📄 সালামের উত্তর এর ক্ষেত্রে একটি ভুল
প্রায় ক্ষেত্রে অনেক মানুষকে দেখা যায় সালামের উত্তর না দিয়ে আবার সালাম দেয়। এটাও একটি ভুল। সম্মানিত ব্যক্তিদের কেউ যদি আগে সালাম দিয়ে ফেলে তখন আমাদের অনেকেই উত্তর দিতে লজ্জাবোধ করে, তাই উত্তর না দিয়ে নতুন করে আবার সালাম দিয়ে ফেলে। এটা পরিহারযোগ্য। কেউ সালাম দিলে তার উত্তর দেওয়া উচিত। তাই উত্তর দিতে হবে । এতে করে একটি পরিপূর্ণ সুন্নতের উপর আমল করাও হয়ে যাবে। যদি সালাম দিতে হয় তাহলে আগে উত্তর দিয়ে তারপর পুনরায় আবার তাকে সালাম দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করুন।
📄 আংগুল চুমু খেয়ে চোখে মোছা
প্রায় অধিকাংশ মানুষকে দেখা যায় নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নাম শুনে আঙ্গুলি চুমু খেয়ে তার চোখে মোছে। বিশেষ করে আযান ও ইকামতের ক্ষেত্রে এটা বেশি দেখা যায়। এমনটি করা বিদআত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটি করতে বলেননি। সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীনদের কেউ এমনটি করেন নি । অথচ আমাদের তুলনায় তাদের ভালোবাসা ছিলো নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য অতুলনীয়। যা সাহাবীদের জীবনী থেকে অবলোকন করা যায়। আর তিনারা ছিলেন খাঁটি প্রেমিক। আর আমরা এমন প্রেমিক যেগুলো খাঁটি প্রেমিকরা করেননি সেগুলো আমরা রীতিমত পালন করে যাচ্ছি। অথচ বাস্তবতা তার বিপরীত। তাই এগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের সতর্ক থাকা উচিত ।
আজানে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শোনামাত্র আঙ্গুলে চুমু খাওয়া সম্পর্কে যত হাদিস বর্ণিত রয়েছে সবগুলো বানানো হাদিস। খ্রিস্টানরা এ সমস্ত বানিয়ে হাদীস বলে চালিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে এগুলো হাদিস নয়। এই সমস্ত কাজকর্ম থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।
📄 মুসাফাহা কি শুধু পুরুষদের জন্য?
কিছু কিছু মানুষের ধারণা, মুসাফাহা শুধু পুরুষের জন্য। মহিলাদের পরস্পরে মুসাফাহার বিধান নেই। তাদের এ ধারণা ঠিক নয়। বরং মুসাফাহার বিধান নারীদের পরস্পরের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এটা শুধু পুরুষের সাথে খাছ নয়।
📄 আম্বিয়া খাতুন নাম রাখা
এভাবে কারো নাম রাখা ভুল। কারণ আম্বিয়া হল, নবী শব্দের বহুবচন। অর্থ নবীগণ। তাহলে এটা কি কারো নাম হতে পারে? কুরআনে কারীমের একটি সূরার নাম 'আম্বিয়া' এবং কুরআনের বহু স্থানে আম্বিয়া শব্দটি এসেছে। সে কারণেই হয়ত শব্দটি কারো পছন্দ হয়েছে এবং তার কন্যার নাম রেখে দিয়েছে আম্বিয়া। কিন্তু নামটি রাখার পূর্বে যদি কোনো আলেমকে জিজ্ঞেস করে অর্থ জেনে নেয়া হত তাহলে হয়ত এ বিপত্তি ঘটত না। সুতরাং যে কোনো শব্দ পছন্দ হলেই সেটি নাম হিসেবে গ্রহণ করব না। বরং নাম রাখার পূর্বে জেনে নেব এ শব্দটি পুত্র বা কন্যার নাম রাখা যায় কি না। সাথে সাথে নামের বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা জেনে নিব; কোন নাম আল্লাহর কাছে বেশি পছন্দনীয়, কোন ধরনের নাম রাখা যাবে, কোনটা যাবে না ইত্যাদি।