📘 ভুলে ভুলে জীবন পার 📄 মাকরুহ ওয়াক্তে কি যিকির-তিলাওয়াত মাকরুহ

📄 মাকরুহ ওয়াক্তে কি যিকির-তিলাওয়াত মাকরুহ


যে তিন ওয়াক্তে যেকোনো ধরনের নামায পড়া মাকরূহ সে ওয়াক্তের ব্যাপারে কারো কারো ধারণা এই যে, সে সময় যিকির-তিলাওয়াত, দুআ-দরূদ পড়াও মাকরূহ। এটা সঠিক নয়। ওই ওয়াক্তগুলোতে যিকির-তিলাওয়াত, দুআ-দরূদ সবই পড়া যায়। এটা মাকরূহ নয়।

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার 📄 ইমামকে রুকুতে পেলে সানা পড়া

📄 ইমামকে রুকুতে পেলে সানা পড়া


সানা পড়া সুন্নত। নামাজের নিয়ত বাঁধার পর প্রথম কাজ হলো ছানা পড়া। একা নামাজ পরুক অথবা জামাতে পুরুষ উভয় অবস্থায় ছানা পড়তে হয়। কিন্তু ইমামকে যখন রুকুতে পায় তখন অনেকে ছানা পড়ে থাকে যার কারণে ইমামের রুকু শেষ হয়ে যায়, ফলে ঐ রাকাত ছুটে যায়। এমনটি করা ঠিক নয়। এ অবস্থায় সানা পড়তে হবে না। হাতও বাঁধতে হবেনা; বরং নিয়ম হল প্রথমে দাঁড়ানো অবস্থায় দুই হাত তুলে তাকবীরে তাহরীমা বলে হাত ছেড়ে দিবে এরপর দাঁড়িয়ে থেকে তাকবীর বলে রুকুতে চলে যাবে। এক্ষেত্রে অনেকে আরও একটি ভুল ধারণা করে থাকে যে, ইমাম রুকুতে চলে গেছে এখন তাড়াতাড়ি রুকুতে শরিক হয়ে রাকাত ধরা দরকার, তা না করে এ সময় আরবীতে নিয়ত উচ্চারণ করতে থাকে যার ফলে ওই রাকাত ছুটে যায়। এটাও একটি বড় ভুল ধারণা। নিয়ত অর্থ সংকল্প করা যা অন্তরের কাজ। মুখে উচ্চারণ করার কোনো প্রয়োজন নেই।

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার 📄 টাখনুর উপর কাপড় পড়া শুধু কি নামাজের জন্য?

📄 টাখনুর উপর কাপড় পড়া শুধু কি নামাজের জন্য?


অনেক সময় দেখা যায় জামাত শুরু হওয়ার আগে মুসল্লিদের কেউ কেউ নিজেদের পায়ে জামা-প্যান্ট লুঙ্গি ইত্যাদি উপর তুলে নিচ্ছেন। এতে মনে হয় যেন, শুধুমাত্র নামাজের সময় কাপড় টাখনুর উপর তোলতে হয়। বিষয়টি শুধু নামাজের সাথে নির্দিষ্ট নয়। পুরুষের জন্য নামাজের ভিতরে বাহিরে সর্বাবস্থায় টাখনুর নিচে কাপড় পরা কবিরা গুনাহ। এ বিষয়ে হাদীস শরীফে কঠোর হুঁশিয়ারি এসেছে। হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কাপড়ের যে অংশটা টাখনুর নিচে থাকবে তা জাহান্নামে যাবে। (সহীহ বুখারী শরীফ: হাদিস নং: ৫৭৮৭)

অপর হাদীসে এসেছে যে ব্যক্তি অহংকারবশত কাপড় টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পড়বে আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার দিকে ফিরেও তাকাবেন না। (সহীহ বুখারী শরীফ: হাদিস নং: ৫৭৯১; সহীহ মুসলিম শরীফ: হাদিস নং: ২০৮৫)

📘 ভুলে ভুলে জীবন পার 📄 মসজিদের জিনিসপত্র ব্যবহার প্রসঙ্গে কিছু প্রথা

📄 মসজিদের জিনিসপত্র ব্যবহার প্রসঙ্গে কিছু প্রথা


মসজিদের জিনিসপত্র নিজের ব্যবহারের জন্য নিয়ে যাওয়ার একটি প্রথা। অনেকে মসজিদে বাতি দিয়ে আগুন, পানির পাত্র দিয়ে পানি, মসজিদের বদনায় রোগীর জন্য পানি পড়া, নিজের বাড়িতে মেহমানদের বসানোর জন্য মাদুর, বাড়িতে ইস্তেঞ্জা করার জন্য মসজিদের ঢিলা-কুলুখ ইত্যাদি নিয়ে গিয়ে নিজের মনকে সান্ত্বনা দেয়। আর এই বলে সান্ত্বনা দেয় যে, মসজিদে ওয়াকফ সম্পত্তি থেকে সকলের উপকার লাভের অধিকার রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে কথাটি নিষেধাজ্ঞার প্রমাণ। যে উদ্দেশ্যে নিয়ে, যে শর্তসাপেক্ষ করা হয় সেই শর্ত ও উদ্দেশ্য ভিন্ন অন্যত্রে এর ব্যবহার করা জায়েজ নেই। উপরোক্ত জিনিষগুলো যে উল্লেখিত কাজের জন্য ওয়াকফ করা হয়নি তা সকলেই জানেন। নামাজের সময় নামাজীদের প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য এগুলো ওয়াকফ করা হয়েছে। এই কারণেই নির্ধারিত শর্ত উদ্দেশ্যে এসব প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার হারাম হবে।

ফকীহগণ বলেছেন, যে পানি পান করার জন্য ওয়াকফ করা হয়েছে সে পানি দিয়ে ওযু করা জায়েয হবে না। অনেকে মসজিদকে বৈঠকখানা হিসাবে ব্যবহার করে থাকে। বাড়িতে বেশি মেহমান আসলে সেখানেই তাদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করে থাকে। মসজিদ এসব কাজের জন্য নয়, বিধায় এ কাজ জায়েজ হবেনা। মসজিদের আদব রক্ষার্থে দুর্গন্ধযুক্ত কোন জিনিস মসজিদে নিয়ে যাওয়া বৈধ নয়। ধূমপানকারী ব্যক্তির মুখের দুর্গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে প্রবেশ করা উচিত নয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية