📄 কুরবানীর শরীক সংখ্যা কি বেজোড় হওয়া জরুরি
কিছু লোককে বলতে শোনা গেছে, যে পশুতে সাতজন শরীক হতে পারে তাতে শরীকের সংখ্যা বেজোড় হওয়া জরুরি। সুতরাং একটি গরুতে এক, তিন, পাঁচ বা সাতজন শরীক হতে পারবে। দুই, চার বা ছয়জন শরীক হতে পারবে না।
এটা বিলকুল গলত কথা। একটি গরু যেমন এক ব্যক্তি একা কুরবানী করতে পারে তেমনি দুই থেকে সাত পর্যন্ত যে কোনো সংখ্যক শরীক একত্র হয়েও কুরবানী করতে পারে। এতে কোনো বাধা নেই। তেমনি শরীকের সংখ্যা জোড় না হয়ে বেজোড় হওয়ার মাঝেও এমন আলাদা কোনো ফযীলত নেই, যার কারণে পাঁচ শরীকের স্থলে ছয় শরীক বা ছয় শরীকের স্থলে সাত শরীক একত্র হয়ে কুরবানী করতে উৎসাহ দেওয়া যায়।
কিছু লোককে বলতে শোনা গেছে, যে পশুতে সাতজন শরীক হতে পারে তাতে শরীকের সংখ্যা বেজোড় হওয়া জরুরি। সুতরাং একটি গরুতে এক, তিন, পাঁচ বা সাতজন শরীক হতে পারবে। দুই, চার বা ছয়জন শরীক হতে পারবে না।
এটা বিলকুল গলত কথা। একটি গরু যেমন এক ব্যক্তি একা কুরবানী করতে পারে তেমনি দুই থেকে সাত পর্যন্ত যে কোনো সংখ্যক শরীক একত্র হয়েও কুরবানী করতে পারে। এতে কোনো বাধা নেই। তেমনি শরীকের সংখ্যা জোড় না হয়ে বেজোড় হওয়ার মাঝেও এমন আলাদা কোনো ফযীলত নেই, যার কারণে পাঁচ শরীকের স্থলে ছয় শরীক বা ছয় শরীকের স্থলে সাত শরীক একত্র হয়ে কুরবানী করতে উৎসাহ দেওয়া যায়।
📄 মহিলাদের জবাইকৃত পশু কি হালাল নয়?
সাধারণত পুরুষরাই হাঁস মুরগি ইত্যাদি জবাই করে থাকেন। মহিলাদের জবাই করার তেমন প্রয়োজন হয় না। ফলে কোনো কোনো মানুষ মনে করেন, কোনো মহিলা মুরগি বা কোনো পশু জবাই করলে তা খাওয়া হালাল নয়। তাদের এই ধারণা ঠিক নয়। পুরুষের জবাইকৃত পশু যেমন হালাল তেমনি মহিলার জবাইকৃত পশুও হালাল।
বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকলে অনেক সময়ই মহিলাদের হাঁস-মুরগি জবাই করতে হয়। এতে কোনো অসুবিধা নেই।
সাধারণত পুরুষরাই হাঁস মুরগি ইত্যাদি জবাই করে থাকেন। মহিলাদের জবাই করার তেমন প্রয়োজন হয় না। ফলে কোনো কোনো মানুষ মনে করেন, কোনো মহিলা মুরগি বা কোনো পশু জবাই করলে তা খাওয়া হালাল নয়। তাদের এই ধারণা ঠিক নয়। পুরুষের জবাইকৃত পশু যেমন হালাল তেমনি মহিলার জবাইকৃত পশুও হালাল।
বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকলে অনেক সময়ই মহিলাদের হাঁস-মুরগি জবাই করতে হয়। এতে কোনো অসুবিধা নেই।
📄 পশু জবাইয়ের সময় কুরবানী দাতার নাম বলাকে আবশ্যক মনে করা
সাধারণ মহলে দেখা যায় কুরবানীর পশু জবাই করার সময় কুরবানী দাতার নাম পড়াকে আবশ্যক মনে করা হয়, ফলে বিষয়টির প্রতি খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। অথচ জবাই করার সময় এভাবে নাম পড়া আবশ্যক নয়। তবে পশুটি কার কার কুরবানী হিসেবে জবাই করা হচ্ছে তা সুনির্দিষ্ট থাকা জরুরি। তাই বলে লিস্টে নাম লিখে তা পড়তে হবে এমনটি জরুরি নয়।
সাধারণ মহলে দেখা যায় কুরবানীর পশু জবাই করার সময় কুরবানী দাতার নাম পড়াকে আবশ্যক মনে করা হয়, ফলে বিষয়টির প্রতি খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। অথচ জবাই করার সময় এভাবে নাম পড়া আবশ্যক নয়। তবে পশুটি কার কার কুরবানী হিসেবে জবাই করা হচ্ছে তা সুনির্দিষ্ট থাকা জরুরি। তাই বলে লিস্টে নাম লিখে তা পড়তে হবে এমনটি জরুরি নয়।
📄 কুরবানী দিতে অক্ষম ব্যক্তির মুরগি হাঁস কুরবানী দেওয়া
গরু বা ছাগল কুরবানী দিতে সক্ষম নয় এমন ব্যক্তিদের ব্যাপারে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। মনে করা হয় যারা কুরবানী দিতে অক্ষম তারা কমপক্ষে একটি মুরগি কুরবানি দিবে। এতে করে সে কুরবানীর পেয়ে যাবে। এগুলো ভুল ধারণা। শরীয়তে কুরবানীর জন্য যে সমস্ত পশু নির্ধারণ করা হয়েছে শুধুমাত্র সেগুলো দিয়ে কুরবানী দেওয়া যাবে। অন্য কোন প্রাণী দিয়ে কুরবানী আদায় হবে না এবং সাওয়াবও হবে না। সুতরাং এ বিশ্বাস ও প্রচলন পরিহারযোগ্য।
গরু বা ছাগল কুরবানী দিতে সক্ষম নয় এমন ব্যক্তিদের ব্যাপারে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। মনে করা হয় যারা কুরবানী দিতে অক্ষম তারা কমপক্ষে একটি মুরগি কুরবানি দিবে। এতে করে সে কুরবানীর পেয়ে যাবে। এগুলো ভুল ধারণা। শরীয়তে কুরবানীর জন্য যে সমস্ত পশু নির্ধারণ করা হয়েছে শুধুমাত্র সেগুলো দিয়ে কুরবানী দেওয়া যাবে। অন্য কোন প্রাণী দিয়ে কুরবানী আদায় হবে না এবং সাওয়াবও হবে না। সুতরাং এ বিশ্বাস ও প্রচলন পরিহারযোগ্য।