📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 আখেরী যামানায় একজন পুরুষের বিপরীতে ১৫/২০ জন নারী হবে

📄 আখেরী যামানায় একজন পুরুষের বিপরীতে ১৫/২০ জন নারী হবে


লোকমুখে শোনা যায়, আখেরী যামানায় এমন অবস্থা হবে যে, একজন পুরুষের বিপরীতে ১৫/২০ জন নারী হবে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি এমন দাঁড়াবে যে কয়েকজন নারী একজন পুরুষকে তাড়া করবে আর সে দৌড়ে পালাবে এবং নিরুপায় হয়ে গাছে আশ্রয় নিবে। সেখান থেকে সে প্রস্রাব করবে। সেই প্রস্রাব পান করে তারা গর্ভবতী হবে। এটি একেবারেই মনগড়া অলীক কাহিনী মাত্র। নির্ভরযোগ্য কোনো কিতাবে এর কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। এমন কথাবার্তা বর্ণনা করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
তবে এ কথা সত্য যে, কিয়ামতপূর্ব যুগে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 খতমসমূহ কি ইমাম ছাহেবের মাধ্যমে বখশানো জরুরি?

📄 খতমসমূহ কি ইমাম ছাহেবের মাধ্যমে বখশানো জরুরি?


গ্রামাঞ্চলের মসজিদগুলোতে এবং শহরেরও কোনো কোনো মসজিদে দেখা যায় যে, ইমাম ছাহেবের কাছে মৌখিকভাবে বা লিখিত আকারে এই আবেদন এসে থাকে যে, 'অমুক ব্যক্তি কুরআন মজীদ খতম করেছেন, তা বখশে দিবেন।' তাদের আবেদনের ভঙ্গি থেকে অনুমিত হয় যে, কুরআন মজীদ খতম করার পর ইমাম ছাহেবের মাধ্যমে বা কোনো বুযুর্গের মাধ্যমে তা বখশানোকে তারা জরুরি মনে করেন।
এই ধারণা ঠিক নয়। কুরআন মজীদ খতম করা অনেক বড় ইবাদত, যা মূলত একটি ইনফেরাদী ইবাদত। প্রযোজন ছাড়া অন্যকে এ বিষয়ে অবগত করাও মুনাসিব নয়। আল্লাহর জন্য পড়া হয়েছে, আল্লাহ তাআলা দেখেছেন, এই যথেষ্ট। যদি এই খতমের ছওয়াব কবরবাসীকে পৌঁছাতে হয় তবে মুখে বলারও প্রযোজন নেই, শুধু মনে মনে এটুকু বললেই হবে যে, ইয়া আল্লাহ, এর ছওয়াব সকল মুসলিম কবরবাসীর আমলনামা বা অমুক অমুকের আমলনামায় পৌঁছে দিন। ছওয়াব বখশানোর জিনিস নয়, যা অন্যের মাধ্যমে বখশাতে হবে। শুধু ছওয়াব রেসানী অর্থাৎ ছওয়াব পৌঁছে দেওয়ার নিয়ত করাই যথেষ্ট。

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 ঈদের জন্য কি সবকিছুর নতুন হওয়া মাসনূন?

📄 ঈদের জন্য কি সবকিছুর নতুন হওয়া মাসনূন?


সঠিক মাসআলা এই যে, ঈদের দিন বিদ্যমান কাপড়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো কাপড় পরিধান করবে এবং তা যেন অবশ্যই পরিষ্কার হয়। কিন্তু সমাজের প্রচলন বিষয়টিকে এমন বিকৃত করেছে যে, যেন ঈদ উপলক্ষে নতুন কাপড় পরা এবং ঘরের সবাইকে নতুন কাপড় পরানো একটি মাসনূন কাজ? এরপর শুধু কাপড়ই নয়; বরং জুতো-মোজা, টুপি-গেঞ্জি ইত্যাদি সবই নতুন চাই। এমনকি যথাসম্ভব ঘরের আসবাবপত্রও নতুন হওয়া চাই। মনে রাখা উচিত যে, এই ধারণা ঠিক নয়। মাসনূন শুধু এটুকু যে, ঈদের দিন গোসল করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হবে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাপড় পরিধান করবে, যা বিদ্যমান কাপড়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম।

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 একটি দাড়িতে সত্তরটি ফিরিশতা থাকে

📄 একটি দাড়িতে সত্তরটি ফিরিশতা থাকে


দাড়ির বিষয়ে কিছু মানুষকে বলতে শোনা যায় যে, একটি দাড়িতে সত্তরটি ফিরিশতা থাকে। কারো একটি দাড়ি ঝরে গেলে বা ছিড়ে গেলে বলে, আহা! তোমার সাথ থেকে সত্তরজন ফিরিশতা চলে গেল। তাদের ধারণা, একটি দাড়ির সাথে যেহেতু সত্তরটি ফিরিশতা থাকে সুতরাং একটি দাড়ি তোমার থেকে পৃথক হওয়া মানে সত্তরজন ফিরিশতা তোমার থেকে চলে যাওয়া। এটি একেবারেই অমূলক একটি ধারণা। এর কোনো ভিত্তি নেই। কিন্তু দাড়ির বিষয়ে সকলেরই সঠিক ধারণা থাকা উচিত। দাড়ি ইসলামের শিআর ও পরিচয়-চিহ্ন হিসেবে গণ্য। দাড়ি লম্বা করা এবং মোচ খাটো করা দ্বীনে তাওহীদের শিক্ষা, যা সকল নবীর শরীয়তে ছিল। দাড়ি লম্বা রাখা ওয়াজিব এবং এক মুষ্ঠি থেকে খাটো করা নাজায়েজ। এ বিষয়টি সকলে জানা এবং আমলে যত্নবান হওয়া জরুরি।

দাড়ির বিষয়ে কিছু মানুষকে বলতে শোনা যায় যে, একটি দাড়িতে সত্তরটি ফিরিশতা থাকে। কারো একটি দাড়ি ঝরে গেলে বা ছিড়ে গেলে বলে, আহা! তোমার সাথ থেকে সত্তরজন ফিরিশতা চলে গেল। তাদের ধারণা, একটি দাড়ির সাথে যেহেতু সত্তরটি ফিরিশতা থাকে সুতরাং একটি দাড়ি তোমার থেকে পৃথক হওয়া মানে সত্তরজন ফিরিশতা তোমার থেকে চলে যাওয়া। এটি একেবারেই অমূলক একটি ধারণা। এর কোনো ভিত্তি নেই। কিন্তু দাড়ির বিষয়ে সকলেরই সঠিক ধারণা থাকা উচিত। দাড়ি ইসলামের শিআর ও পরিচয়-চিহ্ন হিসেবে গণ্য। দাড়ি লম্বা করা এবং মোচ খাটো করা দ্বীনে তাওহীদের শিক্ষা, যা সকল নবীর শরীয়তে ছিল। দাড়ি লম্বা রাখা ওয়াজিব এবং এক মুষ্ঠি থেকে খাটো করা নাজায়েজ। এ বিষয়টি সকলে জানা এবং আমলে যত্নবান হওয়া জরুরি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00