📄 ৪. দেওবন্দীগণ মুরতাদ
তারা বলে, দেওবন্দীরা মুরতাদ, দীন ইসলাম থেকে বেরিয়ে গেছে। কেননা বেরেলভীরা যেসব মিথ্যা কাহিনী বানিয়েছে এবং বিভিন্ন উপকথা ও কল্পকাহিনীর উদ্ভাবন ঘটিয়ে সেগুলোকে দীন ও শরীআত বানিয়েছে সেগুলোকে দেওবন্দীরা বিশ্বাস করে না।
📄 ৫. নাদভীরা অপবিত্র মুশরিক
তারা বলে, নাদভীরা অপবিত্র মুশরিক। কেননা তারা বেরেলভীর নিকটে বায়আত করেনি এবং তার ইমামত ও নেতৃত্বকে তারা মেনে নেয়নি। এছাড়াও তারা বেরেলভীদের কল্পকাহিনী ও রূপকথাগুলো বলে না। কেনই বা তারা দীন থেকে বেরিয়ে যাবে না, অথচ তারা তাদের ও সেই সম্প্রদায়ের মাঝে ফায়সালাকারী হিসেবে হানাফী ফিকহকে গ্রহণ করেছে? যদিও এই সম্প্রদায় নিজেদেরকে হানাফী বলে দাবী করে, কিন্তু হানাফী ফিকহ তাদের বিপরীত ও তাদের কর্মের বিরোধিতা করে।
📄 ৬. সংস্কারবাদী কবি, লেখক, সাহিত্যিক পথভ্রষ্ট ও অন্যদেরকে পথভ্রষ্টকারী
ভারতীয় উপমহাদেশে সংস্কারবাদী কবি, লেখক, সাহিত্যিক এবং এই দিকে আহবানকারীগণ সকলেই পথভ্রষ্ট ও অন্যদেরকে পথভ্রষ্টকারী। কেননা তারা যে মুসলিমদেরকে সংশোধনের দিকে আহবান করেন, এর মাধ্যমে তারা প্রাচীন রীতিনীতি, ঐতিহ্য, জাহেলী রেওয়াজ, হিন্দু পৌত্তলিকদের চিন্তা ভাবনা থেকে মানুষদেরকে দূরে সরান। হিন্দু পৌত্তলিকদের চিন্তা ভাবনাগুলো হলো, মুর্তিপূজা ও কবর পূজা করা, মাজারের চৌকাট, করিডোর ও দরজার সামনে নত হওয়া, গাছ, পাথর, ছায়া, বিড়ালকে ভয় করাসহ আরো রয়েছে অনেক কুসংস্কার।
📄 ৭. জ্ঞান শিক্ষাদানকারীগণ নেতৃবর্গ পাপাচারী ও নাস্তিক
আর জ্ঞান শিক্ষাদানকারীদের মধ্যে প্রধান প্রধান ব্যক্তিগণ হলো পাপাচারী ও নাস্তিক। কেননা মুসলিম উম্মতকে জ্ঞান শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে তারা অজ্ঞতার অন্ধকারকে দূর করেন ও এমন মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেন, যারা যুগ পরস্পরাতে মাশাইখদের ইবাদত করে, যেই মাশাইখরা আল্লাহর বন্ধু হওয়া ও আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়া এবং সৃষ্টির জন্য আল্লাহ তা'আলার নিকটে সুপারিশ করার দাবী করে।