📄 রাসূল ﷺ-এর কিশোর বয়স থেকে ফায়দা
| রাসূল-এর কৈশোর | আপনার কৈশোর |
| :--- | :--- |
| রাসূল তাঁর চাচাকে সাহায্য করার জন্য রাখালের দায়িত্ব পালন করেছেন। | আপনার বাবা-মাকে সাহায্য করুন। এমনকি যদি তারা সরাসরি সাহায্য না-ও চায়। |
| রাসূল তাড়াহুড়ো করে খেতেন না। বিশেষ করে যখন অনেকের সাথে বসে একসঙ্গে খেতেন। | কিছু চাওয়ার সময় ধৈর্য ধরুন, ভদ্র থাকুন। বন্ধুত্বপূর্ণ থাকুন। |
| রাসূল সবসময় চুল আঁচড়ে রাখতেন। ছিমছাম থাকতেন। | আপনার সামগ্রিক বাহ্যরূপের খেয়াল রাখুন, এমনকি যদি বাসায় পরিবারের সাথে থাকেন তবুও। |
| আল্লাহর রাসূল-কে সুরক্ষা করেছিলেন গায়েবি আওয়াজের মাধ্যমে তাঁকে তাঁর কটিবস্ত্র পরতে বলে। | আপনার অভ্যন্তরীণ ভয়েস ও বিবেক আপনাকে বলে দিক কোনটা খারাপ কোনটা ভালো। আস্থাভাজন থাকুন। এমনকি যদি আপনি বাবা-মা বা অন্য জ্ঞানী কারও তত্ত্বাবধান থেকে দূরে থাকেন তবুও। |
| খারাপ পথে যাওয়া থেকে আল্লাহ রাসূল-কে নিরাপদ রেখেছিলেন। রাসূল শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। | আপনার বেলায় আল্লাহ হয়ত এমন প্রকাশ্য হবেন না। কাজেই আপনাকে তাঁর সুরক্ষার নিদর্শন খুঁজে নিতে হবে। |
| রাসূল বাহিরা সন্ন্যাসীকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি মূর্তিপূজারীদের দেবদেবীর নামে কসম কাটবেন না। | কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠ বলেই অন্ধের মতো তাদের অনুকরণ করবেন না। নিজের বিশ্বাস ভদ্রোচিতভাবে জানিয়ে দিন। |
| রাসূল সিরিয়ায় সফর করেছিলেন। সেই কাফেলায় তিনি ছিলেন সবচেয়ে কমবয়স্ক। | নিজেকে নতুন রোমাঞ্চের সামনে উন্মোচিত করুন। যা দেখেন তা দিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার ঝুলিকে সমৃদ্ধ করুন। |
| রাসূল-এর কৈশোর | আপনার কৈশোর |
| :--- | :--- |
| রাসূল তাঁর চাচাকে সাহায্য করার জন্য রাখালের দায়িত্ব পালন করেছেন। | আপনার বাবা-মাকে সাহায্য করুন। এমনকি যদি তারা সরাসরি সাহায্য না-ও চায়। |
| রাসূল তাড়াহুড়ো করে খেতেন না। বিশেষ করে যখন অনেকের সাথে বসে একসঙ্গে খেতেন। | কিছু চাওয়ার সময় ধৈর্য ধরুন, ভদ্র থাকুন। বন্ধুত্বপূর্ণ থাকুন। |
| রাসূল সবসময় চুল আঁচড়ে রাখতেন। ছিমছাম থাকতেন। | আপনার সামগ্রিক বাহ্যরূপের খেয়াল রাখুন, এমনকি যদি বাসায় পরিবারের সাথে থাকেন তবুও। |
| আল্লাহর রাসূল-কে সুরক্ষা করেছিলেন গায়েবি আওয়াজের মাধ্যমে তাঁকে তাঁর কটিবস্ত্র পরতে বলে। | আপনার অভ্যন্তরীণ ভয়েস ও বিবেক আপনাকে বলে দিক কোনটা খারাপ কোনটা ভালো। আস্থাভাজন থাকুন। এমনকি যদি আপনি বাবা-মা বা অন্য জ্ঞানী কারও তত্ত্বাবধান থেকে দূরে থাকেন তবুও। |
| খারাপ পথে যাওয়া থেকে আল্লাহ রাসূল-কে নিরাপদ রেখেছিলেন। রাসূল শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। | আপনার বেলায় আল্লাহ হয়ত এমন প্রকাশ্য হবেন না। কাজেই আপনাকে তাঁর সুরক্ষার নিদর্শন খুঁজে নিতে হবে। |
| রাসূল বাহিরা সন্ন্যাসীকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি মূর্তিপূজারীদের দেবদেবীর নামে কসম কাটবেন না। | কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠ বলেই অন্ধের মতো তাদের অনুকরণ করবেন না। নিজের বিশ্বাস ভদ্রোচিতভাবে জানিয়ে দিন। |
| রাসূল সিরিয়ায় সফর করেছিলেন। সেই কাফেলায় তিনি ছিলেন সবচেয়ে কমবয়স্ক। | নিজেকে নতুন রোমাঞ্চের সামনে উন্মোচিত করুন। যা দেখেন তা দিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার ঝুলিকে সমৃদ্ধ করুন। |