📘 বেরেলভী মতবাদ আকীদাবিম্বাস ও ইতিহাস 📄 বেরেলভীদের ‘নূরে মুহাম্মদী’ আকীদার বর্ণনা

📄 বেরেলভীদের ‘নূরে মুহাম্মদী’ আকীদার বর্ণনা


প্রত্যাখ্যানকারীদের আকীদার সম্পূর্ণ বিপরীতে এ হলো কুরআনের ও 'রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শিক্ষা। বেরেলভীগণ নবী রাসূলগণের নবুওয়াত ও রিসালাত অস্বীকার করতে পারেনি। কিন্তু কাফের- মুশরিকদের অনুসরণে তারা তাদের 'মানবত্ব' কে অস্বীকার করেছে। “মানব সত্তা রিসালাতের অযোগ্য' এ কথা মানবের প্রতি একটি বিদ্রূপ এবং একথা বিশ্বাস করলে 'মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত' বা সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি' এ কথা বিশ্বাস করা অনর্থক হয়ে যায়। তখন এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক হয়ে যায় যে, মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত- সৃষ্টির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ' আবার একই সময়ে সে রিসালাতের অযোগ্য। কিন্তু যেহেতু বেরেলভী মতবাদ এমন সব আকীদা- বিশ্বাসের মিশ্রণের নাম যেগুলো বিকৃত এবং স্বাভাবিকতার বিপরীত, যা সাধারণ লোকের বোধগম্যের সীমার উর্দ্ধে। আপনি সাধারণত এ সকল আকীদা তাদের অনুসারীদের মাঝেই পাবেন। এটিও ঐ সকল আকীদা-বিশ্বাসের অন্যতম। বেরেলভীগণ 'রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আল্লাহর নূরের একটি অংশ বিশেষ মনে করে।

বেরেলভীদের এক ইমাম লিখেছে: "রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর নূর হতে এবং সকল সৃষ্টি তাঁর (রাসূলের) নূর হতে।”

বেরেলভী মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা, জনাব বেরেলভী নিজেও অনেকগুলো গবেষণামূলক ছোট গ্রন্থ লিখেছে, যাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর 'মানবত্ব' কে অস্বীকার করা হয়েছে।
‘الصلوة الصفا في نور المصطفي’ ভাঙ্গা আরবীতে যা লিখেছে তা অদ্ভুত ও অবোধ্য। যার অর্থ দাঁড়ায় এরকম- “হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। তুমি নূরসমূহের নূর। নূরসমূহের প্রথম এবং সর্বশেষ নূর। হে মহান সত্তা যার জন্য নূর, যার সাথে নূর, যার থেকে নূর, যার দিকে নূর এবং যে নিজে নূর। সালাত ও সালাম পাঠাও সেই উজ্জ্বল নূরের প্রতি যাকে তোমার নূর হতে সৃষ্টি করেছ, অতঃপর তাঁর নূর হতে বাকী সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেছো এবং সালাম প্রেরণ কর তাঁর নূরের আলোকচ্ছটা-এর প্রতি, তাঁর সকল আসহাব এবং তাঁর চন্দ্রসমূহের প্রতি।”

এ অযৌক্তিক ও সুদূর পরাহত খুতবার পর, আরেকটি মিথ্যা কাহিনীর দ্বারা সে যুক্তি দিয়েছে, “হাফিজ আব্দুর রায্যাক এর প্রতি সমন্বিত করে সে লিখেছে যে, তিনি তার 'আল-মুসান্নাফ' এ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন, যদিও তা সেখানে নেই, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাবির (রাঃ)-কে বলেন,
"নিশ্চয় অন্যান্য সৃষ্টির পূর্বে আল্লাহ সর্ব প্রথম তোমার নবীর নূর সৃষ্টি করেন। নবীর নূর কে আল্লাহ তাঁর কুদরতী শক্তিতে যেখানে ইচ্ছা রূপান্তরিত করেছেন। তখন, লাওহ, কলম, জান্নাত, জাহান্নাম, ফেরেশতা, আসমান-যমীন, চন্দ্র, সূর্য, মানব কোনোকিছুই সৃষ্টি করেননি। যখন আল্লাহ সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করার ইচ্ছা করেন, তখন তিনি তাঁর নূরকে চারভাগে ভাগ করলেন। ১ম ভাগ দিয়ে কলম, ২য় ভাগ দিয়ে লাওহ, ৩য় ভাগ দিয়ে আরশ এবং ৪র্থ ভাগ কে আরও চারটি ভাগে ভাগ করলেন...। "

এ জাল হাদীস উল্লেখ করার পর সে লিখেছে, "উম্মাহ এ হাদীসকে গ্রহণ করেছে এবং উম্মাহর গ্রহণ এমন একটি মহান বিষয় যার পরে সনদের আর প্রয়োজন নেই, বরং যদিও এর সনদ দূর্বল, তবু এটা কোনো ব্যাপার নয়।”

'এ উম্মাহ' দ্বারা জনাব বেরেলভী কোনো উম্মাহ কে বুঝিয়েছেন? যদি সে 'উম্মাহ' দ্বারা তাদের মত পথভ্রষ্ট ও বাতিল লোকদের বুঝিয়ে থাকে, তবে তা গ্রহণীয়। কিন্তু যদি এর দ্বারা সে আলিম ও হাদীসে পারদর্শী মুহাদ্দিসীনে কেরামকে বুঝিয়ে থাকে, তবে তা প্রমাণীত নয় যে, এ হাদীসকে তারা গ্রহণ করেছেন। আর এ কথা কে (বা কোনো উসুলে হাদীসে) বলেছে যে, কোনো হাদীস উম্মাহ্ গ্রহণ করলেই তার সনদ যাচাইয়ের প্রয়োজন নেই?

এ বর্ণনা কুরআন, সুন্নাহর নির্দেশের বিরোধী এবং (সীরাত গ্রন্থাবলির) সকল ঘটনাবলি ও বর্ণনা এ ইসলাম বিরোধী ও অযৌক্তিক আকীদাকে খণ্ডন করে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্যান্য লোকদের মত পিতা আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুত্তালিবের ঘরে আমিনার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন, তারই কোলে লালিত পালিত হন, হালিমার দুগ্ধ পান করেন, আবু তালিবের গৃহে বড় হন, খাদিজা, হাফসা, আয়শা ও অন্যান্যদের বিবাহ করেন।

অতঃপর মক্কায় যৌবন অতিবাহিত করেন, মদীনায় হিজরত করেন। তাঁর ঔরসে তাঁর ছেলে ইবরাহীম, কাসিম, তায়্যিব, তাহির এবং কন্যাগণ- জয়নাব, রুকাইয়া, উম্মে কুলসুম, ফাতিমা জন্মগ্রহণ করেন। আবু বাকর, আবু সুফিয়ান তাঁর শ্বশুর এবং আবুল আস, উসমান, আলী (রাঃ) তাঁর জামাতা ছিলেন। হামযাহ্, আব্বাস তাঁর চাচা ছিলেন এবং সাফিয়্যা আরাবী তাঁর ফুফু এবং আরো অনেক আত্মীয় স্বজন ছিল।

এ সব কিছু সত্ত্বেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর মানবত্বকে অস্বীকার করা কী অদ্ভুত ও অযৌক্তিক!

আসলে বেরেলভী মতবাদ জাহেলী মিশ্রিত হওয়া ছাড়াও শিয়া ও বাতিনিয়্যাহ ফিরকার আকীদা দ্বারা মারাত্মকভাবে প্রভাবিত। অদ্ভুত অপব্যাখ্যা, মৃত্যুর পর আত্মার অন্যদেহে গমন এবং পুনর্জন্মবাদ/ জন্মান্তরবাদ -এসব এসেছে ইহুদীদের থেকে এবং গ্রীক দর্শন থেকে এবং পরবর্তীতে তা সুফীবাদে এবং এ বেরেলভী মতবাদে এসেছে। এখন তাদের লিখনী ও বর্ণনা শুনুন,
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর সম্পর্কে তারা লিখেছে, অর্থাৎ আদম, হাওয়া, জিন, মানব, আরশ, কুরসী সবকিছু মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর নূরের অংশ। এ আকীদায় বাতিনিয়্যাহ (শিয়া) ও গ্রীকদর্শনের স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

জনাব বেরেলভী বলে, “ফেরেশতাগণ নবীর নূর হতে সৃষ্ট কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ আমার নূর হতে সকল কিছু সৃষ্টি করেছেন।”

সে আরও লিখেছে: "সৃষ্টির সময় একটি মাত্র সত্তা ছিল, মুস্তফা এবং সকল কিছুর উপর তার (নূরের) প্রতিবিম্বের ফলে তারা অস্তিত্ব লাভ করে। বিশ্বে আহমাদের নূর সুর্যের মত উজ্জ্বল এবং পূরো বিশ্ব জগৎ-ই তার আয়না স্বরূপ, আর সৃষ্টিকুলের মধ্যে আহমাদের নূর হলো সূর্য এবং সকল জিনিসই তার স্বচ্ছ আয়না (প্রতিফলক)। "

এ বর্ণনার প্রত্যেকটি শব্দ স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, এ আকীদা গ্রীক দার্শনিক আকীদা হতে গৃহীত এবং এটি এক প্রকারের ওয়াহদাতুল ওজুদের আকীদা। এর সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।

জনাব বেরেলভী সাহেবের আরেকটি বর্ণনা শুনুন: “প্রাথমিকভাবে (সৃষ্টির সময়) নূর জগত এমনভাবে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর নূরের মুখাপেক্ষী ছিল যে, যদি তিনি না হতেন, তবে কিছুই হতো না। সকল কিছুই আপন আপন অস্তিত্বের জন্য তাঁর মুখাপেক্ষী। যদি আজকেও (তাদের ভেতর থেকে) তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তৎক্ষণাৎ সকল বিশ্বজগৎ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। যখন তিনি ছিলেন না, তখন কিছুই ছিল না এবং যদি তিনি না থাকেন, তবে কিছুই থাকবে না।”

চিন্তা করুন এ সকল আকীদা-বিশ্বাস কুরআনের বর্ণনা থেকে কত দূরে! কুরআনে এমন কোনো আয়াত নেই যেখানে এ ধরনের বাতিনী বর্ণনা, দার্শনিক ধ্যাণ-ধারণা ও মতবাদ বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু আপনি যদি (বেরেলভীগণ থেকে) এ ধরনের আকীদাকে সরিয়ে দেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে এ বেরেলভী মতবাদের পুরো কাঠামোই ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে।

আহমাদ রেযা খাঁন অপর একটি বইয়ের ভূমিকায় লিখেছে:” সকল প্রশংসা তারই জন্য যিনি সকল সৃষ্টির পূর্বে নবীর নূর (নূরে মুহাম্মদী) সৃষ্টি করেছিলেন। অতঃপর তিনি তাঁর মাজাহির (অবতার/প্রকাশস্থল)-এর প্রতিবিম্ব হতে 'মাকামে আনওয়ার' (নূরসমূহের স্থান) সৃষ্টি করেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরসমূহের মধ্যে একটি নূর। চন্দ্র-সূর্য তাঁর কাছ থেকে আলো (নূর) গ্রহণ করেছে, এজন্য আল্লাহ তাঁকে 'নূর' ও 'সিরাজুম মুনীর' বলেছেন। তিনি যদি সেখানে না থাকতেন তবে সূর্য আলো দিতো না। দিন-রাতের মাঝে কোনো পার্থক্য থাকতো না এবং সালাতের ওয়াক্তসমূহ জানা যেতো না।"

লক্ষ্য করুন কিভাবে শব্দের অর্থ বিকৃতিকে এ আকীদার ভিত্তি বানানো হয়েছে। আবারও উদ্ধৃত করেছে, "মাটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর ছায়া পড়তোনা এবং তিনি ছিলেন পুরো নূর। তিনি যখন রোদে অথবা চাঁদের আলোয় হাঁটতেন, তখন তাঁর ছায়া দেখা যেতো না।”

তার কবিতার কিছু পংক্তি শুনুন: “আপনি নূরের ছায়া আপনার সর্বাংশই নূর ছায়ার কোনো ছায়া নেই, আর নূরেরও কোনো ছায়া নেই। আপনার পবিত্র বংশের প্রত্যেক শিশুই নূর হতে (সৃষ্টি) আপনি পুরো নূর এবং আপনার পুরো পরিবারই নূর হতে।”

অর্থাৎ তারা শুধু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর মানবত্ব কেই অস্বীকার করেনি, বরং তাঁর সকল সন্তানকেই নূর হতে সৃষ্ট বলে ঘোষণা দিয়েছে।

এ সকল বাতিনী আকীদার কারণে পুনর্জন্মবাদ/জন্মান্তরবাদের আকীদা তাদের মধ্যে প্রবেশ করেছে এবং এর ভিত্তিতে ইসলামী আকীদায় ইহুদী ও খৃষ্টানদের আকীদা প্রবেশ করানোর মাধ্যমে সে দীন ইসলামকেই ব্যঙ্গ করেছে।

এক বেরেলভী কবি লিখেছে, "এক সত্তা যিনি আরশের উপর সমুন্নত খোদা হিসেবে, (তিনিই) মদীনায় এলেন মুস্তফা হিসেবে।”

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মানবীয় গুণাবলি বর্ণনা করার পর 'নূর' হিসেবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কেউ অনুধাবন করতে পারবে না। এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝার বাধগম্যতার অতীত, তা স্বীকার করে বেরেলভীর এক অনুসারী লিখেছে:
“আল্লাহ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রকৃতিকে 'নূর' হিসেবে বর্ণনা করেননি এবং আমরা এটি বুঝতেও পারি না। সুতরাং কোনো ভাবনা-চিন্তা বা বুঝ (এর চেষ্টা) ছাড়াই এতে ঈমান রাখা অপরিহার্য।”

অর্থাৎ বুদ্ধিমত্তা, বোধশক্তি, চিন্তা-ভাবনা বা বিচার-বিবেচনা/আকল ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ এ ব্যাপারে যদি একটু চিন্তা-ভাবনা করা যায় তবে বেরেলভী মতবাদের পুরো কাঠামোই ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। একে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখতে চিন্তা-ভাবনা ও আকল বা বিচার-বিবেচনার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা বেরেলভী মতবাদের জন্য অপরিহার্য বিষয়।

কুরআনের আয়াতের (অর্থ) পুরোপুরি বিকৃত করে বেরেলভীগণ লিখেছে, “কুল' শব্দটি থেকে যা বুঝা যায়, তা হলো কেবল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্য একথা বলা জায়েয যে, 'বাশারুম মিছলুকুম' (তোমাদের মতই মানুষ)। "

এখন একথা তাকে কে বলবে যে, 'কুল' শব্দটি এ আয়াতেও এসেছে, قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّথْلُكُمْ يُوحَىٰ إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ - “ইন্নামা ইলাহুকুম ইলাহু ওয়াহিদ” (অর্থাৎ-তোমাদের ইলাহই একক ইলাহ")। সুতরাং এর দ্বারা কি এ কথা বুঝাবে যে, তোমার ইলাহ একক ইলাহ' একথা কেবল নবীর জন্যই খাস?

তারা বলে, "বাশার' (মানব) বলা কাফিরদের কথা। "

যদি তা-ই হয় (আউযুবিল্লাহি মিনহা), তবে ইমাম বুখারী (ও অন্যান্যরা) বর্ণিত এ হাদীসের অর্থ কি যেখানে আয়েশা (ও অন্যান্য সাহাবীগণ (রাঃ)) বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 'বাশার' মানুষ ছিলেন। "

আল্লাহ এ ভ্রান্ত ও বাতিল আকীদা-বিশ্বাস থেকে আমাদেরকে রক্ষা করুন। আমীন।

টিকাঃ
[২৯০] প্রাগুক্ত, পৃ-৮৫
[২৯১] ফতোয়া নাঈমিয়্যাহ, পৃ-৩৭
[২৯২] সালাতুস সফা ফী নূরুল মুস্তফা ফী মাজমু' রাসাইল, পৃ-২৩।
[২৯৩] প্রাগুক্ত, পৃ-৩৩।
[২৯৪] সালাতুস সফা ফী নূরুল মুস্তফা ফী মাজমু' রাসাইল, পৃ-২৩।
[২৯৫] সালাতুস সফা ফী নূরুল মুস্তফা ফী মাজমু' রাসাইল, ১ম খণ্ড, পৃ-৩৭
[২৯৬] সালাতুস সফা ফী নূরুল মুস্তফা ফী মাজমু' রাসাইল, ১ম খণ্ড, পৃ-২০।
[২৯৭] প্রাগুক্ত。
[২৯৮] ফী মাজমু' রাসাইল, পৃ-১৯৯。
[২৯৯] প্রাগুক্ত, পৃ- ২০২。
[৩০০] মান হুয়া আহমাদ রেযা বেরেলভী আল-হিন্দীয়্যাহ, সুজাআত আলী বেরেলভী, পৃ-৩৯。
[৩০১] মুওয়ায়েজ নাঈমিয়‍্যাহ, আহমাদ ইয়ার গুজরাটী, পৃ-১১৫。
[৩০২] ফতোয়া রিযভীয়‍্যাহ, আহমাদ রেযা, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ-১৪৩; মুওয়ায়েজ নাঈমিয়্যাহ, পৃ-১১৫
[৩০৩] এ হাদীসসমূহ আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি।

ফন্ট সাইজ
15px
17px