📘 বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মদ > 📄 বিবেক

📄 বিবেক


এই ঘটনাকে মুসলিমগণ মহান আল্লাহর বিশেষ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখে। কিন্তু সাধারণ টিনএজ বয়সীরা কীভাবে নেতিবাচক প্রভাব থেকে নিজেদের বাঁচাবে?

সেই সমাজে বালকেরা যখন কাঁধে ভারী কোনো বুঝা নিত, তখন কটিবস্ত্র কাঁধে নিয়ে, সেখানে রেখে বহন করা একদম স্বাভাবিক ছিল। রাসূল -এর ক্ষেত্রে এখানে পরিবারের ভূমিকা পালন করেছে মহান আল্লাহর হস্তক্ষেপ।

রাসূল -এর ক্ষেত্রে যেভাবে হয়েছে টিনএজ বয়সী সবার ক্ষেত্রে সেভাবে হস্তক্ষেপ হবে না। কাজেই সন্তানদের মধ্যে এই বিবেকবোধ গড়ে তুলতে হবে পরিবারকে। সেই বিবেক তার কানে সুমন্ত্রণা দেবে। নেগেটিভ পিয়ার প্রেশার দমাবে। সিগারেট, মাদক, মেয়ে দেখলে শীষ দেওয়া। এসব থেকে তাকে দূরে রাখবে।

কিশোর-কিশোরীরা যদি একটা ভুল করে বসে, তার বিবেক তখন তাকে 'প্রচণ্ড ঘুষি মারবে'। ভুলকে অভ্যাসে পরিণত হতে দেবে না।

এই ঘটনাকে মুসলিমগণ মহান আল্লাহর বিশেষ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখে। কিন্তু সাধারণ টিনএজ বয়সীরা কীভাবে নেতিবাচক প্রভাব থেকে নিজেদের বাঁচাবে?

সেই সমাজে বালকেরা যখন কাঁধে ভারী কোনো বুঝা নিত, তখন কটিবস্ত্র কাঁধে নিয়ে, সেখানে রেখে বহন করা একদম স্বাভাবিক ছিল। রাসূল -এর ক্ষেত্রে এখানে পরিবারের ভূমিকা পালন করেছে মহান আল্লাহর হস্তক্ষেপ।

রাসূল -এর ক্ষেত্রে যেভাবে হয়েছে টিনএজ বয়সী সবার ক্ষেত্রে সেভাবে হস্তক্ষেপ হবে না। কাজেই সন্তানদের মধ্যে এই বিবেকবোধ গড়ে তুলতে হবে পরিবারকে। সেই বিবেক তার কানে সুমন্ত্রণা দেবে। নেগেটিভ পিয়ার প্রেশার দমাবে। সিগারেট, মাদক, মেয়ে দেখলে শীষ দেওয়া। এসব থেকে তাকে দূরে রাখবে।

কিশোর-কিশোরীরা যদি একটা ভুল করে বসে, তার বিবেক তখন তাকে 'প্রচণ্ড ঘুষি মারবে'। ভুলকে অভ্যাসে পরিণত হতে দেবে না।

📘 বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মদ > 📄 উদাহরণ দিয়ে প্যারেন্টিং

📄 উদাহরণ দিয়ে প্যারেন্টিং


স্যাল সিভিয়ার একটা বই লিখেছেন 'হাউ টু বিহেভ সো ইয়োর চিলড্রেন উইল টু' নামে। সেখানে তিনি বলেছেন, কীভাবে প্রাক-স্কুল সময়ে শিশুদের বিবেক শুরু হয় এবং মা-বাবার সাহায্যে তা আরও গড়ে ওঠে। একসময় এটা তাদেরকে ভালো-খারাপ বেছে নিতে সাহায্য করে (সিভিয়ার, ১০৪-১০৫)। ধৈর্য নিয়ে বাচ্চাদের শেখালে, ধারাবাহিকভাবে গাইড করলে বাচ্চা তার মা-বাবার কণ্ঠ নিজের মধ্যে নিয়ে নেয়। সেটা তার নিজের অংশ হয়ে যায়। সে যদি কোনো খারাপ আচরণে প্রলুব্ধ হয়, তাহলে সেই ভয়েস তাকে ভালো কাজে উদ্দীপ্ত করবে। তীক্ষ্ম বিবেচনাবোধ কিশোর-কিশোরীদের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে।

স্যাল সিভিয়ার একটা বই লিখেছেন 'হাউ টু বিহেভ সো ইয়োর চিলড্রেন উইল টু' নামে। সেখানে তিনি বলেছেন, কীভাবে প্রাক-স্কুল সময়ে শিশুদের বিবেক শুরু হয় এবং মা-বাবার সাহায্যে তা আরও গড়ে ওঠে। একসময় এটা তাদেরকে ভালো-খারাপ বেছে নিতে সাহায্য করে (সিভিয়ার, ১০৪-১০৫)। ধৈর্য নিয়ে বাচ্চাদের শেখালে, ধারাবাহিকভাবে গাইড করলে বাচ্চা তার মা-বাবার কণ্ঠ নিজের মধ্যে নিয়ে নেয়। সেটা তার নিজের অংশ হয়ে যায়। সে যদি কোনো খারাপ আচরণে প্রলুব্ধ হয়, তাহলে সেই ভয়েস তাকে ভালো কাজে উদ্দীপ্ত করবে। তীক্ষ্ম বিবেচনাবোধ কিশোর-কিশোরীদের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে।

📘 বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মদ > 📄 কীভাবে টিনএজদের বিবেক গড়ে তুলবেন

📄 কীভাবে টিনএজদের বিবেক গড়ে তুলবেন


* ভুল করে ফেললে সুন্দরভাবে বুঝান। তার অর্জনে নিজের গৌরব দেখান। কারণ এটা তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলবে।
* তার জন্য এমন বন্ধুবান্ধব খুঁজুন যারা ইসলামের আদর্শ বুকে ধারণ করে। তাহলে আপনার অনুপস্থিতিতে তারা তাকে পথ দেখাবে।
* অন্যরা পছন্দ করুক কী না করুক, তাকে তার আদর্শে অবিচল থাকতে শেখান। 'না' বলার সামর্থ্য গড়ে তুলুন।

* ভুল করে ফেললে সুন্দরভাবে বুঝান। তার অর্জনে নিজের গৌরব দেখান। কারণ এটা তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলবে।
* তার জন্য এমন বন্ধুবান্ধব খুঁজুন যারা ইসলামের আদর্শ বুকে ধারণ করে। তাহলে আপনার অনুপস্থিতিতে তারা তাকে পথ দেখাবে।
* অন্যরা পছন্দ করুক কী না করুক, তাকে তার আদর্শে অবিচল থাকতে শেখান। 'না' বলার সামর্থ্য গড়ে তুলুন।

📘 বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মদ > 📄 বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ

📄 বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ


কিশোর-কিশোরীদের মাঝে যৌন আকাঙ্ক্ষা জাগা স্বাভাবিক ব্যাপার। এটা দমানো চ্যালেঞ্জ না। কারণ, এটা মানুষের স্বভাবজাত প্রকৃতি। চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, একে গাইড করা।

নবি নিজে এ ব্যাপারে বলেন, 'ইসলামপূর্ব যুগে মানুষরা যেভাবে নারীদের প্রতি আকৃষ্ট ছিল, আমি তেমন ছিলাম না। তবে দুরাত বাদে। সেই দুরাতে আল্লাহ আমাকে সুরক্ষা করেছিলেন। এক রাতে আমি মক্কার কিছু ছেলেপুলের সাথে ছিলাম। আমরা পশুর পাল তদারকি করছিলাম। আমি আমার বন্ধুকে বললাম, 'আমার ভেড়াগুলোকে দেখো, যাতে আমি মক্কার অন্যান্য ছেলেদের মতো মক্কায় কাটাতে পারি'। সে বলল ঠিক আছে। তো আমি গেলাম। আমি যখন মক্কার প্রথম বাসায় পৌছালাম, তখন আমি তাম্বুরিন ও বাঁশিসহ বাজনা শুনতে পেলাম। আমি দেখার জন্য বসলাম। আল্লাহ আমার কানে আঘাত করলেন। আমি শপথ করছি, সূর্যোদয় পর্যন্ত তিনি আমাকে ঘুম থেকে ওঠাননি।

অন্য একরাত। আমি তাকে বললাম, 'আমার ভেড়াগুলোকে দেখো, যাতে আমি মক্কায় রাত কাটাতে যেতে পারি'। যখন মক্কায় এলাম, গতবার যেমন আওয়াজ শুনেছিলাম, এবারও শুনলাম। আমি দেখার জন্য বসলাম। আল্লাহ আমার কানে আঘাত করলেন। আমি শপথ করছি, সূর্যোদয় পর্যন্ত তিনি আমাকে ঘুম থেকে ওঠাননি। ঐ দুই রাতের পর আমি কসম করে বলছি, আর ওসবের ধারে কাছে যাইনি'।

রাসূল দুবার চেষ্টা করেছিলেন পার্টিতে যোগ দিতে। কিন্তু দুবারই আল্লাহ তাঁকে বাধা দিয়েছেন তাঁকে অজ্ঞান করে দিয়ে। ভবিষ্যৎ নবির জন্য এটা ছিল মহান আল্লাহর বিশেষ সুরক্ষা। এই ঘটনা থেকে আপনার টিনএজ বয়সী ছেলেমেয়েরা কীভাবে ফায়দা নেবে?

রাসূল তার কিশোর বয়সে পার্টিতে যেতে চেয়েছিলেন, এমনকি দুবার চেষ্টা করেছিলেন, এটা এই কাহিনির মজার দিক না; বরং তিনি যে তৃতীয়বার আর চেষ্টা করেননি সেটাই এই ঘটনার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক। এটা আপনার কিশোর বয়সী ছেলেমেয়েদের অনুপ্রেরণা দিতে পারে।

সর্বশক্তিমান আল্লাহ সবসময় খারাপ থামাতে চান না। কখনো কখনো একে কঠিন করে তোলেন। খারাপ কাজ করার সময় টিনএজ বয়সী ছেলেমেয়ে প্রায়ই তার প্রথম চেষ্টায় হোঁচট খাবে। খারাপ পথ সোজা এমনটা যেন সে না-ভাবে সেটাই আল্লাহ চান। পথেঘাটে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে রাখেন যা তাকে দু একবার বাধা দেয়।

যেমন, সে হয়ত প্ল্যান করেছে খারাপ কোনো জায়গায় যাবে। খারাপ জায়গা বলতে কনসার্ট, সিনেপ্লেক্স এ ধরনের জায়গাও হতে পারে, যেগুলোকে আজকাল ঠিক 'খারাপ' বলা হয় না। তো দেখা গেল যেদিন যাবে বলে ঠিক করেছে সেদিন অসুস্থ হয়ে গেল। ইন্টারনেটে খারাপ কিছু দেখতে চাওয়ার সময় হঠাৎ করে নেটের লাইন চলে গেল। অথবা প্রথমবার সিগারেট খাওয়ার সময় লাগাতার কাশি।

এখন বাধাগুলোকে সে স্বাভাবিকভাবে নেবে, না আল্লাহর তরফ থেকে সতর্কবাণী হিসেবে নেবে, সেটা নির্ভর করে ছোটবেলায় বাবা-মা তাকে কীভাবে বড় করেছেন তার ওপর। তারা ভাবতে পারে এগুলো দৈব কাকতাল, যে কারও বেলাতেই হতে পারে। অথবা তারা এমনও ভাবতে পারে যে, তাদের খারাপ পথ থেকে থামানোর জন্য এগুলো মহান আল্লাহর তরফ থেকে সতর্কবাণী। তো দেখা যাবে দুতিনবার চেষ্টায় বাধা পাওয়ার পর সে নিজেই তার আচরণ বদলে ফেলল।

মা-বাবার দায়িত্ব হলো ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই মানসিকতার বিকাশ ঘটানো। যাতে করে যদি সে পিছলে পড়ে, তার বিবেক তাকে উঠিয়ে আনবে। এটা যাতে অভ্যাসে পরিণত না-হয় তা থেকে বাধা দেবে। এটাই একজন টিনএজ ছেলেমেয়েকে আস্থাভাজন করে। নির্ভরযোগ্য করে।

আল্লাহ রাসূল -এর কানে আঘাত করে তাঁকে অচেতন করে দিয়েছিলেন পার্টিতে পৌঁছানোর আগেই। ভুল পথে যাওয়ার চেষ্টায় আপনি যেসব বাধা পান সেগুলো আসলে আপনার প্রতি মহান আল্লাহর ভালোবাসার দৃষ্টান্ত। তিনি চান না যে, আপনি অন্ধকারে যোগ দেন। প্রতিবন্ধকতার পেছনের মানে বুঝার চেষ্টা করুন। এগুলো এমন সাধারণ কিছু না, যা যে কারও ক্ষেত্রেই হতে পারে।

কিশোর-কিশোরীদের মাঝে যৌন আকাঙ্ক্ষা জাগা স্বাভাবিক ব্যাপার। এটা দমানো চ্যালেঞ্জ না। কারণ, এটা মানুষের স্বভাবজাত প্রকৃতি। চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, একে গাইড করা।

নবি নিজে এ ব্যাপারে বলেন, 'ইসলামপূর্ব যুগে মানুষরা যেভাবে নারীদের প্রতি আকৃষ্ট ছিল, আমি তেমন ছিলাম না। তবে দুরাত বাদে। সেই দুরাতে আল্লাহ আমাকে সুরক্ষা করেছিলেন। এক রাতে আমি মক্কার কিছু ছেলেপুলের সাথে ছিলাম। আমরা পশুর পাল তদারকি করছিলাম। আমি আমার বন্ধুকে বললাম, 'আমার ভেড়াগুলোকে দেখো, যাতে আমি মক্কার অন্যান্য ছেলেদের মতো মক্কায় কাটাতে পারি'। সে বলল ঠিক আছে। তো আমি গেলাম। আমি যখন মক্কার প্রথম বাসায় পৌছালাম, তখন আমি তাম্বুরিন ও বাঁশিসহ বাজনা শুনতে পেলাম। আমি দেখার জন্য বসলাম। আল্লাহ আমার কানে আঘাত করলেন। আমি শপথ করছি, সূর্যোদয় পর্যন্ত তিনি আমাকে ঘুম থেকে ওঠাননি।

অন্য একরাত। আমি তাকে বললাম, 'আমার ভেড়াগুলোকে দেখো, যাতে আমি মক্কায় রাত কাটাতে যেতে পারি'। যখন মক্কায় এলাম, গতবার যেমন আওয়াজ শুনেছিলাম, এবারও শুনলাম। আমি দেখার জন্য বসলাম। আল্লাহ আমার কানে আঘাত করলেন। আমি শপথ করছি, সূর্যোদয় পর্যন্ত তিনি আমাকে ঘুম থেকে ওঠাননি। ঐ দুই রাতের পর আমি কসম করে বলছি, আর ওসবের ধারে কাছে যাইনি'।

রাসূল দুবার চেষ্টা করেছিলেন পার্টিতে যোগ দিতে। কিন্তু দুবারই আল্লাহ তাঁকে বাধা দিয়েছেন তাঁকে অজ্ঞান করে দিয়ে। ভবিষ্যৎ নবির জন্য এটা ছিল মহান আল্লাহর বিশেষ সুরক্ষা। এই ঘটনা থেকে আপনার টিনএজ বয়সী ছেলেমেয়েরা কীভাবে ফায়দা নেবে?

রাসূল তার কিশোর বয়সে পার্টিতে যেতে চেয়েছিলেন, এমনকি দুবার চেষ্টা করেছিলেন, এটা এই কাহিনির মজার দিক না; বরং তিনি যে তৃতীয়বার আর চেষ্টা করেননি সেটাই এই ঘটনার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক। এটা আপনার কিশোর বয়সী ছেলেমেয়েদের অনুপ্রেরণা দিতে পারে।

সর্বশক্তিমান আল্লাহ সবসময় খারাপ থামাতে চান না। কখনো কখনো একে কঠিন করে তোলেন। খারাপ কাজ করার সময় টিনএজ বয়সী ছেলেমেয়ে প্রায়ই তার প্রথম চেষ্টায় হোঁচট খাবে। খারাপ পথ সোজা এমনটা যেন সে না-ভাবে সেটাই আল্লাহ চান। পথেঘাটে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে রাখেন যা তাকে দু একবার বাধা দেয়।

যেমন, সে হয়ত প্ল্যান করেছে খারাপ কোনো জায়গায় যাবে। খারাপ জায়গা বলতে কনসার্ট, সিনেপ্লেক্স এ ধরনের জায়গাও হতে পারে, যেগুলোকে আজকাল ঠিক 'খারাপ' বলা হয় না। তো দেখা গেল যেদিন যাবে বলে ঠিক করেছে সেদিন অসুস্থ হয়ে গেল। ইন্টারনেটে খারাপ কিছু দেখতে চাওয়ার সময় হঠাৎ করে নেটের লাইন চলে গেল। অথবা প্রথমবার সিগারেট খাওয়ার সময় লাগাতার কাশি।

এখন বাধাগুলোকে সে স্বাভাবিকভাবে নেবে, না আল্লাহর তরফ থেকে সতর্কবাণী হিসেবে নেবে, সেটা নির্ভর করে ছোটবেলায় বাবা-মা তাকে কীভাবে বড় করেছেন তার ওপর। তারা ভাবতে পারে এগুলো দৈব কাকতাল, যে কারও বেলাতেই হতে পারে। অথবা তারা এমনও ভাবতে পারে যে, তাদের খারাপ পথ থেকে থামানোর জন্য এগুলো মহান আল্লাহর তরফ থেকে সতর্কবাণী। তো দেখা যাবে দুতিনবার চেষ্টায় বাধা পাওয়ার পর সে নিজেই তার আচরণ বদলে ফেলল।

মা-বাবার দায়িত্ব হলো ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই মানসিকতার বিকাশ ঘটানো। যাতে করে যদি সে পিছলে পড়ে, তার বিবেক তাকে উঠিয়ে আনবে। এটা যাতে অভ্যাসে পরিণত না-হয় তা থেকে বাধা দেবে। এটাই একজন টিনএজ ছেলেমেয়েকে আস্থাভাজন করে। নির্ভরযোগ্য করে।

আল্লাহ রাসূল -এর কানে আঘাত করে তাঁকে অচেতন করে দিয়েছিলেন পার্টিতে পৌঁছানোর আগেই। ভুল পথে যাওয়ার চেষ্টায় আপনি যেসব বাধা পান সেগুলো আসলে আপনার প্রতি মহান আল্লাহর ভালোবাসার দৃষ্টান্ত। তিনি চান না যে, আপনি অন্ধকারে যোগ দেন। প্রতিবন্ধকতার পেছনের মানে বুঝার চেষ্টা করুন। এগুলো এমন সাধারণ কিছু না, যা যে কারও ক্ষেত্রেই হতে পারে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00