📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 আশারায়ে যিলহজ্ব (যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশদিন)

📄 আশারায়ে যিলহজ্ব (যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশদিন)


আল কুরআনুল কারীমে সূরা ফাজর-এর শুরুতে আল্লাহ তায়ালা এই দশ রাতের শপথ করেছেন (তাফসীরে ইবনে কাছির ৪/৫৩৫) হাদীস শরীফে এসেছে- আল্লাহর নিকট যিলহজ্বের দশ দিনের নেক আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় অন্য কোন দিনের আমল নেই...। - সহীহ বুখারী, হাদীস: ৯৬৯; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস: ২৪৩৮

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 ইয়াওমুল জুমুআ (প্রতি সপ্তাহের জুমার দিন)

📄 ইয়াওমুল জুমুআ (প্রতি সপ্তাহের জুমার দিন)


আল কুরআনুল কারীমে জুমার দিনের আলোচনা এসেছে এবং 'সূরা জুমুআ' নামে একটি আলদা সূরাও রয়েছে। জুমআর দিনের ফযীলত ও আমল সম্পর্কে বহু হাদীস এসেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, দিনসমূহের মধ্যে জুমুআর দিন সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ। -সহীহ মুসলিম ১/২৮২; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১০৮৪

এ ছাড়াও সপ্তাহের সোমবার ও বৃহস্পতিবারের ফযীলত ও রোযার কথা হাদীস শরীফে এসেছে।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার বান্দার আমল পেশ করা হয়। সুতরাং আমি চাই যে, আমার আমল পেশ করার মুহূর্তে যেন আমি রোযা অবস্থায় থাকি। -জামে তিরমিযী, হাদীস. ৭৪৭; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস.৭৬৩৯
আরেক হাদীসে আয়েশা রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখতেন। - জামে তিরমিযী, হাদীস ৭৪৫; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৭৩৮

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 ফাতিহায়ে ইয়াযদহম (রবিউস সানীর ১১ তারিখ)

📄 ফাতিহায়ে ইয়াযদহম (রবিউস সানীর ১১ তারিখ)


'ইয়াযদাহম' শব্দের অর্থ হচ্ছে 'একাদশ'। আর ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম অর্থ রবীউস সানীর এগারো তারিখে কৃত ফাতেহা বা ইসালে ছওয়াব মাহফিল।

বলা হয়ে থাকে, এ তারিখে শায়খ আবদুল কাদের জীলানী রহ.-এর ইন্তেকাল হয়েছিল। এজন্য তাঁর ওফাতদিবস পালন করার উদ্দেশ্যে এই রসমের সূচনা করা হয়। ওই আল্লাহর বান্দারা চিন্তা করেনি যে, ইসলামে না জন্মদিবস পালন করা হয়, না মৃত্যুদিবস। না শায়খ জীলানী রহ. তাঁর কোনো শায়খের জন্মদিবস বা মৃত্যুদিবস পালন করেছেন, না তার কোনো খলীফা বা শাগরিদ তা পালন করেছেন।

এদিকে মজার বিষয় এই যে, গিয়ারভীর এই রসম এ তারিখে এ জন্যই পালন করা হয় যে, এটা শায়খ জীলানীর ওফাতদিবস। আল্লাহর কী শান, এই ভিত্তিহীন রেওয়াজের উদযাপন দিবসের জন্যও একটি ভিত্তিহীন তারিখ নির্ধারিত হয়েছে।

আমরা তারীখ ও রিজালের অনেক গ্রন্থে শায়খ জীলানীর জীবনালোচনা পড়েছি। কোথাও এগারো রবীউস সানীর কথা নেই। আট, নয় বা দশ রবীউস সানী ৫৬১ হিজরীর কথা উল্লেখিত হয়েছে।
-(দেখুন : সিয়ারু আলামিন নুবালা, যাহাবী ১৫/১৮৯; আলমুনতাযাম, ইবনুল জাওযী : ১৮/১৭৩; যায়লু তবাকাতিল হানাবিলা, ইবনে রজব ১/২৫১; আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ৮/৩৯৫; শাযারাতুয যাহাব, ইবনুল ইমাদ ৪/২০২; তারীখুল ইসলাম, যাহাবী ৩৯/৬০)

মোটকথা, এ তারিখ যদি সহীহও হতো তবুও তো জন্মদিবস-মৃত্যুদিবস পালন করার কোনো অনুমতি ইসলামে নেই।

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 ফাতিহায়ে দোয়াযদহম (রবিউল আউয়ালের ১২ তারিখ)

📄 ফাতিহায়ে দোয়াযদহম (রবিউল আউয়ালের ১২ তারিখ)


দোয়াযদহম অর্থ দ্বাদশ। ফাতিহায়ে দোয়াদহম অর্থ রবীউল আউয়ালের ১২ তারিখে কৃত ফাতেহা বা ইসালে ছওয়াব মাহফিল। এটা আরো গর্হিত বেদআত।

উপরের আলোচনায় দুই ধরনের দিবস-রজনীর কথা এসেছে : এক. শরীয়তের দলীল দ্বারা যেগুলোর আলাদা ফযীলত ও বিশেষত্ব প্রমাণিত। দুই. যেগুলোর আলাদা বিশেষত্বের ধারণা ভুল ও নবউদ্ভাবিত। নীচে দুইটি আলাদা তালিকায় তা উপস্থাপিত হল :

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00