📄 ১৪. ঈদে মিলাদুন্নবী সম্পর্কে কিছু কথা
মিলাদুন্নবী এর বিষয়টি হলো-৭ম হিজরী শতকের মুযাফফরুদ্দীন (আবু সাঈদ কুকুবুরী) নামক (ইরাকের ইরবিল প্রদেশের) এক শাসকের নব-উদ্ভাবন বা বিদআত, যে বিদআতকে প্রশ্রয় দান করতো।
"সে একজন শাসক ছিল যে মুক্ত হস্তে তার সম্পদ ব্যয় করতো এবং মিলাদুন নবী উদযাপন করতো। সে-ই হলো প্রথম ব্যক্তি যে মিলাদুন্নবী উদযাপন চালু করেছিল। "
আবার "সে প্রতিবছর এ বিদআত (মিলাদুন্নবী) উপলক্ষে প্রায় তিন লক্ষ দীনার ব্যয় করতো। "
আবার, তার সাথে ছিল একজন পথভ্রষ্ট আলিম উমর বিন ওয়াহিয়া যে একাজে তার সাথে যোগদান করেছিল। তাই শাসক তাকে উপঢৌকন হিসেবে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রা দান করেছিল।”
উমার বিন ওয়াহিয়া সম্পর্কে "আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া"তে এসেছে: "সে ছিল একজন মিথ্যুক, লোকেরা তার বর্ণনার উপর আমল করা পরিত্যাগ করেছিল এবং লোকজনের দৃষ্টিতে (একাজ) তাকে নিম্নস্তরে অবনমিত করে দিয়েছিল। "
ইমাম ইবনু হাজার রহিমাহুল্লাহ তার সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন যে, "সে ছিল অত্যন্ত মিথ্যাবাদী। সে হাদীস বানাতো/জাল করতো এবং তারপর সেগুলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর দিকে সম্বন্ধিত করতো। সে সালফে সালেহীনদের গালাগাল করতো। ইমাম ইসবাহানী তার সম্পর্কে একটি ঘটনা বর্ণনা করেছেন: একদিন সে আমার পিতার নিকট এলো এবং তার হাতে একটি জায়নামায ছিল। সে এটি চুমু খেলো এবং তার চোখে মুছল এবং বলল, “এই মুসাল্লা (জায়নামায) টি খুবই বরকতময়। আমি এর উপর অনেক নফল (সালাত) আদায় করেছি এবং বায়তুল্লাহতে এর উপর বসে বহুবার কুরআন খতম করেছি।”
আরেকটি ঘটনা ঘটলো: "সেইদিনই একজন ব্যবসায়ী আমার পিতার সাথে সাক্ষাত করতে এলো এবং বলল, আপনার অতিথি আমার নিকট থেকে একটি অতি মূল্যবান জায়নামায ক্রয় করেছে।' আমার পিতা উমার বিন দেহিয়া কর্তৃক আনীত সেই জায়নামাযটি তাকে দেখালো এবং সে বলল: 'এ হলো সেই জায়নামায যা সে তার নিকট হতে ক্রয় করেছিল। এর জন্য আমার পিতা উমর বিন দেহিয়াকে তিরস্কার করেছিল এবং তার বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল। "
এ হলো সেই লোক যে মিলাদের বিদআতে শাসকের সঙ্গী হয়েছিল। মিলাদ শুরু হয়েছিল কেবল খৃষ্টানদের অনুকরণে এবং এর সাথে ইসলামী শরীয়াতের কোনো সম্পর্ক নেই।
মিলাদ মাহফিলে বেরেলভীরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে রচিত আনাশীদ আবৃত্তির সময় দাঁড়িয়ে যায়, কারণ তাদের আকীদা হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাহফিলে উপস্থিত হন।
অনেক সময় বেরেলভীগণ কবিতার এ লাইনটি আবৃত্তি করে:
"প্রতি শ্বাস-প্রশ্বাসে দরুদ পড়,
রাসূল এখানে আমাদের সাথে উপস্থিত।"
এক বেরেলভী লিখেছে: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে রচিত কবিতা পাঠের সময় দাঁড়ানো বা কিয়াম করা ওয়াজিব।”
কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন:
مَنْ أَحَب أَنْ يَمْثُلَ لَهُ الرِّجَالُ قِيামاً، فَلْيَتَبوأ مقعده مِن النَّারِ.
“যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, লোকেরা তার জন্য মূর্তির মত দাঁড়াক, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসস্থল বানিয়ে নেয়।" (সুনানে আবু দাউদ, হা/৫২২৯, আলবানী, সহীহ আবু দাউদ; জামিউত তিরমিযী, হা/২৭৫৫; মেশকাত হা/৪৬৯৯। হাদীসটি সহীহ)।
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:
لم يكن شخص أحب إليهم من رسول الله صلى الله عليه وسلم وكانوا إذا رأوه لم يقوموا لما يعلمون من كراهيته لذلك .
তাঁদের (সাহাবীগণের) নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর চেয়ে কোনো ব্যক্তিই অধিক প্রিয় ছিল না। অথচ তারা যখন তাকে দেখতেন তখন তাঁরা দাঁড়াতেন না। কেননা, তাঁরা জানতেন যে, তা তিনি পছন্দ করেননি।” (তিরমিযী, হা/২৭৫৪; মেশকাত, হা/৪৬৯৮; হাদীসটি সহীহ)।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর মৃত্যু দিবসে জন্মদিন (মীলাদ) পালন করে। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ১২ই রবিউল আউয়াল মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জন্ম তারিখ ৯ই রবিউল আউয়াল যা নতুন পঞ্জিকা দ্বারা প্রমাণিত। আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো, মাত্র কয়েক বছর আগে তারা এদিনকে "বারোই ওয়াফাত” বলতো, কিন্তু এখন তারাই একে "ঈদে মিলাদুন্নবী” তে পরিণত করেছে।
টিকাঃ
[৩৭৫] আল কওলুল মুতামিল ফী আমালিল মাওলিদ, আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল মিশরী।
[৩৭৬] দাওয়ালাল ইসলাম, ইমাম যাহাবী।
[৩৭৭] আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ইমাম ইবনু কাছীর, ১৩শ খণ্ড, পৃ-১৪৪।
[৩৭৮] প্রাগুক্ত, পৃ-১৪৫।
[৩৭৯] লিসানুল মীযান, ইমাম ইবনু হাজার আসকালানী, ৪র্থ খণ্ড, পৃ-২৯৬।
📄 ১৫. খাদ্যের বিষয়
মৃতের ওয়ারিশদের নিকট হতে মৃত্যুর তৃতীয় দিনে, সপ্তম দিনে, ১০ম দিনে ও অন্যান্য দিন উপলক্ষ্যে খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করা বিদআত। কারণ তা ইসলামের সুদীর্ঘ সোনালী যুগের কারো থেকে প্রমাণিত নয়। না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে এসবের কোনো দলীল প্রমাণ আছে, আর না সাহাবীদের থেকে, আর না তাবেঈ ইমাম, মুহাদ্দিস ও ফকীহদের কারো থেকে। নিশ্চয় এটা হারাম ও নিষিদ্ধ হানাফী ফিকহের কিতাবসমূহে, যদিও তারা দাবি করে তারা হানাফী। আসলে এসকল লোকেরা হানাফী নয়, কারণ তাদের দাবি মিথ্যা, তারা হানাফী ফিকহের অনুসরণ তারা করে না, তাদের নিজস্ব ফিকাহ রয়েছে তারা যার অনুসরণ করে। মূলত তারা হানাফী মাযহাব হতে বের হয়ে গেছে। অথচ মুকাল্লিদ কখনো ইমামের কথার বিরোধীতা করে না এবং মাযহাব থেকেও বের হয় না। এসব বিষয়ে হানাফী ফকীহদের মতামত হলো: মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে ইসলাম নিয়ে এসেছেন তাতে এগুলো নেই, বরং তা এসেছে অগ্নিপূজক, খ্রিষ্টান ও হিন্দুদের নিকট থেকে।
হানাফী ফিকহের ইমাম মোল্লা আলী কারী আল হানাফী বলেন, "আমাদের মাযহাবের আলেমগণের মাঝে ইজমা (ঐক্যমত) হয়েছে যে, ৩য়া বা ৭মী (পালন/উদযাপন) জায়েয নয়। "
ইবনু বায্যায আল হানাফী বলেন: “৩য়া এবং ৭মী ইত্যাদি (পালন) মাকরূহ। অনুরূপ কল্যাণ (সওয়াব) লাভের উদ্দেশ্যে খাওয়া-দাওয়ার জন্য কোনো দিন নির্ধারণ করা এবং খতম দেওয়া (বা দেওয়ানো উভয়ই) মাকরূহ। "
কিন্তু বেরেলভীগণ কোনো লোকের মৃত্যুর পর তার কবরে 'কুল (খানী)' এবং এছাড়াও অন্যান্য বিষয়গুলো উদ্যাপন করা বাধ্যতামূলক মনে করে এবং সওয়াবের জন্য নিজেদের খানা-পিনার আয়োজন করে।
১১শী (যাকে তারা 'এগারো শরীফ' বলে) সম্পর্কে বেরেলভীদের আকীদা হলো: "যদি ১১শ দিনে নির্দিষ্ট অংকের (অর্থ) দ্বারা ফাতিহা অনুষ্ঠান কায়েম করা হয়, তবে বাড়িতে বরকত নাযিল হবে।" 'ইয়াযিদা মাজালিস' বইতে লেখা হয়েছে যে, “হযরত গাওস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম - এর দ্বাদশ দিবসের অর্থাৎ মিলাদের (জন্মের) ১২শ দিবসের নিয়মিত উদযাপনকারী ছিলেন। একদিন মালিক স্বপ্নে তাকে বলেন: হে আব্দুল কাদির! তুমি ১২শ দিবসে আমাকে স্মরণ করেছো, আমি তোমাকে একাদশী (১১ শরীফ) দিলাম। অর্থাৎ লোকজন তোমাকে একাদশী বা ১১ শরীফে তোমাকে স্মরন করবে। এ হলো মালিকের দান হতে একটি দান/অনুগ্রহ।
এ হলো একাদশী (তাদের ১১ শরীফ) এবং 'ইয়াযিদাহ মাজালিস' হতে তার 'কীর্তিমান' দলীল। কে জানে, অনুগ্রহ লাভের জন্য কতগুলো দিন তারা নির্ধারণ করেছে! বেরেলভীদের মাঝে বৃহস্পতিবারের (হালুয়া) রুটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত, কারণ "বৃহস্পতিবারে নেককারগণের রূহ তাদের বাড়িতে ফিরে আসে এবং দরজায় দাঁড়ায় এবং করুণ আর্তনাদের সাথে কান্নাকাটি করে (বলে): হে আমার আহলে বাইত (পরিবার-পরিজন)! হে আমার প্রিয়জন! দান-সদকার মাধ্যমে আমার প্রতি অনুগ্রহ কর।' তাই বৃহস্পতিবারের মৃতদের রূহ তার বাড়িতে আসে এবং দেখে তার পক্ষ হতে দান-সদকা করা হচ্ছে কি-না।"
শুধু বৃহস্পতিবারেই রূহগুলো আসে এবং দান-সদকা করার জন্য বলে, তা-ই নয়, বরং "রূহসমূহ ঈদের দিনে, মহিমান্বিত জুমার দিনে, আশুরার দিনে এবং (শবে) বারাআতের রাতেও আসে এবং দান-সদকা কামনা করে।"
টিকাঃ
[৩৮০] মিরকাত শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ, ৫ম খণ্ড, পৃ.-৪৮৬।
[৩৮১] কিছু ভাড়াটে দিয়ে কুরআন পাঠ (ও মৃত ব্যক্তির উপর তার সওয়াব পৌঁছানো)।
[৩৮২] ফতোয়া বায্যাযিয়া, ৪র্থ খণ্ড, পৃ-৮১।
[৩৮৩] মালিক: লেখক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বুঝিয়েছে।
[৩৮৪] জা আল-হাক্ব, ১ম খণ্ড, পৃ-২৭০।
[৩৮৫] রিসালাহ ইতিয়্যান আল আরওয়াহ দার মাজমু'আহ, ২য় খণ্ড, পৃ-২৯; জা আল-হাক্ব, ১ম খণ্ড, পৃ-২৬২।
[৩৮৬] রিসালাহ ইতিয়্যান আল আরওয়াহ দার মাজমু'আহ, পৃ-৭০।
📄 ১৬. কুরআন পাঠের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা
তাই তারা সবাই একসাথে কোনো ধনী-সম্পদশালীর বাড়িতে জমায়েত হয়, কুরআন খতম করে এবং এর সওয়াব মৃত ব্যক্তিকে দান করে (পৌঁছায়)। ধনী লোকটি খুশী হয় যে, কিছু টাকা-পয়সা ব্যয় করে মৃত ব্যক্তি (যার জন্য এ আয়োজন করা হয়) (পাপ থেকে) মুক্ত হয় (বা নাজাত/মুক্তি লাভ করে)। আর এ লোকগুলো খুশী হয় যে, কিছু সময় ব্যয় করার মাধ্যমে তারা বিভিন্ন প্রকার খাবার-দাবার পায় এবং তাদের পকেটও ভর্তি হয়। কিন্তু হানাফী ফিকাহবিদগণ পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যে, "যে ব্যক্তি মজুরীর বিনিময়ে কুরআন খতম করে, সে (নিজেই) কোনো সওয়াব লাভ করবে না, তাহলে কিভাবে সে তা (সওয়াব) মৃত ব্যক্তির নিকট পৌঁছাবে (যার জন্য খতম পড়া হচ্ছে)?”
আল্লামা আইনী বলেন: “যে এভাবে কুরআন খতমের জন্য অর্থ/ মজুরী গ্রহণ করে এবং যে দেয়, তারা উভয়ে পাপী। এভাবে এটি জায়েয নয়।”
এটি করা কোনো মাযহাবেই জায়েয নয়। এ আমলের জন্য কোনোই সওয়াব নেই। "
ইমাম শাফিঈ উল্লেখ করেছেন: “অর্থের বিনিময়ে কুরআন পাঠ এবং মৃতব্যক্তিকে এর সওয়াব প্রদান কারো থেকেই প্রমাণিত নয়। যখন কেউ অর্থের বিনিময়ে তেলাওয়াত করে, তখন সে নিজেই এর সওয়াব পায় না। সুতরাং মৃত ব্যক্তিকে সে কিভাবে তা দান করবে?” আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَلَا تَشْتَرُوا بِنَايَتِي ثَمَنًا قَلِيلًا وَإِيَّيَ فَاتَّقُونِ
“সামান্য অর্থের বিনিময়ে আমার আয়াতকে বিক্রি করো না।” (সূরা আল বাকারা ২: ৪১) মুফাসসিরগণ বলেন: "এর অর্থ এর জন্য বিনিময়ে কোনো অর্থ-কড়ি গ্রহণ করোনা।"
"শরহে আকীদা আত তাহাবীয়্যাহ"-তে উল্লেখ করা হয়েছে: "সালফে সালেহীনদের কারো থেকেই এটা প্রমাণিত নয় যে, কিছু লোক অর্থের বিনিময়ে কুরআন খতম করবে এবং তারপর এর সওয়াব মৃত ব্যক্তিকে দান করা (পৌঁছানো) হবে; এ ভাবে মৃত ব্যক্তির নিকট কোনো সওয়াব পৌঁছে না। এটা হলো তেমনই যেমন কোনো ব্যক্তি কাউকে নফল সালাত পড়ার জন্য টাকা দেয় এবং সে এর সওয়াব কোনো মৃত ব্যক্তিকে দান করে। এর মধ্যে কোনো ফায়দা নেই। যদি কোনো ব্যক্তি ওয়াসীয়াত করে যায় যে, তার সম্পদের একটি অংশ সেসব মজুরী হিসেবে দান করতে হবে যারা তাদের কুরআন তিলাওয়াতের (খতমের) সওয়াব তাকে প্রদান করবে, তবে সেই ওয়াসীয়াত বাতিল। "
টিকাঃ
[৩৮৭] শারহুদ দিরায়াহ, মাহমুদ বিন আহমাদ আল হানাফী।
[৩৮৮] আল বিদায়া শরহে হিদায়া, ৩য় খণ্ড, পৃ-২৫৫।
[৩৮৯] মাজমুআ' রাসাইল, ইবনু আবেদীন শামী, পৃ-১৭৩-১৭৪।
[৩৯০] প্রাগুক্ত, পৃ-১৭৫।
[৩৯১] শরহে আকীদা আত তাহাবী, আবিল ইয্য হানাফী, পৃ-৫১৭।
📄 ১৭. কবর যিয়ারত ও বরকত হাসিল (তাবাররুকাত) করা
যেকোনোভাবে ব্যক্তিগত আশা-আকাংখা পূরণের সাথে এই বিদআতটির সম্পর্ক থাকতে পারে, কিন্তু দীন ও শরীয়াতের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। বেরেলভীগণ অর্থ-সম্পদ কামানোর উপায় হিসেবে "তাবাররুকাত” (বরকত হাসিল) -এর একটি বিদআত চালু করেছে যেন জুব্বা ও পাগড়ী প্রদর্শনীর মাধ্যমে পার্থিব সম্পদ আহরণ করা যায়।