📘 বিশ্বনবীর সাঃ মুজিযা > 📄 আবু জেহেল এবং জারাসি

📄 আবু জেহেল এবং জারাসি


ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন, খোদার দুশমন আবু জেহেল বিন হিশাম রাসূলুল্লাহর (সঃ) প্রতি মারাত্মক ধরনের শত্রুতা পোষণ করতো। আল্লাহ তায়ালা হুজুরে আকরামের (সঃ) মাধ্যমে আবু জেহেলকে কয়েকবারই অপমানিত করেছেন। এসব ছিল বিশ্ব নবীর (সঃ) মুজিযাহ। ইবনে ইসহাক বলেছেন, আমর থেকে আবদুল মালিক বিন আবদুল্লাহ বিন আবু সুফিয়ানুছ ছাকাফি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি অত্যন্ত মুখস্থ শক্তি ওয়ালা বুজর্গ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি বলেন, "আরাশির বস্তি থেকে এক ব্যক্তি উটসহ মক্কা এলো। আবু জেহেল তার নিকট থেকে উট কিনলো এবং মূল্য আদায় করতে অস্বীকৃতি জানালো। নিরাশ হয়ে আরাশি কোরেশের মজলিসে এলো এবং তাদের সাহায্য চাইলো। সে বললো, "হে কোরেশরা। অমি একজন অপরিচিত মুসাফির। আবুলহাকাম বিন হিশাম আমার হক মেরে দিয়েছে। কে আছে যে আমার হক আদায় করে দেবে।” সে সময় রাসুলুল্লাহ (সঃ) মসজিদের এক কোণায় বসেছিলেন।
মজলিসের লোকজন আরাশিকে বললো, "ঐ যে লোকটি কোণায় বসে আছে, তাকে কি তুমি দেখছো। সে-ই তোমার অধিকার আদায় করে দিতে পারে।” কিন্তু প্রকৃত ব্যাপার ছিল ভিন্ন। আবু জেহেল হুজুরে আকরামের (সঃ) প্রতি কঠোর শত্রুতা পোষণ করতো। হুজুর (সঃ) অপমানিত হোক এটাই তারা চাচ্ছিলো এবং মুসাফিরের সঙ্গে মশকরা করছিল। আরাশি রাসূলের (সঃ) নিকট গিয়ে বললো, "হে আল্লাহর বান্দাহ! আবুল হাকাম বিন হিশাম আমার হক মেরে দিয়েছে এবং আমি একজন অপরিচিত মুসাফির। ঐসব লোককে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, আমার হক কে আদায় করে দিতে পারে। তারা আপনার (সঃ) দিকে ইশারা করেছে। অতএব, আপনি আমার হক আদায় করে দিন। আল্লাহ আপনার ওপর রহম করবেন।"
প্রিয় নবী (সঃ) সেই সময়ই উঠে দাঁড়ালেন এবং তার সঙ্গে রওয়ানা হলেন। কোরেশরা তা দেখে নিজেদের মধ্য থেকে একজনকে বললো, "হে অমুক ব্যক্তি। তাদের পেছনে পেছনে যাও এবং কি তামাশা হয় তা দেখে এসো।”
রাসূলুল্লাহ (সঃ) অপরিচিত লোকটিকে সঙ্গে নিয়ে আবু জেহেলের বাড়ী গেলেন এবং দরজার কড়া নাড়লেন। সে বললো, "কে?” জবাব দিলেন "আমি মুহাম্মদ। একটু বাইরে এসো”। আবু জেহেল বাইরে এলো। তখন তার রং ছিল ফ্যাকাশে এবং তাকে নিষ্প্রাণ মনে হচ্ছিল। তিনি (সঃ) বললেন, "এই ব্যক্তির হক আদায় করো।"
আবু জেহেল বললো, "ঠিক আছে। আমি তার হক এখনই আদায় করছি। এ কথা বলে সে ঘরে গেল। অর্থ নিয়ে বাইরে এলো এবং আরাশির হাতে তা তুলে দিল। হুজুর (সঃ) আরাশিকে বললেন, "ঠিক আছে ভাই, আল্লাহ হাফেজ।” এ কথা বলেই তিনি রওয়ানা হলেন। আরাশি কোরেশের মজলিশের পাশ দিয়ে গমনকালে বললো, "আল্লাহ তায়ালা তাকে উত্তম প্রতিদান দিন। খোদার কসম! তিনি একজন মহান ব্যক্তি। তিনি আমার হক আদায় করে দিয়েছেন।"
কিছুক্ষণ পর আবু জেহেলও মজলিশে এলে লোকজন তাকে বললো, "তুমি ধ্বংস হও। তোমার কি হয়েছিল।” খোদার কসম, তুমি যা করেছ, তা আমরা কখনো আশা করিনি।” তাদের কথা শুনে আবু জেহেল বললো, "তোমাদের ধ্বংস হোক। খোদার কসম। যেই সে আমার দরজায় কড়া নাড়লো এবং আমি তার আওয়াজ শুনলাম তখন আমার ওপর ভীতি ছেয়ে গেল। অতপর আমি দরজা খুলে বাইরে এসে দেখি তার মাথার ওপর একটি নর উট। উটটির চুট, ঘাড় এবং দাঁত এমন যা কখনো কোন উটে দেখিনি। খোদার কসম! আমার মনে হলো, আমি যদি অস্বীকৃতি জানাই তাহলে সেই উট আমাকে খেয়ে ফেলবে।”

📘 বিশ্বনবীর সাঃ মুজিযা > 📄 রুকানার সঙ্গে কুস্তি

📄 রুকানার সঙ্গে কুস্তি


ইবনে ইসহাক ইসহাক বিন ইয়াসারের উদ্ধৃতি দিয়ে এক রাওয়ায়েত বর্ণনা করেছেন। রুকানা বিন আবদি ইয়াযিদ বিন হাশিম বিন আব্দুল মুত্তালিব বিন আবদি মান্নাফ কোরেশের সবচেযে বেশী শক্তিশালী ব্যক্তি ছিল। সে ছিল বড় পাহলোয়ান এবং কুস্তির মার-প্যাচ ভালোভাবেই জানতো। একদিন মক্কার এক বিরান গিরিপথে রুকানা রাসুলে আকরামের (সঃ) সামনাসামনি হয়ে গেল। হুজুর (সঃ) তাকে বললেন, 'হে রুকানা! তুমি আল্লাহকে ভয় এবং আমি যে জিনিসের দাওয়াত দেই তা গ্রহণ কর না কেন?
রুকানা বললো, "আমার যদি বিশ্বাস হতো যে আপনি যা বলেন তা সত্য তাহলে অবশ্যই আপনার আনুগত্য করতাম।” হুজুর (সঃ) বললেন, "কুস্তিতে আমি যদি তোমাকে হারিয়ে দেই, তাহলে তুমি কি আমার কথা সত্য হিসেবে মেনে নেবে?” সে বললো, "নিশ্চয়ই মেনে নেবো। এসো, শক্তি পরীক্ষা করা যাক।"
হুজুর (সাঃ) বললেন, "ঠিক আছে, এসো।” রুকানা হজুরের (সঃ) সঙ্গে কুস্তির জন্য উঠে দাঁড়ালো। হুজুর (সঃ) তাকে খুব জোরের সঙ্গে ধরলেন এবং কাবু করে ফেললেন। অতপর তাকে পটকে ফেললেন। সে খুব হাত-পা ছুড়লো। কিন্তু সবই বেকার। সে বললো "মুহাম্মদ (সঃ) আরেকবার লড়াই করতে হবে।” তিনি বললেন, "আচ্ছা ঠিক আছে। আবারো চেষ্টা করে দেখ।” তিনি তাকে দ্বিতীয়বারও হারিয়েদিলেন।
মক্কার রুস্তম দু'বার হেরে যাওয়ার পর আশ্চর্য হয়ে বলতে লাগলো, "হে মুহাম্মদ! কি আশ্চর্যের কথা যে আপনি আমাকে হারিয়ে দিয়েছেন। তিনি বললেন, "তুমি চাইলে এর থেকেও বেশী আশ্চর্যের ব্যাপার তোমার সামনে পেশ করতে পারি। কিন্তু শর্ত হলো, তোমাকে আল্লাহকে ভয় করতে হবে এবং নিজের ভূমিকা পরিবর্তন এবং আমার আনুগত্য করতে হবে।” রুকানা বললো, "তার চেয়ে বেশী আশ্চর্যের বস্তু আর কি হতে পারে যা আপনি আমাকে দেখাতে চান।”
তিনি বললেন, "ঐ বৃক্ষ যা তুমি দেখছো তা আমি ডাকবো এবং সে আমার দিকে আসবে”। সে বললো ঠিক আছে, ডাকুন। অতপর তিনি বৃক্ষকে ডাকলেন এবং সে তাঁর দিকে রওয়ানা দিল। এমনকি তাঁর নিকটে এসে থেমে গেল। তারপর তিনি তাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। সে তার স্থানে ফিরে গেল। রাবী বর্ণনা করেন যে, রুকানা এই মুজিযা দেখে নিজের কওমের নিকট গিয়ে বললো, "হে বনি আবদি মান্নাফ। তোমরা দুনিয়ার সকল যাদুকরের সংগে মুকাবিলা করতে পার। খোদার কসম। আমি তার থেকে বড় যাদুকর কখনো দেখিনি। অতপর সে নিজের কাহিনী বর্ণনা করলো।

📘 বিশ্বনবীর সাঃ মুজিযা > 📄 তোফায়েলের মশাল

📄 তোফায়েলের মশাল


ইবনে ইসহাক বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সঃ) নিজের কওমকে কুফর ও জাহেলীর অন্ধকার থেকে বের করার বিরামহীন প্রচেষ্টা চালাতেন। তিনি তাদের কল্যাণকামী ও ও মুক্তির আকাঙ্খী ছিলেন। কোরেশরা এই নসিহতের জবাবে হুজুরের (সঃ) জীবনের দুশমন হয়ে গেল। তারা তাঁকে খতম করে ফেলতে চাচ্ছিলো। কিন্তু তাঁর প্রতি আল্লাহর নিরাপত্তা ছিল। কোরেশরা তাঁর (সঃ) দাওয়াতের পথ বন্ধ করার জন্য অনেক পরিকল্পনা আটলো। এই পরিকল্পনার মধ্যে একটি এমন ছিল যে, যখন কোন মেহমান অথবা মুসাফির বাহির থেকে হজ্জ্ব অথবা কারবারের জন্য মক্কায় প্রবেশ করতো তখন তাকে হুজুর (সঃ) থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিত এবং তাঁর বিরুদ্ধে লোকদের মনে ঘৃণা সৃষ্টি করতো।
তোফায়েল বিন আমর ছিলেন দাওস গোত্রের সম্মানিত নেতা ও প্রখ্যাত কবি। তিনি নিজেই বর্ণনা করেছেন, যখন তিনি মক্কায় প্রবেশ করলেন তখন কোরেশ সরদাররা তাকে স্বাগত জানালো এবং বললো, "হে তোফায়েল, তুমি আমাদের শহরে এসেছো। আমরা তোমাকে খোশ আমদেদ জানাচ্ছি এবং তোমাদের কল্যাণের জন্য পরামর্শ দিয়ে বলছি যে, আমাদের একজন যুবক সম্পর্কে তোমাকে সতর্ক থাকতে হবে। তার কাজ কাম বর্তমানে অনেকটা ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সে আমাদের কওমের মধ্যে ভাঙ্গন ধরিয়েছে। আমাদের শৃংখলা নষ্ট করে দিয়েছে। তার কথা যাদুর মত। পিতা-পুত্র, ভাই-ভাই এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তার কথায় বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হয়। আমরা ভয় করছি, যে মুসিবত আমাদের ওপর আপতিত হয়েছে তার শিকার আবার তোমরা না হয়ে বসো। মোট কথা তুমি তার সঙ্গে কথাও বলবে না এবং তার কোন কথা শুনবেও না।
আল্লাহর কসম। কোরেশ নেতৃবৃন্দ এমনভাবে তাকিদ দিল যে, আমি তাদের কথা সত্য বলেই মেনে নিলাম এবং সিদ্ধান্ত নিলাম যে, 'সাহিবে কোরেশ' (মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ)-এর কোন কথাতো শুনবোই না বরং তার সাথে কোন কথাও বলবো না। আমি আমার কানে তুলো দিয়ে মসজিদে যেতাম। আমার ভয় ছিল, তার যাদু আমার মাথায় না ভর করে বসে।
এক সকালে আমি মসজিদে এসেছি। সে সময় কাবা শরীফের নিকট রাসূলুল্লাহকে (সঃ) নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখলাম। আমি তাঁর নিকট দাঁড়িয়ে গেলাম। খোদার এমন কাজ। আমি তাঁর মুখ থেকে কিছু কালাম শুনলাম। এই কালাম বা বাণী খুবই সুন্দর বাণী ছিল। আমি সগতোক্তি করে বললাম, "আমার মা আমার জন্য কাঁদুক। আমি কেমন কাজ করছি। আল্লাহর কসম! আমি আকলমন্দও এবং কবিও। ভালো-মন্দের মধ্যে আমিতো ভালোভাবেই পার্থক্য করতে পারি।
'তাহলে ঐ ব্যক্তির কথা শুনায় দোষ কি? তার কথা আমার শুনা উচিত। ভালো কথা হলে তা কবুল করে নিব। আর খারাব হলে প্রত্যাখ্যান করবো।"
তোফায়েল আরো বর্ণনা করেন, আমি কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম। রাসূলুল্লাহ (সঃ) নামাজ শেষ করে বাড়ীর দিকে চলে গেলেন। আমিও তাঁর (সাঃ) পিছনে পিছনে গেলাম। তিনি নিজের ঘরে প্রবেশ করলেন। আমি কড়া নাড়লাম এবং ভেতরে চলে গেলাম। আমি বললাম, 'হে মুহাম্মাদ! 'আপনার কওম আপনার ব্যাপারে অনেক কিছু বলেছে। তারা এত প্রোপাগ্রান্ডা চালিয়েছে যে, আমি তাতে প্রভাবিত হয়ে পড়েছি। আপনার কথা যাতে আমার কানে প্রবেশ না করে সে জন্য আমি সদা সন্ত্রস্ত রয়েছি। এ জন্য আমি কানে তুলো পর্যন্ত দিয়ে রেখেছি। কিন্তু আল্লাহর মঞ্জুর ছিলো যে আমি আপনার কথা শুনি। বস্তুতঃ আমি আপনার কথা শুনেছি এবং তা আমার ভালো লেগেছে। অতএব, আপনি আপনার দাওয়াত পরিচিতি দিন। সুতরাং হুজুরে আকরাম (সঃ) আমার সামনে ইসলামের দাওয়াত পেশ এবং কুরআনে হাকিম তিলাওয়াত করলেন। খোদার কসম! আমি জীবনে এত ভালো কথা আর শুনিনি। তার থেকে বেশী ইনসাফপূর্ণ কথা এর আগে আর আমার নিকট পৌঁছেনি।
তোফায়েল বলেন, আমি ইসলাম কবুল করলাম এবং কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করে ভবিষ্যতে শাহাদাতে হকের দায়িত্ব পালনের ওয়াদা করলাম। আমি আরজ করলাম, "হে আল্লাহর নবী। আমি নিজের কওমে অত্যন্ত সম্মানিত হিসেবে বিবেচিত এবং আমার কথা সকলেই মানে। এখন আমি নিজের কওমের নিকট ফিরে যাচ্ছি। তাদেরকে আমি ইসলামের দাওয়াত দিব। আপনি আমার জন্য দোয়া করুন যাতে তিনি আমাকে এমন কোন নিশানা দান করেন যা দাওয়াতে হকের কাজে আমার সাহায্যকারী হয়। হুজুর (সাঃ) দোয়া করলেন, 'আল্লাহুম্মাজয়াল লাহু আয়াতান' অর্থাৎ হে আল্লাহ। তাকে কোন নিশানী (কারামত) দান কর।
আমি আমার কওমের কাছে ফিরে এলাম। এক পাহাড়ের চূড়ায় উঠলাম। যেখান থেকে কবিলার ঘর-বাড়ী নজরে পড়ছিল। হঠাৎ করে আমার কপালের ওপর দু'চোখের মাঝখানে মশালের মত আলো জ্বলছিল। আমি দোয়া করলাম, 'হে আল্লাহ। এই আলো আমার চেহারার পরিবর্তে অন্য কোন বস্তুতে সৃষ্টি করে দিন। কেননা, আমার কওমের জাহেলরা একে রোগ আখ্যা দিয়ে বলবে বাপ-দাদার দীন পরিত্যাগ করার কারণে এটা হয়েছে। অতপর এই আলো চেহারা থেকে আমার লাঠির মাথায় চলে এলো। কওমের লোকজন দূর থেকে দেখলো যেন মোমবাতি জ্বলছে। আমি উঁচু থেকে তাদের দিকে নেমে আসছিলাম এবং সকলেই দেখছিলো। এমনকি অন্ধকার রাতে সফর করে আমি বাড়ী পৌঁছলাম।

📘 বিশ্বনবীর সাঃ মুজিযা > 📄 চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়া

📄 চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়া


ইমাম বুখারী (রঃ) বর্ণনা করেছেন, নবী করিমের (সাঃ) পবিত্র যুগে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়ে গিয়েছিল।
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন হুজুরের (সাঃ) যুগে চাঁদ ফেটে দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। প্রিয়নবী (সাঃ) লোকদেরকে বললেন, সাক্ষী থেকো যে, চাঁদ দুই টুকরা হয়ে গেছে।'
আনাস বিন মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, মক্কাবাসী রাসুলে পাকের (সাঃ) নিকট কোন নিশানী দেখানোর দাবী করতো। এজন্য তিনি আল্লাহর নির্দেশে তাদেরকে এই নিশানী দেখালেন যে চাঁদ দুই টুকরা হয়ে গেল।
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনাতেও নবীর (সাঃ) যুগে মক্কায় অবস্থানকালে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00