📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 ১০. ২১, ২৩, ২৫,২৭ ও ২৯ শে রমজান : লাইলাতুল কদর

📄 ১০. ২১, ২৩, ২৫,২৭ ও ২৯ শে রমজান : লাইলাতুল কদর


এখানে বলা উচিত, ২১ থেকে ৩০ এর রাত পর্যন্ত শবে কদর অন্বেষণ ও ইতিকাফ।

অনেকের মনে এই ভুল ধারণা রয়েছে যে, সাতাশের রাতই হচ্ছে শবে কদর। এই ধারণা ঠিক নয়। সহীহ হাদীসে এসেছে যে, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে লাইলাতুল কদর কোন রাত তা জানানো হয়েছিল। তিনি তা সাহাবীদেরকে জানানোর জন্য আসছিলেন, কিন্তু ঘটনাক্রমে সেখানে দুই ব্যক্তি ঝগড়া করছিল। তাদের ওই ঝগড়ার কারণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে সে রাতের ইলম উঠিয়ে নেওয়া হয়। এ কথাগুলো সাহাবীদেরকে জানানোর পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- হতে পারে, এতেই তোমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে। এখন তোমরা এ রাত (অর্থাৎ তার বরকত ও ফযীলত) রমযানের শেষ দশকে অন্বেষণ কর। সহীহ বুখারী হাদীস নং ২০২০, সহীহ মুসলিম ১১৬৫/২০৯

অন্য হাদীসে বিশেষভাবে বেজোড় রাতগুলোতে শবে কদর তালাশ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬৫

তাই সাতাশের রাতকেই সুনির্দিষ্টভাবে লাইলাতুল কদর বলা উচিত নয়। খুব বেশি হলে এটুকু বলা যায় যে, এ রাতে লাইলাতুল কদর হওয়ার অধিক সম্ভবনা রয়েছে।
রমাযানের শেষ দশকের ফযীলতই সবচেয়ে বেশি। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৭১

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 ১১. ১লা শাওয়াল : ঈদ-উল-ফিত্র

📄 ১১. ১লা শাওয়াল : ঈদ-উল-ফিত্র


এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 ১২. ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ যিলহজ্ব : আইয়্যামে তাশরীক

📄 ১২. ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ যিলহজ্ব : আইয়্যামে তাশরীক


এটি ঠিক যে, ৯ই যিলহজ্ব ফজর থেকে ১৩ই যিলহজ্ব আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামাযের সালাম ফিরানোর পর প্রত্যেক বালেগ নর নারীর উপর একবার তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব।

তবে এই সবগুলো দিনকে পরিভাষায় 'আইয়ামুত তাশরীক' বলে না। পরিভাষায় নয় যিলহজ্বকে ইয়াওমু আরাফা-১০ যিলহজ্বকে ইয়াওমুন নাহর এবং ১১, ১২ ও ১৩ যিলহজ্বকে আইয়ামুত তাশরীক বলে। (দ্র. উমদাতুল কারী শরহু সহীহিল বুখারী খ. ৬ পৃ. ২৮৯; রদ্দুল মুহতার, খ. ৬ পৃ. ৩১৬; আলমিসবাহুল মনীর, পৃ. ১৬২; আলমাউসুআতুল ফিকহিয়্যাহ, কুয়েত, খ. ৭ পৃ. ৩২০)

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার > 📄 ১৩. ৯ই যিলহজ্ব : ইয়াওমুল আরাফা হজ্ব দিবস

📄 ১৩. ৯ই যিলহজ্ব : ইয়াওমুল আরাফা হজ্ব দিবস


আরবী ব্যাকরণের হিসেবে 'ইয়াওমুল আরাফা' বলা ঠিক নয়। বলতে হবে, ইয়াওমু আরাফা। আর এর সাথে ইয়াওমু আরাফা (৯ই যিলহজ্বের) রোযার কথা বলে দিলে ভালো। হাদীস শরীফে এসেছে, আরাফার দিনের (৯ই যিলহজ্ব) রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশাবাদী যে, তিনি এর দ্বারা বিগত এক বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মিটিয়ে দিবেন। -সহীহ মুসলিম হাদীস ১১৬২

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00