📄 কিশোরদের সমর্থন দরকার
কিশোরদের জন্য বয়সটা শঙ্কুল। তাই পরিবারের উচিত সবধরনের সহায়তা করা। আদর-যত্ন ভালোবাসা দেওয়া। এগুলো ম্যাজিকের মতো কাজ করে, কারণ,
* ওরা মানুষের আকর্ষণ চায়। মূল্যায়ন চায়। আপনি সেটা দিচ্ছেন। ওদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
* আত্মবিশ্বাসের সাথে ওরা দায়িত্ববান হয়।
প্রথমে মা, এরপর দাদি, তারপর চাচী- সবার কাছেই রাসূল আদর ভালোবাসায় মানুষ হয়েছেন। বিনিময়ে তিনিও তাঁর চাচা-চাচীর ভালোবাসার প্রতিদান দিয়েছেন। চাচাকে সাহায্যের জন্য তিনি রাখাল হিসেবে কাজ করেছেন। চাচার মৃত্যু তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। সেই একই বছরে তাঁর প্রাণপ্রিয় স্ত্রী খাদিজা (রা)ও মারা যান। সে বছরটা দুঃখের বছর নামে পরিচিত। চাচীর মৃত্যুতেও তিনি বিহ্বল হয়ে পড়েন। তিনি নিজ হাতে তাঁর কবর খুঁড়েছেন। মহান আল্লাহর কাছে তার মুক্তির জন্য দোয়া করেছেন।
কিশোরদের জন্য বয়সটা শঙ্কুল। তাই পরিবারের উচিত সবধরনের সহায়তা করা। আদর-যত্ন ভালোবাসা দেওয়া। এগুলো ম্যাজিকের মতো কাজ করে, কারণ,
* ওরা মানুষের আকর্ষণ চায়। মূল্যায়ন চায়। আপনি সেটা দিচ্ছেন। ওদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
* আত্মবিশ্বাসের সাথে ওরা দায়িত্ববান হয়।
প্রথমে মা, এরপর দাদি, তারপর চাচী- সবার কাছেই রাসূল আদর ভালোবাসায় মানুষ হয়েছেন। বিনিময়ে তিনিও তাঁর চাচা-চাচীর ভালোবাসার প্রতিদান দিয়েছেন। চাচাকে সাহায্যের জন্য তিনি রাখাল হিসেবে কাজ করেছেন। চাচার মৃত্যু তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। সেই একই বছরে তাঁর প্রাণপ্রিয় স্ত্রী খাদিজা (রা)ও মারা যান। সে বছরটা দুঃখের বছর নামে পরিচিত। চাচীর মৃত্যুতেও তিনি বিহ্বল হয়ে পড়েন। তিনি নিজ হাতে তাঁর কবর খুঁড়েছেন। মহান আল্লাহর কাছে তার মুক্তির জন্য দোয়া করেছেন।
📄 আপনি কীভাবে টিনএজদের ভালোবাসবেন?
* তার অর্জনগুলো উৎযাপন করুন।
* তাকে বিচার না-করে বা বাধা না-দিয়ে তার কথা মন দিয়ে শুনুন।
* তাকে জানান যে, আপনি তাকে ভালোবাসেন, তার মূল্যায়ন করেন।
* তার অর্জনগুলো উৎযাপন করুন।
* তাকে বিচার না-করে বা বাধা না-দিয়ে তার কথা মন দিয়ে শুনুন।
* তাকে জানান যে, আপনি তাকে ভালোবাসেন, তার মূল্যায়ন করেন।
📄 সম্মান
ভালোবাসার সাথে সম্মানও দরকার। রাসূল -এর পরিবার তাকে সর্বোচ্চ সম্মান করত। এটা তার বিশুদ্ধ ব্যক্তিত্ব গঠনে সাহায্য করেছে। যে কারণে তিনি ছোট বয়স থেকেই দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন। উনি কীভাবে দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন, আর আপনি তা থেকে কী ফায়দা নিতে পারেন চলুন দেখি-
| রাসূল-এর ব্যবহার | আপনার আচরণ |
| :--- | :--- |
| রাসূল তখন ১২ বছরের বালক। এক সন্ন্যাসী তাঁকে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য শর্ত দিলেন লাত আর উয্যার কসম কাটতে। তিনি বললেন, 'লাত, উয্যার নামে আমাকে কিছু বলতে বলবেন না। আল্লাহর কসম, এদেরকে আমি সবচেয়ে ঘৃণা করি। এখন আপনি আপনার প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারেন'। | সংখ্যায় বেশি হলেই কারও মত অনুসরণের যোগ্য হয় না। রাসূল-এর আশেপাশে বেশিরভাগই ছিল মূর্তিপূজারি। কিন্তু তিনি তা থেকে বের হয়ে এসেছিলেন। সুতরাং ভদ্রভাবে এবং অন্যের মতের প্রতি সম্মান রেখে নিজের বিশ্বাস প্রকাশ করুন। |
| চাচা-চাচী, চাচাতো ভাইবোনদের সাথে বসে ধীরে-সুস্থে খাবার খেতেন। গোগ্রাসে গিলতেন না। খাওয়া শেষ করেই হুটহাট উঠে যেতেন না। | কোনো কিছু নিয়ে অধৈর্য হবেন না। পীড়াপীড়ি করবেন না। ধৈর্য ধরুন। কিছু চাইতে হলে সুন্দর করে সম্মান রেখে চান। |
| ঘুম থেকে উঠে ঘুমকাতুরে চোখ আর উচ্ছৃঙ্খল হয়ে তিনি বের হতেন না। অন্যান্যদের সাথে দেখা করার আগে চোখমুখ ধুতেন। চুল আঁচড়াতেন। | ঘরে পরিবারের ভেতরেও নিজের অ্যাপিয়ারেন্সের খেয়াল রাখুন। |
মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার নিয়ে আবু তালিবের সুনাম ছিল। মক্কাবাসী তাকে বেশ শ্রদ্ধা করত। যদিও তার আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। আর গরিবদেরও সে সমাজে খুব একটা সম্মানের চোখে দেখা হতো না। আদি আরব ঘটনাপঞ্জিতে আছে, আবু তালিব আর উতবা ছাড়া গরিব কুরাইশদের মধ্যে কেউ শক্তিশালী ছিল না। টাকাপয়সা ছাড়াই এরা ক্ষমতাশালী হয়।
আবু তালিবের আবির্ভাব ছিল নিয়মের ব্যতিক্রম। তার নিষ্কলুষ নৈতিকতার কারণেই এমনটা হয়েছে। তার স্ত্রী, ছয় সন্তান এবং ভাতিজা মুহাম্মাদ-এর সাথে আচরণে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। টিনএজারদের জন্য শ্রদ্ধাপূর্ণ ব্যবহার খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাসূল যে এমন একটা পরিবেশ পেয়েছেন, তার কারণ আবু তালিব ব্যক্তি হিসেবে এমনই ছিলেন। তিনি রাসূল-কে কখনো মারধোর করেছেন, গালিবকা দিয়েছেন বা কাউকে নিয়ে ঠাট্টা করেছেন- এমনটা কল্পনা করা কঠিন। তার মতো সম্মানিত একজন ব্যক্তির পক্ষে এসব বেমানান।
একবার ভেবে দেখেন, এই চাচার বাসায় বড় না হয়ে তিনি যদি চাচা আবু লাহাবের ঘরে বড় হতেন, তাহলে কি তিনি একই আচরণ পেতেন? টিনএজ ছেলেমেয়ে ঘরে কতটা সম্মান পাবে, সেটা তার নিজের চেয়ে বেশি নির্ভর করে কারা তার দেখাশোনা করছে তার ওপর। চলুন দেখি, আবু তালিব কীভাবে রাসূল-এর এই বয়সটা ব্যবহার করেছেন, আর আপনি তা থেকে কী ফায়দা নিতে পারেন।
ভালোবাসার সাথে সম্মানও দরকার। রাসূল -এর পরিবার তাকে সর্বোচ্চ সম্মান করত। এটা তার বিশুদ্ধ ব্যক্তিত্ব গঠনে সাহায্য করেছে। যে কারণে তিনি ছোট বয়স থেকেই দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন। উনি কীভাবে দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন, আর আপনি তা থেকে কী ফায়দা নিতে পারেন চলুন দেখি-
| রাসূল-এর ব্যবহার | আপনার আচরণ |
| :--- | :--- |
| রাসূল তখন ১২ বছরের বালক। এক সন্ন্যাসী তাঁকে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য শর্ত দিলেন লাত আর উয্যার কসম কাটতে। তিনি বললেন, 'লাত, উয্যার নামে আমাকে কিছু বলতে বলবেন না। আল্লাহর কসম, এদেরকে আমি সবচেয়ে ঘৃণা করি। এখন আপনি আপনার প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারেন'। | সংখ্যায় বেশি হলেই কারও মত অনুসরণের যোগ্য হয় না। রাসূল-এর আশেপাশে বেশিরভাগই ছিল মূর্তিপূজারি। কিন্তু তিনি তা থেকে বের হয়ে এসেছিলেন। সুতরাং ভদ্রভাবে এবং অন্যের মতের প্রতি সম্মান রেখে নিজের বিশ্বাস প্রকাশ করুন। |
| চাচা-চাচী, চাচাতো ভাইবোনদের সাথে বসে ধীরে-সুস্থে খাবার খেতেন। গোগ্রাসে গিলতেন না। খাওয়া শেষ করেই হুটহাট উঠে যেতেন না। | কোনো কিছু নিয়ে অধৈর্য হবেন না। পীড়াপীড়ি করবেন না। ধৈর্য ধরুন। কিছু চাইতে হলে সুন্দর করে সম্মান রেখে চান। |
| ঘুম থেকে উঠে ঘুমকাতুরে চোখ আর উচ্ছৃঙ্খল হয়ে তিনি বের হতেন না। অন্যান্যদের সাথে দেখা করার আগে চোখমুখ ধুতেন। চুল আঁচড়াতেন। | ঘরে পরিবারের ভেতরেও নিজের অ্যাপিয়ারেন্সের খেয়াল রাখুন। |
মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার নিয়ে আবু তালিবের সুনাম ছিল। মক্কাবাসী তাকে বেশ শ্রদ্ধা করত। যদিও তার আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। আর গরিবদেরও সে সমাজে খুব একটা সম্মানের চোখে দেখা হতো না। আদি আরব ঘটনাপঞ্জিতে আছে, আবু তালিব আর উতবা ছাড়া গরিব কুরাইশদের মধ্যে কেউ শক্তিশালী ছিল না। টাকাপয়সা ছাড়াই এরা ক্ষমতাশালী হয়।
আবু তালিবের আবির্ভাব ছিল নিয়মের ব্যতিক্রম। তার নিষ্কলুষ নৈতিকতার কারণেই এমনটা হয়েছে। তার স্ত্রী, ছয় সন্তান এবং ভাতিজা মুহাম্মাদ-এর সাথে আচরণে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। টিনএজারদের জন্য শ্রদ্ধাপূর্ণ ব্যবহার খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাসূল যে এমন একটা পরিবেশ পেয়েছেন, তার কারণ আবু তালিব ব্যক্তি হিসেবে এমনই ছিলেন। তিনি রাসূল-কে কখনো মারধোর করেছেন, গালিবকা দিয়েছেন বা কাউকে নিয়ে ঠাট্টা করেছেন- এমনটা কল্পনা করা কঠিন। তার মতো সম্মানিত একজন ব্যক্তির পক্ষে এসব বেমানান।
একবার ভেবে দেখেন, এই চাচার বাসায় বড় না হয়ে তিনি যদি চাচা আবু লাহাবের ঘরে বড় হতেন, তাহলে কি তিনি একই আচরণ পেতেন? টিনএজ ছেলেমেয়ে ঘরে কতটা সম্মান পাবে, সেটা তার নিজের চেয়ে বেশি নির্ভর করে কারা তার দেখাশোনা করছে তার ওপর। চলুন দেখি, আবু তালিব কীভাবে রাসূল-এর এই বয়সটা ব্যবহার করেছেন, আর আপনি তা থেকে কী ফায়দা নিতে পারেন।
📄 কিশোর রাসূল ﷺ-এর সাথে আবু তালিব
তিনি যখন দেখলেন অন্যান্যদের মতো মুহাম্মাদ এক বসায় সব গোগ্রাসে গেলে না, তখন তিনি নিজে তাঁর জন্য আলাদা করে খাবার রেখে দিতেন। খাবারে বসার সময় তিনি তাঁকে সাথে নিয়ে বসতেন। বলতেন, 'তুমি আমাদের জন্য বারকাত'। রাসূল বসা না-পর্যন্ত তিনি ও তার পরিবারকে খাওয়া শুরু না-করতে বলতেন।
তিনি যখন দেখলেন অন্যান্যদের মতো মুহাম্মাদ এক বসায় সব গোগ্রাসে গেলে না, তখন তিনি নিজে তাঁর জন্য আলাদা করে খাবার রেখে দিতেন। খাবারে বসার সময় তিনি তাঁকে সাথে নিয়ে বসতেন। বলতেন, 'তুমি আমাদের জন্য বারকাত'। রাসূল বসা না-পর্যন্ত তিনি ও তার পরিবারকে খাওয়া শুরু না-করতে বলতেন।