📘 বেরেলভী মতবাদ আকীদাবিম্বাস ও ইতিহাস 📄 কুরআন ও হাদীসে এ ভ্রান্ত আকীদার খণ্ডন

📄 কুরআন ও হাদীসে এ ভ্রান্ত আকীদার খণ্ডন


যতদূর সম্ভব এ সংক্রান্ত কুরআনের আয়াতসমূহ এবং হাদীসের নির্দেশাবলি উল্লেখ করছি যার দ্বারা এ ধরনের আকীদা-বিশ্বাস পরিষ্কারভাবে খণ্ডন করা হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন,

وَلِلَّهِ غَيْبُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا أَمْرُ السَّاعَةِ إِلَّا كَلَمْহِ الْبَصَرِ أَوْ هُوَ أَقْرَبُ إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
"আর আসমানসমূহ ও যমীনে গায়েবী বিষয় আল্লাহরই। আর কিয়ামতের ব্যাপারটি শুধু চোখের পলকের ন্যায়। কিংবা তা আরো নিকটবর্তী। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।” (সূরা নাহল ১৬: ৭৭)

আল্লাহ তা'আলা বলেন,
قُلِ اللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا لَبِثُوا لَهُ غَيْبُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ أَبْصِرْ بِهِ، وَأَسْمِعْ مَا لَهُم مِّن دُونِهِ مِن وَلِي وَلَا يُشْرِكُ فِي حُكْمِهِ أَحَدًا
"বল, 'তারা যে সময়টুকু অবস্থান করেছিল, সে ব্যাপারে আল্লাহই অধিক জানেন'। আসমানসমূহ ও যমীনের গায়েবী বিষয় তাঁরই। এ ব্যাপারে তিনিই উত্তম দ্রষ্টা ও উত্তম শ্রোতা। তিনি ছাড়া তাদের কোনো অভিভাবক নেই। তাঁর সিদ্ধান্তে তিনি কাউকে শরীক করেন না।” (সূরা আল কাহফ ১৮: ২৬)

আল্লাহ তা'আলা বলেন,
إِنَّ اللَّهَ عَلِمُ غَيْبِ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ إِنَّهُ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ
“নিশ্চয় আল্লাহ আসমানসমূহ ও যমীনের গায়েবী বিষয়ের জ্ঞানী, অন্তরসমূহে যা রয়েছে সে বিষয়েও তিনি সবিশেষ অবগত।” (সূরা ফাতির ৩৫: ৩৮)। আল্লাহ তা'আলা বলেন,

يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِهِ عِلْمًا
"তিনি তাদের আগের ও পরের সব কিছুই জানেন, কিন্তু তারা জ্ঞান দিয়ে তাঁকে বেষ্টন করতে পারবে না।" (সূরা ত্ব-হা ২০: ১১০)

আল্লাহ তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নির্দেশ দিচ্ছেন লোকদেরকে বলতে,
قُل لَّا أَمْلِكُ لِنَفْسِي نَفْعًا وَلَا ضَرًّا إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ وَلَوْ كُنتُ أَعْلَمُ الْغَيْبَ لَاسْتَكْথَرْتُ مِنَ الْخَيْرِ وَمَا مَسَّنِيَ السُّوءُ إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ وَبَشِيرٌ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ
"বল, 'আমি আমার নিজের কোনো উপকার ও ক্ষতির ক্ষমতা রাখি না, তবে আল্লাহ যা চান। আর আমি যদি গায়েব জানতাম তাহলে অধিক কল্যাণ লাভ করতাম এবং আমাকে কোনো ক্ষতি স্পর্শ করতো না। আমিতো একজন সতর্ককারী ও সুসংবাদদাতা এমন কওমের জন্য, যারা বিশ্বাস করে'। “(সূরা আ'রাফ ৭: ১৮৮)

قُل لَّا أَقُولُ لَكُمْ عِندِي خَزَايِنُ اللهِ وَلَا أَعْلَمُ الْغَيْبَ وَلَا أَقُولُ لَكُمْ إِنِّي مَلَكَ إِنْ أَتَّبِعُ إِلَّا مَا يُوحَى إِلَى قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الْأَعْمَى وَالْبَصِيرُ أَفَلَا تَتَفَكَّرُونَ
"বল, 'তোমাদেরকে আমি বলি না, আমার কাছে আল্লাহর ভাণ্ডারসমূহ রয়েছে এবং আমি গায়েব জানি না এবং তোমাদেরকে বলি না যে, নিশ্চয় আমি ফেরেশতা। আমি কেবল তাই অনুসরণ করি যা আমার কাছে ওহী প্রেরণ করা হয়'। বল, 'অন্ধ আর চক্ষুষ্মান কি সমান হতে পারে? অতএব তোমরা কি চিন্তা করবে না'?" (সূরা আল আনআম ৬: ৫০)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে সতর্ক করে এবং 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে গায়েবের খবর জানতেন না' সে ব্যাপারে তাঁর উম্মাতকে জানাতে গিয়ে আল্লাহ তা'আলা বলেন,
يَأَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ تَبْتَغِي مَرْضَاتَ أَزْوَاجِكَ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
“হে নবী, আল্লাহ তোমার জন্য যা হালাল করেছেন তোমার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি কামনায় তুমি কেন তা হারাম করছ? আর আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (সূরা আত তাহরীম ৬৬ : ১)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর গায়েবের জ্ঞান থাকাকে আল্লাহ অস্বীকার করেছেন নিম্নোক্ত আয়াতে:
وَمِمَّنْ حَوْلَكُم مِّنَ الْأَعْرَابِ مُنَافِقُونَ وَمِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ مَرَدُوا عَلَى النِّفَاقِ لَا تَعْلَمُهُمْ نَحْنُ نَعْلَمُهُمْ سَنُعَذِّبُهُم مَّرَّتَيْنِ ثُمَّ يُرَدُّونَ إِلَى عَذَابٍ عَظِيمٍ
"আর তোমাদের আশপাশের মরুবাসীদের মধ্যে কিছু লোক মুনাফিক এবং মদীনাবাসীদের মধ্যেও কিছু লোক অতিমাত্রায় মুনাফিকীতে লিপ্ত আছে। তুমি তাদেরকে জান না। আমি তাদেরকে জানি। অচিরে আমি তাদেরকে দু'বার আযাব দেব তারপর তাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে মহাআযাবের দিকে।" (সূরা আত তাওবা ৯: ১০১)। আল্লাহ তা'আলা বলেন,

عَفَا اللَّهُ عَنكَ لِمَ أَذِنتَ لَهُمْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكَ الَّذِينَ صَدَقُوا وَتَعْلَمَ الْكَذِبِينَ
"আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করেছেন। তুমি তাদেরকে কেন অনুমতি দিলে, যতক্ষণ না তোমার কাছে স্পষ্ট হয় তারা যারা সত্য বলেছে এবং তুমি জেনে নাও মিথ্যাবাদীদেরকে।” (সূরা আত তাওবা ৯: ৪৩)

অনুরূপভাবে আল্লাহ তা'আলা অন্যান্য নবীগণের গায়েবের জ্ঞান থাকাকেও অস্বীকার করেন এবং বলেন-
يَوْمَ يَجْمَعُ اللَّهُ الرُّسُلَ فَيَقُولُ مَاذَا أُجِبْتُمْ قَالُوا لَا عِلْمَ لَنَا إِنَّكَ أَنتَ عَلَّمُ الْغُيُوبِ
"(স্মরণ কর) যেদিন আল্লাহ রাসূলগণকে একত্র করবেন, অতঃপর বলবেন, 'তোমাদেরকে কী জবাব দেয়া হয়েছিল'? তারা বলবে, 'আমাদের কোনো ইলম নেই, নিশ্চয় আপনি গায়েবী বিষয়সমূহের সর্বজ্ঞানী'।” (সূরা আল মায়িদা ৫: ১০৯)

অনুরূপভাবে আল্লাহ তা'আলা ফেরেশতাদের ইলমে গায়েবকে অস্বীকার করেছেন-
قَالُوا سُبْحَانَكَ لَا عِلْمَ لَنَا إِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا إِنَّكَ أَنتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ
"তারা বলল, 'আপনি পবিত্র মহান। আপনি আমাদেরকে যা শিখিয়েছেন, তা ছাড়া আমাদের কোনো জ্ঞান নেই। নিশ্চয় আপনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়'।" (সূরা আল বাকারা ২: ৩২)।

এ ধরনের ঘটনাবলি কুরআন-সুন্নাহয় বিভিন্ন নবী ও রাসূলগণ যেমন- আদম (আঃ) থেকে নূহ (আঃ) পর্যন্ত, ইবরাহীম খলীল (আঃ) থেকে মূসা কালীম (আঃ) পর্যন্ত এবং সাইয়্যেদুল মুরসালীন খাতামুল আম্বিয়া মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত অগণিত নবী রাসূলগণ থেকে অগণিত ঘটনা বর্ণিত আছে।

অনুরূপভাবে, বড় বড় ঘটনাবলি এর প্রকাশ্য প্রমাণ যে, তারা গায়েব জানতেন না, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সীরাত (জীবনচরিত) গ্রন্থাবলিও এর একটি প্রমাণ। উদাহরণস্বরূপ, বীরে মাউনার ঘটনা এবং বাইয়াতে রিদওয়ান, ইফকের ঘটনা, খেজুর গাছের তাবীর, 'উরনিয়্যিন' এবং এছাড়াও এ জাতীয় অসংখ্য ঘটনা, আয়েশা (রাঃ) এর প্রতি ইফকের/অপবাদের ঘটনা।

যদি কেউ এ সকল ঘটনাবলির প্রতি গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করে, তার নিকট সুস্পষ্টভাবে পরিষ্কার হয়ে যাবে যে, গায়েবের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর জন্য খাস- আল্লাহ তা'আলা এতে নবী-রাসূল বা কোনো ওলীকে শরীক গ্রহণ করেননি।

কিন্তু বেরেলভী ফিরকা জোরে শোরে প্রচার করে যে, সকল নবীগণ এবং বুযুর্গাণে দীন (দরবেশ-ওলীরা) ও আল্লাহর এ গুণাবলিতে শরীক আছে এবং যে একে তার আকীদা হিসেবে গ্রহণ না করবে, সে হবে তাদের অসম্মানকারী। যদিও বেরেলভীগণ বানোয়াট ও উদ্ভট কাহিনীর মাধ্যমে এ বিষয়টি প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে যে, "মৃত্যুর পূর্বে আহমাদ রেযা তার মৃত্যুর দিন ক্ষণ সম্পর্কে অবগত ছিল।"

নবী ও ওলীগণের ব্যাপারে অতিরঞ্জন বা বাড়াবাড়ি এবং যে সকল গুণাবলি জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য খাস, সে সকল গুণাবলি ও ক্ষমতা তাদের আছে বলে প্রমাণ করা তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন নয়, বরং এটি কুরআন ও সুন্নাহর স্পষ্ট বিরোধিতা। এ ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হাদীস:

আনাস বিন মালিক (র.) বলেন,
এক ব্যক্তি বলে: "ইয়া মুহাম্মদ, ইয়া সাইয়্যেদুনা, ইবনা সাইয়্যেদুনা, খাইরানা, ইবনা খাইরানা: হে মুহাম্মদ, হে আমাদের নেতা, আমাদের নেতার পূত্র, আমাদের শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তি ও শ্রেষ্ঠতম মানুষের সন্তান।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: "হে মানুষেরা! তোমরা তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অবলম্বন কর। শয়তান যেন তোমাদেরকে বিপথগামী বা প্রবৃত্তির অনুসারী না করে ফেলে। আমি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ (আব্দুল্লাহর পূত্র মুহাম্মদ), আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহর কসম! আল্লাহ জাল্লা শানুহু আমাকে যে স্থানে রেখেছেন, যে মর্যাদা প্রদান করেছেন তোমরা আমাকে তার উপরে উঠাবে, তা আমি পছন্দ করি না।”

ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি উমার (রা.) কে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন যে, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, তোমরা আমার প্রশংসা করতে গিয়ে বাড়াবাড়ি কর না, যেমন 'ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালাম সম্পর্কে খ্রিষ্টানরা বাড়াবাড়ি করেছিল। আমি তাঁর বান্দা, তোমরাও তাই বলবে: আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। "

আবুল হুসাইন খালিদ মাদানী রহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত তিনি বলেন: একবার আমরা আশুরার দিন মদীনায় ছিলাম। বালিকারা দফ বাজাচ্ছিল এবং গান গাচ্ছিল। এরপর আমরা রবী' বিনত মু'য়ওয়িয এর কাছে উপস্থিত হলাম এবং ঘটনাটি তাকে জানালাম। তখন তিনি বললেন: আমার বাসর দিনের সকাল বেলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার নিকট আসেন। এ সময় আমার নিকট দুটি বালিকা গান গাচ্ছিল এবং বদর যুদ্ধে নিহত আমার পিতৃ-পুরুষদের কীর্তিগাঁথা গাইছিল। তারা একথাও বলছিল: “আমাদের মধ্যে এমন নবী আছেন, যিনি আগামী কালের খবরও জানেন।” তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "এ কথা বলো না। কেননা, আগামী কালের খবর আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না।”

এখন বলুন! আল্লাহর কুরআন ও রাসূলের হাদীস সঠিক নাকি ঐ বেরেলভীগণ সঠিক? রায় দেয়ার আগে আয়শা (রাঃ)- যা বলেন তা শুনে নিন,

আয়শা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি তোমাকে বলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর রবকে দেখেছেন, সে মিথ্যা বলছে। কেননা, আল্লাহ বলেছেন, "চক্ষুসমূহ তাঁকে দেখতে পায়না”। আর যে ব্যক্তি তোমাকে বলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গায়েব জানে, সেও মিথ্যা বলল। কেননা, আল্লাহ তা'আলা বলেন, "গায়েব জানেন একমাত্র আল্লাহ"। "

কুরআনের এসকল আয়াত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদীসসমূহ এবং আয়েশা (রা.) এর বক্তব্য শ্রবণের পরও সে এখনও যদি এ আকীদা পোষণ করে যে, শুধু নবীগণই নন, বরং বুযুর্গানে দীন (দরবেশ ওলীরা) ও গায়েবের জ্ঞান রাখে, তাহলে তুমিই বল, এ ধরনের আকীদা-বিশ্বাসের সাথে ইসলামী শরীয়াতের কি সম্পর্ক থাকতে পারে?

টিকাঃ
[২৮৩] ওসীয়ত, বেরেলভী, পৃ-৭。
[২৮৪] সহীহ: মুসনাদে আহমাদ, তাহকীক ৩/১৫৩, ২৪১, ২৪৯ হা/১২৫৭৩, ১৩১১৭, ১৩১৮৪। মুহাক্কিক শুয়াইব আরনাউত বলেন: হাদীসটির সনদ মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ
[২৮৫] (বুখারী, আস-সহীহ, ৬০/৪৮, হা/২৪৬২, ৩৪৪৫, ফাতহুল বারী ৬/৪৭৮; শামাইলে তিরিমিযী, বাব: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিনয় ( تواضع ) সম্পর্কে যা এসেছে)।
[২৮৬] সুনানে ইবনু মাজাহ, কিতাবুন নিকাহ, ৩/৯১, হা/১৮৯৭, হাদীসটি সহীহ। (বুখারী: ৪০০১, ৫১৩৭; তিরমিযী: ১০৯০; আবু দাউদ: ৪৯২২ আলবানী, সহীহ আবু দাউদ。
[২৮৭] বুখারী, ৯৭/৪, হা/৭৩৮০

ফন্ট সাইজ
15px
17px