📄 ২৭. কবরের উপর আযান দেয়া
বেরেলভীগণ কুরআন, সুন্নাহ ও হানাফী ফিকহের বিপরীতে এত বেশি বিদআত রচনা করেছে যার কোনো দলীল-প্রমাণ সালফে সালেহীনদের মাঝে পাওয়া যায় না। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কবরে আযান দেওয়া। খাঁন সাহেব বেরেলভী লিখেছে: "কবরে আযান দেওয়াটা অধিক পছন্দনীয়। এটি মৃতব্যক্তিদেরকে উপকার করে।”
এবং "কবরে আযান দেওয়ার কারণে শয়তান দৌড়ে পালায় এবং রহমত নাযিল হয়। "
কিন্তু এমনকি হানাফী ফিকহেও এর স্পষ্ট বিরোধিতা পাওয়া যায়।
আল্লামা ইবনুল হুমাম বলেন: "কবরের উপর আযান দেওয়া এবং অন্যান্য বিদআত পালন করা ঠিক নয়। সুন্নাহ কেবল এটাই প্রমাণ করে যে, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জান্নাতুল বাকী' (বাকী'উল গারকাদ) যিয়ারত করতেন, তখন তিনি বলতেন: "আস্ সালামু আলাইকুম দা-রা ক্বওমিন মু'মিনীন .... শেষ পর্যন্ত।” এ ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই প্রমাণিত নয়। এসকল বিদআত হতে দূরে থাকা উচিত। "
ইমাম শামী বলেন: "আজকাল কবরে আযান দেওয়ার রীতি চালু হয়েছে। এর কোনো দালীল নেই, এটি বিদআত। "
মাহমুদ বালখী লিখেছেন: "কবরের উপর আযান দেওয়ার কোনো ভিত্তি নেই। "
টিকাঃ
[৪২০] ফতোয়া রিজভীয়্যাহ, বেরেলভী, ৪র্থ খণ্ড, পৃ-৫৪।
[৪২১] জা আল-হাক্ব, ১ম খণ্ড, পৃ-৩১৫।
[৪২২] ফতহুল কাদীর, ২য় খণ্ড, পৃ-২২।
[৪২৩] রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, পৃ-৬৫৯।
[৪২৪] জা আল-হাক্ব হতে উদ্ধৃত, পৃ-৩১৮।