📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 এটি হাদীস নয়

📄 এটি হাদীস নয়


লোকমুখে প্রসিদ্ধ, 'আল্লাহ কোনো বান্দার দিকে ১০ বার রহমতের নজরে তাকালে সে নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়তে পারে। আর ৪০ বার তাকালে হজ্ব করতে পারে। আর ৭০ বার তাকালে আল্লাহর রাস্তায় বের হতে পারে।' এটি হাদীস নয়। আল্লাহর রহমত ও তাওফিক না হলে বান্দা কোনো ভালো কাজই করতে পারে না। কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে আল্লাহ এতবার কারো প্রতি রহমতের দৃষ্টি দিলে সে অমুক আমল করতে পারে, এতবার হলে অমুক ... ইত্যাদি এ ধরনের কোনো রেওয়ায়েত পাওয়া যায় না। সুতরাং তা বর্ণনা করা থেকে বিরত থাকা উচিত。

লোকমুখে প্রসিদ্ধ, 'আল্লাহ কোনো বান্দার দিকে ১০ বার রহমতের নজরে তাকালে সে নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়তে পারে। আর ৪০ বার তাকালে হজ্ব করতে পারে। আর ৭০ বার তাকালে আল্লাহর রাস্তায় বের হতে পারে।' এটি হাদীস নয়। আল্লাহর রহমত ও তাওফিক না হলে বান্দা কোনো ভালো কাজই করতে পারে না। কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে আল্লাহ এতবার কারো প্রতি রহমতের দৃষ্টি দিলে সে অমুক আমল করতে পারে, এতবার হলে অমুক ... ইত্যাদি এ ধরনের কোনো রেওয়ায়েত পাওয়া যায় না। সুতরাং তা বর্ণনা করা থেকে বিরত থাকা উচিত。

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 জুমার রাত কি কদরের রাত থেকেও উত্তম!

📄 জুমার রাত কি কদরের রাত থেকেও উত্তম!


বিশেষ করে এই কথাটি অনেক মহিলাদেরকে বলতে শোনা যায় যে, "শবে জুমআ শবে কদর থেকেও উত্তম। কেননা শবে জুমআয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাতৃগর্ভে আগমন করেছিলেন” এটি হাদীস কিনা-এই প্রশ্ন বার বার করা হয়।
এই রেওয়ায়েতটি কোথায় পড়েছেন বা কার কাছে শোনেছেন-জিজ্ঞাসা করা হলে কেউ কেউ একটি কিতাবের কথা বলেছেন। বললাম, সেখানে কি এর কোনো হাওয়ালা আছে? তারা দেখে বললেন, মুসনাদে আহমদের হাওয়ালা দেওয়া হয়েছে। মূল কিতাব খুলে দেখা গেল, সেখানে এই বিষয়টিকে হাদীস হিসেবে উল্লেখই করা হয়নি। বরং 'আশিআতুল লামাআত' (মিশকাতের ফার্সী শরহ)-এর উদ্ধৃতিতে ইমাম আহমদের বরাতে এই উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে যে, কয়েকটি কারণে জুমআর রাত কদরের রাত থেকেও উত্তম। কেননা জুমআর রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মা আমিনার গর্ভে আগমন করেন।
লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, কোথাকার বিষয় কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে। ইমাম আহমদের নাম দেখেই মুসনাদে আহমদের উদ্ধৃতি অবতারণা করা হয়েছে। আবার একটি উক্তিকে হাদীস বানিয়ে দেওয়া হয়েছে!! অথচ এ বিষয়টিও তাহকীক করা প্রয়োজন ছিল যে, ইমাম আহমদ থেকে কথাটি প্রমাণিত কি না? আর এ রাতেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাতৃগর্ভে আগমন করেছিলেন-এ কথারও সনদ খোঁজার প্রয়োজন ছিল। তাছাড়া এটি প্রমাণিত হলেও এটা কীভাবে আবশ্যক হয় যে, এ কারণে রাতটি কদরের রাত থেকে উত্তম? 'আশিআআতুল লামাআত' গ্রন্থে এ প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই, অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য কিতাবেও নেই।
সারকথা এই যে, উপরোক্ত উক্তিটি হাদীস নয় এবং এটি অন্য কোনো দলিল দ্বারাও প্রমাণিত নয়।
উপরের ঘটনা থেকে এই বাস্তবতা আবারো ফুটে উঠল যে, শুধু অনুবাদসর্বস্ব জ্ঞান খুবই ভয়ঙ্কর। যারা শুধু অনুবাদের উপর নির্ভর করে কোনো আরবী কিতাবের জ্ঞান লাভ করেন, মূল কিতাব থেকে সরাসরি জ্ঞান লাভের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও আবশ্যকীয় ইলম যাদের নেই-তারা অনুবাদের সহায়তায় যতটুকু অর্জন করেন তা ঝুঁকিপূর্ণ। এ পন্থায় অর্জিত জ্ঞান যেমন তাদেরকে গবেষণার যোগ্য প্রমাণ করে না তেমনি এটাকে পুঁজি করে কোনো আহলে ইলমের সাথে ইলমী আলোচনা ও পর্যালোচনার অধিকারও সৃষ্টি হয় না।
হায়! আমাদের মুসলমানরা যদি এই বাস্তবতাটুকু অনুভব করতেন তাহলে সমাজের অনেক বিবাদ দূর হয়ে যেত。

বিশেষ করে এই কথাটি অনেক মহিলাদেরকে বলতে শোনা যায় যে, "শবে জুমআ শবে কদর থেকেও উত্তম। কেননা শবে জুমআয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাতৃগর্ভে আগমন করেছিলেন” এটি হাদীস কিনা-এই প্রশ্ন বার বার করা হয়।
এই রেওয়ায়েতটি কোথায় পড়েছেন বা কার কাছে শোনেছেন-জিজ্ঞাসা করা হলে কেউ কেউ একটি কিতাবের কথা বলেছেন। বললাম, সেখানে কি এর কোনো হাওয়ালা আছে? তারা দেখে বললেন, মুসনাদে আহমদের হাওয়ালা দেওয়া হয়েছে। মূল কিতাব খুলে দেখা গেল, সেখানে এই বিষয়টিকে হাদীস হিসেবে উল্লেখই করা হয়নি। বরং 'আশিআতুল লামাআত' (মিশকাতের ফার্সী শরহ)-এর উদ্ধৃতিতে ইমাম আহমদের বরাতে এই উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে যে, কয়েকটি কারণে জুমআর রাত কদরের রাত থেকেও উত্তম। কেননা জুমআর রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মা আমিনার গর্ভে আগমন করেন।
লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, কোথাকার বিষয় কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে। ইমাম আহমদের নাম দেখেই মুসনাদে আহমদের উদ্ধৃতি অবতারণা করা হয়েছে। আবার একটি উক্তিকে হাদীস বানিয়ে দেওয়া হয়েছে!! অথচ এ বিষয়টিও তাহকীক করা প্রয়োজন ছিল যে, ইমাম আহমদ থেকে কথাটি প্রমাণিত কি না? আর এ রাতেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাতৃগর্ভে আগমন করেছিলেন-এ কথারও সনদ খোঁজার প্রয়োজন ছিল। তাছাড়া এটি প্রমাণিত হলেও এটা কীভাবে আবশ্যক হয় যে, এ কারণে রাতটি কদরের রাত থেকে উত্তম? 'আশিআআতুল লামাআত' গ্রন্থে এ প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই, অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য কিতাবেও নেই।
সারকথা এই যে, উপরোক্ত উক্তিটি হাদীস নয় এবং এটি অন্য কোনো দলিল দ্বারাও প্রমাণিত নয়।
উপরের ঘটনা থেকে এই বাস্তবতা আবারো ফুটে উঠল যে, শুধু অনুবাদসর্বস্ব জ্ঞান খুবই ভয়ঙ্কর। যারা শুধু অনুবাদের উপর নির্ভর করে কোনো আরবী কিতাবের জ্ঞান লাভ করেন, মূল কিতাব থেকে সরাসরি জ্ঞান লাভের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও আবশ্যকীয় ইলম যাদের নেই-তারা অনুবাদের সহায়তায় যতটুকু অর্জন করেন তা ঝুঁকিপূর্ণ। এ পন্থায় অর্জিত জ্ঞান যেমন তাদেরকে গবেষণার যোগ্য প্রমাণ করে না তেমনি এটাকে পুঁজি করে কোনো আহলে ইলমের সাথে ইলমী আলোচনা ও পর্যালোচনার অধিকারও সৃষ্টি হয় না।
হায়! আমাদের মুসলমানরা যদি এই বাস্তবতাটুকু অনুভব করতেন তাহলে সমাজের অনেক বিবাদ দূর হয়ে যেত。

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 মহররমের রাত্র কি শবে কদরের রাত্রির মতো?

📄 মহররমের রাত্র কি শবে কদরের রাত্রির মতো?


প্রায় ক্ষেত্রে কিছু কিছু মহিলাদেরকে এই কথাটি বলতে শোনা যায় যে, মুহাররমের রাত্র শবে কদরের সমতুল্য। আসলে মহিলাদের আবেগপ্রবণতা অনেকটাই বেশি। তারা বেশি আবেগ ও ফজিলতপূর্ণ বুঝাতে গিয়ে এমন কিছু কথা বলে ফেলে যেটা আদও কোন হাদিস-কোরআনের বর্ণনামতে পাওয়া যায় না। যে আমলের যে ফজিলত সেটাই মানুষের কাছে বর্ণনা করা এবং প্রচার করা। শরীয়ত সে আমলের ব্যাপারে যতটুকু ফজিলত বর্ণনা করেছেন মানুষের মাঝে ততটুকুই তুলে ধরা। আমল করার প্রতি মানুষকে উদ্যমশীল করা এবং ইসলাম প্রচার করা দোষণীয় নয় কিন্তু ইসলামের নামে বানোয়াট কথাবার্তা বলাটাই দূষণীয়। নিজের মনগড়া বানিয়ে কোন কথা বলে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ঠিক নয়।
আফসোসের বিষয়! বলার ক্ষেত্রে মহিলারা কোনো চিন্তা-ভাবনা করে না। আসলে বোঝা উচিত ছিল যে, নিজের মনগড়া এবং বানোয়াট কথাবার্তার দায়ভার কে নিবে? সে তো আপনার নিজের মনগড়া কথা বার্তা এবং বানোয়াট ফযিলতের কথা শুনে আমল করল; আপনি কি পারবেন তাকে সে ভিত্তিহীন কথাবার্তা প্রতিদান দিতে? তাই লক্ষণীয় বিষয় হলো যেখানে যেটা বর্ণিত আছে সেটাই পেশ করা এবং ভিত্তিহীন ও বানোয়াট কথাবার্তা থেকে বেঁচে থাকা। আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করুক ।

প্রায় ক্ষেত্রে কিছু কিছু মহিলাদেরকে এই কথাটি বলতে শোনা যায় যে, মুহাররমের রাত্র শবে কদরের সমতুল্য। আসলে মহিলাদের আবেগপ্রবণতা অনেকটাই বেশি। তারা বেশি আবেগ ও ফজিলতপূর্ণ বুঝাতে গিয়ে এমন কিছু কথা বলে ফেলে যেটা আদও কোন হাদিস-কোরআনের বর্ণনামতে পাওয়া যায় না। যে আমলের যে ফজিলত সেটাই মানুষের কাছে বর্ণনা করা এবং প্রচার করা। শরীয়ত সে আমলের ব্যাপারে যতটুকু ফজিলত বর্ণনা করেছেন মানুষের মাঝে ততটুকুই তুলে ধরা। আমল করার প্রতি মানুষকে উদ্যমশীল করা এবং ইসলাম প্রচার করা দোষণীয় নয় কিন্তু ইসলামের নামে বানোয়াট কথাবার্তা বলাটাই দূষণীয়। নিজের মনগড়া বানিয়ে কোন কথা বলে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ঠিক নয়।
আফসোসের বিষয়! বলার ক্ষেত্রে মহিলারা কোনো চিন্তা-ভাবনা করে না। আসলে বোঝা উচিত ছিল যে, নিজের মনগড়া এবং বানোয়াট কথাবার্তার দায়ভার কে নিবে? সে তো আপনার নিজের মনগড়া কথা বার্তা এবং বানোয়াট ফযিলতের কথা শুনে আমল করল; আপনি কি পারবেন তাকে সে ভিত্তিহীন কথাবার্তা প্রতিদান দিতে? তাই লক্ষণীয় বিষয় হলো যেখানে যেটা বর্ণিত আছে সেটাই পেশ করা এবং ভিত্তিহীন ও বানোয়াট কথাবার্তা থেকে বেঁচে থাকা। আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করুক ।

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 জিবরীলের চার প্রশ্ন ... আপনি বড় না দ্বীন বড়?

📄 জিবরীলের চার প্রশ্ন ... আপনি বড় না দ্বীন বড়?


লোকমুখে শোনা যায়, একবার জিবরীল আমীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেন, ১. আপনি বড় না আমি বড়? নবীজী বললেন, আমি বড়, কারণ আমার কাছে আপনাকে পাঠানো হয়। ২. আপনি বড় না কুরআন বড়? নবীজী বললেন, আমি বড়, কারণ কুরআন আমার উপর নাযিল হয়েছে। ৩. আপনি বড় না আরশ বড়? নবীজী বললেন, আমি বড়, কারণ আমাকে আরশে জুতা পায়ে দিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ৪. আপনি বড় না দ্বীন বড়? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবার বললেন, দ্বীন বড়, কারণ দ্বীনের জন্যই আমাকে পাঠানো হযেছে।
এটি কোন হাদীসও নয় কোন হাদীসের ভাষ্যও নয়। জিবরীল, কুরআন, আরশ, দ্বীন-এর প্রতিটির মর্যাদা আপন স্থানে প্রতিষ্ঠিত। এর একটিকে আরেকটির সাথে তুলনা করা বা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এর কোনটির মর্যাদা তুলনা করা একেবারেই অনর্থক কাজ। যা কোন মুমিনের জন্য শোভনীয় নয়। না ঈমানের সাথে এর কোন সম্পর্ক আছে না আমলের সাথে। তাছাড়া এই বর্ণনার মাঝে আরো জাল বর্ণনার সমাবেশ ঘটেছে যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে যে এটি একটি জাল বর্ণনা। যেমন এখানে জুতা পায়ে নবীজীর আরশ গমনের কথাটি এসেছে যা সর্বসম্মতিক্রমে জাল ও ভিত্তিহীন।

লোকমুখে শোনা যায়, একবার জিবরীল আমীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেন, ১. আপনি বড় না আমি বড়? নবীজী বললেন, আমি বড়, কারণ আমার কাছে আপনাকে পাঠানো হয়। ২. আপনি বড় না কুরআন বড়? নবীজী বললেন, আমি বড়, কারণ কুরআন আমার উপর নাযিল হয়েছে। ৩. আপনি বড় না আরশ বড়? নবীজী বললেন, আমি বড়, কারণ আমাকে আরশে জুতা পায়ে দিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ৪. আপনি বড় না দ্বীন বড়? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবার বললেন, দ্বীন বড়, কারণ দ্বীনের জন্যই আমাকে পাঠানো হযেছে।
এটি কোন হাদীসও নয় কোন হাদীসের ভাষ্যও নয়। জিবরীল, কুরআন, আরশ, দ্বীন-এর প্রতিটির মর্যাদা আপন স্থানে প্রতিষ্ঠিত। এর একটিকে আরেকটির সাথে তুলনা করা বা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এর কোনটির মর্যাদা তুলনা করা একেবারেই অনর্থক কাজ। যা কোন মুমিনের জন্য শোভনীয় নয়। না ঈমানের সাথে এর কোন সম্পর্ক আছে না আমলের সাথে। তাছাড়া এই বর্ণনার মাঝে আরো জাল বর্ণনার সমাবেশ ঘটেছে যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে যে এটি একটি জাল বর্ণনা। যেমন এখানে জুতা পায়ে নবীজীর আরশ গমনের কথাটি এসেছে যা সর্বসম্মতিক্রমে জাল ও ভিত্তিহীন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00