📘 বিশ্বনবীর সাঃ মুজিযা > 📄 চক্ষুষ্মান মুজাহিদ

📄 চক্ষুষ্মান মুজাহিদ


ওয়াকেদী এই ঘটনা বর্ননা করেছেন। বনু উমাইয়া বিন যায়েদের খান্দানের একজন মহিলা ছিল আসমা বিনতে মারওয়ান। সে ছিল ইয়াযিদ বিন যায়েদ ইবনুল খাতমীর স্ত্রী। এই মহিলা ইসলামের কট্টর দুশমন ছিল এবং হুজুরের (সঃ) প্রতি ছিল তার প্রচন্ড শত্রুতা। রাসূলে করীমের (সঃ) বিরুদ্ধে বিষাক্ত কবিতা রচনা করতো এবং অন্যদেরকে তাঁর বিরুদ্ধে উত্তেজিত করতো। সে তার কতিপয় কবিতাতে বলেছিলোঃ "বনি মালেক এবং বনিয়ত দুর্ভাগ্যের শিকার হয়েছ। আওফ এবং বনি খাজরাজেরও ধ্বংস প্রাপ্তি ঘটেছে।”
"তোমরা এত বেশরম ও নীচু হয়ে গেছ যে, কোথাও থেকে আগমনকারী মর্যাদাহীন অপরিচিতের আনুগত্য কর। সে তো তোমাদের মধ্যকার নয়। মুরাদ ও মুজহাজ সকল গোত্রই নাকারাহ এবং কাপুরুষ হয়ে গেছে।”
"সরদারদের হত্যার পর তোমরা এমন বুজদিল হয়ে গেছ যে, ভয়ের কারণে তোমাদের নিঃশ্বাস টগবগ করা হাঁড়ির মত আওয়াজ বের করে।"
এই কবিতাবলী সেই মহিলার ইসলামের বিরুদ্ধে শত্রুতার পূর্ণ ভাষ্য হিসেবে বিবেচনা করা যায়। উমায়ের বিন আদি বিন খারশা বিন উমাইয়াতুল খাতমী একজন অন্ধ সাহাবী ছিলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রাণবন্ত এবং জাননিছার। তিনি সেই মহিলার কবিতার ব্যাপারে খুব ক্রদ্ধ ছিলেন। অবশেষে তিনি দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিলেন যে ইসলামের শত্রু সেই মহিলাকে তিনি শেষ করে দেবেন। তিনি বললেন, "হে আল্লাহ! আমি মানত করছি যে, রাসুলুল্লাহ যদি যুদ্ধের ময়দান থেকে সহিহ সালামতে মদীনা ফিরে আসেন তাহলে আমি সেই হতভাগা মহিলাকে হত্যা করবো।” সে সময় হুজুর (সাঃ) বদরে ছিলেন।
তাঁর (সঃ) বদর থেকে প্রত্যাবর্তনের পর উমায়ের বিন আদি অর্ধ-রাতের সময় সেই মহিলার বাড়ী গেলেন। সে গভীর নিন্দ্রায় মগ্ন ছিল এবং তার চার পাশে ছোট বড় কয়েকজন সন্তান শুয়েছিল। উমায়ের (রাঃ) বিন আদি তার ছোট সন্তানদেরকে পৃথক করলেন এবং সেই মহিলার বুকের ওপর তরবারী রেখে তাকে হত্যা করলেন। তারপর সেখান থেকে চলে এলেন এবং ফজরের নামায মদীনায় হুজুরের (সঃ) ইমামতে আদায় করলেন।
সালাম ফিরানোর পর হুজুর (সঃ) উমায়েরের (রাঃ) দিকে দেখলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, উমায়ের (রাঃ) তুমি বিনতে মারওয়ানকে হত্যা করেছ?"
তিনি জবাব দিলেন, "হে আল্লাহর রাসূল। আমার মাতা-পিতা আপনার ওপর কুরবান হোক। আমি এই কাজ করেছি। উমায়ের (রাঃ) ভয় পেয়ে গেলেন যে, এই হত্যার কারণে তাকে জবাবদিহী করতে হবে। সুতরাং তিনি আরজ করলেন "হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে কি কোন জরিমানা দিতে হবে। যদি তা দিতে হয় তাহলে তা নির্দেশ করুন।"
তিনি বললেন, "এ ব্যাপারে কেউই দ্বিমত পোষণ করতে পারে না। অর্থাৎ সেই মহিলার ইসলাম দুশমনি এমন চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে, সে এই পরিণতিরই যোগ্য ছিল। তিনি সমবেত সকলকে সম্বোধন করে বললেন, "তোমরা যদি এমন মানুষ দেখতে চাও যিনি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সঃ) ব্যাপারে কারোর কোন ঔদ্ধত্য বরদাশত করতে পারে না এবং না দেখে আল্লাহ ও তার রাসূলের (সঃ) সাহায্যের জন্য উঠে দাঁড়ায় তাহলে উমায়ের (রাঃ) বিন আদিকে দেখে নাও।”
হযরত ওমর (রাঃ) বিন খাত্তাব বলেন, "একটু এই অন্ধকে দেখ যে আল্লাহর আনুগত্যে এত কঠোর।” হুজুর (সাঃ) বললেন, অন্ধ বলো না। সে তো চক্ষুষ্মান।”
উমায়ের (রাঃ) যখন গ্রামে ফিরলেন তখন নিহত মহিলার দাফন হচ্ছিল। তাঁকে দেখে লোকজন তাঁর দিকে এগিয়ে এলো এবং বললো, "হে, উমায়ের। একি তোমার কাজ?” তিনি জবাব দিলেন, "হ্যায়, তোমরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে চাইলে কর এবং অবশ্যই আমাকে কোন সুযোগ দেবে না। খোদার কসম। সে যেসব কথা বলতো তোমরাও যদি সেই সব কথা বলো তাহলে এই তরবারি দিয়ে তোমাদের সকলকে আমি হত্যা করে ফেলবো অথবা নিজের জীবন কুরবান করে দেব।
বনু কাতমার অনেক মানুষ ইসলামে প্রভাবিত হয়েছিল। কিন্তু ভয়ে তা প্রকাশ করতো না। সেদিন তারাও প্রকাশ্যে ইসলাম গ্রহণ করলো।"

📘 বিশ্বনবীর সাঃ মুজিযা > 📄 হাতিবের পত্র

📄 হাতিবের পত্র


ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন, "মহানবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সঃ) যখন মক্কা বিজয়ের ইচ্ছা করলেন তখন সাহাবীদেরকে (রাঃ) প্রস্তুতির নির্দেশ দিলেন। সঙ্গে সঙ্গে নিজের পরিবারের লোকদেরকে সফরের সামান ও জিহাদের সরঞ্জাম তৈরী করে নেয়ার নির্দেশ দিলেন। হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) হুজুরের (সঃ) গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখলেন যে, হযরত আয়েশা (রাঃ) তাঁর সামান তৈরী করছেন। জিজ্ঞাসা করলেন, "বেটি! রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কি প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন?” তিনি জবাব দিলেন, "জ্বী হ্যাঁ।” জিজ্ঞাসা করলেন, "কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা করেছেন?” তিনি বললেন, "খোদার কসম। আমি তা জানি না।” সে সময় পর্যন্ত কেউ জানতো না যে, কোন দিকে যেতে হবে।
প্রস্তুতির পর তিনি লোকদেরকে নির্দেশ দিলেন যে, মক্কার দিকে যেতে হবে। তিনি বলে দিলেন যে, কাউকে যেন মক্কা গমনের কথা প্রকাশ করা না হয়। দোয়াও করলেন যে, "হে মাওলায়ে করিম। কোরেশের গোয়েন্দা ও এজেন্টদেরকে বে-খবর রেখ। যাতে আমি সেখানে পৌঁছাতে পারি।”
ইবনে ইসহাক মুহাম্মদ বিন জা'ফর বিন যোবায়ের থেকে হযরত উরওয়াহ (রাঃ) বিন যোবায়েরের উদ্ধৃতি দিয়ে উল্লেখ করেছেন যে, "রাসূলুল্লাহ (রাঃ) যখন মক্কা রওয়ানার প্রস্তুতি সম্পূর্ণরূপে গ্রহণ করলেন তখন হাতিব বিন আবি বালতায়া কোরেশের নামে একটি পত্র লিখলেন। এই পত্রে রাসূলের (সঃ) প্রস্তুতি এবং মক্কা রওয়ানার কথা উল্লেখ করলেন। অতপর এই পত্র এক মহিলার হাতে মক্কার সরদারের নামে প্রেরণ করলেন। তিনি এই কাজের বিনিময় প্রদানের ব্যাপারে মহিলাটির সঙ্গে একটি সিদ্ধান্তে আসেন। মহিলাটি পত্র নিয়ে রওয়ানা হয়ে গেল।
হুজুরে আকরাম (সঃ) এই ঘটনার খবর আসমান থেকে পেলেন। তিন হযরত আলি (রাঃ) এবং হযরত যোবায়েরকে (রাঃ) প্রেরণ করলেন এবং সেই মহিলার নিকট থেকে পত্র উদ্ধারের নির্দেশ দিলেন। তারা দ্রুতগামী সওয়ারীতে আরোহণ করে মক্কার দিকে রওয়ানা হলেন এবং রাস্তায় সেই মহিলাকে ধরে ফেললেন। তারা সেই পত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। সে এ ব্যাপারে স্পষ্টভাবে অস্বীকার করলো। তার সকল সামান তল্লাশী করা হলো। কিন্তু পত্র পাওয়া গেল না। হযরত আলী (রাঃ) তাকে বললেন, "আমি আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি যে, রাসূলের (সঃ) কথা মিথ্যা হতে পারে না এবং আমরাও মিথ্যা বলছি না। হয় পত্র আমাদের নিকট দিয়ে দাও নচেৎ তোমার কাপড় খুলে তল্লাশী চালাবো।"
মহিলাটি যখন এই অবস্থা দেখলো তখন বললো, “একটু ওদিকে সরে যাও।” তারা একটু ওদিকে হলে সে তার মাথার চুলের বেনি খুললো এবং পত্র বের করে দিয়ে দিল। তারা পত্রটি নিয়ে এলেন এবং হুজুরের (সঃ) খিদমতে পেশ করে দিলেন। পত্র প্রাপ্তির পর তিনি হাতিবকে ডেকে পাঠালেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, “হে হাতিব! তুমি এই কাজ কেন করেছ?”
হযরত হাতিব জবাব দিলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! খোদার কসম আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সত্যিকার ওফাদার এবং মুমিন। আমি ওফাদারীও পরিবর্তন করিনি। আমার ঈমানও বদলায়নি। প্রকৃত পক্ষে কথা হলো যে, মক্কায় আমার কোন খান্দান ও কবিলা নেই। কিন্তু আমার পরিবার পরিজন মক্কায় রযেছে। এ জন্য আমি কোরেশদেরকে বাধিত করার উদ্দেশ্যে এই পত্র লিখেছি যাতে আমার ছেলে- মেয়েদের কোন ক্ষতি না হয়।”
হযরত ওমর (রাঃ) আরজ করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল। এই ব্যক্তি মুনাফিক হয়ে গেছে। আমাকে তার গর্দান উড়িয়ে দেয়ার অনুমতি দিন।”
তিনি ইরশাদ করলেন, “ওমর। তুমি কি জানো, হতে পারে যে, আল্লাহ আহলে বদর মনে করে বলে দেবেন যে, তোমরা যাই করো না কেন আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি।” হযরত হাতিব (রাঃ) বদরী সাহাবী ছিলেন।
এই সময় আল্লাহ তায়ালা সূরায়ে আল মুমতাহিনার এই আয়াত নাযিল করলেনঃ
“হে ঈমানদার লোকেরা! তোমরা যদি আমার পথে জিহাদ 'করার জন্য ও আমার সন্তোষ লাভের মানসে (দেশ ছেড়ে ঘর থেকে) বের হয়ে থাকো, তা হলে আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু বানিও না। তোমরা তো তাদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন কর অথচ যে সত্য তোমাদের নিকট এসেছে তা মেনে নিতে তারা ইতিপূর্বেই অস্বীকার করেছে। আর তাদের আচরণ এই যে, তারা রাসূল এবং স্বয়ং তোমাদেরকে শুধু এই কারণে দেশ থেকে নির্বাসিত করে যে, তোমরা তোমাদের রব আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছ। তোমরা গোপনে তাদেরকে বন্ধুত্বপূর্ণ বাণী পাঠাও অথচ তোমরা যা কিছু গোপনে কর, আর যা কর প্রকাশ্যে, প্রত্যেকটি ব্যাপারই আমি আল্লাহ ভালোভাবে জানি।

📘 বিশ্বনবীর সাঃ মুজিযা > 📄 আত্তাব ও হারিসের ইসলাম গ্রহণ

📄 আত্তাব ও হারিসের ইসলাম গ্রহণ


ইবনে হিশামকে কতিপয় আহলি ইলম ব্যক্তি এই ঘটনা বর্ণনা করেছেন। "মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ (সঃ) কা'বা শরীফে প্রবেশ করলেন। সে সময সাইয়েদেনা বেলাল (রাঃ) তাঁর সঙ্গে ছিলেন। তিনি তাঁকে আযান দেয়ার নির্দেশ দিলেন।
সে সময় হেরেম শরীফের বারান্দায় অনেক মানুষ ছিলেন। তাদের মধ্যে আবু সুফিয়ান বিন হারব, আত্তাব বিন উসাইদ এবং হারিছ বিন হিশাম এক স্থানে এক সঙ্গে বসেছিলেন। আযানের আওয়াজ শুনে আত্তাব নিজের পিতার প্রসঙ্গে বললো, "উসাইদকে আল্লাহ তায়ালা দয়া প্রদর্শন করেছেনা। এই আওয়াজ শুনার পূর্বেই সে দুনিয়া থেকে বিদায় হয়ে গেছে। এই আওযাজ শুনলে সে দুঃখ পেতো।”
হারিছ বিন হিশাম বললো, "খোদার কসম। আমি যদি জানতাম যে, সে হকের ওপর রয়েছে, তাহলে তার আনুগত্য করতাম।
আবু সুফিয়ান তাদের কথা শুনে বললো, "আমিতো কিছুই বলবো না। আমি যদি মুখ খুলি তা হলে এই পাথরসমূহ তাকে খবর পৌঁছে দেবে।”
কিছুক্ষণ পর রাসূলে আকরাম (সঃ) তাদের নিকট এলেন এবং বললেন, "তোমরা যা কিছু বলেছ তা আমি জেনে ফেলেছি।” অতপর তিনি তাদের আলাপ আলোচনার কথা শুনিয়ে দিলেন। তা শুনেই হারিছ এবং আত্তাব কালেমায়ে শাহাদাত পড়লেন এবং বললেন, "খোদার কসম। এ কথার খবর শুধু আল্লাহই আপনাকে দিতে পারেন। কেননা আমাদের নিকট কোন চতুর্থ ব্যক্তি উপস্থিতই ছিল না যে, আমরা মনে করবো সে আপনাকে তা বলে দিয়েছে।

📘 বিশ্বনবীর সাঃ মুজিযা > 📄 সায়াদের ব্যাধি

📄 সায়াদের ব্যাধি


ইমাম বুখারী (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, মাক্কি বিন ইবরাহীম আমাদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা জাঈদ থেকে শুনেছেন। তাঁরা আয়েশা (রাঃ) বিনতে সায়াদ (রাঃ) বিন আবি ওয়াক্কাস থেকে শুনেছেন। তিনি বলতেন, তাঁর পিতা সায়াদ (রাঃ) বিন আবিওয়াক্কাস মক্কায় কঠোর ব্যধিতে আক্রান্ত হন। বাঁচার আর কোন আশা ছিল না। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁর সেবা করার জন্য তাশরীফ আনলেন। এ সময় তিনি আরজ করলেনঃ "হে আল্লাহর রাসূল! আমার প্রচুর ধন সম্পদ রয়েছে। অথচ আমার একটি মাত্র কন্যা। আমি আমার সম্পত্তির দুই তৃতীয়াংশ খোদার পথে ওয়াকফ করতে চাই।”
রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেন, "না, এত পরিমাণ ওয়াকফ করবে না” আমি বললাম, 'ঠিক আছে, অর্ধেক আল্লাহর পথে ওসিয়ত করছি এবং অর্ধেক রেখে দিচ্ছি।” তিনি তাতেও বললেন, "না।” আমি আরজ করলাম, "তাহলে এক তৃতীয়াংশ ওসিয়ত করছি এবং দুই তৃতীয়াংশ কন্যার জন্য রেখে দিচ্ছি। "তিনি বললেন, হ্যাঁ, এক তৃতীয়াংশের ওসিয়ত কর এবং এক তৃতীয়াংশও বেশী।”
সায়াদ (রাঃ) বর্ণনা করেন, "হুজুর (সাঃ) তারপর নিজের পবিত্র হাত আমার কপালের ওপর রাখলেন। আমার চেহারা ও পেটের ওপর নিজের হাত দিয়ে মসেহ করলেন এবং দোয়া করলেন, "হে আল্লাহ! সায়াদকে (রাঃ) আরোগ্য কর এবং তার হিজরতকে পূর্ণ করে দাও।” আমি নবীয়ে আকরামের (সাঃ) হাতের শীতলতা নিজের হৃদপিন্ডে আজও অনুভব করি।
অতপর আল্লাহ তায়ালা সায়াদকে (রাঃ) আরোগ্য দান করলেন এবং তিনি দীর্ঘজীবী হয়েছিলেন। আল্লাহ পাক তাঁকে অনেক সন্তানও দান করেছিলেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00