📄 পশু জবাইয়ের সময় কুরবানী দাতার নাম বলাকে আবশ্যক মনে করা
সাধারণ মহলে দেখা যায় কুরবানীর পশু জবাই করার সময় কুরবানী দাতার নাম পড়াকে আবশ্যক মনে করা হয়, ফলে বিষয়টির প্রতি খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। অথচ জবাই করার সময় এভাবে নাম পড়া আবশ্যক নয়। তবে পশুটি কার কার কুরবানী হিসেবে জবাই করা হচ্ছে তা সুনির্দিষ্ট থাকা জরুরি। তাই বলে লিস্টে নাম লিখে তা পড়তে হবে এমনটি জরুরি নয়।
সাধারণ মহলে দেখা যায় কুরবানীর পশু জবাই করার সময় কুরবানী দাতার নাম পড়াকে আবশ্যক মনে করা হয়, ফলে বিষয়টির প্রতি খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। অথচ জবাই করার সময় এভাবে নাম পড়া আবশ্যক নয়। তবে পশুটি কার কার কুরবানী হিসেবে জবাই করা হচ্ছে তা সুনির্দিষ্ট থাকা জরুরি। তাই বলে লিস্টে নাম লিখে তা পড়তে হবে এমনটি জরুরি নয়।
📄 কুরবানী দিতে অক্ষম ব্যক্তির মুরগি হাঁস কুরবানী দেওয়া
গরু বা ছাগল কুরবানী দিতে সক্ষম নয় এমন ব্যক্তিদের ব্যাপারে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। মনে করা হয় যারা কুরবানী দিতে অক্ষম তারা কমপক্ষে একটি মুরগি কুরবানি দিবে। এতে করে সে কুরবানীর পেয়ে যাবে। এগুলো ভুল ধারণা। শরীয়তে কুরবানীর জন্য যে সমস্ত পশু নির্ধারণ করা হয়েছে শুধুমাত্র সেগুলো দিয়ে কুরবানী দেওয়া যাবে। অন্য কোন প্রাণী দিয়ে কুরবানী আদায় হবে না এবং সাওয়াবও হবে না। সুতরাং এ বিশ্বাস ও প্রচলন পরিহারযোগ্য।
গরু বা ছাগল কুরবানী দিতে সক্ষম নয় এমন ব্যক্তিদের ব্যাপারে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। মনে করা হয় যারা কুরবানী দিতে অক্ষম তারা কমপক্ষে একটি মুরগি কুরবানি দিবে। এতে করে সে কুরবানীর পেয়ে যাবে। এগুলো ভুল ধারণা। শরীয়তে কুরবানীর জন্য যে সমস্ত পশু নির্ধারণ করা হয়েছে শুধুমাত্র সেগুলো দিয়ে কুরবানী দেওয়া যাবে। অন্য কোন প্রাণী দিয়ে কুরবানী আদায় হবে না এবং সাওয়াবও হবে না। সুতরাং এ বিশ্বাস ও প্রচলন পরিহারযোগ্য।