📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 কিয়ামতের দিন মসজিদসমূহ বগির মত কা‘বার সাথে

📄 কিয়ামতের দিন মসজিদসমূহ বগির মত কা‘বার সাথে


কিয়ামতের দিন গোটা পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে, তবে মসজিদগুলো ধ্বংস হবে না। সেগুলো একটি আরেকটির সাথে যুক্ত হবে।
কোনো কোনো মানুষ আরেকটু বৃদ্ধি করে এভাবেও বলেন, ...মসজিদগুলো ধ্বংস হবে না বরং ট্রেনের বগির মত একটি আরেকটির সাথে যুক্ত হয়ে কা'বার সাথে গিয়ে মিলিত হবে।
এটি একটি জাল বর্ণনা, যা আছরাম ইবনে হাওশাব কর্তৃক জালকৃত। ইবনুল জাওযী রাহ. তাঁর মাউযূআত কিতাবে বলেন-
هَذَا حَدِيثٍ لَا يَصِحِ ، وَالْمُتَهَم بِهِ أَصْرَم.
এটি একটি জাল বর্ণনা, যা আছরাম কর্তৃক জালকৃত। -কিতাবুল মাউযূআত ২/৯৪
জালালুদ্দীন সুয়ূতী রাহ., ইবনে আররাক রাহ., শাওকানী রাহ., মুহাম্মাদ ইবনে তাহের আলফাত্তানী রাহ. প্রমুখ হাদীস বিশারদ উলামায়ে কেরামও এটাকে জাল বলে আখ্যায়িত করেছেন। -আললাআলিল মাছনূআহ ২/১৬; তানযীহুশ শারীআহ ২/৭৯; আলফাওয়াইদুল মাজমূআহ পৃ. ২৩; তাযকিরাতুল মাউযূআত পৃ. ৩৭

কিয়ামতের দিন গোটা পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে, তবে মসজিদগুলো ধ্বংস হবে না। সেগুলো একটি আরেকটির সাথে যুক্ত হবে।
কোনো কোনো মানুষ আরেকটু বৃদ্ধি করে এভাবেও বলেন, ...মসজিদগুলো ধ্বংস হবে না বরং ট্রেনের বগির মত একটি আরেকটির সাথে যুক্ত হয়ে কা'বার সাথে গিয়ে মিলিত হবে।
এটি একটি জাল বর্ণনা, যা আছরাম ইবনে হাওশাব কর্তৃক জালকৃত। ইবনুল জাওযী রাহ. তাঁর মাউযূআত কিতাবে বলেন-
هَذَا حَدِيثٍ لَا يَصِحِ ، وَالْمُتَهَم بِهِ أَصْرَم.
এটি একটি জাল বর্ণনা, যা আছরাম কর্তৃক জালকৃত। -কিতাবুল মাউযূআত ২/৯৪
জালালুদ্দীন সুয়ূতী রাহ., ইবনে আররাক রাহ., শাওকানী রাহ., মুহাম্মাদ ইবনে তাহের আলফাত্তানী রাহ. প্রমুখ হাদীস বিশারদ উলামায়ে কেরামও এটাকে জাল বলে আখ্যায়িত করেছেন। -আললাআলিল মাছনূআহ ২/১৬; তানযীহুশ শারীআহ ২/৭৯; আলফাওয়াইদুল মাজমূআহ পৃ. ২৩; তাযকিরাতুল মাউযূআত পৃ. ৩৭

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 হে আলী! পাঁচটি কাজ না করে ঘুমাবে না

📄 হে আলী! পাঁচটি কাজ না করে ঘুমাবে না


লোকমুখে প্রসিদ্ধ, আলী রা.-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আলী! তুমি পাঁচটি কাজ না করে ঘুমাবে না। কাজ পাঁচটি হল :
১. চার হাজার দিনার ছদকা দিয়ে ঘুমাবে।
২. এক খতম কুরআন তিলাওয়াত করে ঘুমাবে।
৩. জান্নাতের মূল্য দিয়ে ঘুমাবে।
৪. দু' ব্যক্তির মাঝের বিবাদ মিটিয়ে ঘুমাবে।
৫. একটি হজ্ব আদায় করে ঘুমাবে।
এ কথা শুনে আলী রা. বললেন, আল্লাহর রাসূল! এ তো আমার জন্য দুঃসাধ্য কাজ। আমি কীভাবে এগুলো করতে পারি?
তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- (১) ঘুমের সময় চার বার সূরা ফাতেহা পাঠ করলে তোমার আমলনামায় চার হাজার দিনার ছদকা করার সওয়াব লেখা হবে। (২) তিন বার কুলহুওয়াল্লাহ সূরা পড়লে তোমার আমলনামায় এক খতম কুরআন পড়ার সওয়াব লেখা হবে। (৩) তিন বার দরূদ শরীফ পাঠ করলে জান্নাতের মূল্য আদায় হয়ে যাবে। (৪) দশবার ইসতেগফার পড়লে বিবাদ মিটানোর সওয়াব লাভ হবে। (৫) চার বার কালেমায়ে তামজীদ পাঠ করলে এক হজ্বের সওয়াব পাওয়া যাবে।
একথা শুনে আলী রা. বললেন, আল্লাহর রাসূল! আমি প্রতিদিনই এই আমল করে ঘুমাবো- ইনশাআল্লাহ!
এ কথাগুলো আমাদের দেশে চাররঙা পোস্টার আকারে পাওয়া যায়। কোনো কোনো বাড়ির দেওয়ালেও লাগানোও দেখা যায়।
এটি একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা। হাদীসের নির্ভরযোগ্য কোনো কিতাবে এ বর্ণনা নেই। এটি আরব-অনারব সকলের মাঝেই প্রসিদ্ধ। কিন্তু এর দালীলীক কোনো ভিত্তি নেই। এ ধরনের ভিত্তিহীন বর্ণনা প্রচার করা গুনাহের কাজ। এ থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
উল্লেখ্য, সূরা ফাতিহা, সূরা ইখলাস, দরূদ শরীফ, ইসতেগফার ইত্যাদির ফযীলত সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। সেসব ফযীলতসমূহই মানুষের মাঝে প্রচার করা উচিত। -ফাতাওয়াল লাজনাদ দায়েমা ৩৭৮৯১, শায়েখ ছালেহ আলউছাইমিন

লোকমুখে প্রসিদ্ধ, আলী রা.-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আলী! তুমি পাঁচটি কাজ না করে ঘুমাবে না। কাজ পাঁচটি হল :
১. চার হাজার দিনার ছদকা দিয়ে ঘুমাবে।
২. এক খতম কুরআন তিলাওয়াত করে ঘুমাবে।
৩. জান্নাতের মূল্য দিয়ে ঘুমাবে।
৪. দু' ব্যক্তির মাঝের বিবাদ মিটিয়ে ঘুমাবে।
৫. একটি হজ্ব আদায় করে ঘুমাবে।
এ কথা শুনে আলী রা. বললেন, আল্লাহর রাসূল! এ তো আমার জন্য দুঃসাধ্য কাজ। আমি কীভাবে এগুলো করতে পারি?
তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- (১) ঘুমের সময় চার বার সূরা ফাতেহা পাঠ করলে তোমার আমলনামায় চার হাজার দিনার ছদকা করার সওয়াব লেখা হবে। (২) তিন বার কুলহুওয়াল্লাহ সূরা পড়লে তোমার আমলনামায় এক খতম কুরআন পড়ার সওয়াব লেখা হবে। (৩) তিন বার দরূদ শরীফ পাঠ করলে জান্নাতের মূল্য আদায় হয়ে যাবে। (৪) দশবার ইসতেগফার পড়লে বিবাদ মিটানোর সওয়াব লাভ হবে। (৫) চার বার কালেমায়ে তামজীদ পাঠ করলে এক হজ্বের সওয়াব পাওয়া যাবে।
একথা শুনে আলী রা. বললেন, আল্লাহর রাসূল! আমি প্রতিদিনই এই আমল করে ঘুমাবো- ইনশাআল্লাহ!
এ কথাগুলো আমাদের দেশে চাররঙা পোস্টার আকারে পাওয়া যায়। কোনো কোনো বাড়ির দেওয়ালেও লাগানোও দেখা যায়।
এটি একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা। হাদীসের নির্ভরযোগ্য কোনো কিতাবে এ বর্ণনা নেই। এটি আরব-অনারব সকলের মাঝেই প্রসিদ্ধ। কিন্তু এর দালীলীক কোনো ভিত্তি নেই। এ ধরনের ভিত্তিহীন বর্ণনা প্রচার করা গুনাহের কাজ। এ থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
উল্লেখ্য, সূরা ফাতিহা, সূরা ইখলাস, দরূদ শরীফ, ইসতেগফার ইত্যাদির ফযীলত সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। সেসব ফযীলতসমূহই মানুষের মাঝে প্রচার করা উচিত। -ফাতাওয়াল লাজনাদ দায়েমা ৩৭৮৯১, শায়েখ ছালেহ আলউছাইমিন

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 আপনার জুতায় আরশ ধন্য হয়েছে

📄 আপনার জুতায় আরশ ধন্য হয়েছে


লোকমুখে মেরাজ সম্পর্কে একটি কথা প্রসিদ্ধ আছে যে, মেরাজ রজনীতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরশে মুআল্লায় প্রবেশের পূর্বে জুতা খুলতে চাইলে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
يا محمد ! لا تخلع نعليك، فإن العرش يتشرف بقدومك متنعلا ويفتخر على غيره متبركا.
হে মুহাম্মাদ! আপনি জুতা খুলবেন না। (জুতা নিযেই আরোহন করুন) কেননা, আপনার জুতা নিয়ে আগমনে আরশ ধন্য হবে। এটি বরকত লাভের কারণে অন্যের উপর গর্ববোধ করবে।
কথাগুলো সাধারণ মানুষের মাঝে প্রসিদ্ধ তো আছেই, কোন কোন বক্তার মুখেও শোনা যায়। কিন্তু তা প্রমাণিত নয়। সবগুলোই মনগড়া ও বানানো কথা।
ইমাম রযীউদ্দীন আল-কাযভীনী (রহ.) কে জিজ্ঞেস করা হযেছিল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জুতা নিয়ে আরশ গমন এবং আল্লাহ তাআলার সম্বোধন (হে মুহাম্মাদ! আপনার জুতায় আরশ ধন্য হযেছে) ইত্যাদি প্রমাণিত কি না। তিনি উত্তরে বলেছিলেন-
أما حديث وطئ النبي صلى الله عليه وسلم العرش بنعله فليس بصحيح ولا ثابت، بل وصوله إلى ذروة العرش لم يثبت في خبر صحيح ولا حسن ولا ثابت أصلا ، إنما صح في الأخبار انتهاؤه إلى سدرة المنتهى فحسب.
জুতা পায়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আরশ গমনের হাদীস প্রমাণিত নয়। এমনকিক তিনি (খালি পাযে) আরশে পৌঁছেছেন এমন কথাও কোন নির্ভরযোগ্যসূত্রে বর্ণিত নেই। সহীহ বর্ণনা মতে তিনি শুধু সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত গমন করেছেন।-সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ-শরহুল মাওয়াহেব ৮/২২৩
অপর এক মুহাদ্দিসের ভাষ্য- আল্লাহ তাআলা তাকে ধ্বংস করুন, যে বলে তিনি জুতা নিয়ে আরশে আরোহণ করেছেন। কত ঔদ্ধত্য! কত বড় স্পর্ধা!! যিনি শিষ্টাচারীদের সরদার, যিনি আরেফবিল্লাহগণের মধ্যমণি, তাঁর ব্যাপারে এমন কথা! তিনি আরো বলেন যে, রযীউদ্দীন আল-কাযভীনীর উত্তরই সঠিক। প্রায় চল্লিশজন সাহাবী থেকে সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিতভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেরাজ তথা উর্ধ্ব জগতে গমনের ঘটনা বর্ণিত আছে। এঁদের কারো হাদীসে এ কথা উল্লেখ নেই যে, সে রাতে তাঁর পায়ে জুতা ছিল। এ কথা কতক গন্ডমূর্খ কিসসা-কাহিনীকারদের কাব্যে এসেছে।
কোন নির্ভরযোগ্য সূত্রে বর্ণিত হাদীসে বা দুর্বলসূত্রে বর্ণিত হাদীসেও এ কথা নেই যে, তিনি আরশে আরোহন করেছেন। এটি কারো বানানো কথা, এর প্রতি ভ্রুক্ষেপ করা যায় না। -শরহুল মাওয়াহেব ৮/২২৩ আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ মাক্কারী (রহ.) স্বরচিত গ্রন্থ ফাতহুল মুতাআল ফী মাদহি খাইরিন নিআল-এ উপরোক্ত কথাটিকে জাল বলে জানিয়েছেন।-আল আসারুল মারফুআ ৩৭ আরো দ্রষ্টব্য: গায়াতুল মাকাল ফীমা ইয়াতাআল্লাকু বিন্নিআল: আল্লামা লাখনোভী (রহ.)

লোকমুখে মেরাজ সম্পর্কে একটি কথা প্রসিদ্ধ আছে যে, মেরাজ রজনীতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরশে মুআল্লায় প্রবেশের পূর্বে জুতা খুলতে চাইলে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
يا محمد ! لا تخلع نعليك، فإن العرش يتشرف بقدومك متنعلا ويفتخر على غيره متبركا.
হে মুহাম্মাদ! আপনি জুতা খুলবেন না। (জুতা নিযেই আরোহন করুন) কেননা, আপনার জুতা নিয়ে আগমনে আরশ ধন্য হবে। এটি বরকত লাভের কারণে অন্যের উপর গর্ববোধ করবে।
কথাগুলো সাধারণ মানুষের মাঝে প্রসিদ্ধ তো আছেই, কোন কোন বক্তার মুখেও শোনা যায়। কিন্তু তা প্রমাণিত নয়। সবগুলোই মনগড়া ও বানানো কথা।
ইমাম রযীউদ্দীন আল-কাযভীনী (রহ.) কে জিজ্ঞেস করা হযেছিল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জুতা নিয়ে আরশ গমন এবং আল্লাহ তাআলার সম্বোধন (হে মুহাম্মাদ! আপনার জুতায় আরশ ধন্য হযেছে) ইত্যাদি প্রমাণিত কি না। তিনি উত্তরে বলেছিলেন-
أما حديث وطئ النبي صلى الله عليه وسلم العرش بنعله فليس بصحيح ولا ثابت، بل وصوله إلى ذروة العرش لم يثبت في خبر صحيح ولا حسن ولا ثابت أصلا ، إنما صح في الأخبار انتهاؤه إلى سدرة المنتهى فحسب.
জুতা পায়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আরশ গমনের হাদীস প্রমাণিত নয়। এমনকিক তিনি (খালি পাযে) আরশে পৌঁছেছেন এমন কথাও কোন নির্ভরযোগ্যসূত্রে বর্ণিত নেই। সহীহ বর্ণনা মতে তিনি শুধু সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত গমন করেছেন।-সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ-শরহুল মাওয়াহেব ৮/২২৩
অপর এক মুহাদ্দিসের ভাষ্য- আল্লাহ তাআলা তাকে ধ্বংস করুন, যে বলে তিনি জুতা নিয়ে আরশে আরোহণ করেছেন। কত ঔদ্ধত্য! কত বড় স্পর্ধা!! যিনি শিষ্টাচারীদের সরদার, যিনি আরেফবিল্লাহগণের মধ্যমণি, তাঁর ব্যাপারে এমন কথা! তিনি আরো বলেন যে, রযীউদ্দীন আল-কাযভীনীর উত্তরই সঠিক। প্রায় চল্লিশজন সাহাবী থেকে সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিতভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেরাজ তথা উর্ধ্ব জগতে গমনের ঘটনা বর্ণিত আছে। এঁদের কারো হাদীসে এ কথা উল্লেখ নেই যে, সে রাতে তাঁর পায়ে জুতা ছিল। এ কথা কতক গন্ডমূর্খ কিসসা-কাহিনীকারদের কাব্যে এসেছে।
কোন নির্ভরযোগ্য সূত্রে বর্ণিত হাদীসে বা দুর্বলসূত্রে বর্ণিত হাদীসেও এ কথা নেই যে, তিনি আরশে আরোহন করেছেন। এটি কারো বানানো কথা, এর প্রতি ভ্রুক্ষেপ করা যায় না। -শরহুল মাওয়াহেব ৮/২২৩ আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ মাক্কারী (রহ.) স্বরচিত গ্রন্থ ফাতহুল মুতাআল ফী মাদহি খাইরিন নিআল-এ উপরোক্ত কথাটিকে জাল বলে জানিয়েছেন।-আল আসারুল মারফুআ ৩৭ আরো দ্রষ্টব্য: গায়াতুল মাকাল ফীমা ইয়াতাআল্লাকু বিন্নিআল: আল্লামা লাখনোভী (রহ.)

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 এটি হাদীস নয়

📄 এটি হাদীস নয়


লোকমুখে প্রসিদ্ধ, 'আল্লাহ কোনো বান্দার দিকে ১০ বার রহমতের নজরে তাকালে সে নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়তে পারে। আর ৪০ বার তাকালে হজ্ব করতে পারে। আর ৭০ বার তাকালে আল্লাহর রাস্তায় বের হতে পারে।' এটি হাদীস নয়। আল্লাহর রহমত ও তাওফিক না হলে বান্দা কোনো ভালো কাজই করতে পারে না। কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে আল্লাহ এতবার কারো প্রতি রহমতের দৃষ্টি দিলে সে অমুক আমল করতে পারে, এতবার হলে অমুক ... ইত্যাদি এ ধরনের কোনো রেওয়ায়েত পাওয়া যায় না। সুতরাং তা বর্ণনা করা থেকে বিরত থাকা উচিত。

লোকমুখে প্রসিদ্ধ, 'আল্লাহ কোনো বান্দার দিকে ১০ বার রহমতের নজরে তাকালে সে নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়তে পারে। আর ৪০ বার তাকালে হজ্ব করতে পারে। আর ৭০ বার তাকালে আল্লাহর রাস্তায় বের হতে পারে।' এটি হাদীস নয়। আল্লাহর রহমত ও তাওফিক না হলে বান্দা কোনো ভালো কাজই করতে পারে না। কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে আল্লাহ এতবার কারো প্রতি রহমতের দৃষ্টি দিলে সে অমুক আমল করতে পারে, এতবার হলে অমুক ... ইত্যাদি এ ধরনের কোনো রেওয়ায়েত পাওয়া যায় না। সুতরাং তা বর্ণনা করা থেকে বিরত থাকা উচিত。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00