📘 বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মদ > 📄 দৃষ্টিভঙ্গি বদলান

📄 দৃষ্টিভঙ্গি বদলান


আশপাশ বদলানো মানে শুধু নতুন দেশে যাওয়াই না। আপনার উন্নতির পথে যেসব দৃষ্টিভঙ্গি বাধা দিচ্ছে সেগুলোও। যখন আমরা বলি মেজাজ হারাবেন না, সিগারেট খাওয়া ছাড়ুন, শরীরের বাড়তি ওজনের দিকে নজর দিন, তখন আমরা বলি আপনার সেই দৃষ্টিভঙ্গি বদলান যেটা আপনার মেজাজ বিগড়ে দিচ্ছে, সিগারেট খেতে বলছে বা অতিরিক্ত খেতে বলছে। নিজের ঘরে থেকেই আপনি এটা করতে পারেন।

চল্লিশের কোঠায় রাসূল মক্কাতে কাটিয়েছেন। ৫০-এর কোঠায় তিনি নিজেকে এমন এক পরিস্থিতিতে দেখতে পান, যেখানে তাকে মদিনায় যেতে বাধ্য হতে হয়। পরে সেখানেই বসতি গড়েন। এই অবস্থার কথা আমরা এমন এক দৃষ্টিকোণ থেকে বলব, যেটা আপনাকে আরও ভালো হতে অনুপ্রাণিত করবে।

📘 বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মদ > 📄 রাসূল ﷺ-এর জীবনের মূল ঘটনা

📄 রাসূল ﷺ-এর জীবনের মূল ঘটনা


চল্লিশের কোঠায় রাসূল -এর জীবনের মূল ঘটনাগুলো আবার দিচ্ছি-
* ৪৩ তম বছর- আল-আরকামে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত
* ৪৫ তম বছর- মুসলিমদের প্রথম দল ইথিওপিয়াতে যায়।
* ৪৬ তম বছর- মুসলিমদের দ্বিতীয় দল ইথিওপিয়াতে যায়।
* ৪৭-৫০ তম বছর- মূলধারার মাক্কী সমাজ থেকে রাসূল ও তাঁর পরিবার ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

📘 বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মদ > 📄 দ্বন্দ্ব

📄 দ্বন্দ্ব


একটা সময় রাসূল ও পরিবর্তন বিরোধীদের মধ্যকার সম্পর্কের চূড়ান্ত অবনতি হয়। মক্কায় প্রায় ৪০ জন উচ্চবর্গের নেতাগোছের লোক ছিলেন। তারা সিদ্ধান্ত নিলেন রাসূল ও হাশিমীদের (রাসূল -এর পরিবার) সাথে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করবেন। মানে তাদের সাথে কোনো আর্থিক লেনদেন হবে না। তাদের কাউকে বিয়ে করবে না।

আধুনিক পরিভাষায় একে বলা যায়, সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখা। অর্থনৈতিক বয়কট। কারণ তখন মক্কার জীবন এমন ছিল না যে, কেউ আলাদাভাবে থেকে জীবন চালাতে পারবে। ৩ বছরেরও বেশি সময় হাশিমীদেরকে চরম খাদ্যাভাবের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তা আরও বাড়ত যদি না মক্কার এক নেতা হিশাম ইবনে আমরের খারাপ না-লাগত। খারাপ হতে থাকা মানবিক পরিস্থিতি দেখে এবং এই বয়কট শেষ করার জন্য তিনি কোনো পদক্ষেপ না-নিতেন, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহতার দিকে যেত। আচ্ছা, হিশাম ইবনে আমর কীভাবে নিজে নিজে এই উদ্যোগ নিলেন? চলুন দেখি।

📘 বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মদ > 📄 যোগাযোগের মাধ্যমে বদল

📄 যোগাযোগের মাধ্যমে বদল


হিশাম নীরব থাকেননি। তিনি অন্য আরেক স্থানীয় নেতা যুহাইরের সাথে এ নিয়ে আলাপ করেন। তিনিও তাদের এই অবস্থা নিয়ে অস্বস্তিতে ছিলেন। তবে কিছু করার আগে তিনি আরও লোক খুঁজতে বলেন। হিশام আল মিত'আমের কাছে যান। তিনিও অনুরূপ কথা বলেন এবং আরও লোক খুঁজতে বলেন। এবার হিশাম আবু আল বাহতারীর কাছে যান। তিনি তাকে পঞ্চমজন খুঁজতে বলেন। তো শেষমেষ তারা ছয়জনের গ্রুপে পরিণত হন যারা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন এবং সফলভাবে বয়কট শেষ করেন।

খেয়াল করুন, হিশাম কিন্তু কাউকে তাদের মন বদলাতে রাজি করেননি। তারা আগে থেকেই বিষয়টা নিয়ে একমত ছিলেন। তিনি শুধু সংযোগকারী হিসেবে কাজ করেছেন। ঠিক আবু বকর (রা)-এর প্রথম দিকের মুসলিমদের সাথে যেভাবে কানেক্টর হিসেবে কাজ করেছিলেন, ঠিক সেভাবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00