📄 আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু কুসংস্কার
পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে ডিম খাওয়া যাবে না, তাহলে পরীক্ষায় গোল্লা পায়।
দোকানের প্রথম ক্রেতাকে ফেরত দিতে নেই।
জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম নিবে।
বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ দিতে হবে।
রাতে নখ চুল কাটা ভালো নয়।
রাতের বেলায় ঘরের ময়লা পানি বাহির ফেলা যাবে না।
রাতের বেলায় বাঁশ কাটা যাবে না।
রাতের বেলায় গাছের পাতা ছাড়া যাবেনা।
ঔষধ খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বললে রোগ বেড়ে যায়।
নতুন স্ত্রীকে দুলা ভাই কোলে করে ঘরে আনতে হয়, (কিছু কিছু এলাকায়) তা না হলে বিয়েতে অমঙ্গল হয়।
নতুন স্ত্রীকে নরম বিছানায় বসালে মন নরম থাকে।
চোখে কোনো ফুসকুড়ি হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু লাগালে সুস্থ হয়ে যায়।
ঘর থেকে কোন উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পিছন থেকে কেউ ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হয়।
ভাইবোন মিলে মুরগী জবেহ করা ভাল নয়।
মুরগির মাথা খেলে মা বাবার মৃত্যু হয়।
খাবার মাঝখান থেকে খেলে মা বাবার মৃত্যু হয়।
ঘর থেকে বের হয়ে পিছনের দিকে তাকানো নিষেধ তাতে যাত্রা ভঙ্গ হয়।
ঘরে প্রবেশ করা অর্ধেক রোদ অর্ধেক ছায়াতে বসে যাবে না, বসলে জ্বর হয়।
ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হয়।
ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।
কোড ভেঙে ডাকাডাকি করলে বৃষ্টি হয়।
কোরআন শরীফ হাত থেকে পড়ে গেলে তা মেপে ফকিরকে চাউল দিতে হয়।
ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেলতে বলা হয় এবং গর্তে ফেলানোর সময়ে এ কথা বলতে হয় যে, ইঁদুর ভাই তোর চিকন দাঁত আমাকে দেও এবং আমার মোটা দাঁত তুই নে ।
হাত থেকে প্লেট পড়লে ঘরে মেহমান আসে।
কোন ব্যক্তি ঘর থেকে বের হওয়ার সময় খালি কলস চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হয়।
ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবেনা, দেখলে হায়াত কমে যায়।
ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে আর বাম হাত চুলকালে বিপদ আসবে।
নতুন কাপড় পরিধান করে পিছনে তাকাতে নেই। ইহা আগুনে সেঁকে পরিধান করতে হয়।
বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে শিয়ালের বিয়ে হয়।
রাতের বেলায় কাউকে সুই-সুতা দিতে নেই ।
গেঞ্জি গামছা ছিঁড়ে গেলে রাতে সেলাই করতে নেই।
খালি ঘরে সন্ধ্যায় বাতি দিতে হয় না হলে বিপদ আসে।
মহিলাদের পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটাকাটি করা ভালো নয়।
সকালবেলা বাকি দিলে সারা দিন বাকি যায়।
কাক ডাকলে বিপদ আসে।
শকুন ডাকলে মানুষ মারা যায়।
পেঁচা ডাকলে বিপদ আসে।
হাত থেকে প্লেট পড়লে বিপদ আসে।
শুকরের নাম মুখে নিলে চল্লিশ দিন মুখ নাপাক থাকে।
কোন জমিনে কারো কোন চল্লোখ না লাগার জন্য পাতিলের রং লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখে ।
মহিলারা হাতে চুড়ি না পড়লে স্বামীর অমঙ্গল হয়।
গলায় কাটা বিঁধলে বিড়ালের পা ধরে মাফ চাইতে হয়।
কাউকে নিয়ে আলোচনা করার সময় হঠাৎ উপস্থিত হলে হায়াত বৃদ্ধি পায়।
বাম চোখ চুলকালে দুঃখ আসে।
কাগজ টুকরা টুকরা করলে ঋণগ্রস্ত হয়ে যায়।
কপালের উপর হাত রাখলে অলক্ষী আসে ।
পাতিলের মধ্যে খানা খেলে মেয়ে সন্তান হয়।
লাল পোকড়া ইক্ষু খেলে সাঁতার শিখবে।
রোজা ছাড়া সন্ধ্যাবেলা খাওয়া কুলক্ষণ।
রাতেরবেলা ধান চাউল চেয়ে দেওয়াকে দূষণীয় মনে করা হয়।
ঘরের দরজার চৌকাঠের উপর দাঁড়ানো কে কুলক্ষণ মনে করা হয়।
পেঁচা পাখির আওয়াজকে ঝগড়ার পূর্বলক্ষণ মনে করা হয়।
এগুলো সব কুসংস্কার। কুলক্ষণ বলতে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই শরীয়তে এই ধরনের কোন কথার প্রমাণাদি নেই। সুতরাং এগুলো বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে ভুল ধারণা ও বানোয়াট কথাবার্তা থেকে হেফাজত করুন। আমিন ॥
পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে ডিম খাওয়া যাবে না, তাহলে পরীক্ষায় গোল্লা পায়।
দোকানের প্রথম ক্রেতাকে ফেরত দিতে নেই।
জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম নিবে।
বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ দিতে হবে।
রাতে নখ চুল কাটা ভালো নয়।
রাতের বেলায় ঘরের ময়লা পানি বাহির ফেলা যাবে না।
রাতের বেলায় বাঁশ কাটা যাবে না।
রাতের বেলায় গাছের পাতা ছাড়া যাবেনা।
ঔষধ খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বললে রোগ বেড়ে যায়।
নতুন স্ত্রীকে দুলা ভাই কোলে করে ঘরে আনতে হয়, (কিছু কিছু এলাকায়) তা না হলে বিয়েতে অমঙ্গল হয়।
নতুন স্ত্রীকে নরম বিছানায় বসালে মন নরম থাকে।
চোখে কোনো ফুসকুড়ি হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু লাগালে সুস্থ হয়ে যায়।
ঘর থেকে কোন উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পিছন থেকে কেউ ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হয়।
ভাইবোন মিলে মুরগী জবেহ করা ভাল নয়।
মুরগির মাথা খেলে মা বাবার মৃত্যু হয়।
খাবার মাঝখান থেকে খেলে মা বাবার মৃত্যু হয়।
ঘর থেকে বের হয়ে পিছনের দিকে তাকানো নিষেধ তাতে যাত্রা ভঙ্গ হয়।
ঘরে প্রবেশ করা অর্ধেক রোদ অর্ধেক ছায়াতে বসে যাবে না, বসলে জ্বর হয়।
ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হয়।
ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।
কোড ভেঙে ডাকাডাকি করলে বৃষ্টি হয়।
কোরআন শরীফ হাত থেকে পড়ে গেলে তা মেপে ফকিরকে চাউল দিতে হয়।
ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেলতে বলা হয় এবং গর্তে ফেলানোর সময়ে এ কথা বলতে হয় যে, ইঁদুর ভাই তোর চিকন দাঁত আমাকে দেও এবং আমার মোটা দাঁত তুই নে ।
হাত থেকে প্লেট পড়লে ঘরে মেহমান আসে।
কোন ব্যক্তি ঘর থেকে বের হওয়ার সময় খালি কলস চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হয়।
ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবেনা, দেখলে হায়াত কমে যায়।
ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে আর বাম হাত চুলকালে বিপদ আসবে।
নতুন কাপড় পরিধান করে পিছনে তাকাতে নেই। ইহা আগুনে সেঁকে পরিধান করতে হয়।
বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে শিয়ালের বিয়ে হয়।
রাতের বেলায় কাউকে সুই-সুতা দিতে নেই ।
গেঞ্জি গামছা ছিঁড়ে গেলে রাতে সেলাই করতে নেই।
খালি ঘরে সন্ধ্যায় বাতি দিতে হয় না হলে বিপদ আসে।
মহিলাদের পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটাকাটি করা ভালো নয়।
সকালবেলা বাকি দিলে সারা দিন বাকি যায়।
কাক ডাকলে বিপদ আসে।
শকুন ডাকলে মানুষ মারা যায়।
পেঁচা ডাকলে বিপদ আসে।
হাত থেকে প্লেট পড়লে বিপদ আসে।
শুকরের নাম মুখে নিলে চল্লিশ দিন মুখ নাপাক থাকে।
কোন জমিনে কারো কোন চল্লোখ না লাগার জন্য পাতিলের রং লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখে ।
মহিলারা হাতে চুড়ি না পড়লে স্বামীর অমঙ্গল হয়।
গলায় কাটা বিঁধলে বিড়ালের পা ধরে মাফ চাইতে হয়।
কাউকে নিয়ে আলোচনা করার সময় হঠাৎ উপস্থিত হলে হায়াত বৃদ্ধি পায়।
বাম চোখ চুলকালে দুঃখ আসে।
কাগজ টুকরা টুকরা করলে ঋণগ্রস্ত হয়ে যায়।
কপালের উপর হাত রাখলে অলক্ষী আসে ।
পাতিলের মধ্যে খানা খেলে মেয়ে সন্তান হয়।
লাল পোকড়া ইক্ষু খেলে সাঁতার শিখবে।
রোজা ছাড়া সন্ধ্যাবেলা খাওয়া কুলক্ষণ।
রাতেরবেলা ধান চাউল চেয়ে দেওয়াকে দূষণীয় মনে করা হয়।
ঘরের দরজার চৌকাঠের উপর দাঁড়ানো কে কুলক্ষণ মনে করা হয়।
পেঁচা পাখির আওয়াজকে ঝগড়ার পূর্বলক্ষণ মনে করা হয়।
এগুলো সব কুসংস্কার। কুলক্ষণ বলতে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই শরীয়তে এই ধরনের কোন কথার প্রমাণাদি নেই। সুতরাং এগুলো বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে ভুল ধারণা ও বানোয়াট কথাবার্তা থেকে হেফাজত করুন। আমিন ॥