📄 একসাথে দুই টুপি মাথায় দেওয়া
অনেক মানুষকে বলতে শোনা যায় যে, একসাথে দুই টুপি মাথায় দেওয়া গুনাহের কাজ। আবার অনেকে বলে একসাথে দুই টুপি মাথায় দিলে কাফের হয়ে যাবে। ইত্যাদি ইত্যাদি... তবে জেনে রাখা উচিত যে, এই সমস্ত কথা সত্য নয়। তবে এটা যে অনর্থক কাজ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্য কেউ যদি অধিক সোয়াবের আশায় এমনটি করে থাকে তবে তা নাজায়েজ বলে গণ্য হবে। তবে কাফের হবে কিংবা গুনাহের কাজ এমনটি ধারণা করা ঠিক নয়。
📄 হাঁচি এল মানে কেউ তোমাকে স্মরণ করছে
অনেক মানুষকে বলতে দেখা যায় কারো হাঁচি এলে কিংবা খাওয়ার সময় গলায় কিছু আটকে গেলে বলা হয় যে, কেউ তোমাকে স্মরণ করছে। বাস্তবে এটাও একটি ভিত্তিহীন কথা। হাঁচি আসা ও গলায় খাবার আটকে যাওয়ার সাথে কারো স্মরণ করার কোন সম্পর্ক নেই। অতএব এ ধরনের ভিত্তিহীন কথা না বলা উচিত এবং বিশ্বাস না করা উচিত。
📄 তেঁতুল গাছের নীচ দিয়ে যাওয়া কি নিষেধ?
আমি এক জায়গায় পড়ে ছিলাম যে নবীজী নাকি তেঁতুল গাছের নিচে দিয়াও যাইতে মানা করছে। আসলে কি তাই? অনেকেই বলেছে এ ধরনের কোন হাদীস নাই। আসলে কি এ ধরনের কোন হাদিস আছে?-এজাতীয় কথায় বিশ্বাস করা যাবে না। এগুলো ভিত্তিহীন কথা। হাদিসের কোথাও এজাতীয় কথা নেই。
📄 আজমীর শরীফ ও মাষারে শিরনির মান্নত
অনেক মানুষ মনে করে থাকে যে মান্নত কোন মাজার কিংবা কোন পীরের নামে করতে হয়। অথচ এটা একটা মারাত্মক ভুল ধারণা। মান্নত একমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্যই করতে হয়। সুতরাং কেউ যদি আজমীর শরীফ কিংবা কোন মাজারে শিরনি অথবা কোন কিছু দেওয়ার মান্নত করে তাহলে আর সেই মান্নত হয়নি; বরং এমন নিয়ত করা গুনাহ হয়েছে। কারণ কোনো উদ্দেশ্য হাসিল হলে মাযারে যাওয়ার নিয়ত করা, সেখানে শিরনি দেওয়া ইত্যাদি শিরক ও কঠোর গুনাহর কাজ। মান্নত শুধু আল্লাহ তাআলার নামেই করা যায়। কোনো মাযার বা পীরের নামে মান্নত করা শিরক। তাই কেউ এমন নিয়ত করলেও তা পালন করা থেকে বিরত থাকা জরুরি। উপরন্তু উক্ত নিয়তের কারণে তওবা-ইস্তেগফার করা জরুরি。