📄 যুবক-তরুণ বয়সে রাসূল ﷺ-এর জীবন থেকে শিক্ষা
| রাসূল ﷺ-এর জীবন | আপনার জীবন |
| :--- | :--- |
| **সমাজ** | |
| তিনি ইতিবাচক ছিলেন। সমাজে সক্রিয় ছিলেন। সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। যেমন- ‘মর্যাদাবানদের সংঘ’-তে যোগদান। | বয়স যা-ই হোক, ভূমিকা রাখার পরিমাণ যা-ই হোক, ইতিবাচক হোন। উদ্যোগ নিন। |
| সমস্যা সমাধানে তিনি ছিলেন বেশ সৃষ্টিশীল যেমনটা আমরা কালো পাথর রাখা নিয়ে দেখেছি। | সৃষ্টিশীল হোন। আপনি যে মহৎ সমাধান নিয়ে এগিয়ে আসতে পারেন। এটাকে নিচুজ্ঞান করবেন না। |
| তিনি ছিলেন খোলা-মনের মানুষ। বিভিন্নজনদের থেকে মর্যাদাবান ও ভদ্র লোকদের সাথে বন্ধু হয়েছেন। | খোলা-মনের হোন। আপনার যোগাযোগের বলয় বাড়ান। যারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে তাদের সাথে সম্পর্ক গড়ুন। |
| **বিয়ে** | |
| রাসূল ﷺ-এর সুখী বৈবাহিক জীবনের ভিত্তি ছিল পারস্পরিক বুঝাপড়া ও মায়ামমতা। | আপনার সঙ্গীর প্রয়োজন ও অনুভূতির কথা বিবেচনা করে বিয়ের জন্য আগান। শুধু অপরের অধিকার ও কর্তব্য ভেবে না। |
| **রাসূল নিজে** | |
| তিনি ভাবনাচিন্তার জন্য নির্জনতা বেছে নিয়েছিলেন। বছরের একটা নির্দিষ্ট সময় জনমানবহীন জায়গায় কাটাতেন। ভাবনাচিন্তা করতেন। | আপনার জীবনের মিশন নিয়ে ভাবনাচিন্তা করুন। ভাবুন এখন কী অবস্থায় আছেন, আর কী হতে চান। |