📄 হরিণীর ঘটনা
আবু নঈম ইস্পাহানী রাবীদের একটি সিলসিলা উল্লেখ করে হযরত উম্মে সালামার একটি রাওয়ায়েত বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, "রাসুলে করিম (সাঃ) একবার কোন এক প্রস্তরময় উপত্যকা অতিক্রম করছিলেন। এমন সময় তিনি শুনতে পেলেন, "ইয়া রাসুলাল্লাহ” তিনি বলেন, "আমি এই আওয়াজ শুনে চারদিকে দেখলাম। কিন্তু কেউই নজের পড়লোনা। আমি সামনে অগ্রসর হলাম। পুনরায় একই আওয়াজ আবারো শুনলাম। যেদিক থেকে আওয়াজ আসছিল আমি সেদিকে গেলাম। সেখানে একটি হরিনী রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেলাম। একজন সশস্ত্র বেদুঈন রৌদ্রেশুয়েছিল।
হরিনী বললো, "হে আল্লাহর রাসূল। এই বেদুঈন আমাকে শিকার করেছে। এই পাহাড়ে আমার ছোট ছোট দুটি বাচ্চা রয়েছে। আপনি যদি আমাকে খুলে দেন তাহলে আমি তাদেরকে দুধ পান করিয়ে ফিরে আসবো।"
নবী পাক (সাঃ) বললেন, "তুমি কি সত্যি তা করবে? জবাবে সে আরজ করলো, আমি যদি ওয়াদা পুরন না করি তাহলে আল্লাহ তায়ালা যেন আমাকে প্রসব বেদনায় মেরে ফেলেন।"
তিনি তার রশি খুলে দিলেন। সে দৌড়ে চলে গেল এবং বাচ্চাদের দুধ পান করিয়ে ফিরে এলো। ফিরে আসার পর নবী পাক (সাঃ) তাকে রশি দিয়ে বাঁধ ছিলেন। এমন সময় বেদুঈনের চোখ খুলে গেল। সে রাসূলকে (সাঃ) চিনতে পারলো এবং আরজ করলো, "হে আল্লাহর রাসুল। আমার মাতা-পিতা আপনার ওপর কুরবানি হোক। আমি কিছুক্ষণ আগে এই হরিনী শিকার করেছি। আপনার কি তা প্রয়োজন আছে?” তিনি বললেন, "হ্যাঁ, তা আমার প্রয়োজন রয়েছে।"
সে বললো, "আপনি আনন্দ চিত্তে তা নিতে পারেন।"
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হারিনীকে আযাদ করে দিলেন। তাতে সে এতো খুশী হলো যে ময়দানে সে দৌড়ানো শুরু করলো। তারপর খুশীতে মাটির ওপর পা আছড়াতে লাগলো এবং আল্লাহর একত্ববাদ এবং রাসূলের (সাঃ) রিসালতের স্বাক্ষ্য দিতে দিতে সেখান থেকে বিদায় নিলো।"
আবু নঈম ইস্পাহানী রাবীদের একটি সিলসিলা উল্লেখ করে হযরত উম্মে সালামার একটি রাওয়ায়েত বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, "রাসুলে করিম (সাঃ) একবার কোন এক প্রস্তরময় উপত্যকা অতিক্রম করছিলেন। এমন সময় তিনি শুনতে পেলেন, "ইয়া রাসুলাল্লাহ” তিনি বলেন, "আমি এই আওয়াজ শুনে চারদিকে দেখলাম। কিন্তু কেউই নজের পড়লোনা। আমি সামনে অগ্রসর হলাম। পুনরায় একই আওয়াজ আবারো শুনলাম। যেদিক থেকে আওয়াজ আসছিল আমি সেদিকে গেলাম। সেখানে একটি হরিনী রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেলাম। একজন সশস্ত্র বেদুঈন রৌদ্রেশুয়েছিল।
হরিনী বললো, "হে আল্লাহর রাসূল। এই বেদুঈন আমাকে শিকার করেছে। এই পাহাড়ে আমার ছোট ছোট দুটি বাচ্চা রয়েছে। আপনি যদি আমাকে খুলে দেন তাহলে আমি তাদেরকে দুধ পান করিয়ে ফিরে আসবো।"
নবী পাক (সাঃ) বললেন, "তুমি কি সত্যি তা করবে? জবাবে সে আরজ করলো, আমি যদি ওয়াদা পুরন না করি তাহলে আল্লাহ তায়ালা যেন আমাকে প্রসব বেদনায় মেরে ফেলেন।"
তিনি তার রশি খুলে দিলেন। সে দৌড়ে চলে গেল এবং বাচ্চাদের দুধ পান করিয়ে ফিরে এলো। ফিরে আসার পর নবী পাক (সাঃ) তাকে রশি দিয়ে বাঁধ ছিলেন। এমন সময় বেদুঈনের চোখ খুলে গেল। সে রাসূলকে (সাঃ) চিনতে পারলো এবং আরজ করলো, "হে আল্লাহর রাসুল। আমার মাতা-পিতা আপনার ওপর কুরবানি হোক। আমি কিছুক্ষণ আগে এই হরিনী শিকার করেছি। আপনার কি তা প্রয়োজন আছে?” তিনি বললেন, "হ্যাঁ, তা আমার প্রয়োজন রয়েছে।"
সে বললো, "আপনি আনন্দ চিত্তে তা নিতে পারেন।"
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হারিনীকে আযাদ করে দিলেন। তাতে সে এতো খুশী হলো যে ময়দানে সে দৌড়ানো শুরু করলো। তারপর খুশীতে মাটির ওপর পা আছড়াতে লাগলো এবং আল্লাহর একত্ববাদ এবং রাসূলের (সাঃ) রিসালতের স্বাক্ষ্য দিতে দিতে সেখান থেকে বিদায় নিলো।"
আবু নঈম ইস্পাহানী রাবীদের একটি সিলসিলা উল্লেখ করে হযরত উম্মে সালামার একটি রাওয়ায়েত বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, "রাসুলে করিম (সাঃ) একবার কোন এক প্রস্তরময় উপত্যকা অতিক্রম করছিলেন। এমন সময় তিনি শুনতে পেলেন, "ইয়া রাসুলাল্লাহ” তিনি বলেন, "আমি এই আওয়াজ শুনে চারদিকে দেখলাম। কিন্তু কেউই নজের পড়লোনা। আমি সামনে অগ্রসর হলাম। পুনরায় একই আওয়াজ আবারো শুনলাম। যেদিক থেকে আওয়াজ আসছিল আমি সেদিকে গেলাম। সেখানে একটি হরিনী রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেলাম। একজন সশস্ত্র বেদুঈন রৌদ্রেশুয়েছিল।
হরিনী বললো, "হে আল্লাহর রাসূল। এই বেদুঈন আমাকে শিকার করেছে। এই পাহাড়ে আমার ছোট ছোট দুটি বাচ্চা রয়েছে। আপনি যদি আমাকে খুলে দেন তাহলে আমি তাদেরকে দুধ পান করিয়ে ফিরে আসবো।"
নবী পাক (সাঃ) বললেন, "তুমি কি সত্যি তা করবে? জবাবে সে আরজ করলো, আমি যদি ওয়াদা পুরন না করি তাহলে আল্লাহ তায়ালা যেন আমাকে প্রসব বেদনায় মেরে ফেলেন।"
তিনি তার রশি খুলে দিলেন। সে দৌড়ে চলে গেল এবং বাচ্চাদের দুধ পান করিয়ে ফিরে এলো। ফিরে আসার পর নবী পাক (সাঃ) তাকে রশি দিয়ে বাঁধ ছিলেন। এমন সময় বেদুঈনের চোখ খুলে গেল। সে রাসূলকে (সাঃ) চিনতে পারলো এবং আরজ করলো, "হে আল্লাহর রাসুল। আমার মাতা-পিতা আপনার ওপর কুরবানি হোক। আমি কিছুক্ষণ আগে এই হরিনী শিকার করেছি। আপনার কি তা প্রয়োজন আছে?” তিনি বললেন, "হ্যাঁ, তা আমার প্রয়োজন রয়েছে।"
সে বললো, "আপনি আনন্দ চিত্তে তা নিতে পারেন।"
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হারিনীকে আযাদ করে দিলেন। তাতে সে এতো খুশী হলো যে ময়দানে সে দৌড়ানো শুরু করলো। তারপর খুশীতে মাটির ওপর পা আছড়াতে লাগলো এবং আল্লাহর একত্ববাদ এবং রাসূলের (সাঃ) রিসালতের স্বাক্ষ্য দিতে দিতে সেখান থেকে বিদায় নিলো।"
📄 গ্রন্থপঞ্জী
১। তাফসিরে ইবনে কাছির
২। সহিহ বুখারী
৩। সহিহ মুসলিম
৪। সুনানেনাসায়ী
৫। সুনানে বাইহাকী
৬। মুসনাদে আহমদ
৭। আল মুসনাদ
৮। সিরতে ইবনে হিশাম
৯। আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া
১০। আল ইসাবাহ
১১। উসুদুল গাবাহ
১২। আল ইসাতিয়াব
১৩। তাবাকাতে ইবনে সাদ
১৪। আল মাগাযী লিল ওয়াকেদী
১। তাফসিরে ইবনে কাছির
২। সহিহ বুখারী
৩। সহিহ মুসলিম
৪। সুনানেনাসায়ী
৫। সুনানে বাইহাকী
৬। মুসনাদে আহমদ
৭। আল মুসনাদ
৮। সিরতে ইবনে হিশাম
৯। আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া
১০। আল ইসাবাহ
১১। উসুদুল গাবাহ
১২। আল ইসাতিয়াব
১৩। তাবাকাতে ইবনে সাদ
১৪। আল মাগাযী লিল ওয়াকেদী
১। তাফসিরে ইবনে কাছির
২। সহিহ বুখারী
৩। সহিহ মুসলিম
৪। সুনানেনাসায়ী
৫। সুনানে বাইহাকী
৬। মুসনাদে আহমদ
৭। আল মুসনাদ
৮। সিরতে ইবনে হিশাম
৯। আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া
১০। আল ইসাবাহ
১১। উসুদুল গাবাহ
১২। আল ইসাতিয়াব
১৩। তাবাকাতে ইবনে সাদ
১৪। আল মাগাযী লিল ওয়াকেদী