" [সূরা ইউসুফ: ৮৭]
অন্যত্র হযরত ইবরাহীম (আ)-এর কথা বর্ণনা করা হয়েছে: وَمَنْ يَقْنَطُ مِنْ رَّحْمَةِ رَبِّهِ إِلَّا الضَّالُّونَ. "স্বীয় রবের রহমত থেকে কেবল পথভ্রষ্টরাই বিস্মিত হয়।" [সূরা হিজর: ৫৬]

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00