📄 রাতের বেলা ঘর ঝাড়ু দেওয়া কি অশুভ?
অনেক মহিলারা মনে করে যে, রাতের বেলা ঝাড়ু দেওয়া অশুভ কিংবা অকল্যাণকর। এ ধারণা ভিত্তিহীন। যখনই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজন দেখা দিবে তা রাতে হোক কিংবা দিনে হোক ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করে নিবে। এতে অকল্যাণের কোন কিছু নেই। আর তাছাড়া অনেকে এটাকে হাদিস মনে করে, অথচ হাদীসের কোন কিতাবই এমন ধরনের কথা বর্ণিত নেই। এগুলো কুসংস্কার ছাড়া অন্য কিছু নয়। তাই এগুলো থেকে বিরত থাকা মুমিনের কর্তব্য।
📄 রাতের বেলা আয়না দেখা কি অশুভ?
অনেক মানুষকে দেখা যায় তারা রাতের বেলা আয়না দেখাকে কুলক্ষন মনে করে থাকে। এটাও একটি ভিত্তিহীন কথা। রাতের বেলাতে আয়না দেখাতেও কোন সমস্যা নেই। এসমস্ত কুসংস্কার বিষয়ে থেকে আমাদের ফিরে আসতে হবে এবং সত্য বিষয়টি আমাদেরকে জানতে হবে।
📄 কুলক্ষণ ধারণা করা থেকে নিষেধাজ্ঞা
হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, কোন ছোঁয়াচে (সংক্রামক) রোগ নেই। কুলক্ষণ বলতে কিছু নেই এবং হুতুমপেঁচা ও সফর মাসেও কোনো অশুভ নয়।
ছোঁয়াচে রোগ
বর্তমানে আমাদের সমাজে অনেক মানুষকে দেখা যায় তারা রোগীদের ছোঁয়াচে রোগ মনে করে দেখতে যান না। তাদের ধারণা হলো যে, তার শরীরে থাকা রোগ আমার মাঝে চলে আসবে। অথচ জাহেলিয়াতের যুগের মানুষেরা এ ধারণা করত যে, কেউ কোন অসুস্থ ব্যক্তির পাশে বসলে অথবা একত্রে খাওয়া দাওয়া করলে তার শরীরে থাকা রোগও তারমধ্যে সংক্রামিত হয়। আর তাই নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের এ ধারণাকে অবাস্তব বলে আখ্যায়িত করেছেন। অতএব আমাদের জন্য এমন ধারণা করা ঠিক নয়।
📄 হুতুম পেঁচা
হুতুম পেঁচাকে অশুভ নিদর্শন হিসেবে বিবেচনা করত। কারো ঘরের উপর বসলে তাদের নিকটাত্মীয়-স্বজনের মৃত হয়েছে বলে ধারণা করত। অথবা তার ঘর ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করত। এ দেখে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সমস্ত ধারণাকে অবাস্তব ও মনগড়া বলে অভিহিত করেছেন। তাই আমাদের জন্য এমন ধারণা করা ঠিক নয়।