📄 ঘরের বাইরে
কিশোর-কিশোরীদের প্রতিভা ও সম্ভাবনায় বিশ্বাস রাখা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার অন্যতম অংশ। আবু তালিব রাসূল -এর ভবিষ্যতে বিশ্বাস করতেন। তিনি যে একসময় বিশেষ কেউ হয়ে উঠবেন, অনেকের কাছে তা শুনেছেন। একবার এক লোক রাসূল -কে দেখে আবু তালিবকে বলেছিলেন, 'আল্লাহর কসম, এই ছেলে একদিন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হবে'। আরেকবার এক সফরে বাহিরা নামে সিরিয়ান এক যাজকের সাথে দেখা হলে আবু তালিবকে তিনি বলেছিলেন, 'তোমার এই ভাতিজার ভবিষ্যৎ ভালো'।
রাসূল যে বিশেষ কিছু সেটা শিশু বয়সেই তাঁর মা ঠাহর করেছিলেন। মা'র ধারণা কখনো ভুল হয় না। তিনি বলেছিলেন, 'ও বিশেষ কিছু হবে'। রাসূল যখন দাদার বাড়িতে থাকতে গিয়েছিলেন তখন দাদাও প্রায় একই ধরনের কথা বলেছিলেন।
আগেই বলেছি, টিনএজদের মধ্যে অনেক প্রাণশক্তি, সম্ভাবনা। কিন্তু সেগুলো বিকশিত হবে না, যদি তারা এমন পরিবেশ না-পায় যেখানে তাদের কদর বুঝা হয়, তাদের বিশ্বাস করা হয়।
আপনার টিনএজ সন্তান কী করছে, তার বেশিরভাগের সাথে হয়ত আপনি একমত হবেন না। কিন্তু তার মানে এই না যে, সে যে কর্মশক্তি ব্যবহার করছে আপনি তা সম্মান করবেন না, বা তার ভবিষ্যত সম্ভাবনায় বিশ্বাস করবেন না।
বাহিরা সন্ন্যাসী যখন বলেছিলেন যে, তাঁর মধ্যে অমিত সম্ভাবনা আছে। তিনি অবশ্যই নবি হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। আপনার সন্তান নবি হবে না; তবে সে যে একদিন নামকরা কেউ হবে না, তা তো না।
আমরা দেখেছি রাসূল কী ধরনের পরিবেশে মানুষ হয়েছেন। দেখেছি কিশোর-কিশোরীদের জন্য এ ধরনের পরিবেশ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেকে মনে করেন কিশোর-কিশোরীদের সমস্যা বাইরে থেকে উদ্ভব হয়। রাস্তাঘাট, স্কুল বা বন্ধুবান্ধবদের থেকে। কথাটা পুরোপুরি ঠিক না; তবে কিছু সত্য।
প্রযুক্তি আজ ঘরে-বাইরের সীমারেখা মুছে দিয়েছে। ইন্টারনেট আর স্মার্টফোনের কারণে একসময় যেসব কাজ শুধু বাইরে করা যেত, এখন তা ঘরে বসেই করা যায়।
সপ্তম শতাব্দীতে সন্তান লালনপালনের যে-চ্যালেঞ্জ ছিল, আজ তা ভিন্ন। ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাটসহ এরকম অসংখ্য উপায় উপকরণের মাধ্যমে বন্ধুরা ঘরবাড়ি বা স্কুলের বাইরে থেকেও আপনার সন্তানের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
তবে লালনপালনের মূলনীতিগুলো সবসময় এক। টিনএজ বয়সের ছেলেমেয়েদের কীভাবে সামলাতে হবে তা কিন্তু বদলায়নি। কিশোর-কিশোরীদের চরিত্র ঘরে শিশুকাল থেকেই গড়ে তুলতে হয়। যাতে সে বাইরের উস্কানি থেকে নিজেকে সামলাতে পারে। সেই উস্কানি যত ভিন্ন বা আধুনিক বেশেই আসুক না কেন। বাসাবাড়ির পরিবেশ এবং মা-বাবা'র সাথে টিনএজ বয়সী ছেলেমেয়েদের সম্পর্ক সন্তান লালনপালনের ফাউন্ডেশন। তবে আমাদের সময়ে যে পরিবর্তনগুলো এসেছে, সেগুলোও মাথায় রাখতে হবে।
আমরা এখন দেখব বন্ধুবান্ধব, কাজেকর্মে, সফরের সময় রাসূল-এর চলাফেরা কেমন ছিল। আমরা দেখব ঘরে-বাইরে সব জায়গায় আল্লাহ কীভাবে তাঁকে হেফাজত করেছেন। এগুলোর পেছনে কিশোর-কিশোরীদের দেখভাল করার কিছু উপায় পাব, যেগুলো থেকে আমরাও লাভবান হবো। যেমন- আমরা যদি তার বিবেক বিশুদ্ধ রাখি, ধার্মিকতার শিক্ষা দিই, তাহলে রাস্তাঘাটেও ঘরের শিক্ষা তাকে গাইড করবে।
কিশোর-কিশোরীদের প্রতিভা ও সম্ভাবনায় বিশ্বাস রাখা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার অন্যতম অংশ। আবু তালিব রাসূল -এর ভবিষ্যতে বিশ্বাস করতেন। তিনি যে একসময় বিশেষ কেউ হয়ে উঠবেন, অনেকের কাছে তা শুনেছেন। একবার এক লোক রাসূল -কে দেখে আবু তালিবকে বলেছিলেন, 'আল্লাহর কসম, এই ছেলে একদিন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হবে'। আরেকবার এক সফরে বাহিরা নামে সিরিয়ান এক যাজকের সাথে দেখা হলে আবু তালিবকে তিনি বলেছিলেন, 'তোমার এই ভাতিজার ভবিষ্যৎ ভালো'।
রাসূল যে বিশেষ কিছু সেটা শিশু বয়সেই তাঁর মা ঠাহর করেছিলেন। মা'র ধারণা কখনো ভুল হয় না। তিনি বলেছিলেন, 'ও বিশেষ কিছু হবে'। রাসূল যখন দাদার বাড়িতে থাকতে গিয়েছিলেন তখন দাদাও প্রায় একই ধরনের কথা বলেছিলেন।
আগেই বলেছি, টিনএজদের মধ্যে অনেক প্রাণশক্তি, সম্ভাবনা। কিন্তু সেগুলো বিকশিত হবে না, যদি তারা এমন পরিবেশ না-পায় যেখানে তাদের কদর বুঝা হয়, তাদের বিশ্বাস করা হয়।
আপনার টিনএজ সন্তান কী করছে, তার বেশিরভাগের সাথে হয়ত আপনি একমত হবেন না। কিন্তু তার মানে এই না যে, সে যে কর্মশক্তি ব্যবহার করছে আপনি তা সম্মান করবেন না, বা তার ভবিষ্যত সম্ভাবনায় বিশ্বাস করবেন না।
বাহিরা সন্ন্যাসী যখন বলেছিলেন যে, তাঁর মধ্যে অমিত সম্ভাবনা আছে। তিনি অবশ্যই নবি হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। আপনার সন্তান নবি হবে না; তবে সে যে একদিন নামকরা কেউ হবে না, তা তো না।
আমরা দেখেছি রাসূল কী ধরনের পরিবেশে মানুষ হয়েছেন। দেখেছি কিশোর-কিশোরীদের জন্য এ ধরনের পরিবেশ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেকে মনে করেন কিশোর-কিশোরীদের সমস্যা বাইরে থেকে উদ্ভব হয়। রাস্তাঘাট, স্কুল বা বন্ধুবান্ধবদের থেকে। কথাটা পুরোপুরি ঠিক না; তবে কিছু সত্য।
প্রযুক্তি আজ ঘরে-বাইরের সীমারেখা মুছে দিয়েছে। ইন্টারনেট আর স্মার্টফোনের কারণে একসময় যেসব কাজ শুধু বাইরে করা যেত, এখন তা ঘরে বসেই করা যায়।
সপ্তম শতাব্দীতে সন্তান লালনপালনের যে-চ্যালেঞ্জ ছিল, আজ তা ভিন্ন। ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাটসহ এরকম অসংখ্য উপায় উপকরণের মাধ্যমে বন্ধুরা ঘরবাড়ি বা স্কুলের বাইরে থেকেও আপনার সন্তানের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
তবে লালনপালনের মূলনীতিগুলো সবসময় এক। টিনএজ বয়সের ছেলেমেয়েদের কীভাবে সামলাতে হবে তা কিন্তু বদলায়নি। কিশোর-কিশোরীদের চরিত্র ঘরে শিশুকাল থেকেই গড়ে তুলতে হয়। যাতে সে বাইরের উস্কানি থেকে নিজেকে সামলাতে পারে। সেই উস্কানি যত ভিন্ন বা আধুনিক বেশেই আসুক না কেন। বাসাবাড়ির পরিবেশ এবং মা-বাবা'র সাথে টিনএজ বয়সী ছেলেমেয়েদের সম্পর্ক সন্তান লালনপালনের ফাউন্ডেশন। তবে আমাদের সময়ে যে পরিবর্তনগুলো এসেছে, সেগুলোও মাথায় রাখতে হবে।
আমরা এখন দেখব বন্ধুবান্ধব, কাজেকর্মে, সফরের সময় রাসূল-এর চলাফেরা কেমন ছিল। আমরা দেখব ঘরে-বাইরে সব জায়গায় আল্লাহ কীভাবে তাঁকে হেফাজত করেছেন। এগুলোর পেছনে কিশোর-কিশোরীদের দেখভাল করার কিছু উপায় পাব, যেগুলো থেকে আমরাও লাভবান হবো। যেমন- আমরা যদি তার বিবেক বিশুদ্ধ রাখি, ধার্মিকতার শিক্ষা দিই, তাহলে রাস্তাঘাটেও ঘরের শিক্ষা তাকে গাইড করবে।
📄 পিয়ার প্রেশার
পরিবেশের যে দিকটা কিশোর-কিশোরীদের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে তা হলো বন্ধুবান্ধব। এমনকি মা-বাবার চেয়েও। এই বয়সের ছেলেমেয়েদের জন্য বন্ধুবান্ধব খুব গুরুত্বপূর্ণ।
রাসূল -এর কিশোর বয়সে অবশ্যই বন্ধুবান্ধব থেকে থাকবে। কিন্তু তারা যেহেতু কজন ছিলেন বা তাদের নাম কী ছিল তা জানি না, তাহলে আমরা তাদের চিনব কীভাবে?
তাঁর বন্ধুবান্ধব কুরাইশ গোত্রের হওয়া স্বাভাবিক। এবং প্রতিবেশীদের মধ্যেই কেউ হবেন। কারণ এক গোষ্ঠীর লোকেরা কাছাকাছি থাকত। বালক বয়সে তিনি প্রতিবেশীর ছেলেদের সাথে খেলাধুলা করেছেন। এসব ক্ষেত্রে বাইরে নানামুখী কঠিন নৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হওয়া খুব স্বাভাবিক। আর সে কারণেই টিনএজ ছেলেমেয়েদের বন্ধুবান্ধব নিয়ে বাবা-মা'র এত চিন্তা। রাসূল একবার বলেন,
'আমি একবার কুরাইশ ছেলেদের সাথে ছিলাম। একটা শিকারের জন্য পাথর বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম। আমরা সবাই নগ্ন ছিলাম। কারণ, সবাই তাদের কটিবস্ত্র ঘাড়ে করে নিয়ে পাথর বহন করছিল। আমিও তাই করছিলাম। ওভাবে যখন হাঁটছিলাম, তখন কে যেন আমাকে প্রচন্ড জোরে ঘুষি মেরে বলল, 'কটিবস্ত্র পরো'। আমি তখন পরে নিলাম। খালি ঘাড়েই পাথর নিয়ে নিলাম। সেই গ্রুপে কেবল আমিই ছিলাম যে কটিবস্ত্র পরেছিল'।
এই ঘটনা থেকে টিনএজ বয়সীদের ওপর বন্ধুবান্ধবদের প্রভাব বেশ বুঝা যায়। এই প্রভাব মনস্তাত্ত্বিক, আবেগের।
পরিবেশের যে দিকটা কিশোর-কিশোরীদের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে তা হলো বন্ধুবান্ধব। এমনকি মা-বাবার চেয়েও। এই বয়সের ছেলেমেয়েদের জন্য বন্ধুবান্ধব খুব গুরুত্বপূর্ণ।
রাসূল -এর কিশোর বয়সে অবশ্যই বন্ধুবান্ধব থেকে থাকবে। কিন্তু তারা যেহেতু কজন ছিলেন বা তাদের নাম কী ছিল তা জানি না, তাহলে আমরা তাদের চিনব কীভাবে?
তাঁর বন্ধুবান্ধব কুরাইশ গোত্রের হওয়া স্বাভাবিক। এবং প্রতিবেশীদের মধ্যেই কেউ হবেন। কারণ এক গোষ্ঠীর লোকেরা কাছাকাছি থাকত। বালক বয়সে তিনি প্রতিবেশীর ছেলেদের সাথে খেলাধুলা করেছেন। এসব ক্ষেত্রে বাইরে নানামুখী কঠিন নৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হওয়া খুব স্বাভাবিক। আর সে কারণেই টিনএজ ছেলেমেয়েদের বন্ধুবান্ধব নিয়ে বাবা-মা'র এত চিন্তা। রাসূল একবার বলেন,
'আমি একবার কুরাইশ ছেলেদের সাথে ছিলাম। একটা শিকারের জন্য পাথর বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম। আমরা সবাই নগ্ন ছিলাম। কারণ, সবাই তাদের কটিবস্ত্র ঘাড়ে করে নিয়ে পাথর বহন করছিল। আমিও তাই করছিলাম। ওভাবে যখন হাঁটছিলাম, তখন কে যেন আমাকে প্রচন্ড জোরে ঘুষি মেরে বলল, 'কটিবস্ত্র পরো'। আমি তখন পরে নিলাম। খালি ঘাড়েই পাথর নিয়ে নিলাম। সেই গ্রুপে কেবল আমিই ছিলাম যে কটিবস্ত্র পরেছিল'।
এই ঘটনা থেকে টিনএজ বয়সীদের ওপর বন্ধুবান্ধবদের প্রভাব বেশ বুঝা যায়। এই প্রভাব মনস্তাত্ত্বিক, আবেগের।
📄 বিবেক
এই ঘটনাকে মুসলিমগণ মহান আল্লাহর বিশেষ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখে। কিন্তু সাধারণ টিনএজ বয়সীরা কীভাবে নেতিবাচক প্রভাব থেকে নিজেদের বাঁচাবে?
সেই সমাজে বালকেরা যখন কাঁধে ভারী কোনো বুঝা নিত, তখন কটিবস্ত্র কাঁধে নিয়ে, সেখানে রেখে বহন করা একদম স্বাভাবিক ছিল। রাসূল -এর ক্ষেত্রে এখানে পরিবারের ভূমিকা পালন করেছে মহান আল্লাহর হস্তক্ষেপ।
রাসূল -এর ক্ষেত্রে যেভাবে হয়েছে টিনএজ বয়সী সবার ক্ষেত্রে সেভাবে হস্তক্ষেপ হবে না। কাজেই সন্তানদের মধ্যে এই বিবেকবোধ গড়ে তুলতে হবে পরিবারকে। সেই বিবেক তার কানে সুমন্ত্রণা দেবে। নেগেটিভ পিয়ার প্রেশার দমাবে। সিগারেট, মাদক, মেয়ে দেখলে শীষ দেওয়া। এসব থেকে তাকে দূরে রাখবে।
কিশোর-কিশোরীরা যদি একটা ভুল করে বসে, তার বিবেক তখন তাকে 'প্রচণ্ড ঘুষি মারবে'। ভুলকে অভ্যাসে পরিণত হতে দেবে না।
এই ঘটনাকে মুসলিমগণ মহান আল্লাহর বিশেষ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখে। কিন্তু সাধারণ টিনএজ বয়সীরা কীভাবে নেতিবাচক প্রভাব থেকে নিজেদের বাঁচাবে?
সেই সমাজে বালকেরা যখন কাঁধে ভারী কোনো বুঝা নিত, তখন কটিবস্ত্র কাঁধে নিয়ে, সেখানে রেখে বহন করা একদম স্বাভাবিক ছিল। রাসূল -এর ক্ষেত্রে এখানে পরিবারের ভূমিকা পালন করেছে মহান আল্লাহর হস্তক্ষেপ।
রাসূল -এর ক্ষেত্রে যেভাবে হয়েছে টিনএজ বয়সী সবার ক্ষেত্রে সেভাবে হস্তক্ষেপ হবে না। কাজেই সন্তানদের মধ্যে এই বিবেকবোধ গড়ে তুলতে হবে পরিবারকে। সেই বিবেক তার কানে সুমন্ত্রণা দেবে। নেগেটিভ পিয়ার প্রেশার দমাবে। সিগারেট, মাদক, মেয়ে দেখলে শীষ দেওয়া। এসব থেকে তাকে দূরে রাখবে।
কিশোর-কিশোরীরা যদি একটা ভুল করে বসে, তার বিবেক তখন তাকে 'প্রচণ্ড ঘুষি মারবে'। ভুলকে অভ্যাসে পরিণত হতে দেবে না।
📄 উদাহরণ দিয়ে প্যারেন্টিং
স্যাল সিভিয়ার একটা বই লিখেছেন 'হাউ টু বিহেভ সো ইয়োর চিলড্রেন উইল টু' নামে। সেখানে তিনি বলেছেন, কীভাবে প্রাক-স্কুল সময়ে শিশুদের বিবেক শুরু হয় এবং মা-বাবার সাহায্যে তা আরও গড়ে ওঠে। একসময় এটা তাদেরকে ভালো-খারাপ বেছে নিতে সাহায্য করে (সিভিয়ার, ১০৪-১০৫)। ধৈর্য নিয়ে বাচ্চাদের শেখালে, ধারাবাহিকভাবে গাইড করলে বাচ্চা তার মা-বাবার কণ্ঠ নিজের মধ্যে নিয়ে নেয়। সেটা তার নিজের অংশ হয়ে যায়। সে যদি কোনো খারাপ আচরণে প্রলুব্ধ হয়, তাহলে সেই ভয়েস তাকে ভালো কাজে উদ্দীপ্ত করবে। তীক্ষ্ম বিবেচনাবোধ কিশোর-কিশোরীদের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে।
স্যাল সিভিয়ার একটা বই লিখেছেন 'হাউ টু বিহেভ সো ইয়োর চিলড্রেন উইল টু' নামে। সেখানে তিনি বলেছেন, কীভাবে প্রাক-স্কুল সময়ে শিশুদের বিবেক শুরু হয় এবং মা-বাবার সাহায্যে তা আরও গড়ে ওঠে। একসময় এটা তাদেরকে ভালো-খারাপ বেছে নিতে সাহায্য করে (সিভিয়ার, ১০৪-১০৫)। ধৈর্য নিয়ে বাচ্চাদের শেখালে, ধারাবাহিকভাবে গাইড করলে বাচ্চা তার মা-বাবার কণ্ঠ নিজের মধ্যে নিয়ে নেয়। সেটা তার নিজের অংশ হয়ে যায়। সে যদি কোনো খারাপ আচরণে প্রলুব্ধ হয়, তাহলে সেই ভয়েস তাকে ভালো কাজে উদ্দীপ্ত করবে। তীক্ষ্ম বিবেচনাবোধ কিশোর-কিশোরীদের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে।