📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 তেঁতুল গাছের নীচ দিয়ে যাওয়া কি নিষেধ?

📄 তেঁতুল গাছের নীচ দিয়ে যাওয়া কি নিষেধ?


আমি এক জায়গায় পড়ে ছিলাম যে নবীজী নাকি তেঁতুল গাছের নিচে দিয়াও যাইতে মানা করছে। আসলে কি তাই? অনেকেই বলেছে এ ধরনের কোন হাদীস নাই। আসলে কি এ ধরনের কোন হাদিস আছে?-এজাতীয় কথায় বিশ্বাস করা যাবে না। এগুলো ভিত্তিহীন কথা। হাদিসের কোথাও এজাতীয় কথা নেই。

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 আজমীর শরীফ ও মাষারে শিরনির মান্নত

📄 আজমীর শরীফ ও মাষারে শিরনির মান্নত


অনেক মানুষ মনে করে থাকে যে মান্নত কোন মাজার কিংবা কোন পীরের নামে করতে হয়। অথচ এটা একটা মারাত্মক ভুল ধারণা। মান্নত একমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্যই করতে হয়। সুতরাং কেউ যদি আজমীর শরীফ কিংবা কোন মাজারে শিরনি অথবা কোন কিছু দেওয়ার মান্নত করে তাহলে আর সেই মান্নত হয়নি; বরং এমন নিয়ত করা গুনাহ হয়েছে। কারণ কোনো উদ্দেশ্য হাসিল হলে মাযারে যাওয়ার নিয়ত করা, সেখানে শিরনি দেওয়া ইত্যাদি শিরক ও কঠোর গুনাহর কাজ। মান্নত শুধু আল্লাহ তাআলার নামেই করা যায়। কোনো মাযার বা পীরের নামে মান্নত করা শিরক। তাই কেউ এমন নিয়ত করলেও তা পালন করা থেকে বিরত থাকা জরুরি। উপরন্তু উক্ত নিয়তের কারণে তওবা-ইস্তেগফার করা জরুরি。

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 অবাঞ্চিত লোম চল্লিশ দিন পর কাটা প্রসঙ্গে

📄 অবাঞ্চিত লোম চল্লিশ দিন পর কাটা প্রসঙ্গে


প্রায় ক্ষেত্রেই মানুষকে বলতে শোনা যায় যে, অবাঞ্ছিত লোম কিংবা নখ যদি চল্লিশ দিনের উপরে হয়ে যায় তাহলে তার ইবাদত কবুল হয় না। এটাও একটি ভুল ধারণা।
ইসলাম স্বভাবজাত ধর্ম। মানুষের পরিচ্ছতা ও সৌন্দর্য এবং সুস্থতা ও কমনীয়তার নেয়ামত রক্ষায় ইসলামে অনেক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। যার কারণে ইসলাম মানুষের শরীরের অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটাকে মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ বলেছে। এ মর্মে সাহাবী আনাস রাযি. বলেন, وُقِّتَ لَنَا فِي قَضِ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ الْعَانَةِ، أَنْ لَا نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً.
অর্থাৎ, গোঁফ ছোট রাখা, নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮)
তবে যে বলা হয়, এই সময় অতিক্রম করলে ইবাদত কবুল হয়না; এই কথা ঠিক নয়。

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 রোজা অবস্থায় অবাঞ্চিত লোম ও চুল, নখ কাটা প্রসঙ্গে

📄 রোজা অবস্থায় অবাঞ্চিত লোম ও চুল, নখ কাটা প্রসঙ্গে


রমজান মাসে অনেক মানুষ বলে যে, এখন তো রোজা কিভাবে চুল, নখ, অবাঞ্ছিত পশম কাটবো? তাহলে তো রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। এই ধারণা করে অনেকে এগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থেকে বিরত থাকে। অতচ এটাও একটি ভুল ধারণা এবং বানোয়াট ও ভিত্তিহীন কথা। রমজান মাসে এগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দ্বারা রোজার কোন ক্ষতি হয় না। তবে সে ক্ষেত্রে একটু লক্ষ করতে হবে যেন, এগুলো পরিষ্কার করতে গিয়ে রক্ত বের না হয়ে যায়। তবে এটা বলা যাবে না যে, রমজান মাসে এগুলো পরিষ্কার করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
আর তাছাড়া রোজা ভঙ্গের সাথে চুল, নখ ও অবাঞ্ছিত লোম কাটার সাথে কোন সম্পর্ক নেই। রোযা নষ্ট হবার সম্পর্ক হল পানাহার ও সহবাসের সাথে। (মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক, হাদীস : ৭৪৬৮) আর অবাঞ্ছিত লোম কাটার পর গোসল ফরজ হয় না。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00